শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:২০ এম
জামালপুরের মেলান্দহ এলজিইডির প্রকৌশলী শুভাশীষ রায় এর বিদায়ী সংবর্ধনা ২২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় মেলান্দহ রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে উপজেলা নাগরিক সমাজ। সভায় সভাপতিত্ব করেন নাগরিক সমাজের প্রধান সমন্বয়ক এবং নাংলা ইউপি’র চেয়ারম্যান আলহাজ কিসমত পাশা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেলান্দহ বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল কবির, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সাংগঠনিক কমান্ডার জাহাঙ্গীর আলম বাবু, ৭১’র গেরিলা আবুল হোসেন, চরবানিপাকুরিয়া ইউনিয়নের কমান্ডার ইসহাক আলী, নাগরিক সমাজের সমন্বয়ক উমির উদ্দিন পাইলট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহন তালুকদার, প্রবিন সাংবাদিক আলমগীর আহম্মেদ শাহজাহান, মেলান্দহ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এবং ইত্তেফাক সংবাদদাতা শাহ জামাল, হাজরাবাড়ি সিরাজুল হক ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক অলিউল্লাহ, সাংবাদিক আব্দুল হাই, নাগরিক সমাজের সমন্বয়ক সাংবাদিক রুহুল আমিন রাজু, নূরে মদিনা মানবিক সোসাইটির পরিচালক বাদশা দোজাহান মতি মেম্বার, দারুস সুন্নাহ আইডিয়াল মাদ্রাসার পরিচালক নূর নবী ইসলাম প্রমুখ।
এতে বক্তৃতা প্রদান করেন উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠান শেষে বিদায়ী ইঞ্জিনিয়ার শুভাশীষ রায়কে বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তির পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। উল্লেখযোগ্য যে, ইঞ্জিনিয়ার শুভাশীষ রায় ২০২২ সালে মেলান্দহে যোগদান করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মিঙ্গেল বিডির পরিচালক মোরশেদুল আলম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হিল্লোল চেয়ারম্যান প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দেশীয়-ওষুধি গাছপালা সংরক্ষণের জন্য একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তিনি জামালপুর জেলার মেলান্দহের ঝাউগড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, স্থানীয় মুক্তিসংগ্রাম যাদুঘরের ট্রাস্টি এবং প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ জন উদ্যোগের প্রতিষ্ঠাতা।
১০ সহস্রাধিক বৃক্ষ রোপন এবং বিতরণ করেছেন তিনি, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে করা হয়েছে। ঐতিহাসিক বিনোদন কেন্দ্র রৌমারী বিলের ঐতিহ্য রক্ষায়ও তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিটি গাছের রক্ষণাবেক্ষণে ৬/৭ শ’ টাকা ব্যয় করছেন তিনি।
তাঁর রোপিত বৃক্ষের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো শিমুল, কৃষ্ণ চূড়া, কনক চূড়া, হলুদ রাধা চূড়া, লাল রাধা চূড়া, নাইচি উদাল, লাল উদাল, কুরচি, রক্ত কাঞ্চন, সাদা কাঞ্চন, অর্কিড কাঞ্চন, দেব কাঞ্চন, বরুণ, ক্যাসিয়া, ডেউয়া, বুদ্ধ নারিকেল, ছাতিম, সাদা কাঠ গোলাপ, ফরুস, দই গোটা, রিঠা, স্থল পদ্ধ, জলপদ্ধ, সোনাপাতি, কাজারান্ডা, অশোখ, জারুল, মনিমালা, লাল সোনাইল, নাগ লিগ্মম, নাগেশ্বর, তমাল, ট্যাবে বুইয়া, টিটুমা, বেগুনি জুমকা লতা, অনন্তলতা, সাদা অনন্তলতা, নীন মনি লতা, চামেলি, জুঁই, দেশী গন্ধরাজ, কৃষ্ণ চূড়া, আমলকি, বহেরা, হরতকি, কাঠ বাদাম, কাজু বাদাম, পাম, গর্জন, তেলসুর, ডাউয়া, মালতী লতা, কনক সুধা, সুলতান চাপা, পাম-নারিকেল, কাঠালি চাপাসহ আরও বহু ধরনের ওষুধি বৃক্ষ।
কৃষক আবুল কাশেম (৫৬) বলেন, "হাইব্রিডের যুগে দেশীয় ও ওষুধি গাছ প্রায় বিলীন। হিল্লোল চেয়ারম্যানের ওষুধি, দেশীয় গাছপালা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ ওষুধেরও চাহিদা মিটবে।"
হিল্লোল চেয়ারম্যান মন্তব্য করেন, "মাটি-পানি-ফসল, ফল-মূল এবং বৃক্ষরাজিতে আগের মতো উপকারি পোকামাকড়সহ পশু-পাখি নেই। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে কৃষি-মৎস্য-জলবায়ু এবং আমাদের প্রকৃতির উপর। সবমিলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আরো প্রকট হচ্ছে। দেশীয় বৃক্ষরাজিতে প্রকৃতির চাহিদা পূরণসহ দেশীয় পাখি এবং বন্ধু কীটপতঙ্গসহ উপকারি জীবের অভয়াশ্রম হবে। লক্ষ্যনীয় যে, হাইব্রিড গাছে পাখি থাকে না। দেশীয় গাছে পাখির কলরবে প্রকৃতিকে মুখরিত করে।"
রৌমারী বিলের তীরে বেশ কিছু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। হিল্লোল চেয়ারম্যান রৌমারী বিলের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তিনি রুই মাছের জন্য পরিচিত রৌমারী বিলের দেশীয় মাছ রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন। এ জন্য তিনি বছর জুড়ে পানি ধরে রাখতে বিলের খনন এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য হাইটেক পার্ক প্রতিষ্ঠার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। প্রশাসনের সহায়তাসহ রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তিনি অনুভব করেছেন। বর্ষাকালে এই বিলকে ঘিরে পর্যটকদের আনাগোনা মুখরিত করে তোলে। এই কারণে তিনি বিলে জলপদ্ম-স্থলপদ্ধসহ বিভিন্ন বৃক্ষরোপন করেছেন।
হিল্লোল চেয়ারম্যান আরো জানান, "রৌমারী বিলেই আমার প্রায় দুই শত বিঘা পৈত্রিক জমি আছে। সিলেটের সুনামগঞ্জের শিমুল বাগানের আদলে রৌমারী বিল এবং এই বিলের তীরবর্তী মুক্তি সংগ্রাম যাদুঘরকে ঘিরে শিমুল এবং কৃষ্ণচূড়া বাগানের কাজ চলমান আছে। এ ছাড়াও দৃষ্টি নন্দন জল ও স্থল পদ্ম’র পৃথক বাগানেরও কাজ চলছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে আজ বুধবার এশিয়ান পার্লামেন্টারি অ্যাসেম্বলি (APA)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে অংশ নিতে তাজিকিস্তানের রাজধানী দুশানবের উদ্দেশে যাত্রা করেন ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মাহবুবর রহমান লিটন।
ডা. লিটন জানান, আগামী ২৪ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর দুশানবেতে অচঅ-এর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। অচঅ-এর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর স্থগিত হওয়া বিভিন্ন কার্যক্রমের পর এই বৈঠকটি সংগঠনের নিয়মিত কার্যক্রম পুনরায় এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সফর প্রসঙ্গে ডা. মাহবুবর রহমান লিটন বলেন, "একটি সমৃদ্ধ ও সফল সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান, গুরুত্ব ও জাতীয় স্বার্থ সুদৃঢ়ভাবে তুলে ধরতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই সফরের মাধ্যমে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সংসদ ও সংসদ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, মতবিনিময় ও সম্পর্ক আরও জোরদার করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও অবস্থান তুলে ধরার ক্ষেত্রে সংসদীয় কূটনীতিকে আরও কার্যকর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। অচঅ-এর দুশানবে বৈঠকে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সংসদীয় প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। সংগঠনটি এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে এশীয় সংহতি, সংসদীয় সহযোগিতা ও সাংস্কৃতিক সংলাপ জোরদারে কাজ করে আসছে। ডা. মাহবুবর রহমান লিটন দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন যাতে তার এই আন্তর্জাতিক সফর দেশের জন্য কল্যাণকর ও সফল হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিভিন্ন দেশের বহু প্রতিনিধি কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে গেছেন। গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান ও ফিলিস্তিন নীতির প্রতিবাদে এই ওয়াকআউটের ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে নেতানিয়াহু অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করে পোডিয়ামে ওঠার পরপরই একের পর এক প্রতিনিধি দল বেরিয়ে যেতে শুরু করে। কিছু প্রতিনিধি তার বক্তব্য শুরুর আগেই কক্ষ ত্যাগ করেন। ফলে বক্তব্যের সময় অধিবেশন কক্ষের বড় একটি অংশের আসন খালি পড়ে থাকতে দেখা যায়।
এ সময় অধিবেশন কক্ষে নেতানিয়াহুর বক্তব্যের বিরোধিতা করে দুয়োধ্বনি ও প্রতিবাদ শোনা যায়। অন্যদিকে ইসরাইলি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা দাঁড়িয়ে নেতানিয়াহুকে করতালি দিয়ে সমর্থন জানান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনি মিশন জাতিসংঘের সদস্যদেশগুলোর প্রতিনিধিদের নেতানিয়াহুর বক্তব্যের সময় সম্মিলিতভাবে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছিল। এর পরই বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা একসঙ্গে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান।
প্রতিনিধিদের ওয়াকআউটের প্রতিক্রিয়ায় নেতানিয়াহু তাদের ‘নৈতিকভাবে কাপুরুষ’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, যারা এখনো কক্ষে রয়েছেন, তাদের মধ্যে কেউ একই অবস্থান ধারণ করলে তারাও যেন কক্ষ ছেড়ে যান।
বক্তব্যে নেতানিয়াহু গাজা যুদ্ধ নিয়ে ইসরাইলের অবস্থানের পক্ষে সাফাই দেন এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। একই সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপেরও সমর্থনে বক্তব্য দেন।
নেতানিয়াহুর বক্তব্য ঘিরে এই ওয়াকআউট জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ইসরাইলের গাজা নীতি নিয়ে বিদ্যমান তীব্র কূটনৈতিক মতবিরোধেরই আরেকটি প্রকাশ হিসেবে সামনে এসেছে।
এর আগে অধিবেশনের বিভিন্ন বক্তব্যেও গাজা ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইসরাইলের নীতির সমালোচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কলমাকান্দার নেত্রকোনায় দুর্যোগকালীন স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, নারী-পুরুষের সমতা, আয়বর্ধক কার্যক্রম (আইজিএ), যৌতুক, বাল্যবিবাহ ও মাদকবিরোধী সচেতনতা নিয়ে একটি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার কলমাকান্দা সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গুজাকুলিয়া গ্রামে ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ১৫ জন নারী ও ৫ জন পুরুষসহ মোট ২০ জন স্থানীয় বাসিন্দা অংশগ্রহণ করেন। সভায় আলোচনা করা হয় দুর্যোগের সময় স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সুরক্ষা, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধ, মাদকবিরোধী সচেতনতা এবং নারীদের আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়ে।
বক্তারা এ সময় উল্লেখ করেন, দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় মানুষের সচেতনতা ও প্রস্তুতি বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে নারী, শিশু এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পরিবার ও কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। একই সঙ্গে বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও মাদকের মতো সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।
উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলমাকান্দার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ সামছুজ্জামান আসিফ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মমিনুল ইসলাম, কলমাকান্দা ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মো. আশরাফুল ইসলাম, সিএনআরএস এসআরএসপি প্রকল্পের নেত্রকোনা এলাকার এপিসি মো. জিয়াউর রহমান, ইউসি মো. ফয়সল আহমেদ এবং ইউপি সদস্য সবিতা রানীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় সিএনআরএসের মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন ভাতাভোগীদের নিয়ে কমিউনিটি পর্যায়ে এ ধরনের সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক আয়োজন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে দুর্যোগকালীন স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, পরিচ্ছন্নতা এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সম্পর্কে স্থানীয় জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তথ্য ও করণীয় সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ