ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নদীতে ডুবে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু, আটক ৪ সহপাঠী


নদীতে ডুবে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু, আটক ৪ সহপাঠী

দিনাজপুরে পুনর্ভবা নদীতে ডুবে এক দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী লিমন (১৬) মারা গেছে। এই ঘটনায় তার চারজন সহপাঠীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ১টায় দিনাজপুর সদর উপজেলার উলিপুর গ্রাম থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। इससे পূর্বে, বুধবার বিকেলে শহরের মাহুতপাড়ায় পুনর্ভবা নদীতে ডুবে লিমন নিখোঁজ হয়েছিল।

মৃত লিমন দিনাজপুর শহরের সিপাহীপাড়ার লিটন ইলামের ছেলে। আটক হওয়া সহপাঠীদের মধ্যে রয়েছেন রুহুল আমিন খান (১৬), আতিকুর রহমান (১৬), আবির হোসেন (১৬) ও তাজনিম রহমান (১৭)।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে অপহরণ ও ডাকাতির মামলায় পুলিশ কনস্টেবলসহ গ্রেপ্তার ৪, উদ্ধার ৩ মোটরসাইকেল

দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার এসআই সাহাদত হোসেন এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিকেলে কিছু শিক্ষার্থী পুনর্ভবা নদীতে গোসল করতে নামে। গোসলের এক পর্যায়ে লিমন নিখোঁজ হয়ে যায়। এরপর ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি শুরু করে।

পরে রংপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল অভিযান চালায়। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় সদর উপজেলার উলিপুর গ্রামে তার মরদেহ ভেসে ওঠে। এরপর কোতোয়ালি থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে পরবর্তী গবেষণার জন্য দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে।

এসআই সাহাদত হোসেন জানিয়েছেন, নিহতের চার সহপাঠীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ ইয়াবা উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিটফোর্ড হাসপাতালের সুইপার কলোনি উচ্ছেদের প্রতিবাদে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো : সুমন হাসান বাপ্পি ,স্টাফ রিপোর্টার

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


মিটফোর্ড হাসপাতালের সুইপার কলোনি উচ্ছেদের প্রতিবাদে মানববন্ধন

ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের মিনিয়ালস কোয়ার্টার (সুইপার কলোনি) থেকে দীর্ঘদিনের বাসিন্দাদের উচ্ছেদের উদ্যোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন হরিজন সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মিটফোর্ড হাসপাতাল প্রাঙ্গণের সুইপার কলোনিতে হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ প্রায় ১৬৮ বছর ধরে বসবাস করে আসছেন। সম্প্রতি তাদের আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যে বাসস্থান খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। এতে দীর্ঘদিনের আবাসস্থল হারিয়ে পরিবারগুলোর জীবন-জীবিকা ও সামাজিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন বক্তারা।

আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মিটফোর্ড হাসপাতালের সুইপার কলোনিতে প্রায় ৬১টি পরিবার বসবাস করছে। সেখানে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জন মানুষের বসবাস। তাদের অনেকেই হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করছেন।

বক্তারা বলেন, একটি সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের বসতি উচ্ছেদ শুধু আবাসন সংকট তৈরি করবে না, এর সঙ্গে শিক্ষা, চিকিৎসা, জীবিকা ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়ও জড়িত। তাই উচ্ছেদের আগে বাসিন্দাদের জন্য স্থায়ী ও নিরাপদ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

মানববন্ধনে উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—স্থায়ী ও গ্রহণযোগ্য পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত কোনো পরিবারকে উচ্ছেদ না করা, পুনর্বাসনের স্থান নির্ধারণে বাসিন্দাদের মতামত নেওয়া, পুনর্বাসনস্থলে শিক্ষা, চিকিৎসা, পানি, বিদ্যুৎ, স্যানিটেশন ও নিরাপত্তার মতো মৌলিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা এবং মিটফোর্ড হাসপাতালে কর্মরত পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কর্মসংস্থান ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, উন্নয়নের প্রয়োজন থাকলেও মানুষের দীর্ঘদিনের বসতি উচ্ছেদ করে উন্নয়ন হতে পারে না। যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট বাসিন্দাদের পুনর্বাসন ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

মানববন্ধনের আয়োজকরা জানান, দলিত নারী ফোরাম ও নাগরিক উদ্যোগের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে হরিজন সম্প্রদায়ের বাসিন্দাসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাঁঠালিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি বাদল হাওলাদার সাময়িক বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাঁঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ পি.এম


কাঁঠালিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি বাদল হাওলাদার সাময়িক বরখাস্ত

কাঁঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি: কাঁঠালিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি বাদল হাওলাদারকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রেসক্লাবের টিয়ারের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রেসক্লাব সূত্রে জানা যায়, টিয়ারের টাকা আত্মসাতের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রেসক্লাবের সংশ্লিষ্টদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সভাপতি বাদল হাওলাদারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কাঁঠালিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম রাসেল সিকদার বলেন, টিয়ারের টাকা আত্মসাতের অভিযোগের কারণে সভাপতিকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত বাদল হাওলাদারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

সূত্র: মো. শফিকুল ইসলাম রাসেল সিকদার, সাধারণ সম্পাদক, কাঁঠালিয়া প্রেসক্লাব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মকবুল মিয়া সড়ক: দুর্ভোগের আরেক নাম স্থানীয়দের দ্রুত সংস্কার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ পি.এম


মকবুল মিয়া সড়ক: দুর্ভোগের আরেক নাম স্থানীয়দের দ্রুত সংস্কার দাবি

 

দুই দশক ধরে সংস্কার না হওয়ার ফলে বেহাল অবস্থায় রয়েছে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের মকবুল মিয়া সড়ক। এটি বৃহস্পতিবার 

সড়কটির মধ্যে অসংখ্য খানাখন্দ দেখা যাচ্ছে। কোথাও সড়কের অংশ ধসে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ খাদ।

বৃষ্টির কারণে কিছু অংশ পানির নিচে চলে যায়, আবার কোথাও উঁচু টিলার মতো দাঁড়িয়ে আছে। দুই যুগ আগে বসানো ইটের অস্তিত্বও বহুাংশে বিলীন হয়ে গেছে।

এ এমন অবস্থা চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের ওকন্যারা গ্রামের মকবুল মিয়া সড়কের। স্থানীয়রা জানান, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে এই সড়কটির সংস্কার কিংবা উন্নয়নকাজ হয়নি।

তাদের অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিরা বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবতা হলো কোনও উন্নয়ন হয়নি। সড়কটির দুরবস্থার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কটির পাশে রয়েছে আশিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, আশিয়া বাংলা বাজার, একটি কিন্ডারগার্টেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসা। অপর পাশে রয়েছে বড়লিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি কিন্ডারগার্টেন ও একটি মাদরাসা।

স্থানীয়রা জানান, বড়লিয়া হাসপাতালসংলগ্ন আকবর শাহ মাজার এলাকা থেকে শুরু হয়ে আশিয়া বাংলা বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত এই সড়কটি বড়লিয়া ও আশিয়া ইউনিয়নকে একত্রিত করেছে। প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটিতে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াত করে।

এলাকার বাসিন্দারা জানাচ্ছে, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও শিক্ষার্থীসহ প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় বর্তমানে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং ইজিবাইক চলাচল করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সড়কটির সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হচ্ছে স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা।

আশিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ হাসানের মন্তব্য, ‘প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার জন্য আমি এই সড়ক দিয়ে তিন-চারবার যাতায়াত করি। বৃষ্টি হলে রাস্তা দিয়ে হাঁটা হয় না। অনেক সময় পা পিছলে পড়ে যাই। যদি সড়কটি সংস্কার হয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের অনেক উপকার হবে।’

একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আদিল ইসলামের বক্তব্য, ‘এই ভাঙা রাস্তা দিয়ে স্কুলে যেতে অনেক কষ্ট হয়। এ কারণে আমি প্রায়ই স্কুলে যেতে চাই না।’

স্থানীয় অভিভাবকরা জানিয়েছেন, বর্ষাকালে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুলে পাঠানো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী সড়কের খানাখন্দে পড়ে আহত হতে হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কটি বেহাল অবস্থায় থাকার ফলে অসুস্থ রোগী অথবা গর্ভবতী নারীদের দ্রুত হাসপাতালে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

বয়োবৃদ্ধ নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘আমার ছেলে ছোটবেলা থেকে এই রাস্তার একই অবস্থা দেখে আসছে। এখন সে বিদেশে থাকে, কিন্তু রাস্তার কোনও পরিবর্তন হয়নি। আমি হাঁপানির রোগী। বাজার থেকে হেঁটে এই রাস্তা পার হতে গেলেই শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়।’

স্থানীয়রা আরও জানায়, জরুরি রোগী পরিবহনের ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স তো দূরের কথা, অনেক সময় সিএনজিও প্রবেশ করতে পারে না। ফলে রোগীদের কাঁধে বা হাতে ধরে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, ‘জনপ্রতিনিধিরা সবাই রাস্তার অবস্থা জানেন। কিন্তু কেউই গুরুত্ব দেন না। অতিথি বাড়িতে এলে রাস্তার কারণে লজ্জায় পড়তে হয়।’

মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, ‘আমাদের ইউনিয়নের প্রায় সব রাস্তা পাকা হয়েছে। শুধু এই সড়কটি উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। বৃষ্টিতে রাস্তা পুরোপুরি পানির নিচে চলে যায়। স্কুলের ছেলে-মেয়েদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।’

এলাকার প্রবীণ বাসিন্দা সাবের আহমদ বলেন, ‘প্রায় ১৯ বছর আগে একবার ইট বসানো হয়েছিল। এরপর আর কোনও কাজ হয়নি। হিসাব করে বছরে পর বছর শুধু আশ্বাস শুনছি, কাজ দেখতে পাইনি।’

এদিকে, সড়কটির উন্নয়নের দাবিতে স্থানীয়রা সম্প্রতি চট্টগ্রাম ১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনামের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কাজীর খাল সেতু থেকে ভূঁইয়া বাড়ি, কালারপাড়া হয়ে আশিয়া বাংলা বাজার পর্যন্ত মকবুল মিয়া সড়ক প্রায় দুই দশক ধরে উন্নয়নবঞ্চিত। এর ফলে শিক্ষার্থী, রোগী, কৃষক এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বড়লিয়া ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আবু মনছুর চৌধুরী বলেন, ‘সড়কটির বেহাল অবস্থার বিষয়টি আমি জানি। নির্মাণের পর একবার ব্রিকসলিন করা হয়েছিল। এরপর আর কোনও সংস্কার হয়নি। বর্তমানে সড়কটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

পটিয়া উপজেলা প্রকৌশলী তন্ময় নাথ বলেন, ‘সড়কটি এলজিইডির তালিকাভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক। প্রয়োজনীয় কারিগরি জরিপ ও প্রস্তাবনা প্রস্তুত করে উন্নয়ন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। বরাদ্দ পেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কার বা উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান বলেন, ‘সড়কটি স্থানীয় মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও রোগীদের যাতায়াতের বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনার দাবি রাখে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করা হবে।’

স্থানীয় সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম বলেন, ‘পটিয়ার কোনো জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবহেলিত থাকবে না। স্থানীয়দের আবেদন আমার নজরে এসেছে। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল বিভাগকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রস্তাবনা প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসদ কক্ষে নিজের আসনে বসে ভোটগ্রহণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


সংসদ কক্ষে নিজের আসনে বসে ভোটগ্রহণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ২০ আগস্ট ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভোটের শুরুতে এক ঘণ্টারও অধিক সময় ধরে সংসদ কক্ষে নিজের আসনে বসে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ দেখলেন।

তাঁর পাশের আসনে ছিলেন দলের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে সেখানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ এবং প্রবীণ সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী যখন নিজের আসনে বসে ছিলেন, তখন সংসদ সদস্যরা তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি হাসিমুখে সংসদ সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন।

বিকাল ৩টা ১৩ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সংসদ কক্ষ ছেড়ে তাঁর কার্যালয়ে চলে যান। সেখান থেকে 이동ের সময় তিনি দলের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সঙ্গে নেন।

বিকাল ৫ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অব্যাহত থাকবে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মো. সুজাদ্দৌলা এবং সহকারি প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক প্রমুখ কর্মকর্তাদের সহ সাংবাদিক গ্যালারিতে এসে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া অবলোকন এবং সাংবাদিকদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%