ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গোল্ডেন বুট নয়, বিশ্বকাপ জেতাই আমার লক্ষ্য: কেইন


গোল্ডেন বুট নয়, বিশ্বকাপ জেতাই আমার লক্ষ্য: কেইন

ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলীয় সাফল্যকে বড় করে দেখছেন। নরওয়ের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালের আগে, তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তার প্রধান লক্ষ্য গোল্ডেন বুট জেতার চাইতে ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেওয়া।

সংবাদ সম্মেলনে কেইন বলেন, 'আমার প্রধান লক্ষ্য বিশ্বকাপ জেতা। গোল্ডেন বুট একটি দারুণ অর্জন, কিন্তু সেটি কখনোই বিশ্বকাপ জেতার চেয়ে বড় নয়। যদি দুটির মধ্যে একটি বেছে নিতে হয়, আমি অবশ্যই বিশ্বকাপকেই বেছে নেব।'

২০১৮ বিশ্বকাপে তিনি ছয় গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন। এবারের টুর্নামেন্টেও তার গোলদাতাদের তালিকায় উপরের দিকে অবস্থান করছে। তবে, তিনি ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান নিয়ে ভাবতে চান না।

আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে

নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আরলিং হালান্ডের সঙ্গে তুলনা সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তরে কেইন বলেন, 'আমাদের দুজনের খেলার ধরন আলাদা। হালান্ড শারীরিকভাবে অসাধারণ শক্তিশালী এবং দুর্দান্ত গোলস্কোরার। আমি খেলায় আরও বেশি জড়িত থাকতে পছন্দ করি। তাই সরাসরি তুলনা করা ঠিক হবে না।'

তিনি আরো বলেন, 'শুধু হালান্ডকে থামালেই হবে না। নরওয়ের দলে ওডেগার্ড, সোরলোথসহ আরও অনেক মানসম্পন্ন খেলোয়াড় আছে। পুরো দলকেই গুরুত্ব দিতে হবে।'

এদিকে, এই ম্যাচে খেলতে নামলেই ওয়েন রুনির ১২০ ম্যাচের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলবেন কেইন। এই মাইলফলককে তিনি 'গর্বের' বলে উল্লেখ করলেও জানান যে, এখন তার সব মনোযোগ কোয়ার্টার ফাইনালে।

ইংল্যান্ড কোচ থমাস টুখেলও তার অধিনায়কের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, 'হ্যারি একজন অসাধারণ নেতা। সে নিঃস্বার্থ, দলের জন্য সবকিছু উজাড় করে দেয়। এমন একজন খেলোয়াড়কে কোচিং করানো সত্যিই সৌভাগ্যের।'

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টির জলে তানোরে কৃষকের মুখে হাসি, শুরু হয়েছে আমন রোপণের ধুম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৩ পি.এম


বৃষ্টির জলে তানোরে কৃষকের মুখে হাসি, শুরু হয়েছে আমন রোপণের ধুম

রাজশাহীর তানোরে, বোরো ধান উত্তোলনের পর পরই কৃষকেরা আষাঢ়ের পানিতে আমন ধান চাষে হাত দিয়েছেন। এবারও আষাঢ়ের শেষ সপ্তাহের দিকে প্রচুর বৃষ্টির পানির জন্য শুরু হয়েছে আমন রোপণের হিড়িক। কৃষকরা এখন আমন ধান চাষের জন্য জমিতে কোমর বেঁধে নেমেছে। সম্প্রতি, আষাঢ়ের শুরুতে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা না পেলেও, শেষ সপ্তাহের দিকে আকাশের পানিতে মাঠজুড়ে থইথই করছে। ফলে কৃষকেরা ব্যাপক স্বস্তিতে দলবেঁধে আমন ধান চাষের জন্য হাল চাষে অংশ নিচ্ছেন।

তানোর উপজেলার বিভিন্ন মাঠে গেলে দেখা যায়, আকাশের ধারাবাহিক বৃষ্টিতে কৃষকরা ভোর থেকে জমিতে ট্র্যাক্টর ও গরুর লাঙ্গল দিয়ে হালচাষের কাজে রত রয়েছেন। কয়েকজন কৃষকের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, আষাঢ় মাসে আমন ধান চাষের জন্য ডিপ বা মটরের পানির তেমন প্রয়োজন হয় না। আকাশের বৃষ্টিতেই যথেষ্ট হয়। বিভিন্ন আবাদের তুলনায় আমন ধান চাষের খরচও কৃষকদের জন্য অনেক কম থাকে, তাই তারা আমন চাষে বেশি ঝুঁকি নিতে পারেন।

তানোর পৌর এলাকার চাপড়া গ্রামের কৃষক বাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, রুপা আমন ধান চাষে খরচ অন্যান্য আবাদের তুলনায় অনেক কম হয়। তিনি জানালেন, রোপা আমন ধান চাষ মূলত আকাশের বৃষ্টির পানির ওপর নির্ভর করে। তবে গত বছর আষাঢ় মাস পার হয়ে গেলেও সময়মত বৃষ্টির অভাবে আমন ধান চাষে অনেক বিঘ্ন ঘটেছিল। কিন্তু এবারে আষাঢ়ের প্রথম থেকে বৃষ্টির অভাব থাকলেও আল্লাহর রহমতে শেষ সপ্তাহে বৃষ্টির দেখা মিলেছে।

কৃষকেরা এখন জমির চাষে জোরেশোরে আগাচ্ছেন। আশা করা হচ্ছে যে সপ্তাহের মধ্যেই প্রায় সব জমি রোপণ শেষ হবে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রের খবর, চলতি মৌসুমের জন্য আমনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২২ হাজার হেক্টর জমি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানিয়েছেন, এই আবাদের মাধ্যমে কৃষকেরা অল্প খরচে অধিক লাভবান হয়ে থাকেন। যদি কোনো প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হয়, তাহলে আমনের ফলন প্রত্যাশার চেয়ে ভালো হতে পারে। তিনি জানান, কৃষকের আমন ধান চাষে রোগ-বালাই না হওয়ার লক্ষ্যে কৃষি অফিস মাঠ পর্যায়ে নিবির তদারকি করে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনমতের ভিত্তিতেই নির্মিত হবে আগামীর খুলনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


জনমতের ভিত্তিতেই নির্মিত হবে আগামীর খুলনা

 

পরিকল্পিত, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব খুলনা গড়ে তুলতে উন্নয়ন পরিকল্পনায় জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন বক্তারা। বক্তাদের অভিমত হলো, খুলনা কেবল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি নগরী নয়, বরং এটি এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র। তাই আগামীর খুলনাকে স্মার্ট, গ্রিন ও টেকসই নগরে রূপ দেওয়ার জন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের মতামত ও অংশীদারিত্বই প্রধান শক্তি হয়ে দাঁড়াবে।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ) আয়োজিত "আগামীর খুলনা বিনির্মাণে কেডিএ ও জনগণের ভাবনা" শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান বলেন, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো উন্নয়ন পরিকল্পনা পূর্ণতা পায় না। উন্মুক্ত আলোচনায় উঠে আসা প্রতিটি মতামত ও সুপারিশ কেডিএর ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে খুলনার উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন। সেই ভাবনার ধারাবাহিকতায় জনগণের মতামতকে উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সভায় বক্তারা জানান, আগামীর খুলনা হবে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, পরিকল্পিত আবাসন, কার্যকর ড্রেনেজ, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পর্যাপ্ত সবুজায়নের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি বাসযোগ্য নগরী। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এখন থেকেই দীর্ঘমেয়াদি ও বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে কেডিএ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এসএম শফিকুল আলম মনা বলেন, জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে খুলনার উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। উন্মুক্ত আলোচনায় উঠে আসা যৌক্তিক প্রস্তাবগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং খুলনাবাসীর প্রত্যাশার বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হবে।

অনুষ্ঠানে কেডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. সাবিরুল আলম সংস্থাটির চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। একই সঙ্গে খুলনার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে একটি প্রামাণ্য ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে বিভিন্ন পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ, নাগরিক প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা খুলনার জলাবদ্ধতা নিরসন, খাল পুনরুদ্ধার, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জনসেবার মানোন্নয়নসহ নানা বিষয়ে মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

এ সময় বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দ কেডিএ চেয়ারম্যানের হাতে একটি লিখিত প্রস্তাবনা তুলে দেন। এতে খুলনার দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ে একাধিক সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত ছিল।

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম, বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুন, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদ হাসান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হারুনুর রশীদ খান, খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক মো. শফিকুল আলম তুহিন, খুলনা মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ও সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি এবং খুলনা প্রেসক্লাবের মোস্তফা সরোয়ার।

সভায় বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন, যদি জনগণের মতামতের ভিত্তিতে পরিকল্পিত উন্নয়ন বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে খুলনাকে ভবিষ্যতে দেশের অন্যতম আধুনিক, বাসযোগ্য ও টেকসই নগরীতে পরিণত করা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে কৌশলগত তেলের মজুত বাড়ানোর পরিকল্পনা অনুমোদন ভারতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে কৌশলগত তেলের মজুত বাড়ানোর পরিকল্পনা অনুমোদন ভারতের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সময় জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সংকটের অভিজ্ঞতার পর, জ্বালানি নিরাপত্তা প্রতিস্থাপনের জন্য ১৭ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুতাগার (স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ) গড়ে তোলার পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত তেল এবং গ্যাস কোম্পানি।

বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক এবং তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানিতে দ্বিতীয় বিরাট দেশ হল ভারত। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের সংঘাতের সময়, হরমুজ প্রণালিতে চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের ফলে দেশটি জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্নের সম্মুখীন হয়।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

রাষ্ট্রায়ত্ত ‘অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস করপোরেশন (ওএনজিসি)’ বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে জমা দেওয়া এক নথিতে জানিয়েছে যে, তাদের পরিচালনা পর্ষদ ‘জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প’ হিসেবে দক্ষিণ ভারতের ‘ম্যাঙ্গালোর’ অঞ্চলে ১৭ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন (১.৭৫ এমএমটি) ধারণক্ষমতার কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুতাগার গড়ে তোলার জন্য নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

গত সপ্তাহে ভারত সরকারের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এএফপিকে বলেন, দেশের অভ্যন্তরে তেল এবং গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে সরকার জোরালো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি এসময় বলেন, ‘তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে আমরা বড় পরিসরে বিনিয়োগ করছি। এ জন্য ১০ বিলিয়ন ডলারের একটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত অপরিশোধিত তেলের সরবরাহকারী দেশের সংখ্যা ২৭ হতে বাড়িয়ে ৪১-এ উন্নীত করেছে। নতুন সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরান, ভেনেজুয়েলা, রাশিয়া থেকে বাড়তি আমদানি এবং আফ্রিকার কয়েকটি দেশ।

রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য ভারত পূর্বে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের সমালোচনার মুখে পড়েছিল। সমালোচকদের অভিযোগ, এভাবে তেল কিনে ভারত ইউক্রেনের বিরুদ্ধে মস্কোর যুদ্ধ পরিচালনায় পরোক্ষভাবে অর্থায়ন করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভিয়েতনামে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১৫ ভারতীয়র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


ভিয়েতনামে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১৫ ভারতীয়র

ভিয়েতনামের দক্ষিণাঞ্চলে একটি দ্বীপ ভ্রমণ শেষে ফেরার পথে পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া একটি স্পিডবোট দুর্ঘটনার শিকার হয়ে অন্তত ১৫ জন ভারতীয় পর্যটক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় ২১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের উদ্ধৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে গালফ নিউজ।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্পিডবোটটিতে মোট ৩২ জন ভারতীয় পর্যটক এবং ৪ জন ক্রু সদস্য উপস্থিত ছিলেন। ফু কুওক দ্বীপের কাছাকাছি হন মাই রুট নগোয়াই দ্বীপ থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে স্পিডবোটটি উল্টে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তি বলেন, দুর্ঘটনার পর আশপাশে থাকা নৌকা ও স্পিডবোটগুলো দ্রুত ঘটনাস্থলে আসতে শুরু করে এবং পানিতে পড়ে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধার কাজ শুরু করে।

এরপর দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থাগুলি উদ্ধার অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু অনেক যাত্রী স্পিডবোটের ভেতর আটকে থাকার ফলে উদ্ধারকাজ আরো জটিল হয়ে উঠে।

কর্তৃপক্ষের জানানো অনুযায়ী, এ ঘটনায় ২১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিহত ১৫ জনের মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে। আহত যাত্রীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

থাইল্যান্ড উপসাগরে অবস্থিত ফু কুওক, ভিয়েতনামের অন্যতম জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকতভিত্তিক পর্যটনকেন্দ্র। এর দক্ষিণে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হন মাই রুট দ্বীপটি সাদা বালুর সৈকত এবং স্বচ্ছ পানির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। প্রতিবছর সেখানে দেশি-বিদেশি লাখো পর্যটক বেড়াতে আসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%