ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার সম্ভাবনার ইঙ্গিত ট্রাম্পের


ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার সম্ভাবনার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় আলোচনায় এসেছেন ভূখণ্ডগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও তেলের রাজনীতির কারণে। তিনি ভেনেজুয়েলার সঙ্গে তেলের চুক্তিকে ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্যে পরিণত হতে পারে বলে ইঙ্গিত করেছেন। এই সম্ভাবনার কথা তিনি টেক্সাসের করপাস ক্রিস্টিতে আয়োজিত এক নির্বাচনী সমাবেশে জানান।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দ্য গার্ডিয়ানের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের করপাস ক্রিস্টিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার সঙ্গে জ্বালানি চুক্তির প্রশংসা করেন।

সমাবেশে তিনি উপকূলে নোঙর করা একটি তেলবাহী জাহাজ দেখিয়ে দাবি করেন, সেখানে ভেনেজুেলা থেকে আনা ১০ লাখ ব্যারেল তেল রয়েছে। তিনি বলেন, এই চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের এক ডলারও খরচ করতে হয়নি এবং বিষয়টিকে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেলবিজয়’ হিসেবে অভিহিত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

আরও পড়ুন: স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে ৫০ জন নিহত

ট্রাম্প আরও বলেন, ভেনেজুয়েলা সামনে একটি সমৃদ্ধশালী দেশে পরিণত হবে। এমনকি শিগগিরই দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হয়ে গেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। তিনি জানান, এমন সম্ভাবনাকে সরাসরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

এদিকে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে এক সামরিক অভিযানের মাধ্যমে মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে আটক করে। এরপর দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে এই তেল চুক্তি সম্পন্ন করে ওয়াশিংটন।

তবে আন্তর্জাতিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই চুক্তির তীব্র সমালোচনা করছেন। তাদের অভিযোগ, ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা কিংবা স্থিতিশীলতা ফেরানোর চেয়ে ট্রাম্প প্রশাসন দেশটির তেল সম্পদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতেই বেশি আগ্রহী।

এটি প্রথমবার নয়, ট্রাম্প অন্য দেশের অঞ্চল বা ভূখণ্ড নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য দিয়েছেন। এর আগে কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি। এছাড়া, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড এবং পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ফিরিয়ে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: স্পেনে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা ৫০ জনে পৌঁছেছে

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বর্তমানে ইরানের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনা এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ট্রাম্প রাজনৈতিকভাবে চাপের মধ্যে রয়েছেন। এই চাপ সামাল দিতে তিনি ভেনেজুয়েলার তেল চুক্তিকে নিজের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে প্রচার করছেন এবং এর ফলে তেলের দাম দ্রুত কমে আসবে বলে আশ্বাস দিচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমি টাকা চাই না, ইয়াছিনকে আমার স্বামী হিসেবে চাই’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ পি.এম


‘আমি টাকা চাই না, ইয়াছিনকে আমার স্বামী হিসেবে চাই’

কুমিল্লার বাঙ্গরায় এক স্কুলছাত্রীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের পর বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে এবং ভুক্তভোগীকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইয়াছিন আরাফাত নামে এক তরুণের বিরুদ্ধে।

গত (২৫ অক্টোবর) ন্যায়বিচার চেয়ে অভিযুক্ত তরুণ এবং তার পরিবারের সাত সদস্যের বিরুদ্ধে বাঙ্গরা বাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই কিশোরী।

অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শ্রীকাইল ইউনিয়নের চারিপাড়া গ্রামের স্থানীয় এক স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রতিবেশী ইয়াছিন আরাফাতের প্রেমের সম্পর্ক প্রায় এক বছর ধরে চলছিল। সম্পর্কের একপর্যায়ে ইয়াছিন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। সর্বশেষ ১৮ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইয়াছিন ওই কিশোরীর ঘরে গিয়ে আবারও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।

ভুক্তভোগী কিশোরী গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার রাতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি জানতে পেরে উভয়পক্ষকে ডেকে সামাজিকভাবে বিয়ে করানোর আশ্বাস দেন। কিন্তু পরবর্তীতে সালিশদাররা ইয়াছিনকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে উল্টো ভুক্তভোগী পরিবারকে ৪ লাখ টাকা দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য করেন।

এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী কিশোরী বলেন, "আমি টাকা চাই না, ইয়াছিনকে আমার স্বামী হিসেবে চাই।"

এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিউল আলম জানান, "আমি ছুটি শেষে আজই ফিরলাম, তাই এ বিষয়টি আমি জানি না। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হবে। ঘটনার সত্যতা তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে ইসি: সিইসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ পি.এম


ভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে ইসি: সিইসি

॥ হাবিবুর রহমান ॥

ঢাকা, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ : নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মূল লক্ষ্য হচ্ছে ভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে আয়োজনের টেকসই সংস্কৃতি গড়ে তোলা, যা কেবল একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি উল্লেখ করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে নূন্যতম মানদণ্ড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা বজায় রাখার পাশাপাশি ভবিষ্যতের নির্বাচনগুলোতে আরও উন্নত মান নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একই মানদণ্ড বজায় রাখতে কমিশন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সিইসি বলেন, ‘শুধুমাত্র একটা ভালো নির্বাচন করাই আমাদের লক্ষ্য নয়। ভবিষ্যতে যাতে সবগুলো নির্বাচন সেই একই মানদণ্ডের হয়, সেই প্রচেষ্টা আমাদের থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনব্যবস্থা শুধু এককালীন আয়োজন নয়। একটা ভালো নির্বাচন করেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। বরং দেশে একটা ভালো নির্বাচনের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে সব নির্বাচন ওই মানের হয়। সেই ব্যবস্থাটা আমাদের করতে হবে।’

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোও একই মানদণ্ডে আয়োজনের চেষ্টা থাকবে। সম্ভব হলে আরও ভালো নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সব অংশীজনের সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

চাপমুক্ত পরিবেশে কাজ করছে ইসি

গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে সিইসি বলেন, এই অঙ্গীকারই কমিশনকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে সহায়তা করেছে।

তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট আয়োজন, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর পোস্টাল ভোটিংয়ের মাধ্যমে প্রবাসী ও দেশের অভ্যন্তরে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং কারাবন্দীদের ভোট দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। কমিশনের দৃঢ় অঙ্গীকারের কারণেই এসব কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। সিইসি বলেন, আমাদের কমিটমেন্টের মধ্যে কোনো খাদ নেই।

আসন্ন ইউপি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত জাতীয় নির্বাচনের মতোই আগামী নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। কমিশনের ওপর কোনো পক্ষের চাপ নেই। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তারা সেভাবেই কাজ করছেন। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে প্রার্থীদের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান সিইসি।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না হলেও প্রার্থীদের পেছনে রাজনৈতিক দলের সমর্থন থাকতে পারে। এ কারণে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে রাজনীতিবিদদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

সিইসি বলেন, ‘রাজনীতিবিদদের সহযোগিতা খুবই দরকার। এজন্য আমরা তাদের সঙ্গে বসার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। এই নভেম্বর মাসের মধ্যেই তাদের সঙ্গে বসব আমরা।’

তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া সুষ্ঠু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। গণতন্ত্রকে টেকসই করতে এবং পূর্ণমাত্রায় গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। নির্বাচনে জালিয়াতি হলে তা প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারে না।

ইউপি নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা, কঠোর হবে আচরণবিধি

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন সিইসি। ভোটকেন্দ্র, ভোটার তালিকা, নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রয়েছে। ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, আইনগতভাবে মেয়াদোত্তীর্ণ এবং আদালতের নির্দেশনার আওতায় থাকা ইউনিয়ন পরিষদগুলো বিবেচনায় নিয়ে প্রতি ধাপে প্রায় ৮০০ থেকে ১ হাজার ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

ইউপি নির্বাচনে সহিংসতাকে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা বেশি ঘটে। এ কারণে আচরণবিধি বাস্তবায়নে কমিশনের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের শরীরে সংযুক্ত করা ক্যামেরাও থাকবে। এতে নির্বাচনে সহিংসতা বা অনিয়মের ঘটনা ঘটলে তা রেকর্ডে থাকবে।

সিইসি বলেন, ‘আচরণবিধি আমরা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করব। এ ব্যাপারে কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’

নির্বাচন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে কমিশনের প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নির্বাচন কমিশনের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনার বিষয়টিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান সিইসি।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে দায়িত্ব গ্রহণের পর দ্রুত মূল্যায়নে দেখা যায়, নির্বাচন কমিশন এবং সামগ্রিক নির্বাচনব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছিল। বিশেষ করে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং ভোটকেন্দ্রে নিরাপদে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ ছিল।

সিইসি বলেন, মানুষের হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনা, নির্বাচন কমিশনকে আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা এবং নির্বাচনব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা পুনঃপ্রতিষ্ঠাকে কমিশন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

এ লক্ষ্য অর্জনে ভোটার তালিকা হালনাগাদের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রায় ৭৭ হাজার কর্মী নিয়োগ ও তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

তিনি জানান, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ১০ লাখ নারী ভোটারকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং ২১ লাখের বেশি মৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

সিইসি বলেন, ভোটার তালিকার নির্ভুলতা নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা মানুষের আস্থা ফেরানোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

স্বচ্ছতা ও অংশীজনদের সহযোগিতায় গুরুত্ব

ভবিষ্যতে ভালো নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে মানুষের আস্থা ধরে রাখা, প্রতিটি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং সব অংশীজনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেন সিইসি।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রতিটি পদক্ষেপ এমন হতে হবে, যাতে মানুষ নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পায় এবং কোনো ধরনের অনিয়ম বা গোপনীয়তার সুযোগ না থাকে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল, ভোটার, নাগরিক সমাজ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সবার সহযোগিতা কমিশনকে দায়িত্ব পালনে সহায়তা করেছে। ভবিষ্যতের নির্বাচনেও এই সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে হবে।

সাংবাদিকদের নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের সুযোগ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, সাংবাদিকদের জন্য কমিশনের দরজা উন্মুক্ত। তারা ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। তবে সাংবাদিকের সংখ্যা বেশি হওয়ায় সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে নীতিমালা অনুসরণ করে পরিচয়পত্র দেওয়া হবে।

জাতীয় পর্যায়ের সাংবাদিকদের পরিচয়পত্র কমিশন থেকে দেওয়া হবে। স্থানীয় পর্যায়ের সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে প্রেস ক্লাবের সাথে আলোচনা করে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।

তিনি বলেন, কমিশন সব সময় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে চায় এবং নির্বাচনী কার্যক্রমে সাংবাদিকদের কার্যকর ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করে।

অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তিতে বিশেষ ব্যবস্থা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোগ প্রতিকারব্যবস্থা কার্যকর রাখার কথা জানান সিইসি।

তিনি বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। নির্বাচনী অনিয়মের প্রতিকার যেন স্থানীয় পর্যায়েই দ্রুত পাওয়া যায়, সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চায় কমিশন।

কালো টাকা ব্যবহার ও ভোট কেনার বিষয়ে তিনি বলেন, এসব অনিয়মের খবর পাওয়া গেলে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিইসি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব পক্ষের দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি। সব অংশীজন নিয়ম মেনে নির্বাচনী মাঠে থাকলে কমিশনের জন্য অনিয়ম প্রতিরোধ করা সহজ হবে।

১০ মাস থেকে এক বছরে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন

ইতিহাস ও বাস্তব অভিজ্ঞতা বিবেচনায় দেশের সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রায় ১০ মাস থেকে এক বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন সিইসি।

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সেবা গ্রহণ করেন। নির্বাচন না হওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এছাড়া উপজেলা পরিষদসহ কয়েকটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কাঠামো ও কার্যক্রমের সাথে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্পর্ক রয়েছে। কিছু প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ভূমিকা প্রয়োজন হয়। এ কারণেও ইউপি নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

সিইসি জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পরপরই পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে বিভিন্ন পরীক্ষা, বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষা এবং বর্ষা মৌসুমের সম্ভাব্য বন্যার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচনী সময়সূচি নির্ধারণ করতে হবে।

তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী থাকবে না।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ানোকে একটি বড় সামাজিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন সিইসি।

তিনি বলেন, নারী ভোটার পাওয়া গেলেও প্রার্থী হিসেবে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা তুলনামূলক কঠিন। পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের নিরুৎসাহিত করা, সামাজিক প্রতিবন্ধকতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানিমূলক প্রচারণা নারীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে।

এ পরিস্থিতির পরিবর্তনে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচার প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। এক্ষেত্রে শুধু নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; রাজনৈতিক দলসহ সমাজের বিভিন্ন পক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে।

সিইসি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে ২০৩০ সালের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোতে এক-তৃতীয়াংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্য আইনে রাখা হয়েছে। তবে আইন প্রণয়নের পাশাপাশি বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন।

তরুণ ভোটারদের জন্য বিশেষ সুযোগ

তরুণদের ভোটাধিকার প্রয়োগে উৎসাহিত করতে ভোটার হওয়ার সুযোগ সম্প্রসারণের কথা জানান সিইসি।

তিনি বলেন, ৩১ অক্টোবরের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তারা ভোটার হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। আগে বছরের ১ জানুয়ারিকে ভিত্তি ধরে বয়স গণনা করা হলেও এবার নতুন সুযোগের ফলে আরও বেশি তরুণ ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।

তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও অংশগ্রহণমূলক করতে সহায়তা করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সব পক্ষের সহযোগিতায় সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজন করতে সব অংশীজনের সহযোগিতা কামনা করেন সিইসি।

তিনি বলেন, নির্বাচনে সব পক্ষের দায়িত্বশীল আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কমিশন অনিয়ম ও সহিংসতা প্রতিরোধে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে। একইসাথে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও ভোটারদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে কমিশন।

সিইসি বলেন, কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই কমিশনের অন্যতম লক্ষ্য।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর, গ্রহণযোগ্য ও মানসম্মত স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে কঙ্গনা, প্রভাস ও রজনীকান্তের উপস্থিতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০০ পি.এম


কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে কঙ্গনা, প্রভাস ও রজনীকান্তের উপস্থিতি

কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসব আগামী ডিসেম্বরে শুরু হতে যাচ্ছে। এই উৎসবের জন্য কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন টালিউডের ‘বুম্বাদা’ খ্যাত অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। বর্ষীয়ান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী মুখ্য উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকবেন। চলচ্চিত্র উৎসবের সকল পরিকল্পনা মিঠুনের নেতৃত্বে সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) চলচ্চিত্র উৎসবের প্রাক-প্রস্তুতির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী, অগ্নিমিত্রা পাল, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, হিরণ চট্টোপাধ্যায় এবং শর্বরী মুখোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে মিঠুন চক্রবর্তী জানান, চলচ্চিত্র উৎসব উপলক্ষে কলকাতা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোকে সাজানো হবে। বিগত সরকারের সময় থেকে কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনে বিশেষ অতিথিদের তালিকায় সবসময়ই থাকে আকর্ষণীয় চমক।

এবারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। উদ্বোধনে উপস্থিত থাকবেন বলিউডের ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত, বাহুবলী খ্যাত নায়ক প্রভাস এবং দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার রজনীকান্ত। কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজনে গঠিত সরকারি কমিটির বৈঠকের পর এ তথ্য জানা গেছে।

মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, ‘এবার রজনীকান্ত, প্রভাস, অনুপম খের আসছেন। কথাবার্তা চলছে কঙ্গনা ও পরেশ রাওয়ালের সঙ্গেও। বেশি ভিড় বাড়াতে চাই না। এতেই হয়ে যাবে। বিদেশের কয়েকজন তারকাকে আনারও চেষ্টা করছি।’

নতুন সরকারের অধীনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কোথায় হবে, তা নিয়েও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ‘ফাটাকেষ্ট’ খ্যাত অভিনেতা বলেন, ‘এবার সম্ভবত ভিক্টোরিয়ায় উদ্বোধন হবে।’ উদ্বোধনে নানা চমক থাকবে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন। ১৬ ডিসেম্বর থেকে চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হবে এবং এটি চলবে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

গত বছর বলিউড থেকে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শত্রুঘ্ন সিনহা, সুজয় ঘোষ এবং তিলোত্তমা সোম। এর আগে উদ্বোধনী মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, সালমান খান, জাভেদ আখতার, শাবানা আজমি, বিদ্যা বালান, রানি মুখার্জি, আনুশকা শর্মা এবং ক্যাটরিনা কাইফের মতো তারকারা। সেই ধারাবাহিকতায় এবার বলিউডের পাশাপাশি দক্ষিণের ইন্ডাস্ট্রি থেকেও আসছেন রজনীকান্ত ও প্রভাস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুশফিক ইনজুরিতে, সিলেট টেস্টে খেলবেন তো?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০২ পি.এম


মুশফিক ইনজুরিতে, সিলেট টেস্টে খেলবেন তো?

আঙুলে আঘাতের কারণে ঢাকা টেস্টে মুশফিকুর রহিমকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে বিসিবির মেডিকেল ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, সিলেট টেস্টে তাকে সম্পূর্ণ ফিট অবস্থায় পাওয়া যাবে।

গতকাল নেটে ব্যাটিং অনুশীলনের সময় মুশফিক আঙুলে চোট পান। নেট বোলারের একটি বল সরাসরি তার হাতে আঘাত করলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে নেটের পাশে বসে পড়েন। জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজীদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে নেটের বাইরে তার চিকিৎসা চলে।

চোট পাওয়ার পর মুশফিক আর ব্যাটিং করেননি। প্রায় বিশ মিনিট একাডেমি মাঠে চিকিৎসা শেষে ডানহাতের তর্জনিতে টেপ পেঁচিয়ে তিনি ড্রেসিংরুমে ফিরে যান। পরে এক্সরে করে গুরুতর কিছু পাওয়া যায়নি। তবে হাতের ব্যথা পুরোপুরি সেরে না ওঠায় টিম ম্যানেজমেন্ট তাকে এই ম্যাচের দলে রাখেনি।

মুশফিকের চোটের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে বিসিবির ফিজিও বায়েজীদুল ইসলাম আজ এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ‘মুশফিকুর রহিম ডান হাতের তর্জনিতে ব্যথা পেয়েছে। পরবর্তী সময় থেকে সে আমাদের পর্যবেক্ষণে ছিল। আজ সকাল পর্যন্ত যথেষ্ট উন্নতি হয়নি। এটা একটা কনটিউশন (থেঁতলে যাওয়া) ইনজুরি। আমরা আশা করছি, আগামী তিন দিনের মধ্যে এটা ঠিক হয়ে যাবে। পরের টেস্টে খেলতে পারবে।’

সিলেটে আগামী ৫ নভেম্বর দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%