ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‎রাঙামাটিতে তিন ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা


‎রাঙামাটিতে তিন ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা

‎রাঙামাটি শহরে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে তিন প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য, মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা এবং অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগে এসব জরিমানা করা হয়।

‎মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে জেলা প্রশাসন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
‎
‎অভিযানে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ, সহকারী পরিচালক রানা দেব নাথ, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি ও রাঙামাটি সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আল-মুনতাসির মামুন মনি এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
‎
‎অভিযান সূত্রে জানা যায়, শহরের বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম, পণ্যের মেয়াদ ও মূল্যতালিকাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তদারকি করা হয়। এ সময় অনিয়মের অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক জরিমানা করা হয়।
‎
‎জরিমানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এবিসি ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫০ হাজার টাকা, বনরূপা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২৫ হাজার টাকা এবং প্যানাসিয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
‎
‎অভিযানকালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষকে স্বাস্থ্যসেবা ও ভোক্তা অধিকার-সংক্রান্ত আইন ও বিধিবিধান যথাযথভাবে মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
‎
‎জনস্বার্থে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত তদারকি ও আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজাদপুর থানার যৌথ উদ্যোগে ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাব্বির হাসনাত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৬ পি.এম


রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজাদপুর থানার যৌথ উদ্যোগে ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এবং শাহজাদপুর থানার যৌথ উদ্যোগে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবন-৩ প্রাঙ্গণ থেকে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিসিক বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়। পরে বিসিক বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন স্থানে ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার। এ সময় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আসাদুজ্জামান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শাহজাদপুর সার্কেল) হাফিজুর রহমান, শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল, শাহজাদপুর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী আইয়ুব আলী, শাহজাদপুর উপজেলা জামাতের আমির মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) নজরুল ইসলাম, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শাহজাদপুর থানার কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ারা সাংবাদিকবৃন্দ র‍্যালি ও আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার বলেন, ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি শুধু আইনগত সমস্যা নয়, এটি একটি সামাজিক, মনস্তাত্ত্বিক ও দৃষ্টিভঙ্গিগত ব্যাধি। আইন প্রণয়ন ও সচেতনতা বৃদ্ধির নানা উদ্যোগের পরও এ ধরনের ঘটনা পুরোপুরি বন্ধ না হওয়ায় সমাজের প্রতিটি মানুষের সম্মিলিতভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, নারীর প্রতি সম্মান ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবার থেকেই গড়ে তুলতে হবে। একজন বাবা, ভাই, সন্তান কিংবা পরিবারের কোনো সদস্য যখন কোনো নারীকে হয়রানি করে বা তার প্রতি সহিংস আচরণ করে, তখন সেটি আমাদের পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। তাই অন্যের মা, বোন ও মেয়েকে নিজের পরিবারের সদস্যের মতো সম্মান করার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। উপাচার্য মহোদয় আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের মতো মনীষীরা নারীকে দুর্বল হিসেবে নয়, বরং শক্তি ও সম্ভাবনার প্রতীক হিসেবে দেখেছেন। দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী হওয়ায় নারীদের বাদ দিয়ে কোনো সমাজের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

তিনি শিক্ষার্থী, পথচারী, ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী মানুষসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াতকারী নারী শিক্ষার্থী কিংবা স্কুলগামী শিশুদের পথ নিরাপদ করা সবার দায়িত্ব। একই সঙ্গে ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃত্বকে নারীর প্রতি সহিংসতা, যৌন হয়রানি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। শিশু ও নারীর প্রতি যৌন নির্যাতনের ঘটনা প্রতিরোধে পরিবার থেকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করে অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার বলেন, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সমাজের প্রত্যেক সদস্যকে সম্মিলিতভাবে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করার প্রতিও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি মাদকাসক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত আসক্তি তরুণ সমাজের জন্য উদ্বেগের কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, সংস্কৃতি চর্চা ও যুব কার্যক্রমের পরিধি বাড়াতে হবে। সবশেষে উপাচার্য মহোদয় বলেন, নারীকে সম্মান করা এবং নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু নারীর বিষয় নয়; এটি পুরো সমাজের দায়িত্ব। সমাজের প্রতিটি মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে ইভটিজিং, যৌন হয়রানি ও নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে কার্যকর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব। সংস্কৃতি দিয়ে মাদক রুখবো, নারীর হাত দিয়েই দেশ গড়বো বলে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। শৈশব থেকেই সন্তানদের নৈতিক শিক্ষা ও নারীকে সম্মান করার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শাহজাদপুরে এসে পড়াশোনা করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের তাদের নিজেদের সন্তান ও বোনের মতো সম্মান ও নিরাপত্তা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বিশেষ করে পরিবহন খাতে নারীদের হয়রানি প্রতিরোধে সংশ্লিষ্টদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। বর্তমান সরকার অতীতের যেকোনো সরকারের চেয়ে অধিক জনবান্ধব উল্লেখ করে ট্রেজারার মহোদয় বলেন, ধর্ষন, যৌন হয়রানি, নারী নির্যাতনসহ যেকোনো ধরনের অপরাধ সংঘটিত হলে সাথে সাথে অপরাধীদের ধরে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইভটিজিং ও যৌন হয়রানির মতো অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের হয়রানি বা নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে ৯৯৯ ও নারী-শিশু সহায়তা হেল্পলাইন ১০৯-এ যোগাযোগ করতে হবে। সর্বোপরি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সচেতন হয়ে অন্যকে সচেতন করার এবং যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

সিরাজগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা, ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে সমাজের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, পরিবার, পরিচিতজন, সহপাঠী কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-বিভিন্ন ক্ষেত্রেই নারীরা হয়রানি ও সহিংসতার ঝুঁকির মুখে পড়ছেন। বিশেষ করে প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহারের মাধ্যমে নারীদের হয়রানির নতুন ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, বিপুল জনসংখ্যার তুলনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসংখ্যা সীমিত হওয়ায় শুধু পুলিশের পক্ষে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রত্যেক নাগরিকের বুদ্ধি, বিবেক ও আত্মসংযম জাগ্রত করতে হবে। নারীর প্রতি সহিংসতা ও ইভটিজিং প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, ব্যক্তিগত বিবেক ও নৈতিক মূল্যবোধেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পুলিশ সুপার মহোদয় আরও বলেন, ইভটিজিং, যৌন হয়রানি ও নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সিরাজগঞ্জ জেলায় এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রয়োগ করা হবে। পুলিশ, প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, বিভিন্ন পেশাজীবী ও সাধারণ জনগণকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে আমরা এক ও অভিন্ন অবস্থানে থাকব, একত্রে এগিয়ে যাব।

র‍্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে ইভটিজিং, যৌন হয়রানি এবং নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবে রেলওয়ে স্টেশনে পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে ভবঘুরে শিশুদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম। ভৈরব প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


ভৈরবে রেলওয়ে স্টেশনে পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে ভবঘুরে শিশুদের

যে বয়সে হাতে থাকার কথা বই-খাতা, সে বয়সে ভবঘুরে হয়ে তাদের কাটাতে হচ্ছে শহর কিংবা স্টেশনের ফুটপাতে । ঘুমাতে হচ্ছে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে। বেঁচে থাকার তাগিদে ও ক্ষুধার জ্বালায় তারা স্টেশন এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মেও জড়িয়ে পড়ছে।

অভিযোগ উঠেছে, স্টেশনের কিছু অসাধু কর্মচারীর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এসব ছিন্নমূল শিশু-কিশোর ব্যবহৃত হচ্ছে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে। সম্প্রতি ভৈরব বাজার রেলওয়ে জংশন স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ভাসমান ছিন্নমূল শিশুদের ব্যবহার করার অভিযোগ উঠে এসেছে স্টেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী আপন লালের বিরুদ্ধে।

গত সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে স্বল্প টাকার বিনিময়ে এক ভাসমান শিশুকে (১২) ঝাড়ু দিতে দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে স্টেশন এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

স্টেশনের ব্যবসায়ী মিঠু মিয়াসহ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, পরিচ্ছন্নতাকর্মী আপন নিজে 'সরদার' সেজে ভাসমান ও পথশিশুদের দিয়ে প্রায়ই প্ল্যাটফর্ম ঝাড়ু দেওয়ান। অথচ এসব শিশুই আবার সুযোগ বুঝে প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের মালামাল, টাকা, মানিব্যাগ ও মোবাইল চুরি কিংবা ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। এমন শিশুদের দিয়ে স্টেশনের পরিচ্ছন্নতার কাজ করানোর ফলে যাত্রীদের নিরাপত্তা চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, পরিচ্ছন্নতাকর্মী আপন দীর্ঘদিন ধরে টিকিট কালোবাজারির সঙ্গেও জড়িত এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ বা তোষামোদ করে সে নিয়মিত নানা অনিয়ম করে আসছে।

পরিচ্ছন্নতার কাজ করার সময় অভিযুক্ত শিশুটির সঙ্গে কথা বললে সে জানায়, প্ল্যাটফর্ম ঝাড়ু দিলে আপন ভাই আমাকে টাকা দেবে বলেছে, তাই কাজটা করে দিচ্ছি।

এ বিষয়ে জানতে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী আপনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, আমার মা অসুস্থ থাকায় আমি সময়মতো কাজে আসতে পারিনি।

অন্যদিকে, বিষয়টির সত্যতা জানতে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আবু ইউছুফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আপন শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় সে নিজে উপস্থিত থেকে অন্য লোক দিয়ে কাজ করিয়ে থাকে। তবে গতকাল সে উপস্থিত ছিল কি না, তা আমার জানা নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণে স্থান নির্বাচন নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণে স্থান নির্বাচন নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের প্রস্তাবনা ও উপযুক্ত স্থান নির্বাচন সংক্রান্ত উন্মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হালিম উদ্দিন সরকার রিপন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, ময়মনসিংহ জেলার উপপরিচালক উম্মে হাবিবা মীরা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইকবাল হোসাইন।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন,উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব মেজবাহ উদ্দিন মাসুদ,উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নূরুন্নাহার, আজিজুর রহমান সরকার ও আবু রায়হান রানা।আলোচনা সভায় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা,গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন,জনসাধারণের ভোগান্তি কমানো এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রদত্ত নাগরিক সেবার মান আরও উন্নত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার,ময়মনসিংহ জেলার উপপরিচালক উম্মে হাবিবা মীরা বলেন, জনভোগান্তি হ্রাস এবং সর্বসাধারণের কাঙ্ক্ষিত সেবার গুণগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যেই ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনের উপযুক্ত স্থান নির্বাচন ও নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলসিন্দুরের মেয়েদের অর্জন প্রতিভা ও পরিশ্রমের প্রতিফলন: সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ পি.এম


কলসিন্দুরের মেয়েদের অর্জন প্রতিভা ও পরিশ্রমের প্রতিফলন: সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স

ময়মনসিংহ জেলার প্রশাসক উইমেন্স ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ধোবাউড়ার মুখ উজ্জ্বল করা নারী ফুটবলারদের সংবর্ধনা প্রদান করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে ধোবাউড়ার গামাড়িতলা ইউনিয়নের কলসিন্দুর কলেজ মাঠে একটি সংক্ষিপ্ত ও অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের হাতে ক্রেস্ট, ফুল ও আর্থিক সহায়তা তুলে দেন তিনি।

সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স মন্তব্য করেন, “এই অর্জন শুধু একটি ট্রফি জয় নয়, এটি ধোবাউড়ার নারী ফুটবলারদের প্রতিভা, পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন। কলসিন্দুরের নারী ফুটবলাররা দেশের পাশাপাশি বিদেশে খেলায় সাফল্যের সাথে বিজয় ছিনিয়ে আনছেন। এজন্য ধোবাউড়াবাসী গর্বিত। ২০২৫ সালে সাফ উইমেন্স টুর্নামেন্টে বিজয়ী বাংলাদেশ টিমে কলসিন্দুরের নারীদের সাফল্যে নিজের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদানের কথা উল্লেখ করে এমরান সালেহ প্রিন্স জানান, সে অনুষ্ঠানে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ধোবাউড়ায় ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যন্ত এলাকার মেয়েদের এমন সাফল্য প্রমাণ করে যে, সুযোগ ও সহযোগিতা পেলে তারাও জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারে। নারী ফুটবলারদের খেলাধুলায় এগিয়ে নিতে স্থানীয়ভাবে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক আজহারুল ইসলাম কাজল, সদস্য সচিব আনিসুর রহমান মানিক, কলসিন্দুর স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ আবুল হাসিম, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ তালুকদার, গামাড়িতলা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান, সদস্য সচিব আব্দুস সহিদ, বিএনপি নেতা রুহুল আমিন, কোচ জুয়েল মিয়া সহ স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী, সংগঠক ও ফুটবলপ্রেমীরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও, এমরান সালেহ প্রিন্স কলসিন্দুর বাজারে কলেজ শাখা ছাত্রদলের অফিস উদ্বোধন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%