আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০২:২৬ পি.এম
আসন্ন সর্বজনীন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে টাঙ্গাইলের মধুপুরে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১১টায় মধুপুর থানা প্রাঙ্গণে থানা পুলিশের আয়োজনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন দুর্গাপূজা মন্দির কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও পূজারীরা অংশ নেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সহকারী পুলিশ সুপার (মধুপুর সার্কেল) আরিফুল ইসলাম। বক্তব্য দেন মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন সরকার, পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম খান ইউসুফজী প্রিন্স, দৈনিক প্রগতির আলো পত্রিকার সম্পাদক আনোয়ার সাদাৎ ইমরান, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক বিকাশ চন্দ্র ঘোষ, সদস্য সচিব মানিক চন্দ্র এবং মধুপুর মদন গোপাল আঙ্গিনা সার্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার প্রমুখ।
এ সময় মধুপুর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আঃ হামিদ, পূজা উদযাপন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন ঘোষ, পৌর কমিটির সদস্য সচিব আবির চৌহান, মধুপুর মদন গোপাল সার্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহাসহ উপজেলার ও পৌরসভার বিভিন্ন পূজামণ্ডপের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও পূজারীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে মণ্ডপগুলোতে সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সমন্বিতভাবে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি পূজার সময় মণ্ডপে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলা এবং কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়।
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূজামণ্ডপগুলোতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
মতবিনিময় সভাটি সঞ্চালনা করেন মধুপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও পাড়া-মহল্লার দোকানে অবাধে বিক্রি হচ্ছে অনুমোদনহীন, নিম্নমানের ও মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য। আকর্ষণীয় মোড়ক, বাহারি রং ও লোভনীয় বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পড়ে এসব খাবার কিনে খাচ্ছে শিশুরা। এতে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টরা। অন্যদিকে, বাজারে এসব পণ্যের অবাধ বিক্রি চললেও কার্যকর তদারকির অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ও গ্রামীণ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দোকানগুলোতে বিস্কুট, চিপস, চানাচুর, চকলেট, কোমল পানীয়, বিভিন্ন রঙের জুস, দুধের নামে তৈরি কৃত্রিম পানীয়, আইসক্রিম, ক্রিম বিস্কুট, দই ও মিষ্টিসহ নানা ধরনের শিশুখাদ্য বিক্রি হচ্ছে। এসব পণ্যের কিছু প্যাকেটের গায়ে উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ ও প্রয়োজনীয় তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া কিছু পণ্যের মান ও অনুমোদন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ক্রেতারা।
অভিযোগ রয়েছে, অসাধু ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার নতুন মোড়কে বাজারজাত করছেন। আকর্ষণীয় প্যাকেট ও কম দামের কারণে শিশুরা এসব খাবারের প্রতি সহজেই আকৃষ্ট হচ্ছে। তবে বাজারে বিক্রি হওয়া সব পণ্যই অননুমোদিত বা ভেজাল কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
এ পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকেরা। উপজেলার হোগলা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আলামিন বলেন, বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। দেখার যেন কেউ নেই! নিম্নমানের ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার খেয়ে আমাদের সন্তানেরা অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ব্যাপারে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুব্রত কর্মকার জানান, নিম্নমানের উপাদান, অনিরাপদ কৃত্রিম রং ও অতিরিক্ত রাসায়নিকযুক্ত খাবার শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষ করে মেয়াদোত্তীর্ণ ও দূষিত খাবার খেলে ডায়রিয়া, পেটব্যথা ও হজমজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। শিশুদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি এসব পণ্যের মান যাচাই ও বাজার তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে ড্রাগনক্ষেতের পাশে জিহাদ হোসেন (১৭) নামের এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলার চুন্নিআইট গ্রামের একটি ড্রাগন বাগান থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
জিহাদ হোসেন চুন্নিআইট গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের পুত্র।
পুলিশ ও পরিবারের সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাতে খাবার খেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় জিহাদ। এরপর থেকে সে আর বাড়িতে ফিরে আসেনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর আজ শনিবার সকালে ভৈরবা গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে তুহিনের ড্রাগনক্ষেতের পাশে জিহাদের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা এবং পুলিশ জানায়, ড্রাগন বাগানে পেতে রাখা বৈদ্যুতিক ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জিহাদের মৃত্যু হয়েছে।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের পর ভিনিসিয়ুসের চেহারায় পরিবর্তন নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়। পরে সেই আলোচনা থেকে ছড়ায় তাকে বদলে দেওয়া, ক্লোন, এমনকি হত্যা ও এলিয়েন-সংক্রান্ত নানা দাবি—যেগুলোর কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে ঘিরে সামাজিকমাধ্যমে কয়েক দিন ধরে নানা ধরনের দাবি ও তত্ত্ব ছড়াচ্ছে। বিশ্বকাপের পর ব্রাজিলে ছুটিতে থাকার সময় ফেসিয়াল হারমোনাইজেশন করানোর পর তার চেহারায় পরিবর্তন দেখা যায়। বিশেষ করে থুতনি ও চোয়ালের গঠনে পরিবর্তন নিয়ে ভক্তদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।
সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পুরোনো ও নতুন ছবির তুলনা থেকে প্রথমে প্রশ্ন ওঠে, ভিনিসিয়ুসকে আগের চেয়ে দেখতে আলাদা লাগছে কি না। পরে কিছু পোস্টে দাবি করা হয়, বর্তমান ভিনিসিয়ুসের জায়গায় কোনো ডাবল বা ক্লোন থাকতে পারে। এসব পোস্টে চেহারা, শরীরের গঠন, ট্যাটু এবং মাঠের পারফরম্যান্সের পার্থক্যকে কথিত প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরা হয়।
এরপর দাবিগুলো আরও বিস্তৃত হয়। কিছু সামাজিকমাধ্যম পোস্টে বলা হয়, বিশ্বকাপের পর ব্রাজিলে ছুটিতে থাকার সময় ভিনিসিয়ুস কোনো অপরাধের শিকার হয়েছেন এবং পরে তার জায়গায় অন্য কাউকে ব্যবহার করা হয়েছে। অন্য কিছু পোস্টে আবার তাকে কোনো কথিত ‘গোপন আচার’-এর শিকার হওয়ার দাবি করা হয়। এসব দাবির পক্ষে অবশ্য কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
পরবর্তী পর্যায়ে আরও কিছু পোস্টে সিআইএ, রথসচাইল্ড পরিবার ও কথিত বৈশ্বিক অভিজাত গোষ্ঠীর নাম যুক্ত করা হয়। আবার অন্য একটি তত্ত্বে ভিনিসিয়ুস ও নেইমারকে বিশ্বকাপের সময় এলিয়েন বা রিপটিলিয়ানদের দ্বারা অপহরণের দাবি করা হয়। আগের একটি ভাইরাল ইউএফও-সংক্রান্ত ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে এই দাবিগুলোকে যুক্ত করার চেষ্টাও দেখা যায়।
ভিনিসিয়ুসের প্রেমিকা ভার্জিনিয়া ফনসেকাকেও কিছু পোস্টে এই গল্পের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। একটি দাবিতে তাকে কথিত ‘ক্লোন ভিনিসিয়ুসের নিয়ন্ত্রক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এরও কোনো বিশ্বাসযোগ্য ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
‘প্রমাণ’ হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে ভিনিসিয়ুসের ট্যাটু, মুখের গঠন এবং খেলার ধরন। কিছু ব্যবহারকারী দাবি করেছেন, পুরোনো ছবিতে দেখা ট্যাটু সাম্প্রতিক ছবিতে নেই। আবার কেউ কেউ বলেছেন, তার ড্রিবলিং, গতি ও ওয়ান-অন-ওয়ান দক্ষতাতেও পরিবর্তন এসেছে। চলতি মৌসুমে ১০ ম্যাচে ২ গোল ও ৩ অ্যাসিস্টের পরিসংখ্যানও এসব আলোচনায় টেনে আনা হয়েছে।
তবে চেহারার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কসমেটিক প্রক্রিয়ার তথ্য রয়েছে, আর পারফরম্যান্সে ওঠানামা বা ছবিতে ট্যাটু দৃশ্যমান না হওয়া কোনোভাবেই পরিচয় বদলে যাওয়ার প্রমাণ নয়। তাই ভিনিসিয়ুসকে ঘিরে ছড়ানো ক্লোন, প্রতিস্থাপন, হত্যা, গোপন সংগঠন বা এলিয়েন-সংক্রান্ত দাবিগুলোকে এখন পর্যন্ত সামাজিকমাধ্যমের গুজব ও অনুমান হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এসব দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
একটি কসমেটিক পরিবর্তন নিয়ে শুরু হওয়া আলোচনা এভাবেই কয়েক দিনের মধ্যে নানা স্তরের গুজব ও মিমে পরিণত হয়েছে। সামাজিকমাধ্যমে দাবিগুলো যতই ছড়াক, সেগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য নির্ভরযোগ্য প্রমাণের প্রয়োজন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানিয়েছেন, ‘৩০ বছর মেয়াদি ফারাক্কা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে নতুন করে চুক্তি নবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ চুক্তিতে জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ করে হবে।’
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার ডাকবাংলোতে মহানন্দা নদী এলাকায় নোঙর রিভার ক্যাম্পের কার্যক্রম উদ্বোধন ও নদী এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫৪টি এবং মিয়ানমারের সঙ্গে তিনটি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘নদী ও খাল উদ্ধারে কোনো ধরনের দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনা করা হবে না। আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোতে বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা হচ্ছে। দেশের খনন ও পুনরুদ্ধার করা নদী, খাল ও জলাশয় পুনরায় দখলের কোনো সুযোগ থাকবে না।’
দলীয় পরিচয় বিবেচনা না করে নদী উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালানোর কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন এবং আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোতে বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন।
এর আগে মহানন্দা নদীর সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনের পর নোঙর রিভার ক্যাম্পের পতাকা আয়োজকদের হাতে তুলে দিয়ে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে এক আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন তিনি।
এ সময় পঞ্চগড়ে জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, তেঁতুলিয়ার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আকাশ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, নোঙর বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুমন সামস, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, সদস্য দিন মোহাম্মদ খান, সালাউদ্দীন প্রধান, নাসির খান মিন্টুসহ জেলা-উপজেলা বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী ও পরিবেশকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ