ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
২০২৫-২৬ অর্থবছর

সরকার ব্যাংক থেকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৩ হাজার কোটি টাকা বেশি ঋণ নিয়েছে


সরকার ব্যাংক থেকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৩ হাজার কোটি টাকা বেশি ঋণ নিয়েছে

সদ্যসমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণের পরিমাণ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৩৩ হাজার কোটি টাকা বেশি হয়েছে।

অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত সরকারের নিট ব্যাংক ঋণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকার বেশি। মূল বাজেটে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক লাখ চার হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিমত হলো, তিনটি কারণের জন্য সরকার ব্যাংক ঋণের ওপর বেশি নির্ভর করেছে। এই তিনটি কারণ হল রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতি, বৈদেশিক ঋণপ্রবাহে প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়া এবং সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি। সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৮৮ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি দেখা গেছে।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৮৪ জন

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য থেকে জানা যায়, বিদায়ী অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত সরকারের নিট ব্যাংক ঋণ আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৯ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা বা ২৭ দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়ে গেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে সরকারের নিট ব্যাংক ঋণের পরিমাণ ছিল এক লাখ সাত হাজার ৩৩১ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তফা কে মুজেরী মন্তব্য করে বলেন, বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরে সরকার ব্যয় নির্ধারণ করে। তবে বাস্তবে রাজস্ব আদায় প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম হয়েছে, যার ফলে সরকারকে ব্যয় নির্বাহের জন্য ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ঋণ নিতে হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে সরকারের মোট ঋণ স্থিতি ছিল চার লাখ ৫২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। বিদায়ী অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৭৯ হাজার ৮১১ কোটি টাকায়। অর্থাৎ ১১ মাস ২৩ দিনে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সরকারের নিট ঋণ বেড়েছে এক লাখ ২৭ হাজার ৩২৯ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই বেড়ে ওঠা ছিল এক লাখ ২৫ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।

অন্যদিকে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ৩০ জুন শেষে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণের স্থিতি ছিল ৯৮ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা। বিদায়ী অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত তা বেড়ে হয়েছে এক লাখ আট হাজার ১৭১ কোটি টাকা। ফলে এ সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ বেড়েছে ৯ হাজার ৭৪৭ কোটি টাকা। এর বিপরীতে আগের অর্থবছরের একই সময়ে সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৮ হাজার ২৭৪ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ করেছিল।

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নতুন সরকার এলে ফিলিস্তিনিদের ভাগ্য কতটা পাল্টাবে?

সকল তথ্যের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে, বিদায়ী অর্থবছরের শুরু থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত ব্যাংক খাত থেকে সরকারের মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ছয় লাখ ৮৭ হাজার ৯৮২ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের এ স্থিতি ছিল পাঁচ লাখ ৫০ হাজার ৯০৫ কোটি টাকা।

বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে ব্যাংক থেকে এক লাখ চার হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য থাকলেও পরে তা সংশোধিত বাজেটে বাড়িয়ে এক লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা করা হয়। নতুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক খাত থেকে এক লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা সরকারের পক্ষ থেকে নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রতিবছর বাজেটে এক বড় অঙ্কের ঘাটতি রাখা হয় এবং এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উভয় উৎস থেকেই ঋণ নেয়। তবে বৈদেশিক উৎস থেকে প্রত্যাশিত অর্থায়ন না এলে অভ্যন্তরীণ উৎসের ওপর, যেমন ব্যাংক ব্যবস্থা, সঞ্চয়পত্র, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বীমা কোম্পানির ওপর নির্ভরতা বেড়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন: আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলির ঘটনায় জামায়াতের তীব্র নিন্দা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২২ দিনেও ফারজানার সন্ধান মেলেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৭ এম


২২ দিনেও ফারজানার সন্ধান মেলেনি

ফেনী জেলার ছনুয়া গ্রামে নিজাম উদ্দিন ভূইয়া বাড়ির আবুল বশরের মেয়ে ফারজানা আক্তার গত ২২ দিনেরও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ রয়েছে। তার সন্ধানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিভিন্ন জায়গায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি চালিয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দাবি করছে, নিখোঁজ ফারজানাকে উদ্ধারের ব্যাপারে তারা সক্রিয় রয়েছে। তবে ফারজানার স্বামীর পরিবারের অসহযোগিতার কারণে তার সন্ধানে কাজটি দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, ফারজানার বিবাহ হয় ২০১৮ সালে কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানার হেসাখাল দায়েমছাতী মজুমদার বাড়ির আবুল বাশারের ছেলে, দুবাই প্রবাসী শাহাদাতের সঙ্গে। বিয়ের পর থেকে দেবর শাহপরানের কারণে পরিবারে অশান্তি শুরু হয়। গত ৯ জুন শ্বশুরবাড়ি থেকে ফারজানা নিখোঁজ হয়ে যায়।

ফারজানার স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, দেবর শাহপরানের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তিনি ফারজানাকে গুম করেছেন। ফারজানার মা সাবিনা ইয়াসমিন তার অভিযোগে বলেন, কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় দেবর শাহপরান ফারজানাকে গুম করে নানা কল্পকাহিনি রটাচ্ছে।

জানা গেছে, গত ৯ জুন থেকে ফারজানা নিখোঁজ হলেও তার স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোন মামলা বা সাধারণ ডায়েরি করা হয়নি। অন্যদিকে, ফারজানার মা, ফুপু ও বাবার দাবি, তারা ফারজানাকে খুঁজে পেতে কুমিল্লা নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ প্রশাসনের যথাযথ পদক্ষেপ কামনা করেন।

নাঙ্গলকোট থানার এসআই ও ঘটনা তদন্ত কর্মকর্তার আশরাফ জানান, পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বছর ব্যবধানে পেঁয়াজ-রসুনে স্বস্তি, কাঁচামরিচ-ডাল-তেলে বাড়তি চাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৯ এম


বছর ব্যবধানে পেঁয়াজ-রসুনে স্বস্তি, কাঁচামরিচ-ডাল-তেলে বাড়তি চাপ

নিত্যপণ্যের দামের সামান্য পরিবর্তনও একটি পরিবারের মাসিক বাজেটে সরাসরি প্রভাব ফেলে। কৃষি বিপণন অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে চাল, পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কিছুটা কমেছে। তবে অন্যান্য পণ্যের মধ্যে ডাল, কাঁচামরিচ, ভোজ্যতেল ও মাংসের দাম বেড়েছে।

চাল, ডাল, তেল, সবজি সহ সকল প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সঙ্গে জড়িত। এসব পণ্যের দামে সামান্য পরিবর্তন সাধারণত কখনো স্বস্তির সৃষ্টি করে, আবার কখনো বাড়তি চাপ তৈরি করে পরিবারের মাসিক খরচে।

কৃষি বিপণন অধিদফতর জানাচ্ছে, জুন মাস শেষে গত এক বছরে মোটা চালের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে, সুগন্ধি চালের দাম বেড়ে গেছে প্রায় ৩৬ শতাংশ। ডালের বাজারে, মসুর ডালের দাম কেজিতে ২০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে গেছে। আবার খেসারির ডালের দাম প্রায় সাড়ে ৯ শতাংশ কমেছে।

মসলা জাতীয় পণ্যের মধ্যে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২৭ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং রসুনের দাম ২৯ দশমিক ১৭ শতাংশ কমেছে। তবে শুকনা মরিচের দাম বেড়ে গেছে ৪৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং কাঁচামরিচের দাম বেড়েছে ৫৭ দশমিক ১৪ শতাংশ।

ভোজ্যতেলের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে বেড়েছে ১৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ। পাম তেলের দাম বেড়েছে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। ব্র্যান্ড অনুসারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এবং খোলা সরিষার তেলের দাম বেড়েছে শূন্য দশমিক ২৪ শতাংশ।

মাংসের বাজারেও দাম বেড়েছে। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১৬ দশমিক ১৩ শতাংশ, দেশি মুরগির দাম ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ, গরুর মাংসের দাম ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং ছাগলের মাংসের দাম বেড়েছে ৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

তবে স্বস্তির খবর হলো, এক বছরের ব্যবধানে ডিমের দাম ২ শতাংশের উপরে কমে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে স্বর্ণ ও রূপার দাম বেড়ে কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ এম


দেশে স্বর্ণ ও রূপার দাম বেড়ে কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে আজ

দেশের বাজারে সর্বশেষ সমন্বয়ের মাধ্যমে স্বর্ণ ও রূপার দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ (শুক্রবার, ৩ জুলাই) মূল্যবান এই ধাতু দুটি বিক্রি হচ্ছে সর্বশেষ নির্ধারিত দামে।

গত ২ জুলাই সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) স্বর্ণ ও রুপার দাম বাড়িয়েছে। সেদিন ভরিতে এই দুই ধাতুর দাম যথাক্রমে ২ হাজার ২১৬ টাকা ও ২৯১ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না, কারণ স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া, সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম অপরিবর্তিত থাকবে।

এর আগে, সবশেষ গত ৩০ জুন সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। সেদিন প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা সকালের ১০টা থেকেই কার্যকর ছিল।

এবার চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৮৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৪২ দফা বাড়ানো হয়েছে, ৪২ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাটের সমন্বয় করা হয়েছে। পূর্বে ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

স্বর্ণের পাশাপাশি দেশের বাজারে রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৭৮২ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৯০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ৯৭৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫২ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ২৬ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং বাকি ২৬ দফায় দাম কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে রুপার দাম সমন্বয় হয়েছিল মোট ১৩ বার, যার মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং ৩ বার দাম কমেছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবির আটটি বিভাগকে একীভূত করে তিনটি বিভাগে রূপান্তরের প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৮ এম


ঢাবির আটটি বিভাগকে একীভূত করে তিনটি বিভাগে রূপান্তরের প্রস্তাব

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আটটি বিভাগকে একীভূত করে তিনটি বিভাগে রূপান্তরের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটির সভায় বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর চেয়ারম্যানদের সঙ্গে আলোচনা করে সুপারিশ দিতে ডিনদের বলা হয়েছে।

গত ২২ জুন অনুষ্ঠিত ডিনস কমিটির সভার কার্যবিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে। যদিও সভার মূল আলোচ্যসূচিতে বিষয়টি ছিল না, পরে ‘বিবিধ’ অংশে এটি আলোচনা হয়। কার্যবিবরণীতে সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালামের স্বাক্ষর রয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগ এবং মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধ্যয়ন বিভাগকে একীভূত করে একটি বিভাগ গঠনের কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া কলা অনুষদের অধীন থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ ও সংগীত বিভাগকে একীভূত করার পাশাপাশি সংস্কৃত বিভাগ এবং পালি অ্যান্ড বৌদ্ধ স্টাডিজ বিভাগকে একীভূত করার প্রস্তাবও এসেছে।

কার্যবিবরণী অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিনরা বিভাগীয় চেয়ারম্যানদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে তাঁদের সুপারিশ ডিনস কমিটিতে উপস্থাপন করবেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালাম বলেন, বিভাগ একীভূত করার বিষয়টি সভার এজেন্ডাভুক্ত ছিল না। তবে আলোচনার সময় বিষয়টি উঠে এসেছে। এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। পরবর্তী ডিনস কমিটির সভায় বিষয়টি আবারও আলোচনা হবে। বিভাগগুলো একীভূত হতে চাইলে এক ধরনের সিদ্ধান্ত হবে, আর না চাইলে অন্যভাবে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। সবকিছুই সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেই করা হবে।

কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আবুল কালাম সরকার এ বিষয়ে বলেন, একবার প্রয়োজনের কারণে বিভাগগুলো আলাদা করা হয়েছিল। এখন সেগুলো আবার একীভূত করা বাস্তবসম্মত হবে কি না, সে বিষয়ে সংশয় রয়েছে। বিভাগগুলোকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া সহজ হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য, বর্তমানে একীভূত করার প্রস্তাব পাওয়া কয়েকটি বিভাগ একসময় একই বিভাগের অংশ ছিল। ২০১২ সালে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে পৃথক হয়ে টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগ এবং ২০১৫ সালে মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধ্যয়ন বিভাগ চালু হয়। একইভাবে ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষে সংস্কৃত ও পালি বিভাগ বিভক্ত হয়ে পৃথক সংস্কৃত এবং পালি অ্যান্ড বৌদ্ধ স্টাডিজ বিভাগ গঠিত হয়। আর ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগকে ২০০৯ সালে পৃথক করে নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগ করা হয়। পরে ২০১৪ সালে নাট্যকলা বিভাগের নাম পরিবর্তন করে থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ রাখা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গত দুই দশকে বিভাগের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সময়ে একাধিক নতুন বিভাগ চালু হয়। সে সময় প্রয়োজনীয়তা যাচাই ছাড়াই ধারাবাহিকভাবে নতুন বিভাগ খোলার অভিযোগ এবং এসব বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে নতুন বিভাগ খোলার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও চাহিদা মূল্যায়নের অভাবের বিষয়টিও উঠে আসে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ একীভূত করার আলোচনা এমন সময়ে সামনে এলো, যখন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নতুন চালু হওয়া কয়েকটি বিভাগে শিক্ষার্থী সংকট ও আসন ফাঁকা থাকার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি শেষে কলা ও বিজ্ঞান অনুষদের একাধিক বিভাগে সব আসন পূরণ হয়নি বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বিশেষজ্ঞরা তখন ভর্তি পরিকল্পনা ও নতুন বিভাগ চালুর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%