বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:০২ পি.এম
জাতীয় সংসদে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ১২ জন বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে এখন পর্যন্ত। এছাড়া, রাশিয়ায় ৪ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরীর (মনি) প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য দেন। এসময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে ইরান থেকে ১২ জন নারী ও ৮ শিশুসহ মোট ১৮৬ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ১২ জন মৃত্যুবরণ করেছেন যাদের মধ্যে লেবাননে ৫ জন, সৌদি আরবে ৩ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২ জন এবং ইরাক ও বাহরাইনে একজন করে রয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের লাশ সংশ্লিষ্ট দেশে দাফন করা হয়েছে এবং ৯ জনের লাশ দেশে ফেরত আনা হয়েছে। এই পরিবারগুলোকে লাশ দাফন বাবদ বিমানবন্দর থেকে ৩৫ হাজার টাকা এবং বিশেষ অনুদান হিসেবে ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. হাসান রাজীব প্রধানের এক প্রশ্নের জবাবে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী জানান, গত ২৪ এপ্রিল ৩০ জন বাংলাদেশি কর্মী জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো থেকে রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্স নিয়ে রাশিয়ায় যান। রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর ওই কর্মীদের জোরপূর্বক যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং ক্যাম্প থেকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে সরকার ব্যবস্থা নেয়। গত ১৫ জুন রাশিয়ার মস্কোতে বাংলাদেশ দূতাবাসকে বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশি কর্মীদের উদ্ধার করে দেশে ফেরানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি পাঠানো হয়।
তিনি আরও বলেন, সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যে ৩০ জনের মধ্যে চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। রাশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে বাকি কর্মীদের দেশে ফিরিয়ে আনার আশা করছে সরকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার দক্ষিণ শৈলদাহ গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা محمد শাহাজাহান শেখ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স ছিল ৮০ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবার ও স্বজনদের পাশাপাশি স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। বিকালে সাড়ে ৩টায় চিতলমারী উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে মরহুমের বাসভবনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় 'গার্ড অব অনার' প্রদান করা হয়। প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে প্রশাসনের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই শেষ শ্রদ্ধায় অংশ নেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুর রহমান এবং উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু তালেব শেখ উপস্থিত থেকে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। এ সময় মরহুমের কফিন জাতীয় পতাকায় আবৃত করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পৃথক দুটি অভিযানে ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৪ বোতল ফেন্সিডিল (উইনসেরেক্স সিরাপ) উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় মাদক কারবারের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) কালীগঞ্জ উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, মাদকবিরোধী এ বিশেষ অভিযানে শহরের কালীগঞ্জ-কোটচাঁদপুর আঞ্চলিক সড়কের বিহারী মোড় এলাকাস্থ তালুকদার হোটেল অ্যান্ড সুইটস থেকে দক্ষিণ আড়পাড়া (মাঠপাড়া) গ্রামের মো. রবিউল ইসলাম (বাবু) (২১) এবং সানবান্দা (উত্তরপাড়া) গ্রামের মো. রিমন (১৮) কে ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২০ হাজার টাকা।
এদিকে একই দিনে কালীগঞ্জ পৌরসভার নিমতলা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন কালীগঞ্জ ড্রাগ হাউসের সামনে হিজল গাছের নিচ থেকে ফুলবাড়ী (মধ্যপাড়া) গ্রামের ইমন হোসেন (২৫)-কে ৪ বোতল উইনসেরেক্স সিরাপ (ফেন্সিডিল)সহ আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮ হাজার টাকা।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জেল্লাল হোসেন জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান হলো জিরো টলারেন্স। এলাকায় মাদক নির্মূল এবং অপরাধ দমনে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতে আরও এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে চুরির মামলায় বুধবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
থানার জেল হাজতে বসে রিয়াজ ফকির নিজের মাথায় নিজে আঘাত করে অজ্ঞান হয়ে পরে। বৃহস্পতিবার বিকেলে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে, তার আত্মীয়-স্বজনসহ শতাধিক লোকজন মিছিল করে থানার ভিতরে ঢুকে হামলা করে।
এই হামলায় পুলিশ ও মিছিলকারীদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলায় উভয় পক্ষের ১২ জন আহত হয়েছে। ডিউটি অফিসারসহ ছয়জন পুলিশ এবং মিছিলকারীদের তিনজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহত প্রতিপক্ষের কিছু সদস্য গোপনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আহত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী গ্রামের মো. ছিদ্দিক ফকিরের ছেলে রিয়াজ ফকিরকে (২৬) একটি চুরির মামলায় বুধবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারের পরে, রিয়াজকে থানার জেল হাজতে রাখার পর নিজের মাথায় আঘাত করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। বুধবার রাত ১১টায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছিল। রিয়াজের জ্ঞান ফিরে না আসায় গভীর রাতে তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরের পরে চিকিৎসাধীন রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে, সেখানে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। রিয়াজের আত্মীয়-স্বজনসহ শতাধিক লোক বৃহস্পতিবার বিকেলে মিছিল করে থানায় গিয়ে হামলা করে। হামলার সময় থানার ডিউটি অফিসার এএসআই আ. হালিমকে মারধর করা হয়।
আত্মরক্ষার জন্য পুলিশ মিছিলকারীদের উপর হামলা করে। হামলায় রিয়াজের মা নাছরিন বেগম, বোন শারমিন আক্তার, মমতাজ বেগমসহ ছয়জন আহত হয়। গ্রেপ্তার আতঙ্কে আহত অনেকে গোপন চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এছাড়া, মিছিলকারীদের হামলায় থানার ডিউটি অফিসার এএসআই আ. হালিম, কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আলামিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় ডিউটি অফিসার এএসআই আ. হালিমকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রিয়াজের বোন শারমিন আক্তার ও স্থানীয় মমতাজ বেগমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বরিশাল থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম ও পিতা সিদ্দিক ফকির সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, "আমার ছেলেকে রাস্তা থেকে বিনা অপরাধে পুলিশ ধরে নিয়ে মারধর করেছে। যার জন্য গুরুতর আহত অবস্থায় বরিশাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।" বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত রিয়াজ ফকির বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া থানার ওসি মোহাম্মাদ মাসুদ খান বলেন, "চুরির মামলায় রিয়াজ ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে জেল হাজতে বসে বুধবার রাতে নিজেই মাথায় আঘাত করে অজ্ঞান হয়ে পড়লে, তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যার কারণে পরিকল্পিতভাবে রিয়াজের আত্মীয়-স্বজনসহ শতাধিক লোকজন মিছিল নিয়ে থানায় হামলা করে পুলিশ সদস্যদের মারধর করে আহত করে।" থানায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি (ওসি) উল্লেখ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গত পাঁচদিন ধরে বিরামহীন ভারি বৃষ্টির ফলে খাল, বিল, ফসলী জমি এবং নিম্নাঞ্চল ডুবে গেছে। এখানে পায়রা বন্দরসহ গোটা উপকূলের জীবনযাত্রায় বিপর্যস্ত অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। কৃষিজমি থেকে বীজতলা এবং সবজির ক্ষেত সব পানিতে ভেসে গেছে। শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। জনজীবনে ভোগান্তির শেষ নেই। ভারি বর্ষণ কবে নাগাদ শেষ হবে তা নিয়ে সাগরপাড়ের মানুষরা নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছেন না। টানা বৃষ্টির ফলে বর্ষাকালীন আগাম সবজির ক্ষেতে পাতাগুলো পচে যাচ্ছে। পাশাপাশি বৃষ্টির সঙ্গে একই সময়ে থেমে থেমে মৃদু দমকা ঝড়োহাওয়া বইছে। সাগর ভয়াল এবং উত্তাল রয়েছে। হাজারো মাছ ধরার ট্রলার মহিপুর-আলীপুর অঞ্চলে নোঙর করে বসে আছে। জেলে ও ট্রলার মালিকরা বসে বসে লোকসানের বোঝা গুনছেন। মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজু আহমেদ রাজা বলেছেন, ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার পর সাগর এখন উত্তাল থাকায় জেলেরা বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। প্রতিকূল আবহাওয়া তাদের চরম সংকটে ফেলে দিয়েছে। এর মধ্যেও চরম ঝুঁকি নিয়ে মাছ শিকারে কেউ কেউ উত্তাল সাগরে গিয়েছেন, তবে তারা বিপাকে পড়েছেন। জানানো হয়েছে, সাগরে দুটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে, ফলে অন্তত ছয় জেলে নিখোঁজ রয়েছে। বিরামহীন ভারি বর্ষণে কলাপাড়ায় সবজির ভান্ডারখ্যাত নীলগঞ্জ ইউনিয়নের চাষীরা এখন ক্ষতির শঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। কুমিরমারা, এলেমপুর, আমিরাবাদ, নেয়ামতপুর, নাওভাঙা গ্রামের সবজিচাষীরা জানান, তাদের ক্ষেতের করলা, চিচিঙা, ঝিঙে এবং শসাগাছ সব নেতিয়ে পড়েছে। ফলনধরা গাছগুলো এখন রক্ষা করা বেশ মুশকিল হয়ে পড়েছে। এছাড়া আমন বীজতলা করতে কৃষকরা পারছেন না। খালবিল এবং ফসলি জমিতে পানি থৈ থৈ করছে। স্লুইসগেট থেকে পানি নামতে পারছে না। কিছু লোক মাছ ধরার জন্য জাল পেতে পানি আটকে রেখেছে। সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের তান্ডবে কুয়াকাটায় বেড়িবাঁধের মিরাবাড়ি পয়েন্টের রিভার সাইটের শতশত ব্লক দেবে গেছে। সেখানকার মানুষের চরম ঝুঁকির শঙ্কা বাড়ছে। এয়াড়া আন্ধারমানিক নদীর নিজামপুরসহ আরও অন্তত পাঁচ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের অবস্থা খুবই নাজুক হয়ে পড়েছে। বাঁধ ভেঙে গোটা এলাকা ভেসে যাওয়ার শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। খেপুপাড়া রাডার স্টেশনের দেয়া তথ্যানুসারে, বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত গত ৭২ ঘণ্টায় এখানে ২৭২ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ