শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৩৫ পি.এম
শিশুদের মেধা ও মননের বিকাশের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াচর্চায় সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি উল্লেখ করেছেন, "আজকের শিশুরাই আগামী দিনের দেশের কর্ণধার।" তাই তাদের যোগ্য, আদর্শবান ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব পালন করা প্রয়োজন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বেলা ১১টায় খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন ফুলকুঁড়ি আসরের খুলনা মহানগর শাখার ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, শিশুদের লেখাপড়ায় মনোযোগী করার পাশাপাশি তাদের সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়ামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে হবে। অভিভাবকদেরও শিশুদের মানসিক বিকাশের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। পারিবারিক ও সামাজিক আচরণের কারণে কোনো শিশু যেন মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে সবার খেয়াল রাখতে হবে। একই সঙ্গে শিশুদের অবহেলা ও নানা প্রতিকূলতা থেকে সুরক্ষা দিতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে শিশুদের মোবাইল ফোনের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি একটি উদ্বেগের বিষয়। এ আসক্তি থেকে তাদের বের করে এনে সৃজনশীল ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে। শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, মাইন্ড ম্যারাথন, চিত্রাঙ্কন, উপস্থিত বক্তৃতা ও বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। শিশু-কিশোরদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় প্রধান পরিচালক ও বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদের কাউন্সিলর মুজাহিদুল ইসলাম। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইরুফা সুলতানা। এ ছাড়া উপদেষ্টা সভাপতি প্রফেসর ড. শাহ আলম ও উপদেষ্টা কোষাধ্যক্ষ ডা. এহসানুল কবিরসহ ফুলকুঁড়ি আসরের বিভিন্ন পর্যায়ের সংগঠক, অভিভাবক ও শিশু-কিশোররা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ফুলকুঁড়ি আসরের স্লোগান ‘পৃথিবীকে গড়তে হলে সবার আগে নিজেকে গড়ো’। এই আদর্শ ধারণ করে শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশ, নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টি এবং সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় কারাগারে আটক থাকা খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন আদালত আবারও নামঞ্জুর করেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাওহীদা আক্তার এ আদেশ প্রদান করেন। একই সঙ্গে ডনকে কারাগারে আটক রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ৫ অক্টোবর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনজুরুল ইসলাম ডনের জামিন আবেদন নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে উচ্চতর আদালতে জামিনের আবেদন করা হলেও তাতে কোনো সাড়া মেলেনি।
ডনের আইনজীবী মো. মফিজুল ইসলাম আসলাম গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, সালমান শাহর মৃত্যুর দুটি সুরতহাল প্রতিবেদন, দুটি ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, ভিসেরা ও রাসায়নিক পরীক্ষার প্রতিবেদন বিশ্লেষণে তাদের ধারণা, আত্মহত্যার বিষয়টি উঠে এসেছে। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে থাকা ডনের জামিন আবেদন করা হয়েছিল। তবে আদালত তা নামঞ্জুর করেছেন।
গত ৯ আগস্ট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পরে পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সিআইডির অভিযোগ, সালমান শাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধু হওয়ায় তিনি তার মৃত্যুসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে অবগত ছিলেন। কিন্তু তদন্তে তিনি তথ্য গোপনের কৌশল অবলম্বন করেছেন।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে মারা যান জনপ্রিয় চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহ। তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে দাবি করে আসছেন স্ত্রী সামিরা হক। তবে সালমান শাহর পরিবারের দাবি, এটি ছিল একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সম্প্রতি স্ত্রী সামিরা হক, তার মা লতিফা হক লিও ওরফে লুসি এবং খলনায়ক আশরাফুল হক ডনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৫ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অন্যতম আলোচিত স্টার কিড জুটি ইব্রাহিম আলি খান এবং পলক তিওয়ারির প্রেমের গল্প নিয়ে আলোচনা কম হয়নি। দীর্ঘ তিন বছরের সম্পর্ক থাকার পর, অবশেষে তারা নিজেদের পথ আলাদা করে নিয়েছেন। ইব্রাহিম প্রেমের সম্পর্কের ইতি টেনেছেন।
অভিনেতা সাইফ আলি খান ও অমৃতা সিংয়ের ২৫ বছর বয়সি পুত্র ইব্রাহিম এবং অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারির ২৬ বছর বয়সি কন্যা পলকের বিচ্ছেদের খবর বলিপাড়ায় এবং সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। জানা গেছে, এই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তটি মূলত ইব্রাহিম আলি খানের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে রণথম্বোরে একসঙ্গে টাইগার সাফারিতে তাদের দেখা গিয়েছিল। তাই হঠাৎ করে বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিচ্ছেদের খবরের পর, তাদের একসঙ্গে পরিকল্পিত শুটিংয়ের কার্যক্রম বাতিল করা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) এক অনুষ্ঠানে পলককে একা ক্যামেরাবন্দি করেছেন পাপারাজ্জিরা।
বিচ্ছেদ ঘটলেও তারা সামাজিক মাধ্যমে একে অপরকে এখনও ফলো করে যাচ্ছেন। খুব শিগগিরই ইব্রাহিম আলি খানের একটি জনপ্রিয় সেলিব্রিটি চ্যাটশোতে বিশেষ পর্ব প্রচারিত হবে। এই চ্যাটশোর জন্য নিজের অনস্ক্রিন আত্মপ্রকাশ যাতে বিচ্ছেদের খবরের আড়ালে চাপা না পড়ে, সে কারণে তাড়াহুড়ো করে সামাজিক মাধ্যমে আনফলো করা থেকে বিরত রয়েছেন ইব্রাহিম আলি খান।
ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের বিচ্ছেদ পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে হয়েছে এবং তারা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো কাদা ছোড়াছুড়িতে জড়াতে চান না। বর্তমানে নিজেদের অভিনয় ও ক্যারিয়ারে মন দিতে চান ইব্রাহিম এবং পলক।
২০২২ সালে মুম্বাইয়ের একটি রেস্তোরাঁ থেকে বের হওয়ার সময় গাড়ি থেকে পাপারাজ্জিদের দেখে পলকের মুখ লুকানোর দৃশ্য ভাইরাল হলে, তখনই ইব্রাহিম-পলকের সম্পর্কের গুঞ্জন প্রথম প্রকাশ্যে আসে। পরে তাদের একসঙ্গে ছুটি কাটানো এবং পারিবারিক অনুষ্ঠানে প্রায়ই দেখা যেত।
২০২৩ সালের শেষের দিকে সামাজিক মাধ্যম ইনফ্লুয়েন্সার ওরির সঙ্গে পলকের একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ফাঁস হয়, যেখানে ইব্রাহিম আলি খানের বোন সারা আলির নাম উল্লেখ করে ক্ষমা চাইতে দেখা গিয়েছিল পলককে। ইনফ্লুয়েন্সার অরি সেই ক্ষমা খারিজ করলেও বিতর্কের কারণ স্পষ্ট হয়নি। তবে সম্পর্কের সূত্রপাত বা বিচ্ছেদ— কোনো বিষয়েই এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি ইব্রাহিম বা পলক কেউই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) চলতি মৌসুমে পাঁচটি হলুদ কার্ড দেখার পরও নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে হচ্ছে না ইন্টার মায়ামির অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে। লিগের ‘গুড বিহেভিয়ার’ বা সুআচরণ নীতির সুবিধা পাওয়ার কারণে আপাতত নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি থেকে মুক্ত রয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এর ফলে নিউ ইংল্যান্ড রেভোলিউশনের বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচে মাঠে নামতে তার কোনো বাধা নেই।
সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সিনসিনাটির বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখেন মেসি। ম্যাচের ৪৪ মিনিটে প্রতিপক্ষের মিডফিল্ডার স্যামুয়েল গুইডিকে ফাউল করার কারণে রেফারি তাকে হলুদ কার্ড প্রদর্শন করেন। যদিও নিয়ম অনুযায়ী পাঁচ হলুদ কার্ডের কারণে নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার কথা ছিল, বিশেষ সুবিধার কারণে তিনি সেটি এড়াতে সক্ষম হয়েছেন।
এ মৌসুমে এর আগে কলোরাডো র্যাপিডস, অরল্যান্ডো সিটি, ন্যাশভিল ও আটলান্টার বিপক্ষে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন মেসি। এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সংখ্যক হলুদ কার্ড জমা হলে একজন খেলোয়াড়কে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ভোগ করতে হয়। তবে ধারাবাহিকভাবে শৃঙ্খলাপূর্ণ আচরণের জন্য রয়েছে বিশেষ ছাড়।
এই বিশেষ নিয়মের নাম ‘গুড বিহেভিয়ার’। এর আওতায় কোনো খেলোয়াড় টানা পাঁচ বা তার বেশি ম্যাচ হলুদ কার্ড ছাড়া খেললে তার ডিসিপ্লিনারি রেকর্ড থেকে একটি হলুদ কার্ড বাদ দেওয়া হয়। তবে পুরো মৌসুমে একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ তিনবার এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন।
মেসি চলতি মৌসুমে ইতোমধ্যে দুবার এই সুবিধা গ্রহণ করেছেন। অরল্যান্ডো সিটি ও ন্যাশভিলের মধ্যবর্তী সময়ে তিনি টানা পাঁচ ম্যাচ হলুদ কার্ড ছাড়া খেলেছিলেন। একইভাবে পরবর্তী কার্ড দেখার আগে টানা ১০ ম্যাচ হলুদ কার্ডমুক্ত ছিলেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই ফুটবলার।
সুতরাং, সিনসিনাটির বিপক্ষে নতুন করে হলুদ কার্ড দেখার পরও মেসির কার্যকর হলুদ কার্ডের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিনটিতে। তাই আপাতত নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা নেই তার।
সবকিছু ঠিক থাকলে রোববার নিয়মিত মৌসুমের ৩৩তম ম্যাচে নিউ ইংল্যান্ড রেভোলিউশনের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির জার্সিতে মাঠে দেখা যাবে মেসিকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বাজারে শীতকালীন নতুন সবজির উপস্থিতি থাকলেও, দাম বেশি হওয়ার কারণে ক্রেতাদের মধ্যে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। নতুন আলুর দাম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা এবং দেশি টমেটো ১৮০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অধিকাংশ সবজির দাম কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে রয়েছে। মাছের বাজারেও দাম চড়া। বিশেষ করে বড় আকারের ও সামুদ্রিক মাছ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটে সবজি, মাছ ও মুরগির বাজারে ক্রেতাদের তুলনামূলকভাবে বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে। বিশেষ করে বড় আকারের মাছ, ইলিশ এবং কিছু সবজি কিনতে ক্রেতাদের বাড়তি অর্থ গুনতে হচ্ছে।
ব্যবসায়ী রমিজ উদ্দিন জানিয়েছেন, বাজারে নতুন কোনো সবজি বা পণ্য উঠলে দাম শুরুতে কিছুটা বেশি থাকে।
ক্রেতা সিদ্দিকুর রহমান বলেছেন, "টেলিভিশনে দেখি, পাঁচ টাকা দিয়েও কেউ লাউ কিনছে না। অথচ রাজধানীর বাজারে ৭০ থেকে ৮০ টাকার নিচে কোনো লাউ পাওয়া যাচ্ছে না। অধিকাংশ সবজির দামই ১০০ টাকার আশপাশে।"
বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি ঝিঙার দাম ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৬০ টাকা, লাউ ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং পটোল ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁকরোল ১০০ টাকা, কচুমুখী ৮০ টাকা, মুলা ৭০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৮০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, শিম ১০০ টাকা, সাধারণ টমেটো ১২০ টাকা এবং দেশি টমেটো ১৮০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তুলনামূলকভাবে কম দামে পাওয়া যাচ্ছে পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া। প্রতি কেজি পেঁপের দাম ৩০ টাকা এবং মিষ্টিকুমড়া ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচা মরিচ ১৪০ টাকা, জলপাই ৮০ টাকা এবং নতুন আলু ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজির বাজারে কিছু পণ্যের দাম ১০০ টাকা ছাড়ালেও, কয়েকটির দাম তুলনামূলকভাবে কম। বিশেষ করে পেঁপে, মিষ্টিকুমড়া, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও পটোল ক্রেতারা ৩০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে কিনতে পারছেন।
মুরগির বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ১৯০ টাকা। অন্যদিকে সোনালি মুরগির দাম কেজিপ্রতি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা। ব্রয়লারের তুলনায় সোনালি মুরগি কিনতে ক্রেতাদের বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে।
এদিকে, মাছের বাজারেও দামের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে। তুলনামূলক কম দামে প্রতি কেজি পাঙাশ ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রুই মাছ ৩৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, চাষের শিং ৪৫০ টাকা, বায়লা ৫৫০ টাকা।
অন্যদিকে, বড় আকারের কাতল মাছের দাম কেজিপ্রতি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা, আইড় ৭০০ থেকে ১,২৫০ টাকা এবং বাইন মাছ ৯০০ থেকে ১,২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ১,০০০ টাকা কেজি দরে। বড় আকারের চিংড়ির দাম কেজিপ্রতি ১,৪০০ টাকা। সাগরের পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ১,২০০ টাকায়।
ইলিশের দামও বেশ চড়া। ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজির হিসাবে ২,০০০ থেকে ২,২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর এক কেজি ওজনের ইলিশের দাম ২,৬০০ টাকা।
মাছ ব্যবসায়ী মোজাম্মেল বলেছেন, "সাগরের মাছ সব সময় বেশি থাকে। হাজারের নিচে বিক্রি হয় না। আবার দেশি মাছের দামও বেশি। চাষের মাছের দামও ২০০ টাকার উপরে। আজকে আইড় মাছ ৭০০ থেকে ১,২৫০ টাকা কেজি বিক্রি করছি।"
আজাদ রহমান নামে এক ক্রেতা জানিয়েছেন, মোহাম্মদপুরে অন্যান্য বাজারের তুলনায় টাউন হল মার্কেটে মাছের দাম একটু বেশি থাকে। দাম বেশি হলেও এখানে তরতাজা মাছ পাওয়া যায়।
এদিকে, আজকে প্রতি ডজন ব্রয়লা ডিম (ব্রাউন) ১৪০ ও সাদা ১৩০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ