বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০৯ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করে আন্ত জেলা মোটরসাইকেল চোরচক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানের সময় তিনটি নিবন্ধনবিহীন চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া, এই ঘটনায় আরো দুজন পলাতক রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে সদর থানা চত্বরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ এসব তথ্য প্রকাশ করেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের হাউসনগর গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে আব্দুস সালাম (২৪), একই ইউনিয়নের তারাপুর মুন্নাপাড়া গ্রামের মো. আলমের ছেলে মোহাম্মদ আলী (২৪), শ্যামপুর সাহাপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে ইমন রেজা (২৬), দুর্লভপুর ইউনিয়নের দাদনচক গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে সোহেলে রানা (২৩), একই গ্রামের মো. সাইফুলের ছেলে মো. আসিফ (২২) এবং শ্যামপুর ইউনিয়নের কয়লার দিয়াড় গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে মো. আশিক (২২)।
পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশ সদর উপজেলার রানিহাটি ইউনিয়নের বৈলতলা মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এই সময় আব্দুস সালাম, সোহেলে রানা ও মো. আসিফকে একটি মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকালে শিবগঞ্জ থেকে মোহাম্মদ আলী, ইমন রেজা ও মো. আশিককে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকালেই পলাতক সাদ্দাম হোসেন ও সুশান্ত সিংহের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আরো দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা তিনটি মোটরসাইকেলের নিবন্ধন নেই বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশের ভাষ্যমতে, এ ঘটনায় শিবগঞ্জের সাহাপাড়া মুন্সিপাড়া গ্রামের মৃত সাইদুর রহমানের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩০) এবং কয়লার দিয়াড় গ্রামের মতিলাল সিংহের ছেলে সুশান্ত সিংহ (২৫) পলাতক রয়েছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ জানান, এ ঘটনায় বুধবার বিকেলে সদর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। গ্রেপ্তার আসামিদের বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসির আরাফাত, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীতে একসঙ্গে শুরু হয়েছে নির্মাণ অবকাঠামো, কাঠশিল্প, ইন্টেরিয়র ও সোলার পণ্যবিষয়ক চারটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) থেকে বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটির (আইসিসিবি) এক্সপো ভিলেজে শুরু হওয়া এ প্রদর্শনীগুলো চলবে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
‘১০ম বাংলাদেশ বিল্ডকন’, ‘১০ম বাংলাদেশ উড এক্সপো’, ‘ইন্টেরিয়র এক্সপো’ ও ‘সোলার বাংলা এক্সপো’—এই চার আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী যৌথভাবে আয়োজন করেছে এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশনস ও ফিউচারেক্স ট্রেড। প্রদর্শনীর নলেজ পার্টনার হিসেবে কাজ করছে ‘ইন্টেরিয়র ডিজাইন বাংলাদেশ’ (আইডিবি)।
হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এইচবিআরআই) মহাপরিচালক (অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, গণপূর্ত অধিদপ্তর) ড. প্রকৌশলী গিয়াসউদ্দিন হায়দার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রদর্শনীগুলোর।
উদ্বোধনী বক্তব্যে ড. প্রকৌশলী গিয়াসউদ্দিন হায়দার উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বর্তমানে অবকাঠামো, আবাসন ও আধুনিক ফার্নিচার শিল্পে দ্রুত অগ্রগতি অর্জন করছে। তিনি বলেন, "তবে এই প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আমাদের সাশ্রয়ী, পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে।" এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীগুলো দেশীয় উদ্যোক্তা ও শিল্প মালিকদের জন্য বিশ্বমানের আধুনিক যন্ত্রপাতি, পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী এবং নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার অনন্য সুযোগ তৈরি করেছে।
এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিপু সুলতান ভূঁইয়া বলেন, "নির্মাণ খাত, কাঠশিল্প, ইন্টেরিয়র ও সোলার পণ্যের ব্যবহারকারীদের জন্য এটি নতুন প্রযুক্তি, নেটওয়ার্কিং ও ব্যবসার এক চমৎকার প্ল্যাটফর্ম।" দর্শনার্থীরা একই ছাদের নিচে আধুনিক নির্মাণসামগ্রী, গৃহসজ্জা, সোলার প্রোডাক্ট ও কাঠ প্রক্রিয়াজাতকরণের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সন্ধান পাবেন।
আয়োজকরা জানান, প্রদর্শনীতে বিশ্বমানের বিভিন্ন প্রযুক্তি ও পণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। দর্শনার্থীরা এখানে এডহেসিভ, সিএনসি বয়লার, ফাইবার ও সিও২ লেজার, উড প্রিন্টিং, কনক্রিট ব্লক মেশিন, হার্ডওয়্যার, পার্টিকেল বোর্ড, পাওয়ার টুলস, কনস্ট্রাকশন ইকুইপমেন্ট, পাইপ, ক্যাবলস, সিলেন্ট ও কনস্ট্রাকশন কেমিক্যালস দেখতে পাবেন। পাশাপাশি সিরামিক, ইলেকট্রিক্যাল সুইচেস, ওয়াটার পাম্প, সোলার ইকুইপমেন্ট, কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স, হোম অটোমেশন ও অ্যালুমিনিয়াম প্যানেলসহ নানা ধরনের পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে।
প্রদর্শনীর অংশ হিসেবে ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় আইডিবির আয়োজনে ‘আর্ক ইন্টেরিয়র ব্রিজ-২০২৬’ শীর্ষক একটি বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। সেমিনারে স্থাপত্য ও অভ্যন্তরীণ নকশার পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করবেন দেশের শীর্ষস্থানীয় স্থপতি ও শিল্প বিশেষজ্ঞরা।
এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বোরো ধান ঘরে তোলার পর আমন চাষ শুরু হওয়ার পূর্ববর্তী সময়কাল পর্যন্ত রংপুরের কৃষিতে স্থবিরতা বিরাজ করত। জমির একটি বড় অংশ অনাবাদি থাকত। কৃষিশ্রমিকদের জন্য কাজের অভাব দেখা দিত। অনেক পরিবারকে অভাব-অনটনের সময় পার করতে হতো। এই পরিস্থিতির সঙ্গে ‘মঙ্গা’ শব্দটি গভীরভাবে জড়িয়ে ছিল।
বর্তমানে সেই চিত্র অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে। বোরো ও আমনের মধ্যবর্তী সময়টিও আর সম্পূর্ণ ফাঁকা থাকছে না। আউশসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসলের আবাদে জমি উৎপাদনের আওতায় আসছে, ফলে কৃষিকাজের সুযোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
রংপুর আঞ্চলিক কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও নীলফামারী—এই পাঁচ জেলার কৃষিতে আউশ এখন বোরো ও আমনের মধ্যবর্তী সময়কে কাজে লাগানোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ফসল হয়ে উঠেছে। কৃষকদের আগ্রহ ও চাষের বিস্তারে গত কয়েক বছরে এ অঞ্চলে আউশের আবাদ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এ অঞ্চলে আউশের আবাদ হয়েছিল ২৪ হাজার ৯৮৮ হেক্টর জমিতে। ওই বছর হেক্টরপ্রতি ফলন ছিল ২ দশমিক ৯৮ মেট্রিক টন। মোট উৎপাদন হয়েছিল ৭৩ হাজার ৬৫৬ মেট্রিক টন। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আবাদ হয়েছিল ৪০ হাজার ৬১৮ হেক্টর জমিতে। প্রতি হেক্টর জমিতে ফলন ছিল ৩ দশমিক ০৪ মেট্রিক টন। ওই বছর উৎপাদন হয়েছিল এক লাখ ২৩ হাজার ৪৭৮ মেট্রিক টন।
২০১৯-২০ অর্থবছরে আবাদ হয়েছিল ৪৭ হাজার ৭৭৬ হেক্টর জমিতে। প্রতি হেক্টরে ফলন ছিল ৩ দশমিক ১৪ মেট্রিক টন। সেই অনুযায়ী ১ লাখ ৫০ হাজার ১৬ মেট্রিক টন উৎপাদন হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে আবাদ হয়েছিল ৬০ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে। ওই বছর ৩ দশমিক ১০ মেট্রিক টন উৎপাদন হলেও মোট উৎপাদন ছিল এক লাখ ৮৬ হাজার ৮৬৮ মেট্রিক টন। ২০২১-২২ সালে ৬২ হাজার ৯০ হেক্টর, ২০২২-২৩ সালে ৬৩ হাজার ৬৮০ হেক্টর এবং ২০২৩-২৪ সালে ৬১ হাজার ৭৮২ হেক্টর জমিতে আউশ চাষ হয়েছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬১ হাজার ১৫৭ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছিল, উৎপাদন হয়েছিল এক লাখ ৮০ হাজার ২৬৮ মেট্রিক টন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আবাদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার ১৬৩ হেক্টরে। একই সময় হেক্টরপ্রতি ফলন বেড়ে হয়েছে ৩ দশমিক ০২ মেট্রিক টন। চলতি অর্থবছরে মোট উৎপাদন লক্ষ্য ধরা হয়েছে এক লাখ ৮৪ হাজার ৭১২ মেট্রিক টন।
অর্থাৎ, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ অঞ্চলে আউশের আবাদ প্রায় ৬০ হাজার হেক্টরের ওপরেই রয়েছে। গত ৯ বছরের ব্যবধানে আউশের আবাদ বেড়েছে ৩৬ হাজার ১৭৫ হেক্টর। আবাদ বৃদ্ধির পাশাপাশি ফলনেও এসেছে উল্লেখযোগ্য উন্নতি।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ব্রি-৪৮, ব্রি ৯৮, বিনা-২১, ধানী গোল্ড, গোল্ডেন-১, জনকরাজসহ অন্তত ৩০ ধরনের আউশ ধান চাষ হচ্ছে রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলায়।
সরেজমিন কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রংপুর অঞ্চলে এক সময় ‘মঙ্গা’ শব্দটির সঙ্গে কাজের অভাব ও খাদ্যসংকটের দীর্ঘ ইতিহাস ছিল। বোরো ধান কাটার পর আমন চাষ শুরুর আগ পর্যন্ত কৃষিশ্রমিকদের হাতে কাজ কমে যেত। কৃষিনির্ভর পরিবারগুলো তখন আয়-রোজগারের সংকটে পড়ত।
তবে, সাম্প্রতিক সময়গুলোতে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে। আউশসহ বিভিন্ন স্বল্পমেয়াদি ও মৌসুমি ফসলের আবাদ বাড়ায় বছরের বিভিন্ন সময়ে জমি চাষের আওতায় আসছে। ফলে কৃষকের পাশাপাশি কৃষিশ্রমিকদেরও কাজের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
গংগাচড়ার কৃষক আব্দুর রহিম বলেন, ‘আমাদের এখানে ধুধু চর। কখনো শুকনো মৌসুম, কখনো পানিতে ডুবে থাকতে হয়। বোরো ও আমনের মধ্যবর্তী সময়ে কাজের সংকট ছিল। এখন আউশসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ বেড়েছে। ফলে ওই সময়টাতেও জমিতে কৃষিকাজ হচ্ছে, এখন সময়টা অনেক ভালো।’
আব্দুর রহিম আরও বলেন, কয়েক বছর আগেও কাজের অভাব ছিল, আমাদের মঙ্গা এলাকার লোক বলত। এখন মানুষের হাতে কাজ আসছে। কোনো সময়ই আমরা বসে থাকি না। আউশ অনেকটাই আমাদের ভাগ্য বদল করে দিয়েছে।
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বড় বাড়িগ্রামের কৃষক আবুল হোসেন বলেন, ‘বোরো কাটার পর জমি ফেলে না রেখে আউশ (বড় ধান) চাষ করা যায়। এতে একই জমি থেকে ফাও (বাড়তি) আরেকটা ফসল পাওয়া যায়। পরিশ্রম কম, খরচ কম। মোটামুটি লাভও হচ্ছে। এতে জমি ফেলে না রেখে আবাদ করায় মানুষের যে অভাব ছিল সেটা এখন আর নেই।’
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আউশ ধানের আবাদ বেড়েছে, কৃষক অনেক বেশি লাভবান না হলেও আগ্রহটা বেড়েছে। তারা জানান, এক একর জমিতে আউশ ধান উৎপাদনে বীজ, বীজতলা ও সার, চারা, সেচ, কিটনাশক মজুরি, মাড়াইসহ মোট খরচ প্রায় ৫২ হাজার ৫১২ টাকা। এক একরে ধানের উৎপাদন ধরা হয়েছে প্রায় এক হাজার ৫৩০ কেজি। খড়ের মূল্য বাদ দিলে ধানের নিট উৎপাদন ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ৪৪ হাজার ৯১২ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি ধানের উৎপাদন ব্যয় প্রায় ২৯ টাকা।
কৃষক পর্যায়ে প্রতিকেজি ধান ৩৪ টাকা দরে বিক্রি হলে একরপ্রতি মুনাফা থাকে প্রায় চার হাজার ৭০০ টাকা।
কৃষকরা জানান, সার, বীজ, কীটনাশক, শ্রমিকের মজুরি ও অন্যান্য কৃষি উপকরণের দাম বাড়লে উৎপাদন খরচও বেড়ে যায়। আবার ধান কাটার মৌসুমে বাজারদর কমে গেলে লাভ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ধানের দাম ভালো থাকলে কৃষক এই ধান চাষে আরো আগ্রহী হয়ে উঠবে।
কৃষক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক পলাশ কান্তি নাগ বলেন, আউশের আবাদ আরো বাড়াতে হলে উৎপাদন খরচ কমানোর পাশাপাশি ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি উপকরণে ভর্তুকি বা প্রণোদনা, মানসম্মত বীজ ও সার সহজলভ্য করা এবং বাজারে ধানের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা গেলে আউশ চাষে কৃষকের আগ্রহ আরো বাড়বে। এতে এক সময়ের মঙ্গা যেভাবে দূর হয়েছে, ঠিক একইভাবে আরো আর্থিক সচ্ছলতা বাড়বে এই অঞ্চলের কৃষকদের।
রংপুর আঞ্চলিক কৃষি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, রংপুর অঞ্চলের কৃষিতে বড় পরিবর্তনের একটি দিক হলো বছরের মাঝের সময়টুকুও এখন আর আগের মতো পুরোপুরি অনাবাদি থাকছে না। আউশসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসল সেই সময়টাকে উৎপাদনের মধ্যে নিয়ে এসেছে। ফলে জমির ব্যবহার যেমন বেড়েছে, তেমনি কৃষিকাজের পরিধিও হয়েছে বিস্তৃত।
অতিরিক্ত পরিচালক বলেন, আউশ স্বল্পমেয়াদি ফসল হওয়ায় বোরো ও আমনের মধ্যবর্তী সময়ে এই ধান চাষ হয়। উন্নত জাত নির্বাচন, সময়মতো চাষ, সুষম সার প্রয়োগ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ফলন আরো বাড়াতে কৃষকদের সাবির্ক সহযোগিতা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৭ই সেপ্টেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার, বিকাল ৫ ঘটিকার সময়, নারায়ণ গঞ্জ জেলার, ডি এন রোড, সে বাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ,মাহমুদা খাতুন মুন্নি আপা কমিটিতে সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ায়, নারায়ণগঞ্জের নন্দীপাড়া এলাকার একটি মহল, তাকে ফুলের শুভেচ্ছা দিয়ে অভিনন্দন জানান।
উপস্থিত ছিলেন, নবনির্বাচিত সভাপতি মাহমুদা খাতুন মুনি আপা, তার হাজবেন্ড,
আরো উপস্থিত ছিলেন, জনাব মোঃ মাসুম মোল্লা, শেখ মোহাম্মদ সোহেল, মিজানুর রহমান রনি মল্লিক, মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আল-আমিন ও মোহাম্মদ বাসেদ সহ আরো অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তব্যে নবনির্বাচিত সভাপতি মাহমুদা খাতুন, জানান যে সকলের সার্বিক সহযোগিতায়, বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম সুন্দর ও আধুনিকভাবে গড়ার তোলার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ