সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৩৫ পি.এম
নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশবাড়ি এলাকায় মাদকবিরোধী কমিটি গঠন উপলক্ষে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৭ সেপ্টেম্বর বাঁশবাড়ি যুগান্তর ক্রিকেট ক্লাব ও এলাকার যুবসমাজের উদ্যোগে বাঁশবাড়ি মসজিদ এসপিজিআরসি কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দপুর মাদক নির্মূল কমিটির আহ্বায়ক, সাবেক জেলা ছাত্রদল সভাপতি ও বর্তমান জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হোসেন পাপ্পু। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নজরুল ইসলাম বুলবুল, আসমা মনি এবং এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সচেতন ব্যক্তিরা।
সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি। বক্তারা বলেন, মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর না করে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও যুবসমাজকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষভাবে তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আলোচনা সভায় ১৪ নম্বর ওয়ার্ডসহ আশপাশের এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধ, মাদকসেবীদের পুনর্বাসন এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
সভা শেষে এলাকার যুবসমাজ ও সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিরলে প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের নিয়ে একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে জেন্ডার সমতা উন্নতকরণের মাধ্যমে বঞ্চিত নারীদের ক্ষমতা শক্তিশালী করা প্রকল্পের সহযোগিতায় সোসাইটি ফর উদ্যোগের আয়োজনে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনের প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন, ওসি (তদন্ত) আনিছুর রহমান সরকার, ডেন্টাল সার্জন সাদ্দাম হোসেন, সমবায় অফিসার হাফিজুর রহমান, মহিলা বিষয়ক অফিসার রুনা পারভীন, যুব উন্নয়ন অফিসার মাহফুজার রহমান।
এছাড়া প্রাণি সম্পদ অফিসের প্রতিনিধি ইসরাফিল হোসেন, প্রকল্প কর্মকর্তা মাহফুজ আলম, উদ্যোগের প্রকল্প কর্মী আলিমা বেগম, জেসমিন ফেরদৌস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কেমিস্টস এন্ড ড্রাগিস্টস সমিতির কেন্দ্রীয় পরিচালক এবং উত্তরবঙ্গের পরিচিত মুখ, নীলফামারী থেকে প্রকাশিত ‘সাপ্তাহিক নীলচোখ’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হাকীম মোস্তাফিজুর রহমান সবুজের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি চীন সফর সম্পন্ন করে দেশে ফিরে এসেছে।
একটি সাক্ষাৎকারে হাকীম সবুজ জানান, তাঁরা চীনের কৃষি ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার অভূতপূর্ব অগ্রগতি প্রত্যক্ষ করেছেন। সফরের সময় প্রতিনিধি দলটি চীনের শেনইয়াং প্রদেশের পাহাড়ি এলাকা পরিদর্শন করেন। সেখানে দেখা যায়, একসময় যা ছিল শুষ্ক বা দুর্গম পাহাড়, চীনা প্রযুক্তি ও সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে তা আজ বিশাল অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত হয়েছে। পাহাড়ি ঢালে সারিবদ্ধভাবে গড়ে তোলা হয়েছে আপেল, নাশপাতি, কমলাসহ বিভিন্ন সুস্বাদু ও বৈচিত্র্যময় ফলের বাগান। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সেই বাগান পরিদর্শন করে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
প্রতিনিধি দলের প্রধান হাকীম মোস্তাফিজুর রহমান সবুজ তাঁর অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, “চীন কীভাবে পাহাড়কে কাজে লাগিয়ে সম্পদে পরিণত করেছে, তা স্বচক্ষে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। সেখানে প্রকৃতিকে ধ্বংস না করে সুপরিকল্পিতভাবে ফল চাষের মাধ্যমে অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটানো হয়েছে।
একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “চীন যেখানে পাহাড়কে অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করেছে, সেখানে আমরা পাহাড়ী ও বাঙালীদের মধ্যে কৃত্রিম বৈষম্য ও সংঘাত বজায় রেখেছি। বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে পর্যটন ও কৃষির যে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, তা কাজে লাগানোর বদলে আমরা অনৈক্যের সৃষ্টি করে রেখেছি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আমাদের দেশের এই অভ্যন্তরীণ বিভেদ ও দুর্বল সুযোগটি কাজে লাগিয়ে প্রতিবেশী দেশ পাহাড়ি গোষ্ঠীগুলোকে ইন্ধন যোগাচ্ছে এবং অস্ত্র সরবরাহ করছে। আমাদের সম্ভাবনাময় পাহাড়ি অঞ্চলকে সবসময় অশান্ত ও উত্তপ্ত রাখার পায়তারা চালানো হচ্ছে, যাতে এই অঞ্চলের সম্ভাবনা ভেস্তে যায়।
সচেতন মহলের মতে, চীনের শেনইয়াং প্রদেশের মতো বাংলাদেশও যদি পাহাড়ি অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সেখানে আধুনিক ফল চাষ, কৃষিভিত্তিক শিল্প ও পর্যটন প্রসার করতে পারে, তবে পার্বত্য অঞ্চল দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে। এজন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বৈষম্য দূরীকরণের পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তার দিকে কঠোর নজর দেওয়া জরুরী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রীমঙ্গলে একটি বাসার বারান্দা থেকে বিষাক্ত শঙ্খিনী (শাঁখামুটি) সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে, শ্রীমঙ্গল হাউজিং স্টেট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে কাওসার মিয়ার বাসার বারান্দায় সাপটি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। পরে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে সাপটির উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়।
সাপটি দেখে বাসার লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এরপর কাওসার মিয়া বিষয়টি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে জানান। খবর পেয়ে, বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল এবং পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি দেখতে পান। তাঁরা সাপটিকে শঙ্খিনী (শাঁখামুটি) হিসেবে শনাক্ত করেন।
পরে সাপটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শ্রীমঙ্গল বন্যপ্রাণী বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন মন্তব্য করেছেন যে, শিক্ষার মানোন্নয়ন, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধিতে পারস্পরিক সহযোগিতা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি বৃহস্পতিবার রাতে সিলেট সার্কিট হাউজে বর্ণির ছাহেবজাদা মাওলানা মো. আব্দুল আলীমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই কথা বলেন।
এর আগে, বর্ণির ছাহেবজাদা মাওলানা মো. আব্দুল আলীম ভিসি এবং তার সফরসঙ্গীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা প্রদান করেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইআবির ঢাকার প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. শহীদুল আলম এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি), কুষ্টিয়ার ট্রেজারার ড. ইদ্রিস আলী। তাদেরকে স্বাগত জানান হবিবপুর ও কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আব্দুল হাকীম, চান্দগ্রাম এইউ ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মস্তাক আহমেদ চৌধুরী এবং ইসলাহুল বানাত ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা রহমত আলী হেলালী।
এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন বলেন, “সিলেটে এসে এমন আন্তরিক অভ্যর্থনা পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও অভিভূত।” তিনি অভ্যর্থনা জানানো সকলকে ধন্যবাদ জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ