ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সিলেটসহ উত্তরাঞ্চলের সাত জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার পূর্বাভাস


সিলেটসহ উত্তরাঞ্চলের সাত জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার পূর্বাভাস

কিছু নদ-নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় সিলেট ও উত্তরাঞ্চলের সাতটি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা হতে পারে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আভাস দিয়েছে।

কেন্দ্রের শনিবারের নিয়মিত বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে, কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এর ফলে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে আগামী ৭২ ঘণ্টায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা হতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

এই বুলেটিনে আরও বলা হয়েছে, তিস্তা নদী নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে, সুরমা নদী সুনামগঞ্জের মারকুলি পয়েন্টে, কুশিয়ারা নদী শেরপুর-সিলেট অংশের মৌলভীবাজার পয়েন্টে এবং সোমেশ্বরী নদী নেত্রকোনার কলমাকান্দা পয়েন্টে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর বিভাগের তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল আছে, তবে দুধকুমার নদীর পানি সমতল কমেছে, যা আগামী তিন দিন বাড়তে পারে।

এ কারণে আগামী ৭২ ঘণ্টায় এসব নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও গাইবান্ধা জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের অভ্যন্তরে সিলেট বিভাগে ভারি থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত এবং উজানে ভারতের মেঘালয় ও অরুণাচল প্রদেশে ভারি বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন উজানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় প্রদেশে আগামী পাঁচ দিন ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র আরও জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি সমতল বেড়েছে, যা আগামী পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

৩০ জুন থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদ ও যমুনা নদী কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলায় সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও প্লাবিত হতে পারে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

পূর্বাভাস কেন্দ্র জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল বেড়েছে, অন্যদিকে সুরমা নদীর পানি সমতল কমেছে, যা আগামী তিন দিনে বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন: হাসনাত আবদুল্লাহ: জনগণের বিরুদ্ধে অবৈধ সাম্রাজ্য রক্ষার দায়িত্ব পুলিশের নয়

এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের খোয়াই ও সোমেশ্বরী নদীর পানি সমতল বেড়েছে, অন্যদিকে মনু ও ধলাই নদীর পানি সমতল কমেছে। সারিগোয়াইন ও যাদুকাটা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল আছে, যা আগামী তিন দিন বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।

এ সময় সোমেশ্বরী নদী নেত্রকোনা জেলায় সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানে টানা তিন ভূমিকম্প, আতঙ্কে স্থানীয়রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৪ পি.এম


পাকিস্তানে টানা তিন ভূমিকম্প, আতঙ্কে স্থানীয়রা

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের কোহলু জেলায় শনিবার (২৭ জুন) আবারও ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। গত দুই দিনের মধ্যে এটি ওই অঞ্চলে আঘাত হানা তৃতীয় ভূমিকম্প বলে জানিয়েছে কোয়েটার ন্যাশনাল সিসমিক মনিটরিং সেন্টার (এনএসএমসি)।

সর্বশেষ ভূমিকম্পটির ছিল ৪ দশমিক ৩ মাত্রার। উৎপত্তিস্থল ছিল কোহলু থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তরে এবং ভূ-পৃষ্ঠের ১৫ কিলোমিটার গভীরে। তবে এখন পর্যন্ত এই ভূমিকম্পের ফলে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে, শুক্রবার একই এলাকায় দুটি পৃথক ভূমিকম্প আঘাত হানে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ সৃষ্টি করে এবং সম্ভাব্য আফটারশকের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।

আগের ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালীটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১। এতে অন্তত তিনজন আহত হন, যাদের মধ্যে একটি শিশুও আছে। এছাড়া, মুসাখেল জেলার কিংরি এলাকায় প্রায় ৭০টি বাড়ি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বলে জানিয়েছেন মুসাখেলের ডেপুটি কমিশনার আবদুল রাজ্জাক খাজাক।

এনএসএমসির তথ্য অনুযায়ী, ৫ দশমিক ১ মাত্রার ওই ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল কোহলু থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং এর গভীরতা ছিল ১৭ কিলোমিটার। এর কম্পন ঝোব, বারখান ও রাখনি এলাকায় অনুভূত হয়।

এর আগে চলতি মাসে লাহোর ও আশপাশের এলাকাতেও ৪ দশমিক ৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। ভূমিকম্পের ঘটনায় আতঙ্কিত মানুষ ঘরবাড়ি ও ভবন ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলের কাছে অবস্থান করায় পাকিস্তান ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ হিসেবে পরিচিত। গত কয়েক দশকে দেশটি একাধিক ভয়াবহ ভূমিকম্পের শিকার হয়েছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ৫ দশমিক ৮ মাত্রার একটি ভূমিকম্প ইসলামাবাদ, সোয়াত ও হুনজা অঞ্চলে অনুভূত হয়েছিল। আর ২০০৫ সালে আজাদ কাশ্মীরে সংঘটিত ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৭৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন এবং লাখো মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েন।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, পাকিস্তানের ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের দুর্গম ভৌগোলিক পরিবেশ ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমকে জটিল করে তোলে। তাই এসব এলাকায় আগাম প্রস্তুতি ও দুর্যোগ মোকাবিলা সক্ষমতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্যসূত্র: জিও নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক সাফল্যের প্রশংসা করেছেন বিরোধীদলের এমপিরাও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক সাফল্যের প্রশংসা করেছেন বিরোধীদলের এমপিরাও

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন জাতীয় সংসদের সরকার ও বিরোধীদলীয় সদস্যরা। সংসদ সদস্যরা উল্লেখ করেছেন যে, সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সঙ্গে পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে। তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।

শনিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ সদস্যরা (এমপি) এসব কথা বলেছেন। আলোচনার প্রস্তাব উত্থাপন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আলোচনায় অংশ নেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

প্রস্তাব উত্থাপন করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১৮ বছরের ফ্যাসিবাদের পর সরকার গঠনের মাত্র চার মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রীর এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি জানিয়েছেন, পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে।

তিনি আরও বলেছেন, চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে এবং চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, চীনের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এর আগে কোনো প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে গেলে বা দেশে ফিরলে রাস্তাঘাট বন্ধ করে বিশাল সংবর্ধনার আয়োজন করা হতো। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নিজ উদ্যোগে এই প্রথা বন্ধ করে দিয়ে রাজনীতিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

প্রস্তাব সমর্থন করে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা না নেওয়ার সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘বিরাট সাংস্কৃতিক পরিবর্তন’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

সফরের অর্থনৈতিক দিক তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের শ্রমবাজার, জ্বালানি ও বিনিয়োগের বড় স্বার্থ রয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার চীনের সঙ্গে অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের যে বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে, তা কীভাবে কমিয়ে রপ্তানি বাড়ানো যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

তিনি যোগ করেন, পারস্পরিক সম্মান, সমস্বার্থ, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং কৌশলগত স্বকীয়তার ওপর ভিত্তি করেই এই সফর অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী সেই ধারা অব্যাহত রেখে আগামীর বাংলাদেশের জন্য একটি মানদণ্ড স্থাপন করেছেন।

ট্রেজারি বেঞ্চ ও বিরোধী দলের সদস্যদের বক্তব্য শোনার পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। এ সময় সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে স্পিকারের বক্তব্যকে স্বাগত জানান।

স্পিকার আরও বলেছেন, এই সফরের ফলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা আরও সংহত হবে। এটি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও অত্যন্ত বলিষ্ঠ পদক্ষেপ।

তিনি বলেন, অতীতের অনেক সরকার দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো প্রচেষ্টা গ্রহণ না করলেও, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এই সাফল্যে দেশবাসী অত্যন্ত আশান্বিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড্রোন হামলা নিয়ে যা বলল বাহরাইন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৮ পি.এম


ড্রোন হামলা নিয়ে যা বলল বাহরাইন

শনিবার (২৭ জুন) ভোরে বাহরাইন, ইরানি ড্রোন হামলার জন্য তার ভূখণ্ডে চালানো তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং এই ঘটনাকে দেশটির সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন ও নাগরিক ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তার প্রতি হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

একটি বিবৃতিতে বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, এ হামলাটি রাজ্যের সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘনের উদাহরণ, বাহরাইনের নাগরিক ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তার জন্য সুস্পষ্ট হুমকি এবং বেসামরিক স্থাপনার ওপর হামলা ও বেসামরিক নাগরিকদের আতঙ্কিত করার জন্য আন্তর্জাতিক নিয়ম ও কনভেনশনের একটি স্পষ্ট লঙ্ঘন।

মন্ত্রণালয় এখানে আরো বলেছে যে, ইরান হামলা চালিয়েছে এমন এক সময়ে, যখন আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা উত্তেজনা প্রশমনের জন্য কাজ করছে।

এদিকে, হামলায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে মন্ত্রণালয় বলেছে যে এই ঘটনাটি বেসামরিক নাগরিকদের বিপন্ন করেছে এবং এটি আন্তর্জাতিক আইনের একটি গুরুতর লঙ্ঘন।

ইরান এর আগে ঘোষণা করেছিল যে তারা মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করেছে, কিন্তু লক্ষ্যবস্তুগুলো কোথায় তা জানিয়েছে কিনা তা জানান নি।

মন্ত্রণালয় মন্তব্য করেছে যে, দিনের শুরুতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা বেসামরিক মানুষের জীবন বিপন্ন করেছে এবং উত্তেজনা প্রশমনের আঞ্চলিক প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করেছে। মন্ত্রণালয়টি মানামার সার্বভৌমত্ব রক্ষার পূর্ণ ও বৈধ অধিকার পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং তেহরানকে জবাবদিহি করার জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

শুক্রবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল তাদের বাহিনী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও রাডার সাইটে হামলা চালিয়েছে, কিছু ঘণ্টা পরেই এই হামলাটি ঘটে। যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করেছে যে হরমুজ প্রণালী অতিক্রমকারী একটি বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য তেহরান দায়ী।

পরে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানায় যে, দেশের দক্ষিণে মার্কিন হামলার জবাবে তাদের নৌবাহিনী অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন সামরিক অবস্থানগুলোতে হামলা চালিয়েছে এবং উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে কঠোর জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।

তা সত্ত্বেও, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে স্বাক্ষরিত ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক কার্যকর হওয়ার পর এই ঘটনাগুলো ঘটছে, যা ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরের পর ১৮ জুন থেকে কার্যকর হয়েছে।

সূত্র: আনাদোলু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত তেলবাহী জাহাজ: ইউকেএমটিও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৮ পি.এম


হরমুজে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত তেলবাহী জাহাজ: ইউকেএমটিও

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে একটি তেলবাহী জাহাজ (ট্যাংকার) অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ তথ্য জানায় যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা।

যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) এক বিবৃতিতে জানায়, জাহাজটির ক্যাপ্টেইন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন যে, ট্যাংকারটি ‘অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইলের’ আঘাতে আক্রান্ত হয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, এই হামলায় জাহাজটির ব্রিজ (নিয়ন্ত্রণকক্ষ) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে জাহাজে থাকা সব নাবিক নিরাপদ রয়েছেন। রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ইউকেএমটিও আরও জানিয়েছেন, এ ঘটনায় সমুদ্রে তেল ছড়িয়ে পড়ার বা অন্য কোনো পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতির তথ্যও রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে। কী ধরনের প্রজেক্টাইল ব্যবহার করা হয়েছে, কারা হামলা চালিয়েছে এবং হামলার উদ্দেশ্য কী ছিল - এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে।

এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালীতে এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ, বৈশ্বিক বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। তাই ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%