মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৩ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, "দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত।"
মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আইপিইউ সেক্রেটারি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, "প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণ সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি তার দৃঢ় অঙ্গীকারের শক্তিশালী বার্তা বহন করে।"
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। গণতন্ত্রের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করেছি।"
তিনি আরও বলেন, "এ সময় আমাদের দলের অসংখ্য নেতা-কর্মী গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন এবং প্রায় ৪০ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। অবশেষে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা দেশে গণতান্ত্রিক ধারাকে সুগম করতে পেরেছি।"
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, "বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই ফিরিয়ে আনেনি, সংসদীয় গণতন্ত্রও এ দলের হাত ধরে এসেছে। আমাদের সামনে এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে আমরা আশাবাদী এবং গণতন্ত্রের প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"
তিনি বলেন, "গণতন্ত্র নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। আমরা বিশ্বাস করি একটি কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই অগ্রগতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।"
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, "সরকার প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জনগণের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।"
আইপিইউ সেক্রেটারি জানান, তিনি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার পড়েছেন। তিনি ইশতেহারে শিক্ষা খাতে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ এবং কমিউনিটিভিত্তিক কর্মসূচির প্রশংসা করেন।
বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে আন্দা ফিলিপ বলেন, "এ ধারা অব্যাহত থাকলে জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।"
তিনি জানান, আইপিইউ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহী।
তানজানিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য আইপিইউর ১৫৩তম সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকারের অংশগ্রহণের মাধ্যমে আইপিইউর সঙ্গে বাংলাদেশের সংসদের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন আন্দা ফিলিপ।
এছাড়া, গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর ও টেকসই করতে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বৈঠকে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টিও বেশ গুরুত্ব পায়।
আইপিইউ সেক্রেটারি তরুণ ও নারী সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানান, "তারা অত্যন্ত উদ্যমী ও আগ্রহী।"
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "নারীর ক্ষমতায়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। নারীদের জন্য অনার্স পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা এবং নারী শিক্ষার্থীর জন্য উপবৃত্তি চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।"
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, "ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং পরিবারে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা।"
সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত কয়েক বছরে নারী ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বিশ্বব্যাপী বৃদ্ধি পেয়েছে, সেইসাথে ক্রিকেটারদের আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জাতীয় দলের সঙ্গে চুক্তি এবং ম্যাচ ফি ছাড়াও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট, বিজ্ঞাপন, ধারাভাষ্য এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নারী ক্রিকেটাররা এখন বিশাল অঙ্কের অর্থ উপার্জন করছেন। এর ফলে আর্থিক দিক থেকে নতুন এক প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হয়েছে।
, বিশ্বের ধনী নারী ক্রিকেটারদের তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি অলরাউন্ডার এলিস পেরি। তার মোট সম্পদের আনুমানিক পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি টাকা। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় চুক্তির পাশাপাশি তিনি নারী বিগ ব্যাশে সিডনি সিক্সার্সের হয়ে খেলে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিজ্ঞাপনী চুক্তি করে উল্লেখযোগ্য আয় করছেন।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার আরেক কিংবদন্তি মেগ ল্যানিং। যদিও সাবেক এই অধিনায়ক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন, তবে তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট, ধারাভাষ্য এবং ক্রিকেট-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৭৫ কোটি টাকা।
বিশ্বের ধনী নারী ক্রিকেটারদের তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক মিতালি রাজ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পরও তিনি বিজ্ঞাপন, ধারাভাষ্য, গণমাধ্যমে উপস্থিতি এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মাধ্যমে আয় করে চলেছেন। বর্তমানে তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৪৩ কোটি টাকা।
মিতালি রাজের পর চতুর্থ স্থানে রয়েছেন স্মৃতি মন্ধানা। এই তারকার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। জাতীয় দলের চুক্তি, নারী প্রিমিয়ার লিগের পারিশ্রমিক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন থেকে তার আয়ের একটি বড় অংশ আসে।
তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছেন ভারতের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর। তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২৬ কোটি টাকা। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট, জাতীয় দলের পারিশ্রমিক এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে তিনি নিজের আর্থিক অবস্থান শক্তিশালী করেছেন।
শীর্ষ পাঁচে অস্ট্রেলিয়ার দুই তারকার পাশাপাশি ভারতের তিন ক্রিকেটারের উপস্থিতি নারী ক্রিকেটের বাণিজ্যিক উত্থানের চিত্র তুলে ধরছে। বিশেষ করে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের বিস্তার, নারী ক্রিকেটে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বিজ্ঞাপনী বাজারে নারী ক্রিকেটারদের চাহিদা বাড়ানোর কারণে ভবিষ্যতে এই তালিকায় আরও বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এক সময় নারী ক্রিকেটে অর্থের পরিমাণ পুরুষ ক্রিকেটের তুলনায় অনেকটাই কম ছিল। তবে এখন সেই ব্যবধান ধীরে ধীরে কমছে। মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি নারী ক্রিকেটারদের তারকাখ্যাতি বড় বাণিজ্যিক শক্তিতে পরিণত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ২৩৭৭টি মামলা দায়ের করেছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এই মামলাগুলি করে।
মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) সকালে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো. আকতার হোসেন গণমাধ্যমের কাছে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৪টি বাস, ১টি ট্রাক, ৫টি কাভার্ডভ্যান, ৬টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং ২০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৮১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১১টি বাস, ৮টি ট্রাক, ২৫টি অটোরিকশা এবং ১২৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২০৫টি মামলা দায়ের হয়েছে।
ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২৮টি বাস, ১৯টি কাভার্ডভ্যান, ৭২টি অটোরিকশা এবং ১৯৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৮২টি মামলা দায়ের হয়েছে।
ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৫৭টি বাস, ৪৫টি ট্রাক, ৩৭টি কাভার্ডভ্যান, ৪০টি অটোরিকশা এবং ১৩৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৩৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৯টি বাস, ৩টি ট্রাক, ৯টি কাভার্ডভ্যান, ১৫টি অটোরিকশা এবং ৬৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫২টি মামলা দায়ের হয়েছে।
ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ১৯টি বাস, ৬টি ট্রাক, ১১টি কাভার্ডভ্যান, ৩১টি অটোরিকশা এবং ১৩৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৯৭টি মামলা দায়ের হয়েছে।
ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৫৫টি বাস, ১টি ট্রাক, ২৭টি কাভার্ডভ্যান, ৮১টি অটোরিকশা এবং ১৭০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৫০৬টি মামলা দায়ের হয়েছে।
ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৪৮টি বাস, ৩টি ট্রাক, ১৫টি কাভার্ডভ্যান, ২৪টি অটোরিকশা এবং ৯৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩২১টি মামলা দায়ের হয়েছে।
এছাড়াও, অভিযানের সময় মোট ৫৫৭টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ২১১টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের উন্নয়নে ১৮ ঘন্টা পরিশ্রম করছেন আর অন্য একটি দল নির্বাচনে হেরে গিয়ে পাগল হয়ে তারেক রহমানের কাজে ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজপথে পাগলের প্রবল করছে বলে মন্তব্য করেছেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার। মঙ্গলবার সকালে মাদারীপুর জেলা বিএনপির আয়োজনে শহরের শকুনি লেকেরপাড় মুক্তমঞ্চে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র্যালি শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
খোকন তালুকদার আরো বলেন,আমরা বলে দিতে চাই তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন দেশের মানুষের ভালবাসায় প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তারেক রহমানকে ছোট করা যাবে না। আমরা বিরোধী দল মতের বন্ধুদের সাবধান করে দিতে চাই,আপনারা ভালো কাজের সাথে থাকেন তারেক রহমানের উন্নয়নের সাথে থাকেন, তাহলে বাংলাদেশের উন্নতি হবে ভবিষ্যতে মানুষের কাছে যেতে পারবেন। আর যদি সরকারের বিরোধিতা করেন তাহলে জনগণের প্রতিরোধের মুখে পড়বেন আপনারা। ফ্যাসিস্টদের বিদায় হয়েছে বাংলাদেশের লক্ষ জনতা নির্যাতিত হয়েছে গুমের শিকার হয়েছে খুনের শিকার হয়েছে তাদের রক্তের প্রতি সম্মান রাখতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন-মাদারীপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক এ্যাড,জাফর আলী মিয়া,যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান মুরাদ,জেলা যুবদলের আহবায়ক ফারুক বেপারী,জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শাহাদাত হোসেন হাওলাদার,সাধারণ সম্পাদক এ্যাড,মাসুদ পারভেজ,জেলা কৃষকদলের আহবায়ক ওলিউর রহমান দর্জি,সদস্য সচিব এ্যাড,অহিদুজ্জামান খানসহ জেলা বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ