ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন নির্যাতনের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানালেন ড. মির্জা গালিব


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন নির্যাতনের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানালেন ড. মির্জা গালিব

যদি কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ছাত্র বা ছাত্রী শারীরিক বা যৌন নির্যাতনের শিকার হন, তাহলে অভিযোগ আসার সঙ্গে সঙ্গে তার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া আবশ্যক। যদি ঘটনা সত্য প্রমাণিত হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষী হন, তাহলে তার জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। অভিযোগের তদন্ত কিভাবে হবে এবং কে করবে, সেই বিষয়ে সুস্পষ্ট নিয়ম থাকা প্রয়োজন।

বাংলাদেশি গবেষক ও শিক্ষাবিদ ড. মির্জা গালিব সোমবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এই বিষয়গুলো তুলে ধরেন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড ইউনিভার্সিটির রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।

তিনি তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, ‘এই কথা স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা—সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্যই সমভাবে প্রযোজ্য। তবে, মাদ্রাসা দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হওয়ায়, মাদ্রাসার ক্ষেত্রে এই ধরনের অভিযোগ আসলে ইসলামপন্থি সকল মানুষের দায়দায়িত্ব অন্যদের তুলনায় বেড়ে যায়। ইসলাম শুধু মুসলমানদের মুক্তির জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবতার মুক্তির জন্য এসেছে। ইসলামী রাজনীতির ধারণা সেকুলার সিস্টেমের শোষণ নিপীড়নের বিপরীতে ইসলামী সিস্টেম মানুষের মুক্তির পথকে সুগম করতে পারে—এই ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আছে। আর যদি ইসলামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থী নির্যাতনের শিকার হন এবং এরপর ন্যায়বিচার না পান, তাহলে এর চাইতে দুঃখজনক কিছু হতে পারে না।

আরও পড়ুন: জাবিতে মুক্তিযোদ্ধা মানিকের স্মরণে শিক্ষার্থীদের মোমবাতি প্রজ্বালন

যেকোনো নির্দিষ্ট অভিযোগ সত্য না মিথ্যা, সেই আলোচনায় না গিয়েও বলা যায় যে, বাংলাদেশের মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থায় এই ধরনের অভিযোগের তদন্ত এবং বিচারের জন্য একটি কার্যকর সিস্টেম নেই। অথচ বাংলাদেশের মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থায় অনেক বড় বড় আলেম আছেন এবং দেশে অনেক ইসলামি রাজনৈতিক দল রয়েছে। তাই, যদি আপনারা সবাই মিলে ইসলাম শেখার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে না পারেন, তাহলে মানুষ কেন বিশ্বাস করবে যে আপনারা যে ধর্ম প্রচার করেন এবং যে রাজনীতি করেন, তা মানুষের মুক্তির জন্য কার্যকর হবে?

ইউসুফ (আ.)কে মিশরের রাজা জেলখানা থেকে বের করে এনে ক্ষমতা দিয়েছিলেন, কারণ তিনি রাজার স্বপ্ন ব্যাখ্যা করে বলেছিলেন যে, সাত বছর পরে মিশরে দুর্ভিক্ষ হবে। এবং সেই দুর্ভিক্ষের সময় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে যাবতীয় ব্যবস্থা কিভাবে করতে হবে, তার বিস্তারিত গাইডলাইনও তিনি দিয়েছিলেন।

দুনিয়াতে ফিতনা ফ্যাসাদ তৈরি না করে মানুষের সমাজে কিভাবে ইনসাফ কায়েম হবে এবং কিভাবে মানুষের বাস্তব সমস্যার সমাধান হবে—সেই বিষয়গুলো দেখানোই নেতৃত্বের মূল কাজ। ঘরের সমস্যা সমাধান না করতে পারলে, সমাজ ও রাষ্ট্রের সমস্যা সমাধান কিভাবে হবে?

ইসলামপন্থি সকল রাজনৈতিক দল এবং দেশের সম্মানিত আলেমগণ—আপনারা মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ এবং শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে এখনই সিরিয়াস হন। এখন আর দেশ আওয়ামী লীগ চালায় না, আপনাদেরকে কেউ মার্জিনালাইজড করে রাখে না। সমস্যাকে উপেক্ষা করবেন না, অস্বীকার করবেন না, বরং সমস্যাকে স্বীকার করুন, কারণ আইডেন্টিফাই করুন, সমাধান করুন এবং সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট করুন। নিজেদের সততা এবং সক্ষমতা জাতিকে দেখান।

আরও পড়ুন: চুয়েটে ৩৬ দিন পর বুধবার থেকে ক্লাস শুরু, বিভাগের প্রধানরা নিশ্চিত নন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিয়াদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি জানালো হুতি বিদ্রোহীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৬ পি.এম


রিয়াদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি জানালো হুতি বিদ্রোহীরা

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে যে, সউদী আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। একইসঙ্গে, পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে অপরিশোধিত তেল পরিবহনের পাইপলাইনের পাম্পিং স্টেশনগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার কথাও জানিয়েছে গোষ্ঠীটি। তবে সউদী কর্তৃপক্ষ হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা এর প্রভাব সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত করেনি।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এসব দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, রিয়াদের বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এছাড়া, সউদী আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পরিবহন পাইপলাইনের পাম্পিং স্টেশনগুলোতে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

এর আগে সউদী নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছিল যে, রিয়াদ অভিমুখে হুতিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। জোটের মুখপাত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইয়েমেনের রাজধানী সানায় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের দুটি স্থাপনাও ধ্বংস করা হয়েছে।

হুতিরা পূর্বে রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়াও সউদী আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খামিস মুশাইত শহরে কিং খালেদ বিমানঘাঁটি এবং জাজানের একটি নৌঘাঁটিতে হামলার দাবি জানিয়েছিল। তবে বিমানবন্দর, তেল পরিবহনের অবকাঠামো ও সামরিক স্থাপনাগুলোতে সর্বশেষ হামলার দাবির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এবং ক্ষয়ক্ষতির তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

হুতিরা দাবি করেছে যে, আগের ২৪ ঘণ্টায় সউদী নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় ৫৬টি বিমান হামলা চালিয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, হোদেইদা, লাহিজ, আমরান, সাদা, আল-জাওফ, তাইজ ও ইব প্রদেশে এসব হামলা চালানো হয়। তথ্যসূত্র: রয়টার্স, আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিত তৃতীয় এলসিটি নদীতে ভাসানো হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৭ পি.এম


খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিত তৃতীয় এলসিটি নদীতে ভাসানো হলো

খুলনা শিপইয়ার্ড বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য ৩টি এলসিটি নির্মাণের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। সম্প্রতি, এ বহরের তৃতীয় ও শেষ নৌযানটির নির্মাণকাজ শেষ করে রূপসা নদীতে ভাসানোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (ম্যাটেরিয়াল) রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মাকসুদ আলম-বিএন। অনুষ্ঠানে খুলনা শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং নৌবাহিনী ও শিপইয়ার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রায় ২৪৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৪৫ ফুট প্রস্থের এই সমর নৌযানটি সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর উভচর (এম্ফিবিয়াস) অভিযানে ৩শ’রও বেশি সামরিক সদস্য পরিবহনের পাশাপাশি ৬টি ট্যাংক, ১২টি সাঁজোয়া যান (এপিসি) অথবা ১৮টি সামরিক যান বহন করতে সক্ষম। নৌযানটি সেনা ও নৌবাহিনীর উভচর অভিযানে বিশেষ বাহিনী পরিবহনসহ উপকূলীয় দ্বীপাঞ্চলে ভারী সমর সরঞ্জাম স্থানান্তরেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে শিপইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ আশা করছে।

কানাডার ডিজাইন হাউসের নকশায় এএইচ স্টিল মেটেরিয়ালে নির্মিত এই সমর নৌযানটিতে ৩,০০৪ অশ্বশক্তির আমেরিকার দুটি ক্যাটারপিলার মূল ইঞ্জিন সংযুক্ত করা হয়েছে। জানা গেছে, এই সমর নৌযানটি ১,৫০৫ টন পানি অপসারণ করে ঘণ্টায় প্রায় ২৮ কিলোমিটার গতিতে চলতে সক্ষম। অত্যাধুনিক এই সমর নৌযানটিতে ফ্রান্সের ৩৪০ কেভিএ ক্ষমতার দুটি জেনারেটরও স্থাপন করা হয়েছে।

এ সমর নৌযান ৩টি নির্মাণের জন্য সামরিক ক্রয় পরিদপ্তরের সঙ্গে খুলনা শিপইয়ার্ডে ২০২২ সালের ১ জুন চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী চলতি বছরের ৩১ জুন নৌযান ৩টির নির্মাণ সম্পন্ন করার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারিত ছিল। খুলনা শিপইয়ার্ড নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব সমর নৌযানের নির্মাণ সম্পন্ন করে ইতোমধ্যে ২টি এলপিসি সরবরাহের পর গত শনিবার তৃতীয় ও শেষটির লঞ্চিংয়ের মাধ্যমে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেছে।

নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন খুলনা শিপইয়ার্ড ইতোমধ্যে যুদ্ধজাহাজসহ ৮ শতাধিক বিভিন্ন ধরনের নৌযান নির্মাণ করেছে এবং ড্রেজারসহ প্রায় ৩ হাজার নৌযানের মেরামত কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। দেশের মাটিতে প্রথম যুদ্ধজাহাজ হিসেবে ৫টি প্যাট্রোল ক্রাফট এবং ২টি লার্জ প্যাট্রোল ক্রাফট নির্মাণের পাশাপাশি চীনা কারিগরি ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘সিএসওসি’র সহযোগিতায় আরও ৫টি প্যাট্রোল ক্রাফট নির্মাণ করেছে খুলনা শিপইয়ার্ড। বর্তমানে ইয়ার্ডটিতে বিআইডব্লিউটিএ’র জন্য ৪টি ড্রেজার নির্মাণকাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অতীতের ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠানটি মোংলা, পায়রা ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের জন্য একাধিক নৌযানের নির্মাণ কাজ অব্যাহত রেখেছে।

১৯৯৯ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ নৌবাহিনী খুলনা শিপইয়ার্ডের দায়িত্ব গ্রহণের পর, প্রায় ১৮০ কোটি টাকার দায়দেনা ও লোকসানের বোঝা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সততা ও দক্ষতার কারণে কখনো লোকসানের মুখে পড়েনি। এমনকি করোনাকালীন দুর্যোগের সময়ও প্রতিষ্ঠানটি মুনাফা অর্জন করেছে। খুলনা অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ করদাতার সম্মানও প্রতিষ্ঠানটি একাধিকবার অর্জন করেছে।

১৯৫৭ সালে তৎকালীন পশ্চিম জার্মানির সহায়তায় পূর্ব পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন করপোরেশন-এর মালিকানায় খুলনা শিপইয়ার্ডের যাত্রা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে জার্মান ও যুক্তরাজ্যের যৌথ ব্যবস্থাপনায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হলেও স্বাধীনতার পর বিএসইসির ব্যবস্থাপনায় কিছু সময় লাভজনকভাবে পরিচালিত হয়। পরবর্তীতে অব্যাহত লোকসানে শিপইয়ার্ডটি বন্ধ ঘোষণা করে বিরাষ্ট্রীয়করণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। কয়েকবার বিক্রির চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি। ১৯৯৯ সালে সরকার প্রতিষ্ঠানটি নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

চীনা কারিগরি সহায়তায় খুলনা শিপইয়ার্ডে ইতোমধ্যে একটি অত্যাধুনিক রাবার ফ্যাক্টরি গড়ে তোলা হয়েছে। এই ফ্যাক্টরির মাধ্যমে রাবার আইটেম তৈরির জন্য নিজস্ব ডিজাইন হাউস, মোল্ড ফেব্রিকেশনের জন্য অত্যাধুনিক সিএনসি মেশিন, প্রোডাকশনের জন্য রোলিং, নিডার এক্সট্রুডার মেশিন, ফেব্রিক্সযুক্ত রাবার শিট প্রস্তুতের জন্য ক্যালেন্ডার মেশিন, মেটালযুক্ত রাবার আইটেম প্রসেসিংয়ের জন্য ব্লাস্টিং মেশিন, ভালকানাইজিংয়ের জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন হাইড্রোলিক প্রেসসহ সব ধরনের যন্ত্রপাতি সংযোজন করা হয়েছে। এছাড়া সেমি ফিনিশড রাবার প্রোডাক্ট ও ফিনিশড প্রোডাক্টসমূহের সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিতকরণে বিভিন্ন ধরনের টেস্ট ইকুইপমেন্টসহ পূর্ণাঙ্গ একটি ‘রাবার টেস্ট ল্যাব’ও স্থাপন করা হয়েছে। ফলে এ ফ্যাক্টরিটি ইতোমধ্যে বিশ্বমানের একটি মেরিন রাবার উৎপাদন প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে মোংলা বন্দরের জেটির জন্য সফলতার সাথে ‘রাবার ফেন্ডার’ উৎপাদন ও সংযোজন করেছে।

খুলনা শিপইয়ার্ড দেড় হাজার কোটি টাকারও বেশি সম্পূর্ণ দেশীয় তহবিলে শরীয়তপুরের নড়িয়া ও বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুটি প্রকল্প সফলতার সাথে বাস্তবায়ন করেছে। পাশাপাশি সমাজসেবা অধিদপ্তরের জন্যও শিশু পরিবারের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। রাজবাড়ীতে পদ্মা নদীর ভাঙন রোধ এবং কুষ্টিয়ার গড়াই নদী খনন কাজও সফলতার সাথে সম্পন্ন করেছে খুলনা শিপইয়ার্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালিয়াকৈরে দেয়াল ধসে পোশাকশ্রমিক আছিয়া আক্তারের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৮ পি.এম


কালিয়াকৈরে দেয়াল ধসে পোশাকশ্রমিক আছিয়া আক্তারের মৃত্যু

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এক পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে, যার নাম আছিয়া আক্তার (৩০)।

এটি ঘটেছে রোববার উপজেলার নিশ্চিন্তপুর এলাকায়।

আছিয়া আক্তার, যিনি কালিয়াকৈর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর এলাকার আনোয়ার হোসেনের কন্যা, স্থানীয় ইকোটেক্স কারখানায় সেলাই অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার মৌচাকের নিশ্চিন্তপুর এলাকায় সৈয়দ সুলতান শাহ নামক এক ব্যক্তির মাটির ঘরের টিন পাল্টানোর কাজ চলছিল। টিন পাল্টানোর সময় হঠাৎ করে ওই ঘরের এক পাশের মাটির দেয়াল পাশের বাড়ির রান্নাঘরের ওপর পড়ে যায়। এ সময় রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন আছিয়া আক্তার। দেয়ালের নিচে চাপা পড়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আনিসুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই গুরুতর আহত অবস্থায় ওই নারীকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ২১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৯ পি.এম


ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ২১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচনী এলাকায় ২১ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবি সদস্যরা গত ২৫ অক্টোবর থেকে নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন।

ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের অন্তর্ভুক্ত তিনটি উপজেলা, ২২টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভায় এই বিজিবি সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। তারা দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন।

নির্বাচনী এলাকার নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি, বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার এবং ড্রোনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো পর্যবেক্ষণ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যা প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।

বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভোটাররা যেন নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। সকল প্রার্থী যেন সমান সুযোগ পান এবং নির্বাচনী আচরণবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ হয়, সেই বিষয়েও নজর রাখা হচ্ছে। নির্বাচনের সময় যেকোনো বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা কিংবা জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবি সতর্ক রয়েছে।

এছাড়া সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও টহল কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। চোরাচালান, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাহিনীটি কাজ করছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরো জানানো হয়েছে, সংবিধান, প্রচলিত আইন ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করে বিজিবি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে স্থানীয় জনগণ, রাজনৈতিক দলের নেতা, প্রার্থী, প্রশাসন, অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%