বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:১১ পি.এম
নওগাঁর মান্দা উপজেলায় টানা অতিবর্ষণে সৃষ্টি হওয়া জলাবদ্ধতার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ৪০০ পরিবারের মাঝে সরকারি ত্রাণ সহায়তা হিসেবে চাল বিতরণ করা হয়েছে। এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দিনব্যাপী মান্ডা উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার আয়োজনে মৈনম ও পরানপুর ইউনিয়নের পৃথক দুটি স্থানে এ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হয়।
জানা গেছে, দুপুরের দিকে উপজেলার মৈনম ইউনিয়নের বর্দ্দপুর আশ্রয়ণ পল্লী ও আদর্শ গ্রামে প্রথম দফায় ২০০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রত্যেককে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ত্রাণ বিতরণ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মকলেছুর রহমান মকে, বিএনপি নেতা ফরহাদ হোসেন চকদার এবং প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মৈনম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান, মৈনম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাহারুল ইসলাম, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মোজাম্মেল হক মুকুল, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিদ্যুৎ, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুল হক সহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
পরে একই দিন বিকেলে সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু উপজেলার পরানপুর ইউনিয়নের হাটোইর গ্রামে গিয়ে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত আরও ২০০ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন।
ত্রাণ বিতরণ শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের এই দুর্যোগকালীন সহায়তা অব্যাহত থাকবে। এলাকায় একটি মানুষও যেন খাদ্যসংকটে না পড়ে, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই শহীদ দিবস পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার, নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ সহ শহীদ ওয়াসিমের শহীদ হওয়ার স্থান ষোলশহর রেলস্টেশনসংলগ্ন এলাকায় তাঁর নামে স্মৃতিফলকের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ফয়সল আহমেদ, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা।
বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন বলেন, "দেশের ইতিহাসে এত বড় গণঅভ্যুত্থান আগে কখনো হয়নি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই দেশ অপশাসনের ধারা থেকে মুক্ত হয়েছে।" তিনি বলেন, "এই গণঅভ্যুত্থানের শিক্ষা ধারণ করে অন্যায় শাসন ও অন্যায় নির্দেশনার বিরুদ্ধে জনগণের পাশে থাকতে হবে।"
এদিকে নিউমার্কেট মোড়ের রেলওয়ে স্টেশন এলাকার জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন ঐতিহাসিক আন্দোলনে চট্টগ্রামের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন এবং জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করেন।
পরে, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বিপিএম। তিনি বলেন, "এই আন্দোলন কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর নয়, এটি শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের আন্দোলন। তাই এর অর্জন রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।"
এদিকে, দিবসটি উপলক্ষে পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি পিআরইউর উদ্যোগে সংবাদপত্রের হকারদের মধ্যে উপহারসামগ্রী বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সম্মানী সম্পাদক প্রকৌশলী খাঁন মোহাম্মদ আমিনুর রহমান সুমন। এছাড়া আইইবির কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ আজ বলেছেন, বিএনপি সরকার একটি অসাম্প্রদায়িক সরকার। তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা সব ধর্মকে সম্মান করি, সব ধর্মের মানুষকে ধারণ করি।" এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি সরকারকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত স্লোগান "ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার" এর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে পঞ্চগড় পৌরসভার চানপাড়া মন্দিরে রথযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গত অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "বাংলাদেশে একজন মুসলমান মানুষ সরকারের কাছ থেকে যে সুযোগ-সুবিধা পাবেন, ঠিক তদ্রূপ সুযোগ-সুবিধা সনাতন ধর্মাবলম্বীরাও পাবেন।" তিনি বলেন, সরকার ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের সব সমস্যা সমাধানে চেষ্টা করে যাবে।
এ সময় পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভিন, পুলিশ সুপার আবু সাইম সহ বিএনপির নেতাকর্মী এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষরা উপস্থিত ছিলেন। পরে চানপাড়া মন্দির থেকে একটি রথযাত্রা বের করা হয়।
উল্লেখ্য, কথিত আছে, আষাঢ় মাসের শুক্ল দ্বিতীয়ায় বলরাম ও বোন সুভদ্রার সঙ্গে মাসির বাড়ি যান জগন্নাথ। মাসির বাড়ি অর্থাৎ ইন্দ্রদ্যুম্নের পত্নী গুন্ডিচার বাড়ি। সেখান থেকে সাতদিন পর তিনি আবার মন্দিরে ফিরে আসেন। এটাকেই জগন্নাথ দেবের মাসির বাড়ি যাওয়া মনে করা হয়। এই যাত্রা থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা রথযাত্রা পালন করে আসছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন সেনা সদস্যদের জন্য টেস্টোস্টেরন পরীক্ষা শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ৩০ বছরের বেশি বয়সি সেনাদের এই পরীক্ষা করা হবে লড়াইয়ের সক্ষমতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে। তবে যাদের বয়স ৩০ বছরের কম, তারাও চাইলে এই পরীক্ষা করাতে পারবেন।
ইরানের সঙ্গে চলমান তীব্র সংঘাতের প্রেক্ষাপটে গত বুধবার (১৫ জুলাই) মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী এক ঘোষণায় জানান, নতুন এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আমাদের যোদ্ধাদের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শারীরিক ভিত্তি বা জৈবিক সক্ষমতা রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হবে।
নতুন নীতির আওতায় টেস্টোস্টেরন পরীক্ষাকে সেনাবাহিনীর নিয়মিত বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এক্স-এ প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় হেগসেথ বলেন, সেনা সদস্যদের প্রতিদিন মানসিক ও শারীরিক সক্ষমতার সর্বোচ্চ সীমায় কাজ করতে হয়। দায়িত্ব পালনের জন্য তাদের টেস্টোস্টেরনের প্রয়োজনীয় মাত্রা রয়েছে কি না, নতুন এ পরীক্ষা তা নিশ্চিত করবে।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, যদি কারো টেস্টোস্টেরনের মাত্রা নির্ধারিত সীমার নিচে থাকে, তাহলে তিনি চাইলে টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি গ্রহণ করতে পারবেন। তবে কৃত্রিমভাবে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়ানোর চিকিৎসা গ্রহণে কোনো সেনাসদস্য অস্বীকৃতি জানালে এর পরিণতি সম্পর্কে তিনি কিছু বলেননি।
এ সিদ্ধান্ত নারী সেনা সদস্যদের মধ্যে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। কারণ সাধারণত নারীদের শরীরে পুরুষদের তুলনায় প্রায় ৯০ শতাংশ কম টেস্টোস্টেরন থাকে। তবে তাদের এ পরীক্ষার আওতার বাইরে রাখা হবে কি না, সে বিষয়ে হেগসেথ কিছু বলেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালিত হয়েছে নানা আয়োজনের মাধ্যমে। আলোচনা সভা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর মধ্যে দিয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাংলাদেশ হাই কমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, কমিউনিটি নেতা এবং অনেকে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরান থেকে তিলাওয়াত পাঠ করা হয়। এরপর ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্মিত ‘জুলাই অনির্বান’ শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্রটি প্রদর্শন করা হয়।
পরবর্তীতে দিবসটির তাৎপর্য নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী বলেন, জুলাই শহীদ দিবস বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র এবং মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, তাদের আত্মদান কখনো বিস্মৃত হওয়ার নয়।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার শহীদ পরিবার ও আহতদের যথাযথ সম্মান, স্বীকৃতি, কল্যাণ এবং পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। জুলাইয়ের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বৈষম্যহীন, মানবিক, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকেও ভূমিকা রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতা, রাজনীতিবিদ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে যে গণআন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, তাকে সর্বজনীন গণঅভ্যুত্থানে রূপ দেয়ার ক্ষেত্রে দেশের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমিক, কৃষক, চিকিৎসক, আইনজীবী, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের জনগণের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।
গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ সকল শহীদের স্মরণ করেন বক্তারা। তারা জানান, অসংখ্য ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ, সাহসিকতা ও দৃঢ় অবস্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হয়। বক্তারা মানবিক, স্বনির্ভর এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদের পিতা মকবুল হোসেন টেলিফোনে যুক্ত হয়ে কথা বলেন। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা, এবং বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরিশেষে আপ্যায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ