ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দীঘিনালায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড


দীঘিনালায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার মেরুং ইউনিয়নে মাদক সেবনের দায়ে মো. রিয়াদ হোসেন নামে এক যুবককে তিন মাসের কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের কাঠাল বাগান এলাকায় মাদক সেবনরত অবস্থায় তাকে আটক করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে এ সাজা দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত মো. রিয়াদ হোসেন কাঠাল বাগান এলাকার সাহাব উদ্দিনের ছেলে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে অপহরণ ও ডাকাতির মামলায় পুলিশ কনস্টেবলসহ গ্রেপ্তার ৪, উদ্ধার ৩ মোটরসাইকেল

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদকবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কাঠাল বাগান এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় রিয়াদ হোসেনকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পরে তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হাজির করা হলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৯(১)(গ) ধারা অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট মামলা নম্বর ১৯/২৬-এর মাধ্যমে তিন মাসের কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

দণ্ডাদেশের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, মাদক সেবন ও মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক শুধু একজন ব্যক্তির ক্ষতি করে না, এর প্রভাব পরিবার ও সমাজেও পড়ে। তাই মাদক নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি স্থানীয়দের সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দীঘিনালাকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশ নিয়মিত অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।

আরও পড়ুন: টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ ইয়াবা উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ আখ্যা দিল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ এম


নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ আখ্যা দিল ইরান

ইরানের উপর যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব নিষেধাজ্ঞাকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ ও ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ এমনটি বলেছে।

তেজি অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক দশকের বৈরী নীতি এখনো ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে সক্রিয় রয়েছে।

বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে যে, নতুন নিষেধাজ্ঞা ইরানি জনগণের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদী বৈরিতার আরেকটি উদাহরণ। মন্ত্রণালয়ের দাবি, ১৯৫৩ সালের ১৯ আগস্ট ইরানে সংঘটিত অভ্যুত্থানের বার্ষিকী উপলক্ষ্যে নতুন এই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৫৩ সালের পর থেকেই ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বৈরী নীতি বিভিন্ন মাধ্যমে অব্যাহত রয়েছে।

নতুন নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ওয়াশিংটনের ‘আইনবহির্ভূত ও আধিপত্যবাদী’ নীতির বিষয়টিও আরও স্পষ্ট হয়েছে, বলেছে তেহরান।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দেশটির সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকারেও প্রভাব ফেলছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর আরোপ করা এসব নিষেধাজ্ঞা সরাসরি ইরানি নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু। এ কারণেই এগুলোকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ ও ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসাবে বিবেচনা করছে তেহরান।

মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, নিষেধাজ্ঞা আরোপের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। তেহরানের দাবি, গত দেড় বছরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক ও রাজনৈতিক চাপের পরেও ইরান তাদের দাবি মেনে নেয়নি। সেই ব্যর্থতার পর যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি করতে শুরু করেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, নতুন নিষেধজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ববর্তী পদক্ষেপের তালিকায় একটি নতুন অধ্যায় যোগ করবে। তবে এতে ইরানের স্বাধীনতা, জাতীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অবস্থান পরিবর্তন হবে না।

মন্ত্রণালয় বলেছে, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক আগ্রাসন আলাদা কিছু নয়। তাদের মতে, দুটি একসাথে একই নীতির ভিন্ন রূপ। তেহরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র এক দিকে সামরিক শক্তি ব্যবহার করছে, পাশাপাশি অর্থনৈতিক চাপ এবং নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে দেশগুলোকে নিজেদের নীতির সাথে মানিয়ে নেওয়ার জন্য বাধ্য করার চেষ্টা করছে। এই ধরনের নীতি বিশ্বশান্তি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং জাতিসংঘ সনদে জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মানের যে নীতি রয়েছে, তা মেনে চলার দরকার দেশের। নতুন নিষেধাজ্ঞা এমন একটি দলীলের ধারাবাহিকতা বলেও সতর্ক করেছে ইরান, যা অতীতেও ব্যর্থ হয়েছে। এই নীতির পরিকল্পনাকারী এবং বাস্তবায়নকারীদের অবশ্যই তাদের কর্মকাণ্ডের ফলাফল ভোগ করতে হবে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং অন্যান্য চাপ মোকাবিলা করে জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ় থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তেহরান বলছে, ইরান গত কয়েক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, সামরিক হামলা এবং বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার মুখে প্রতিরোধের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এবারও যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের বিরূপ কর্মকাণ্ড মোকাবেলায় নিজেদের সব ধরনের সক্ষমতা ব্যবহার করবে ইরান। তাদের জাতীয় সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে ইরান তাদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে যাবে।

এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন এবং কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপ ঘোষণার পর ইরানের এই প্রতিক্রিয়া এসেছে। ট্রাম্প সাম্প্রতিক সময়ে দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান শুরু হয়েছে। তিনি সতর্ক করেছেন যে, যদি কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা সরকারি সহায়তা দেয়, তবে সেই দেশকেও ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’ ভোগ করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানকে একটি চুক্তিতে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু তেহরান সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে। এরপর তিনি ইরানের বিরুদ্ধে ‘নজিরবিহীন মাত্রার অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও বিচ্ছিন্নতা’ শুরু করার ঘোষণা দেন।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, নতুন মার্কিন পদক্ষেপের আওতায় ইরানের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খাত লক্ষ্য করা হবে, যেমন তেল পাচারের নেটওয়ার্ক, অর্থ স্থানান্তর, মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র, জাহাজ নিবন্ধন এবং বিভিন্ন আড়াল করা কোম্পানি। ট্রাম্প এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরানের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আবারও জানিয়েছেন, যদি কোনো দেশ তার আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, বিমানবন্দর, বা সরকারি সংস্থার মাধ্যমে ইরানকে সহায়তা করে, তাহলে সেই দেশকে কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সম্মুখীন হতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার সময় থেকেই হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। হরমুজ প্রণালি হলো বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ, যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাসের বড় একটি অংশ আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবাহিত হয়। ট্রাম্প এর আগে দাবি করেছেন যে, হরমুজ প্রণালি এখনও খোলা রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ কার্যকর। তিনি বক্তব্য রেখেছেন যে, অনেক নৌযান এখনও প্রণালিটি ব্যবহার করছে। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ‘১০০ শতাংশ সফল’ হয়েছে। ট্রাম্প একইসাথে বলেছেন যে, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র লাভের সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি বলেছেন, ‘ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না।’

আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধায়নে অগ্রগতি না হওয়ার কারণেই ইরানের সরকার সদস্যদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিতে শুরু করেছে। ট্রাম্পের ঘোষিত নতুন অর্থনৈতিক পদক্ষেপকে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ অভিধা দিয়ে এর সমালোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরাগচি বলেছেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের অর্থনৈতিক সমস্যা থেকে মানুষের দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছে। তার মন্তব্যে, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বড় ধরনের ঋণ এবং দ্রুত বাড়তে থাকা সুদের ব্যয়ের মুখোমুখি। এই অবস্থায় ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানো খালি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সমস্যার দিক থেকে নজর সরানোর চেষ্টা। আরাগচি বলেছেন, ব্যর্থ নীতিতে আরো খোঁটা দিলে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও খারাপ হবে এবং ইরানিদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি পাবে।

তবে তিনি অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শুধু ইরান নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতি এবং বিভিন্ন দেশের জাতীয় সার্বভৌমত্বের জন্য भी হুমকি তৈরি করছে। এর আগে, ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ উল্লেখ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি পূরণ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি তেহরান পুনরায় খুলবে না। তাদের দাবিটি হলো যে, সেই প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছেড়ে দেয়ার যথাযথ ব্যবস্থা এবং দেশটির তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞার শিথিলকরণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৯৮ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৯৮ জন

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে ৪৭ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছে রমনা বিভাগে ৩৬ জন, লালবাগ বিভাগে ৩১ জন, ওয়ারী বিভাগে ৯১ জন, মতিঝিল বিভাগে ৪৮ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৫১ জন, মিরপুর বিভাগে ১৩১ জন, গুলশান বিভাগে ৪৫ জন, উত্তরা বিভাগে ৫৯ জন, গোয়েন্দা বিভাগে ৪ জন ও সিটিটিসি বিভাগে ২ জন।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ২টি দেশীয় তৈরি পাইপ গান, ২ রাউন্ড কার্তুজ, ৪ টি চার্জারে মোট ৩৯ রাউন্ড চায়না রাইফেলের গুলি, ১০ হাজার ২৭৮ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ১৫০ গ্রাম গাঁজা, ৭০ বোতল স্কাফ, ১ টি চাকু, ১ টি কাঁচি, ১ টি ব্লেডের অংশ বিশেষ, ৫ টি মোবাইল ফোন, নগদ ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৮৭০ টাকার ১ টি হাতের ঘড়ি, ১৫৬ পিস তাস, ১ টি ট্রাক, ১ টি মোটরসাইকেল ও ১ টি সিপিইউ উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বুলবুল হত্যার বিচারের দাবিতে মদনপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫০ এম


বুলবুল হত্যার বিচারের দাবিতে মদনপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দরের রিকশা গ্যারেজ মালিক ও ইসলামী আন্দোলনের নেতা জাহিদ হাসান বুলবুল হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে সাড়ে ৯টার দিকে মদনপুরের এলাকায় অবস্থান নিয়ে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা সড়কে টায়ার জ্বালান দেয়। এর ফলে মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়।

বিক্ষোভকারীরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত সকল আসামিকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে মহাসড়ক থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করে।

এদিকে, এর আগে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় জাহিদ হাসান বুলবুল (৪৫) নামে রিকশা গ্যারেজ মালিককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত বুলবুল সালেহনগর শাহী মসজিদ এলাকার রাজা মাস্টারের ছেলে এবং ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

পরিবারের দাবি, ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময়ে সালেহনগর এলাকায় বুলবুলের রিকশা গ্যারেজে লুটপাটের ঘটনায় তিনি বন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় সিফাতকে প্রধান আসামি করা হয়। অভিযোগ করা হয়, মামলাটি তুলে নিতে বিভিন্নসময় বুলবুলকে হুমকির সম্মুখীন হতে হয়েছে।

তারা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে সালেহনগর এলাকায় বুলবুলকে পেয়ে সিফাত ও আরও কয়েকজন ফের মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেন। এই নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বুলবুলকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ শহরের ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সিফাতকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

বন্দর থানার ওসি জামাল হোসেন বলেছেন, “প্রধান অভিযুক্ত সিফাতকে রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।”

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিম-মাছের দাম চড়া, কমেছে মুরগির দর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫৬ এম


ডিম-মাছের দাম চড়া, কমেছে মুরগির দর

রাজধানীর বাজারে আবারও ডিমের দাম বেড়ে গেছে। এরই মধ্যে মুরগির বাজারে কিছুটা স্বস্তি এসেছে; সোনালি ও লেয়ার মুরগির দাম কমে গেছে। অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগির দাম পূর্বের বাড়তি দামেই স্থিতিশীল রয়েছে। সবজির বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না; বেশিরভাগ সবজি ৫০ টাকার আশপাশে বিক্রি হচ্ছে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে এসে ডিমের দাম শোনার পর হতাশ ক্রেতারা নিজেদের অভিব্যক্তি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের মধ্যে ডিম ছিল তুলনামূলক সাশ্রয়ী উৎস। কিন্তু বর্তমানে সেটির দামও বাড়তে থাকায় সংসারের খরচ সামলাতে খুবই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

পারিজাত নামে এক ক্রেতা বলেন, 'ডিম এমন একটা খাবার, যেটা কমবেশি সব পরিবারই কিনে। কিন্তু একাধিকবার দাম বাড়ালে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ পড়ে। বাজারের খরচ তো আর কমছে না।'

সাইফুল নামে আরেক ক্রেতা বলেন, 'মাংসের দাম অনেক বেশি। তাই ডিম কেনার চেষ্টা করছি। কিন্তু এখন ডিমের দামও বাড়তে থাকলে কম আয়ের মানুষের জন্য বাজার করা কঠিন হয়ে যাবে।'

সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজনে ১০ টাকা বেড়ে লাল ডিম বর্তমানে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি ডজনে ১০ টাকা বাড়িয়ে সাদা ডিম ১৪০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। ডিম বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সরবরাহ ও পাইকারি বাজারের দামের ওপর নির্ভর করে খুচরা বাজারে দাম নির্ধারণ হচ্ছে।

ডিম বিক্রেতা সোলেয়মান জানান, 'পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে। যদি আমরা বেশি দামে কিনি, তবে খুচরাতেও বেশি দামে বিক্রি করতে হয়। সরবরাহ বাড়লে দাম আবার কমতে পারে।'

এদিকে মুরগির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে সোনালি ও লেয়ার মুরগির দাম প্রতি কেজিতে ২০ টাকা করে কমেছে। বর্তমানে সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা এবং লেয়ার ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ব্রয়লার মুরগির দাম পূর্বের উচ্চমূল্যেই রয়েছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকায়।

মুরগি বিক্রেতা মনির জানান, 'সোনালি ও লেয়ারের সরবরাহ কিছুটা ভালো হওয়ায় দাম কমেছে। ব্রয়লারের ক্ষেত্রে তেমন পরিবর্তন নেই। বাজারে যে দামে আসছে, সে অনুযায়ীই আমাদের বিক্রি করতে হচ্ছে।'

অন্যদিকে সবজির বাজারে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন নেই। বেশিরভাগ সবজি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৫০ টাকার আশপাশে। বর্তমানে পটল ৫০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, কচু ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৫০ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা, টমেটো ৮০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা এবং পেঁপে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস লাউ ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতারা বলেছেন, বাজারে সরবরাহ আরও বাড়লে দাম কমার সুযোগ রয়েছে। কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা শাহাবুদ্দিন বলেন, 'এখন বেশিরভাগ সবজির সরবরাহ মোটামুটি ভালো। তাই দামও খুব বেশি বাড়েনি। বাজারে আরও বেশি সবজি এলে দাম আরও কিছুটা কমতে পারে।'

সবজি কিনতে আসা একজন ক্রেতা বলেন, 'সবজির দাম এখন মোটামুটি সহনীয় পর্যায়ে নেমেছে। পটল, ঢ্যাঁড়শ, বরবটি ৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। তবে টমেটো আর গাজরের দাম এখনো বেশি।'

তবে সবজিতে স্বস্তি থাকলেও মাছের বাজারে উল্টো চিত্র দেখা গেছে। বেড়েছে রুই ও কাতলার দাম। বর্তমানে প্রতি কেজি রুই মাছ ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকা এবং কাতলা ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সরবরাহ ও চাহিদার ওপর নির্ভর করে মাছের দাম উঠানামা করছে। এক বিক্রেতা বলেন, বড় মাছের সরবরাহ তুলনামূলক কম। তাই রুই-কাতলার দাম কিছুটা বেড়ে গেছে। বাজারে সরবরাহ বাড়লে দামও কমে আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%