বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৫:৪৯ পি.এম
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : কাল থেকে মাঠে গড়াচ্ছে নারী এশিয়া কাপের দশম আসর। এবারের আসরটি হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। এখন পর্যন্ত নারী এশিয়া কাপ চারটি ওয়ানডে এবং ছয়টি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে হয়েছে।
দুবাইয়ে দশম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে হংকং ও থাইল্যান্ড। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিটে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে কাল থেকে শুরু হয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে টুর্নামেন্টটি। আসন্ন টুর্নামেন্টে আট দলকে দুই গ্রুপে বিভক্ত করা হয়েছে।
‘বি’ গ্রুপে আছে বাংলাদেশ। সেখানে তাদের অন্য তিন প্রতিপক্ষ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলংকা, স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইন্দোনেশিয়া।
আগামী ৩১ আগস্ট গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এরপর ৬ সেপ্টেম্বর শ্রীলংকা এবং ৮ সেপ্টেম্বর গ্রুপের শেষ ম্যাচে আরব আমিরাতের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।
এবারের নারী টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলার লক্ষ্য স্থির করেছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। দেশ ছাড়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য ফাইনাল খেলা। কারণ আমরা বেশ কয়েকবার সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়েছি। এবার আমরা সেমির বাঁধা টপকাতে চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘দল হিসেবে আমাদের ব্যাটিং বেশ ভালো হচ্ছে। বিশেষ করে এই টুর্নামেন্টে টপ-অর্ডাররা যদি ভালো ব্যাট করতে পারে তবে আমার মনে হয়, আমাদের ফাইনালে খেলার ভালো সুযোগ থাকবে। গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
এখন পর্যন্ত একবার এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপে ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়ে শিরোপার স্বাদ নেয় বাংলাদেশ। এছাড়া ২০১২ ও ২০২৪ সালে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেয় টাইগ্রেসরা।
এদিকে, ‘এ’ গ্রুপে আছে ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড এবং হংকং। গ্রুপের প্রতিটি দল একে অপরের বিপক্ষে একবার করে খেলবে।
দুই গ্রুপের শীর্ষ চার দল সেমিফাইনালে খেলবে। আগামী ১০ (এ১-বি২) ও ১১ (এ২-বি১) সেপ্টেম্বর সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে এশিয়া কাপের।
এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ সাতবার শিরোপা জিতেছে ভারত। বাংলাদেশের সাথে একবার শিরোপা ঘরে তুলেছে শ্রীলংকা।
এছাড়া শ্রীলংকা পাঁচবার, ভারত ও পাকিস্তান দু’বার করে রানার্স-আপ হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর রানীনগর থানা এলাকায় ৬ বছরের এক শিশুকন্যাকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ দুই বখাটে কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে।
২৬ আগস্ট বিকেল আনুমানিক ৪:০০ টার দিকে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে রানীনগর থানার একটি চৌকস টিম দ্রুত অভিযান শুরু করে। ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের পর স্থানীয় জনগণের সহায়তায় ওই দিন মধ্যরাতে অপরাধের সাথে জড়িত দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে— মোঃ ইফতিয়াক (১৫) এবং মোঃ মাৎরুফ (১৬)।
এ ঘটনায় রানীনগর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩)-এর ৯(৩) ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে (মামলা নং-১২, তারিখ: ২৭/০৮/২০২৬ খ্রিঃ)।
গ্রেপ্তারকৃত দুই কিশোরকে রানীনগর থানা ও জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা পুলিশের কাছে ৬ বছরের শিশুকন্যাটিকে ধর্ষণের কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে।
নওগাঁর পুলিশ সুপার এ বিষয়ে জানান, "নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত যেকোনো ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে জেলা পুলিশ 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করবে। অপরাধী যে-ই হোক না কেন, আইন অনুযায়ী কঠোর হস্তে তা দমন করা হবে।"
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পর আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব অর্জন সমগ্র বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক অভূতপূর্ব গৌরবময় প্রাপ্তি হলেও এই পদটি একক কোনো দেশের স্বার্থ বা সুবিধার জন্য ব্যবহারের সুযোগ নেই বলে সংসদকে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ঢাকার সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেমের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে সাধারণ পরিষদের সভাপতিকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে বিশ্বসভার সবার জন্য কাজ করতে হয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট, ২০২৬) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে এসব কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সম্প্রতি জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক ক্ষতিপূরণ ও বৈদেশিক সাহায্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার পরিচালিত কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েও সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। একই সময়ে ৮৬৮ জন ডেঙ্গুরোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
আজ বৃহষ্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩১৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৯ জন, খুলনা বিভাগে ২০৫ জন, রংপুর বিভাগে ১৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ৭৩ জন এবং বরিশাল বিভাগে ১১০ জন রয়েছেন।
চলতি বছরের ২৬ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩২ হাজার ২৪৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
চলতি বছরে এ যাবত মোট ৩০ হাজার ৭৭ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ২ হাজার ৮৩ জন চিকিৎসাধীন আছেন।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমিকম্প বা ভবনধসের পর ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষের কাছে দ্রুত ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার জন্য ভবিষ্যতে বিশাল আকৃতির ‘সাইবর্গ’ তেলাপোকা ব্যবহার করা হতে পারে। এই সম্ভাবনার ওপর গবেষণা পরিচালনা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড ও ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের বিজ্ঞানীরা।
জানাচ্ছে, উত্তর কুইন্সল্যান্ডের জায়ান্ট বুরোয়িং ককরোচের শরীরে বিশেষ যন্ত্র, যার মধ্যে ক্ষুদ্র ক্যামেরা ও সিরিঞ্জ রয়েছে, সেটি বসানো হয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় আকৃতির এই তেলাপোকার দৈর্ঘ্য প্রায় ৮ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। গবেষকরা এই তেলাপোকাদের ‘প্যারাবর্গ’ নাম দিয়েছেন।
বিশাল আকৃতির এই তেলাপোকার শরীরে স্থাপন করা ইলেকট্রোডের মাধ্যমে স্নায়ুতন্ত্রে ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক সংকেত পাঠিয়ে দূর থেকে এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
একটি তেলাপোকা ক্যামেরার মাধ্যমে আটকে পড়া ব্যক্তিকে শনাক্ত করে, অন্যটি প্রয়োজনীয় ওষুধ বহন করে সেখানে পৌঁছে দেয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গবেষণায় নির্ধারিত স্থানে পৌঁছাতে তেলাপোকাগুলোর সাফল্যের হার ছিল শতভাগ। অন্যদিকে, ওষুধ সরবরাহের সামগ্রিক সাফল্যের হার ছিল ৭২ শতাংশ। তবে লক্ষ্যবস্তুর ১৫ সেন্টিমিটারের মধ্যে থেকে ইনজেকশন প্রয়োগ করা হলে সাফল্যের হার ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছায়।
গবেষকদের আশা, ভবিষ্যতে ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন, গুহা বা দুর্গম স্থানে আটকে পড়া মানুষের কাছে উদ্ধারকারী দল পৌঁছানোর আগেই এই তেলাপোকা দল জরুরি ওষুধ পৌঁছে দিয়ে তাদের জীবন বাঁচাতে সহায়তা করতে পারবে। সাপের কামড় বা তীব্র অ্যালার্জির মতো জরুরি পরিস্থিতিতেও এ প্রযুক্তি কাজে লাগানো সম্ভব হতে পারে।
তবে গবেষণাটি এখনো পরীক্ষাগার পর্যায়ে রয়েছে। সিলিকনের লক্ষ্যবস্তু ও শূকরের চামড়ায় পরীক্ষা চালানো হয়েছে। বাস্তব পরিস্থিতিতে ধ্বংসস্তূপের জটিল পরিবেশ, যোগাযোগ সংকেত বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং নিরাপদে ইনজেকশন প্রয়োগের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আরও পরীক্ষা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ