ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

শিল্পাঞ্চলে ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, নজরদারিতে ড্রোন


শিল্পাঞ্চলে ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, নজরদারিতে ড্রোন

শ্রমিক অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ আশপাশের শিল্পাঞ্চলে ১২ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ড্রোন ও বডি ওর্ন ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সোমবার (৩ নভেম্বর) বিজিবি সদর দপ্তর থেকে জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শিল্প-কারখানার কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে মোতায়েন করা বিজিবি সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করছেন।

বর্তমানে গাজীপুরের সফিপুর, কালিয়াকৈর ও কোনাবাড়ী এলাকায় ১০ প্লাটুন এবং নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া এলাকায় দুই প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। পাশাপাশি আশুলিয়া ও মিরপুরসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিস্থিতিও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে পুলিশ তদন্তকেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে

মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ড্রোন এবং বডি ওর্ন ক্যামেরার মাধ্যমে লাইভ মনিটরিং করছে বিজিবি। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সংযোগস্থল ও সংবেদনশীল এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে।

একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যদের বডি ওর্ন ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

বিজিবি সদর দপ্তরে স্থাপিত কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল থেকে এসব ড্রোন ও বডি ওর্ন ক্যামেরার লাইভ ফুটেজ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতি তাৎক্ষণিক মূল্যায়ন, সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর সঙ্গে সমন্বয় এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

বিজিবি জানিয়েছে, জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা, স্বাভাবিক চলাচল ও শিল্পাঞ্চলের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, সংযম ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে তারা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় এবং প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: অভ্যুত্থানের পরদিন কারাগার থেকে পালানো আবু মোকারম গ্রেফতার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাকির নায়েককে ভারতে ফেরত পাঠানো হবে না: মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ পি.এম


জাকির নায়েককে ভারতে ফেরত পাঠানো হবে না: মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালয়েশিয়া সরকার ইসলামি বক্তা ও ধর্মপ্রচারক ডা. জাকির নায়েককে ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করছে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুতিওন ইসমাইল জানিয়েছেন, তাকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি।

নিউ স্ট্রেইটস টাইমসের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১০ সালে ভারত ও মালয়েশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদ এবং ১৯৯২ সালের প্রত্যর্পণ আইনের বিধানকে বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, জাকির নায়েককে ভারতে পাঠানোর জন্য নতুন কোনো আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ আবেদন তার সরকার পায়নি। সংসদে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়া সরকারের সিদ্ধান্ত হলো, জাকির নায়েককে প্রত্যর্পণ করা হবে না। ফলে তাকে ভারতের কাছে হস্তান্তরের জন্য কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি।

পার্লামেন্ট সদস্য দাতুক ড. আহমাদ মারজুক শারির এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানতে চান, জাকির নায়েককে ফেরত চেয়ে ভারতের সর্বশেষ আনুষ্ঠানিক আবেদন কবে এসেছে এবং ভারত কর্তৃক দেওয়া তথ্য-প্রমাণ মালয়েশিয়ার প্রচলিত আইন ও দুই দেশের চুক্তির শর্ত পূরণ করে কি না।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত সরকার ২০১৮ সালের ১৯ জানুয়ারি প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে জাকির নায়েককে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানায়। পরে ২০২০ সালের ২৯ মে কূটনৈতিক নোট পাঠিয়ে আগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানায় নয়াদিল্লি।

গত সেপ্টেম্বরে বিষয়টি নিয়ে মালয়েশিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের বৈঠকে জাকির নায়েকের প্রত্যর্পণ প্রসঙ্গ আলোচনায় আসে। এ নিয়ে বিরোধী দলের নেতারা ব্যাখ্যা দাবি করেন।

মালয়েশিয়ার বিরোধী দল পাসের মহাসচিব দাতুক সেরি তাকিউদ্দিন হাসান দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে আলোচনা ও কোনো সমঝোতা হয়েছে কি না, তা প্রকাশ করার আহ্বান জানান। তিনি ভারতের দেওয়া তথ্য-প্রমাণ মালয়েশিয়ার প্রত্যর্পণ আইনের শর্ত পূরণ করে কি না, সেটিও স্পষ্ট করার দাবি তোলেন।

অর্থপাচার ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের অভিযোগে ভারত সরকার জাকির নায়েককে দেশে ফিরিয়ে নিতে চায়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ভারতের অবস্থান এবং মালয়েশিয়ার আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে আবারও স্পষ্ট হয়েছে, জাকির নায়েককে ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোণার ভাষা সৈনিক আবুল হোসেন কলেজে দুই বছর ধরে কেউ পাশ করেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ পি.এম


নেত্রকোণার ভাষা সৈনিক আবুল হোসেন কলেজে দুই বছর ধরে কেউ পাশ করেনি

নেত্রকোণা জেলা সদরে অবস্থিত নন-এমপিও ভুক্ত ভাষা সৈনিক আবুল হোসেন কলেজ ও লোক সাহিত্য গবেষণা একাডেমি থেকে টানা দুই বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েও কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি।

শুধু ভাষাসৈনিক আবুল হোসেন কলেজই নয়, বরং নেত্রকোনা জেলার আরও পাঁচটি কলেজের শিক্ষার্থীরাও এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করতে ব্যর্থ হয়েছেন। অর্থাৎ, জেলার ছয়টি কলেজের সব পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছেন। উল্লেখ্য, এসব প্রতিষ্ঠানই নন-এমপিওভুক্ত।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে।

কলেজের সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর ভাষাসৈনিক আবুল হোসেন কলেজ থেকে চারজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে তিনজন মানবিক বিভাগের এবং একজন বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। কিন্তু তাদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেননি।

পূর্ববর্তী বছরেও এ কলেজ থেকে দুজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েও অকৃতকার্য হন। ফলে টানা দুই বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি।

কলেজ সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০১৯ সালে সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের শাহ্পুর গ্রামে ‘ভাষা সৈনিক আবুল হোসেন কলেজ ও লোকসাহিত্য গবেষণা একাডেমি’ প্রতিষ্ঠিত হয়। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় সুন্দর ভবন নির্মিত হলেও প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শিক্ষার্থী ভর্তি ও ফলাফলের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি কোনো ধরনের সাফল্য পাচ্ছে না।

চলতি বছর কলেজটি থেকে চারজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ পাস করতে পারেননি। এ ব্যাপারে কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইকবাল হাসান তপুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কিছুটা রাগান্বিত হয়ে বলেন, ‘এটি নন-এমপিও কলেজ। এখানে কোনো নিয়মিত শিক্ষক নেই। যখন যাকে প্রয়োজন, ডেকে আনা হয়। তাই নিয়মিত কোনো শিক্ষক নেই।’ ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে আপনাদেরকে কিছু বলতে চাই না, যা বলার শিক্ষা বোর্ডকে বলব।’

জেলায় শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া অন্য পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো—কেন্দুয়া উপজেলার গোপালপুর মডেল কলেজ, কলমাকান্দা মহিলা কলেজ, পূর্বধলার খলিশাপুর উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কলেজ শাখা, এম্বিশন মডেল কলেজ এবং জোবায়দা জহুর উদ্দিন সরকার মহিলা কলেজ।

জেলা শিক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গোপালপুর মডেল কলেজ থেকে একজন, কলমাকান্দা মহিলা কলেজ থেকে তিনজন, খলিশাপুর উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কলেজ শাখা থেকে চারজন, এম্বিশন মডেল কলেজ থেকে ছয়জন এবং জোবায়দা জহুর উদ্দিন সরকার মহিলা কলেজ থেকে ১৬ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি।

এবার নেত্রকোণা জেলার ১০টি উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১৩ হাজার ৯ শত ১১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫ হাজার ৮ শত ৭৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭০ জন। জেলায় গড় পাসের হার ৪৩ দশমিক ৯১ শতাংশ।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুনমুন জাহান লিজা'র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া ছয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের নিয়ে দ্রুত আলোচনা করা হবে। শিক্ষার্থীরা কেন অকৃতকার্য হয়েছেন, তা অনুসন্ধান করা হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান কীভাবে বাড়ানো যায়, সে বিষয়েও আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হবিগঞ্জে বসতবাড়ি থেকে ১৩৭টি বিষধর সাপ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ পি.এম


হবিগঞ্জে বসতবাড়ি থেকে ১৩৭টি বিষধর সাপ উদ্ধার

হবিগঞ্জের বিভিন্ন বসতবাড়ি ও আঙিনা থেকে ১৩৭টি বিষধর সাপ এবং পাঁচটি সাপের ডিম উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সাপগুলোর মধ্যে ৭০টি পদ্ম গোখরা এবং ৬০টি খৈয়া গোখরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া, সাতটি দাঁড়াশ সাপও উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) উদ্ধার করা এসব সাপ বর্তমানে হবিগঞ্জ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের হেফাজতে রয়েছে। বন বিভাগ জানিয়েছে, উপযুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশ নির্ধারণ করে শিগগিরই সাপগুলো অবমুক্ত করা হবে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন এলাকার বসতবাড়ি, আঙিনা ও আশপাশের স্থান থেকে সাপগুলো উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা সাপের উপস্থিতি দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে খবর পেয়ে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করা সংগঠন জীববৈচিত্র্য ফেডারেশনের সদস্যরা সাপগুলো উদ্ধার করেন।

উদ্ধারের পর জীববৈচিত্র্য ফেডারেশনের উদ্যোগে সাপগুলো হবিগঞ্জ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। উদ্ধার করা পাঁচটি ডিমের মধ্যে কয়েকটি থেকে ইতোমধ্যে বাচ্চা ফুটেছে।

বন বিভাগ জানিয়েছে, সাপগুলো লোকালয়ের কাছাকাছি বা জনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবমুক্ত করা হবে না। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাপগুলোর জন্য উপযুক্ত পরিবেশ বিবেচনায় নিয়ে নিরাপদ প্রাকৃতিক স্থান নির্ধারণের কাজ চলছে।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, হবিগঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন জানান, উপযুক্ত স্থান নির্ধারণের পর শিগগিরই সাপগুলো প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হবে। এতে মানুষের ঝুঁকি কমার পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোবিপ্রবিতে বিটিসি ও এমআইএস ডে ২০২৬ এর উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


নোবিপ্রবিতে বিটিসি ও এমআইএস ডে ২০২৬ এর উদ্বোধন

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস্ (এমআইএস) বিভাগের উদ্যোগে ‘বিটিসি ও এমআইএস ডে ২০২৬' শীর্ষক দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) একটি বর্ণাঢ্য র্যালির মাধ্যমে শুরু হয়। নোবিপ্রবি বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস্ একটি সমন্বিত ব্যবস্থা, যা তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করে। আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে এমআইএসের গুরুত্ব অপরিসীম।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তথ্য সংগ্রহ করাই যথেষ্ট নয়, বরং তথ্যের বিশ্লেষণ করে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।

উপাচার্য বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিগ ডেটা, ক্লাউড কম্পিউটিং ও ডিজিটাল অটোমেশনের এই যুগে এমআইএসের জ্ঞান নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে। নোবিপ্রবির এমআইএস বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের ডিজিটাল রূপান্তর, ব্যবসায়িক উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। উপাচার্য উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও নতুন উদ্ভাবনে উৎসাহিত করবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। সভাপতিত্ব করেন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস্ (এমআইএস) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল হক। অনুষ্ঠানে এমআইএস বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কি-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন হালিমা গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল কালাম হাসান, কুমিল্লা বার্ডের উপ-পরিচালক অসীম কুমার সরকার এবং থ্রাইভিং স্কিলস লিমিটেডের ফাউন্ডার এন্ড সিইও মো. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের এমআইএস নেটের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের স্পন্সর হিসেবে রয়েছে হালিমা গ্রুপ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%