ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিএনপি সরকারের পক্ষেই এই বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব


বিএনপি সরকারের পক্ষেই এই বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব

জাতীয় সংসদে বক্তব্য রেখে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ বলেছেন, বিরোধী রাজনৈতিক দল এই বাজেটকে দিবাস্বপ্ন এবং চ্যালেঞ্জের বাজেট বলে উল্লেখ করছে। কিন্তু আসলে এই বাজেট কোন দিবাস্বপ্ন নয়, এটি বাস্তব বিষয়। সত্যিকার অর্থে, এটি বিএনপি সরকারের পক্ষেই বাস্তবায়ন সম্ভব।

শনিবার, জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনা করার সময় তিনি এসব মন্তব্য করেন। সকাল সাড়ে ১০টায় অধিবেশনটি শুরু হয় এবং স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর সভাপতিত্বে এগিয়ে চলে।

তিনি আরো বলেন, এটি একটি চ্যালেঞ্জিং বাজেট। কিন্তু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মরহুম বেগম খালেদা জিয়া যেভাবে বিভিন্ন বিষয়কে চ্যালেঞ্জ করে নিয়েছেন, তারই ধারায় ভঙ্গুর অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান।

আরও পড়ুন: জলবায়ু পরিবর্তনকে ‘বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করতে আহ্বান ল্যানসেটের

শামা ওবায়েদ উল্লেখ করেন, এই বাজেট নারীর ক্ষমতায়নের জন্য সহায়ক। এটি প্রত্যেকের জন্য একটি নারীবান্ধব বাজেট, যে বাজেট নারীর ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্য সামনে রেখেছে, সেটি ব্যর্থ হতে পারে না। এতে যুবশক্তিকে নতুনভাবে গড়ে তোলার বিষয়টি উঠে এসেছে।

তিনি আরো জানান, কৃষকদের জন্য কৃষিঋণ মওকুফ, স্বাস্থ্য কার্ড চালু, শিক্ষায় মিড ডে মিল প্রবর্তন, ফ্যামিলি কার্ড চলমান রাখা এবং স্থানীয় সরকারের উন্নয়নের জন্য বিশাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসব কারণেই এটি জনবান্ধব বাজেট। এটি ব্যবসায়ীদের বাজেট বা গরিব মারার বাজেট নয়, বরং এটি গরিবদের রক্ষার বাজেট।

জুলাইযোদ্ধাদের জন্য বাজেট বরাদ্দ রাখা একটি ভালো উদ্যোগ হলেও, গত ১৭ বছরে যারা নির্যাতিত হয়েছেন, তৃণমূল দরিদ্র মানুষের জন্যও বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: মাওয়া প্রান্তে পদ্মায় গোসলে নেমে নিখোঁজ রাসেলের মরদেহ উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামলা না থামলে সমঝোতা স্মারক স্থগিতের হুঁশিয়ারি তেহরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


হামলা না থামলে সমঝোতা স্মারক স্থগিতের হুঁশিয়ারি তেহরানের

ইরান সতর্ক করেছে যে, যদি যুক্তরাষ্ট্রের হামলা অব্যাহত থাকে, তাহলে দুই পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক স্থগিত করা হবে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরসিজি) এ সম্পর্কে এক বিবৃতিতে সতর্কবার্তা দিয়েছে।

আইআরজিসি উল্লেখ করেছে ইসলামাবাদের সাথে সমঝোতার পঞ্চম দফার কথাও। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে ইরানের হাতে রয়েছে। আর এখন থেকে লঙ্ঘনকারী জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে আরো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্র যদি তার আগ্রাসন অব্যাহত রাখে, তাহলে ইরান আরো কঠোরভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে।

এতে আরো বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই বিষয়টি মনে রাখা উচিৎ যে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করা সমঝোতা স্মারকের পরিপন্থি। এ কারণে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি স্থগিত হয়ে যাবে।

ইরানের এই অনমনীয় অবস্থানের ফলস্বরূপ, দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বর্তমানে গভীর সংকটে পড়ে গেছে। ১৭ জুন দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও এই সংঘাতের কারণে ওই যুদ্ধবিরতি চুক্তি এখন সম্পূর্ণরূপে ভেস্তে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যে কারণে মায়ের পরিচয় প্রকাশ করেন না কিম জং উন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ এম


যে কারণে মায়ের পরিচয় প্রকাশ করেন না কিম জং উন

 

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনকে ঘিরে থাকা শত রহস্যের মধ্যে সবচেয়ে বড় একটি গোপন বিষয় হলো তার মায়ের পরিচয়। গত ১৫ বছরের শাসনামলে কিম একবারও জনসমক্ষে নিজের শেষ নাম উচ্চারণ করেননি।

 

উত্তর কোরিয়ার কট্টর সমাজব্যবস্থায় এই পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাওয়া কিম রাজবংশের টিকে থাকার জন্য একটি বিরাট হুমকি বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।

 

উত্তর কোরিয়ার একনায়কতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো ‘মাউন্ট প্যাকতু’ বা প্যাকতু পর্বতের পবিত্র রক্তধারা। দেশের পৌরাণিক বিশ্বাস ও প্রচারণায় বলা হয়, এই বংশধারা সম্পূর্ণভাবে বিশুদ্ধ। কিম জং উন কোন বড় অর্জন ছাড়াই কেবল এই বংশপরিচয়ের কারণেই তরুণ বয়সে ক্ষমতার উত্তরাধিকারী হন।

 

তবে বাস্তবে চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। কিমের মা কো ইয়ং হুই উত্তর কোরিয়ার পবিত্র মাটির কেউ ছিলেন না। তিনি ১৯৫২ সালে জাপানের ওসাকা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা-মা ছিলেন বর্তমান দক্ষিণ কোরিয়ার জেজু দ্বীপের বাসিন্দা।

 

১৯১০ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত জাপানি ঔপনিবেশিক শাসনের সময় তারা জাপানে চলে যান এবং সেখানে ‘জাইনিচি কোরিয়ান’ (জাপানের বাসিন্দা কোরীয়) হিসেবে পরিচিত হন।

 

কো ইয়ং হুই-এর বয়স যখন ১০ বছর, তখন একটি পুনর্বাসন প্রকল্পের প্রলোভনে তার পরিবার উত্তর কোরিয়ায় চলে আসে। উত্তর কোরিয়ার কঠোর সামাজিক শ্রেণীবিভাগে এই ধরনের ফিরে আসা অভিবাসীদের ‘জ্যায়েপো’ বা বিদেশি মতাদর্শে কলুষিত দল হিসেবে নিচু চোখে দেখা হত। তারা সব সময় কড়া নজরদারির আওতায় থাকতেন এবং ভালো চাকরি বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেতেন না। শাসকগোষ্ঠীর নিয়ম অনুযায়ী, একজন ‘জ্যায়েপো’র সন্তান দেশের সর্বোচ্চ নেতা হওয়া সম্পূর্ণ অকল্পনীয়।

 

তবে কিমের জন্য তার রূপ ও নৃত্য দক্ষতার কারণে কো দেশটির তৎকালীন নেতা কিম জং ইলের নজর কাড়েন। কিম জং ইল তার প্রেমে পড়েন এবং তাদের ঘরে তিনটি সন্তান জন্ম নেয়, যার মধ্যে কিম জং উন একজন। কিন্তু উত্তর কোরিয়ায় বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক বড় সামাজিক কলঙ্ক হওয়ার কারণে কো এবং তার সন্তানদের রাজধানী পিয়ংইয়ং থেকে দূরে ওনসান শহরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। কিম জং ইলের বাবা, দেশের প্রতিষ্ঠাতা কিম ইল সুং বেঁচে থাকাকালীন কো-কে কখনোই পুত্রবধূ হিসেবে স্বীকৃতি দেননি।

 

২০০৪ সালে প্যারিসের একটি হাসপাতালে স্তন ক্যান্সারে মারা যান কো। তার মৃত্যুর পর এবং কিম জং ইলের অন্য উপপত্নীদের সন্তানদের নানা বিতর্কের কারণে কিম জং উনের ভাগ্য খোলে। কিমের সৎ বড় ভাই কিম জং নাম বিলাসবহুল জীবন এবং সরকারবিরোধী মতামতের কারণে উত্তরাধিকার থেকে বাদ পড়েন, যিনি পরবর্তীতে ২০১৭ সালে মালয়েশিয়ায় বিষপ্রয়োগে নিহত হন। মেজো ভাই কিম জং চুল তীব্র আফিম আসক্তির কারণে বাদ পড়েন। ফলে কিম জং উন ২০১১ সালে বাবার মৃত্যুর পর ক্ষমতার শীর্ষে বসেন।

 

কিম জং উন তার বোন কিম ইয়ো জং-কে ক্ষমতার বড় কোনো দায়িত্ব দিলেও, নিজের মায়ের পরিচয় আড়াল করতে সবসময় সচেষ্ট থাকেন। এমনকি তার নিজের জন্মদিনকেও জাতীয় ছুটির দিন ঘোষণা করা হয়নি, কারণ তা হলে তার শৈশব ও মায়ের ইতিহাস সামনে চলে আসতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, মায়ের নিচু সামাজিক শ্রেণির ঘাটতি ঢাকতেই কিম জং উন ক্ষমতার পরপরই দ্রুত নিজের স্ত্রী রি সোল জু ও কন্যা জু এ-কে জনসমক্ষে নিয়ে আসেন, যা উত্তর কোরিয়ার ইতিহাসে বিরল। উত্তর কোরিয়ার সাবেক কূটনীতিক রিউ হিউন-উ তার এক বইয়ে লিখেছেন, ‘যদি কখনো প্রকাশ পায় যে কিমের মা জাপানে বসবাসকারী নিচু শ্রেণির কোরিয়ান ছিলেন, তবে তা দেশটির বংশানুক্রমিক শাসনব্যবস্থাকে গোড়া থেকে নাড়িয়ে দেবে। উত্তর কোরিয়ার সমাজের ওপর এর প্রভাব হবে একটি পারমাণবিক বোমার মতো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সুবিধা দ্রুত দিতে সরকার আন্তরিক: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ এম


অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সুবিধা দ্রুত দিতে সরকার আন্তরিক: শিক্ষামন্ত্রী

সংসদ ভবন, ২৮ জুন, ২০২৬ : শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধা দ্রুত প্রদানে অত্যন্ত আন্তরিক।

আজ তিনি জাতীয় সংসদে গাইবান্ধা-৫ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. আব্দুল ওয়ারেছের টেবিলে উপস্থাপিত তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডে প্রায় ৬৭ হাজার আবেদন অনিষ্পন্ন রয়েছে। একজন শিক্ষক বা কর্মচারী গড়ে প্রায় ১৩ লাখ টাকা অবসর ভাতা পেয়ে থাকেন। এইসব আবেদন নিষ্পত্তির জন্য প্রায় ৮ হাজার ৭১০ কোটি টাকা প্রয়োজন, কিন্তু বর্তমানে অবসর তহবিলে জমা রয়েছে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এর ফলে প্রায় ৭ হাজার ৪১০ কোটি টাকার অর্থঘাটতি হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টে ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে চলতি বছরের ২১ জুন পর্যন্ত প্রায় ৪৫ হাজার আবেদন অনিষ্পন্ন রয়েছে।

এসব আবেদন নিষ্পত্তির জন্য এককালীন বরাদ্দ হিসেবে প্রায় ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা প্রয়োজন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের আর্থিক সংকট নিরসনে সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

একই সঙ্গে আবেদন নিষ্পত্তির গতি বাড়াতে সফটওয়্যার পুনরায় চালুকরণ, জনবল বৃদ্ধি, অনলাইন কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং আইবাস প্লাস প্লাসের মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাবে অর্থ প্রেরণের ব্যবস্থাও নেয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওঝার ঝাড়ফুঁকের পর অ্যান্টিভেনম না নেওয়ায় কিশোরের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫২ এম


ওঝার ঝাড়ফুঁকের পর অ্যান্টিভেনম না নেওয়ায় কিশোরের মৃত্যু

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সাপের ছোবলে মো. রাফসান শেখ (১৬) নামের একজন কিশোরের মৃত্যু ঘটে। জানা গেছে, হাসপাতালের সময়মতো না নিয়ে ওঝা দিয়ে ঝাড়ফুঁক করে সুস্থ করার চেষ্টা করায় তার মৃত্যু ঘটে।

রবিবার (২৭ জুন) ভোর রাতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে রাফসানের মৃত্যু ঘটে। রাফসান শেখ উপজেলার গুণবহা ইউনিয়নের অমৃত নগর চরপাড়া গ্রামের মো. লিটন শেখের ছেলে।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ৯টার দিকে রাফসান প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাথরুমে যায়। বাথরুম থেকে ফেরার পথে সাপে তার ছোবল দেয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা পার্শ্ববর্তী ঘোষপুর ইউনিয়নের কানু মিনা নামে এক ওঝাকে এনে ঝাড়ফুঁক করিয়ে সুস্থ করার চেষ্টা করেন। রাত ৪টার দিকে তার অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে তাকে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে ভোরে তার মৃত্যু ঘটে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য এনায়েত হোসেন বলেন, গত ১৫ দিন আগে রাফসান শেখকে তাদের পুকুর পাড়ে সাপে ছোবল দেয়। তখন ওঝা কানু মিনাকে এনে ঝাড়ফুঁকের পর সুস্থ হয়ে ছিল। শনিবার রাতে পুনরায় সাপে ছোবল দিলে ওই ওঝাকে দিয়ে ঝাড়ফুঁক করিয়ে সুস্থ করার চেষ্টা হয়ে। কিন্তু একপর্যায় ভোরের দিকে তার মৃত্যু ঘটে।

বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. কে এম মাহমুদ রহমান জানালেন, রাত ৪টার দিকে ওই কিশোরকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তখন ডা. সুমন রায় দায়িত্বে ছিলেন। রোগীর অবস্থা দেখে তিনি সাপে কাটা রোগীর জন্য অ্যান্টিভেনম প্রয়োগের বিস্তারিত তুলে ধরেন। কিন্তু রোগীর পরিবার অ্যান্টিভেনম নিতে রাজি না হলে তাদের সম্মতিতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরে হাসপাতলে নিয়ে যাওয়ার পথে ভোরে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%