ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কক্সবাজারে ৮ মাসে ৩৩৯৯ মামলা রুজু, গ্রেপ্তার ৩১৫


কক্সবাজারে ৮ মাসে ৩৩৯৯ মামলা রুজু, গ্রেপ্তার ৩১৫

কক্সবাজারে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে থানাগুলোতে ৩ হাজার ৩৯৯টি মামলা রুজু করা হয়েছে বিভিন্ন অপরাধে। একই সময়ে, মাদক আইনে ৩৭ লাখের বেশি ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে, ৩১৫ জনকে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মহাসড়কে সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করেছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার জেলা পুলিশ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য প্রদান করেন পুলিশ সুপার (এসপি) এ এন এম সাজেদুর রহমান।

এ সময়, তিনি জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশের সাম্প্রতিক অভিযানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। জেলা পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত কক্সবাজারে মোট ৩ হাজার ৩৯৯টি মামলা দায়ের হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে মামলা হয়েছিল ৩ হাজার ১১৭টি। এর ফলে, এক বছরের ব্যবধানে মামলা বেড়েছে ২৮২টি।

আরও পড়ুন: কাউখালীতে ইউএনওর আকস্মিক শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শন, শিক্ষার্থীদের পাঠদান করালেন রেহেনা আক্তার

চলতি বছরের আট মাসে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে মাদকসংক্রান্ত ঘটনায়। এ সময়ে মাদক আইনে ১ হাজার ৪৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৫টি। মাদক মামলায় এ বছর ৫২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে ৩৭ লাখ ৩ হাজার ২৪১ পিস ইয়াবা, ৩ হাজার ৬৭ লিটার দেশীয় মদ, ৬২ কেজি ৩৫০ গ্রাম গাঁজা, ৫৪ বোতল বিয়ার ও ১ কেজি ২৫০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ। এ ছাড়া, চোরাচালান মামলাও বেড়েছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে চোরাচালানের ১০২টি মামলা হয়েছে, যেখানে গত বছরের একই সময়ে ছিল ৪৯টি।

অন্যদিকে, এ সময়ে খুনের মামলা হয়েছে ৯৭টি, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৯৯টি। ডাকাতির মামলা ১৬টি থেকে কমে ১৪টিতে দাঁড়িয়েছে এবং দস্যুতার মামলা ২৫টি থেকে কমে ২৩টিতে এসেছে। তবে চুরির মামলা ১৫৭টি থেকে বেড়ে ১৬০টি হয়েছে। অপহরণ মামলা ৫৫টি থেকে কমে ৪৭টিতে দাঁড়িয়েছে।

বিশেষ অভিযানে ৩১৫ জন গ্রেপ্তার

পুলিশ সুপার জানান, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশেষ অভিযানে ৩১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৬৩ জন ছিনতাইকারী, ১০৪ জন মাদকসেবী এবং ৪৮ জন চোর রয়েছেন।

আরও পড়ুন: পূর্বধলায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

এসপি বলেন, চিহ্নিত ও পেশাদার ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু তাদের মধ্যে অনেকেই দ্রুত জামিনে বের হয়ে পুনরায় একই ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চিহ্নিত অপরাধীদের জামিনের বিষয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা চান তিনি।

পুলিশ সুপার বলেন, অপহরণ, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের আইনি সহায়তা দিয়ে দ্রুত জামিনে সহযোগিতা করা কিছু আইনজীবীর তথ্য পুলিশের হাতে এসেছে। পেশাদার অপরাধীদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়তাকারীদের বিষয়েও নজরদারি রয়েছে। অপরাধে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে সক্রিয় সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের বিরুদ্ধেও সাম্প্রতিক অভিযানের তথ্য তুলে ধরেন এসপি। পুলিশের দাবি, একটি সংঘবদ্ধ চক্র মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের রং ও নম্বরপ্লেট পরিবর্তন করে মহাসড়কে ডাকাতি করে থাকে। গোয়েন্দা তথ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় চক্রটির গতিবিধি শনাক্ত করে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৩০টির বেশি মামলার আসামি হিসেবে পরিচিত বাদল ডাকাতসহ চক্রটির কয়েকজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ছাড়া চলতি বছরের প্রথম আট মাসে অস্ত্র আইনে ৬২টি মামলা হয়েছে এবং ৮০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ৮৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১ হাজার ২২৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শিবচরে সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের উপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমান বলেন, কক্সবাজারের পর্যটন এলাকা ও মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোসাদের কাছে তথ্য, গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


মোসাদের কাছে তথ্য, গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড

ইরান, ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনার তথ্য মোসাদের কাছে সরবরাহের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির বিচার বিভাগের সূত্রে এই খবর জানা গেছে।

হোসেইন পেদারান নামের ওই ব্যক্তিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রিত সংবাদ সংস্থা মিজান।

দেশটির সুপ্রিম কোর্ট গুপ্তচরবৃত্তি ও ইসরাইলের সঙ্গে গোয়েন্দা সহযোগিতার অভিযোগে দেওয়া তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছিল।

মিজানের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পেদারান ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদকে মধ্য ইরানের ইসফাহান প্রদেশে অবস্থিত স্পর্শকাতর সামরিক স্থাপনার তথ্য সরবরাহ করেছিল।

এই তথ্যের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা-সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্যও অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে দাবি করেছে ইরানের বিচার বিভাগ।

ইরানি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, তিনি আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে এই গুপ্তচরবৃত্তির সঙ্গে জড়িত হয়েছিলেন।

এদিকে, ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে ১২ দিনের সংঘাত চলাকালে সামরিক স্থাপনা ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু নিয়ে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে।

সেই সময় ইসরাইলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরান বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করার কথা জানিয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় নিহত ২০ হাজার শিশুর নাম সম্বলিত কাফনের কাপড়ের প্রদর্শন জাতিসংঘে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


গাজায় নিহত ২০ হাজার শিশুর নাম সম্বলিত কাফনের কাপড়ের প্রদর্শন জাতিসংঘে

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে নিউ ইয়র্কের ‘ইউএন চার্চ সেন্টারে’ আন্তঃধর্মীয় অধিকার বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠন একটি বেদনাবিধুর ও অভূতপূর্ব প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) হামলায় প্রাণ হারানো ২০ হাজার ফিলিস্তিনি শিশুর নাম হাতে লিখে ১০০ মিটার (৩২৮ ফুট) দীর্ঘ একটি শুভ্র কাফনের কাপড়ে প্রদর্শন করা হয়েছে।

‘ডক্টরস এগেইনস্ট জেনোসাইড’, ‘প্রিস্টস এগেইনস্ট জেনোসাইড ইউএসএ’ এবং ‘জাস্টিস ফর অল’-সহ একাধিক যৌথ মানবাধিকার ও ধর্মীয় সংগঠনের উদ্যোগে এই স্মারক কাফনটি উন্মোচন করা হয়। আয়োজকদের বক্তব্য অনুযায়ী, গাজার নিহত শিশুদের কেবল পরিসংখ্যান বা সংখ্যা হিসেবে না রেখে, তাদের নাম ও আত্মপরিচয় বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরাই এই প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য।

তবে প্রদর্শনীতে তালিকাভুক্ত নামগুলো কোন উৎস থেকে নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো উল্লেখ পাওয়া যায়নি। যুদ্ধকবলিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিহতের একটি দীর্ঘ তালিকা পরিচালনা করলেও সেখানে নিহতদের মধ্যে সাধারণ নাগরিক ও সশস্ত্র যোদ্ধাদের আলাদা পরিসংখ্যান রাখা হয়নি।

অন্যদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সূত্রে জানা যায়, হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া মোট ৭৩,৪০০ জন নিহতের পরিসংখ্যানটি মূলত সঠিক বলেই মনে করে তারা। আইডিএফ কর্মকর্তাদের প্রাক্কলন অনুযায়ী, গাজায় নিহত প্রতিটি সশস্ত্র যোদ্ধার বিপরীতে গড়ে দুই থেকে তিনজন সাধারণ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই প্রদর্শনীটি গাজায় শিশু হত্যা ও চলমান ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণে এক জোরালো প্রতীকী বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামালপুরে শেখ হাসিনার রায়ের প্রতিবাদে যুবলীগের মশাল মিছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৮ পি.এম


জামালপুরে শেখ হাসিনার রায়ের প্রতিবাদে যুবলীগের মশাল মিছিল

জামালপুরে মশাল মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের নেতাকর্মীরা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ যুবলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার প্রতিবাদে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে জেলা শহরের চালাপাড়া পাইলিং রোডে ঝটিকা মশাল মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।

মিছিলে ৩০ থেকে ৪০ জন নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। তারা মশাল হাতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে দিতে বানিয়া বাজার ব্রিজপাড় এলাকার দিক থেকে চালাপাড়া এলাকা হয়ে ফৌজদারি মোড়ের দিকে আসতে থাকেন।

মিছিলের সামনে একটি ব্যানার দেখা যায়। ওই ব্যানারে লেখা ছিল, অবৈধ ক্যাঙ্গারু কোর্টের ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল। আয়োজনে জামালপুর জেলা যুবলীগ।

মিছিলে বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়। পরে রাত দেড়টার দিকে মিছিলটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে প্রাথমিকভাবে মিছিলে থাকা কারও পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

মিছিলের পর পুলিশ অভিযানে নেমেছে বলে জানা গেছে।

এর আগে কয়েকবার ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সফল হতে ঐক্য ও জনসম্পৃক্ততার বিকল্প নেই: ডা. জাহিদ হোসেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৯ পি.এম


স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সফল হতে ঐক্য ও জনসম্পৃক্ততার বিকল্প নেই: ডা. জাহিদ হোসেন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সফলতার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিনি উল্লেখ করেন, “ঐক্যতেই শক্তি। একটি লাঠি সবাই ভেঙে ফেলতে পারে, কিন্তু দশটি লাঠি একসঙ্গে বাঁধা থাকলে তা ভাঙা কঠিন। ঠিক তেমনি আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো শক্তিই আমাদের দুর্বল করতে পারবে না।”

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ৯ নম্বর কুঁচদহ ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয় তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং দলকে আরও সুসংগঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে।

সভায় ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, শুধু মঞ্চে উপস্থিত নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ করলে হবে না। সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে যেতে হবে। বিশেষ করে যেসব মা-বোন এখনও দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন, তাদের আস্থা অর্জন করতে হবে। মানুষের সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলা, আচরণ ও ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের মন জয় করতে পারলে জনগণও পাশে থাকবে।

তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আরও বলেন, নিজেদের মধ্যে বিভেদ ও দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়লে জনগণের কাছে আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা কমে যাবে। তাই নিজেদের ভুল-ত্রুটি সংশোধন করে মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়াতে হবে। মানুষের বিপদের সময়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে তারাও প্রয়োজনের সময়ে পাশে থাকবে।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, আদিবাসী, হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান কিংবা সাঁওতাল—পরিচয় ভিন্ন হলেও আমরা সবাই মানুষ। সবার রক্তের রং একই। তাই সমাজে কোনো ধরনের ভেদাভেদ, হিংসা বা বিদ্বেষ থাকা উচিত নয়।

তিনি আরও বলেন, “আমরা কেন অন্যের জায়গা দখল করব কিংবা একে অপরের প্রতি হিংসা পোষণ করব? সবাইকে পারস্পরিক সম্মান, সহমর্মিতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।”

মতবিনিময় সভায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%