বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫২ পি.এম
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান আন্দোলনের নবম দিনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা দৃশ্যমান উদ্যোগ না নেওয়ার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিল করেছেন।
অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে এই আন্দোলনের নবম দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিবাদ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে, দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি সমাধানের জন্য কার্যকর কোনো উদ্যোগ বা ভ্রুক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
এই প্রতিবাদের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিলে অংশ নেন। মিছিলে তারা উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে অংশ নেন, যা প্রশাসনের নীরবতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেন তারা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্র সংলগ্ন সড়ক ধরে স্বাধীনতা চত্বরকে প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহিদ মিনারে এসে শেষ হয়।
মিছিল চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘প্রশাসন নীরব কেন, জবাব চাই, জবাব চাই’, ‘ভিসি স্যার, ভিসি স্যার, সায়েম স্যার, সায়েম স্যার’, ‘মোদের দাবি একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নাইম হাওলাদার বলেন, "গত আট দিন ধরেই আমাদের এই আন্দোলন চলমান রয়েছে। আমরা দেখছি সরকার আসলে আমাদের এই বিষয়ে কোনো ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছে না। কোনো ধরণের আশ্বাস বা কোনো ধরণের পদক্ষেপও আমাদের জানাচ্ছে না। তো সেই প্রেক্ষিতে আমরা আজকে প্রতীকী প্রতিবাদ জানিয়েছি চোখে কালো কাপড় বেঁধে, যা আসলে বোঝায় যে আমাদের এই ক্ষেত্রে কেন প্রশাসন নীরব। আমাদের দাবি ১০টা না, ৫টা না, আমাদের দাবি মাত্র একটা—আমরা আমাদের পূর্বের ভিসিকে পুনর্বহাল চাই। তো সরকারের কাছে আমাদের এই আকুল আবেদন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন আমাদের এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সারাদেশে হাম উপসর্গের কারণে গত ২৪ ঘণ্টায় চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম ও হাম উপসর্গে মৃত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১০৮ জন।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২২১ জন এবং ১৫ মার্চ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর মোট সংখ্যা ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৩১ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১২৮ জন। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৫২০ জন।
১৫ মার্চ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮০০ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৮৭৩ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ১ হাজার ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের পরিবহন খাতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। নতুন দাম অনুযায়ী, গন্তব্যভেদে পণ্যবাহী ট্রাকের ভাড়া ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে বন্দরের আমদানিকারকদের জন্য বাড়তি পরিবহন ব্যয় গুনতে হচ্ছে। পাশাপাশি, এই পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সপ্তাহে ছয় দিন ভারত থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করা হয়। ভারতীয় ট্রাক থেকে পণ্য খালাসের পর, সেগুলো বাংলাদেশি পণ্যবাহী ট্রাকে করে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হয়।
সম্প্রতি, সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ানোর ফলে পরিবহন খাতে এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে। জ্বালানি খরচ বেড়ে যাওয়ায়, মালিকরা আগের ভাড়ায় ট্রাক চালাতে আগ্রহী নন। ফলে, গন্তব্য এবং দূরত্ব অনুযায়ী ট্রাকের ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্বে যে গন্তব্যে পণ্য পরিবহনের জন্য নির্ধারিত ভাড়া ছিল, বর্তমানে সেখানে জ্বালানি খরচ বৃদ্ধির কারণে অতিরিক্ত ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে। এর ফলে আমদানিকারকদের পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। এই বাড়তি ব্যয় শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামেও প্রভাব ফেলছে।
এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ট্রাক মালিকদের পরিচালন ব্যয় বেড়ে গেছে। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বাড়তি ভাড়া সমন্বয় করেও তারা লোকসানের মুখে পড়ছেন। তাদের দাবি, যদি জ্বালানি তেলের দাম না কমানো হয়, তবে পরিবহন খাতে ব্যয় আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
সরকার জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর ফলে ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, পেট্রলের দাম ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা এবং অকটেনের দাম ১৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৬৫ টাকা করা হয়েছে।
নতুন দামের সঙ্গে সমন্বয় করে হিলি স্থলবন্দরে গন্তব্যভেদে পণ্যবাহী ট্রাকের ভাড়া ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে আমদানিকারকদের পণ্য পরিবহনে বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
ট্রাকচালক রফিকুল ইসলাম বলেছেন, "আগে যে ভাড়ায় আমরা বিভিন্ন গন্তব্যে পণ্য নিয়ে যেতাম, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর সেই ভাড়ায় গাড়ি চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তেলের পেছনেই এখন বেশি টাকা খরচ হচ্ছে। এর সঙ্গে গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ, চালক ও শ্রমিকের খরচ তো আছেই। তাই বাধ্য হয়েই মালিকরা ভাড়া বাড়িয়েছেন।"
বাসচালক আজিজার রহমান মন্তব্য করেছেন, "জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে শুধু ট্রাক নয়, সব ধরনের পরিবহনেই খরচ বেড়ে যায়। তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের খরচও বাড়ছে। এতে পরিবহন শ্রমিক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবাইকে বাড়তি ব্যয়ের চাপ নিতে হচ্ছে।"
ট্রাক মালিক আনন্দ জানিয়েছেন, "জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় গাড়ি চালানোর খরচ অনেক বেড়েছে। আগের ভাড়ায় পণ্য পরিবহন করলে অনেক ক্ষেত্রে লাভ তো দূরের কথা, খরচই ওঠে না। তাই দূরত্ব ও গন্তব্য অনুযায়ী ভাড়া ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়াতে হয়েছে। এরপরও পরিবহন খাতে ব্যয় সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।"
আমদানিকারক নুর-ইসলাম বলেছেন, "জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। এতে আমাদের আমদানি খরচ বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্ষেত্রে পরিবহন ব্যয় বাড়লে সেটার প্রভাব সরাসরি বাজারদরে পড়ে। শেষ পর্যন্ত এই বাড়তি খরচের চাপ ভোক্তাদেরই বহন করতে হয়।"
হিলি স্থলবন্দর ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী জানিয়েছেন, "জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে পরিবহন খাতে ব্যয় অনেক বেড়েছে। নতুন দামের সঙ্গে সমন্বয় করে গন্তব্যভেদে ট্রাকের ভাড়া ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে শুধু ভাড়া বাড়ালেই মালিকদের খরচ পুরোপুরি সমন্বয় হচ্ছে না। জ্বালানি তেলের দাম কমানো বা পরিবহন খাতের ব্যয় নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলা সাহিত্যের অমর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে তালোড়া নাগর গ্রন্থাগারের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয় বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টা গ্রন্থাগার কার্যালয়ে। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন তালোড়া নাগর গ্রন্থাগারের সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোকলেছার রহমান। সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মোমিন ইসলাম শাওনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থাগারের উপদেষ্টা ও তালোড়া বন্দর নগর কবিতা সংসদের সভাপতি মো. মোশারফ হোসেন সেলিম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন ও তাঁর বিপ্লবী সাহিত্যকর্ম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচকরা উল্লেখ করেন, সুকান্ত ভট্টাচার্য খুব অল্প সময় বেঁচে থাকলেও তাঁর অসামান্য কবিতা যুগ যুগ ধরে নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই ও তারুণ্যের বিদ্রোহী চেতনাকে শাণিত করে আসছে। আলোচনা শেষে স্থানীয় কবি ও সাহিত্যপ্রেমীরা কবির জনপ্রিয় কবিতাগুলো থেকে আবৃত্তি করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের শিবালয়ে খাবার স্যালাইন ও ট্যাঙ সরবতের সাথে চেতনা নাশক দ্রব্য মিশিয়ে খাওয়ানোর মাধ্যমে বাড়ির সকল সদস্যকে অচেতন করে সর্বস্ব লুট করার চেষ্টা করতে গিয়ে দুইজন চোর চক্রের সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
এ ঘটনা ঘটে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, যখন স্থানীয় জনতা আটককৃত দুজনকে উত্তম-মাধ্যম দিয়ে শিবালয় থানায় পুলিশের কাছে সোর্পদ করে। পরে, পুলিশ তাদের চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।
গুরুতর অবস্থায় গৃহকর্তী আলেক জান (৬০) এবং তার ছেলে লালন ফকির (৪০) কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
গৃহকর্ত্রীর মেয়ের জামাতা শামীম জানান, মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার বৈষ্টমিরচর এলাকায় মনো ফকিরের বাড়িতে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে পূর্ব পরিচিত দুইজন চোর সর্বস্ব লুট করার উদ্দেশ্যে বাড়ির ৫ সদস্যের মধ্যে কেবল দুইজনকে খাবার স্যালাইন ও ট্যাঙ সরবতের সাথে চেতনা নাশক দ্রব্য মিশিয়ে খাওয়ানোর পর অসুস্থ হয়ে পড়লে চোর চক্রের সদস্যরা ওই বাড়ি থেকে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যায়। পরের দিন বুধবার সকালে স্থানীয় জনতার হাতে ধরা পড়ে চোর চক্রের ওই দুই সদস্য।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন, নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার শোবুদ্দিন উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত-সিরাজ মিয়ার পুত্র মো. শফি ওরফে মিলন (৪০), এবং একই জেলা ও উপজেলার হাটভাঙ্গা গ্রামের মৃত-সিদ্দিক মিয়ার পুত্র মো. শুকুর আলী (৪০)।
শামীম আরও জানান, টমেটো বিক্রি করতে গিয়ে তিন বছর আগে তাদের সাথে পরিচয় হয়। সেই সুবাদে ওই চোর চক্রের সদস্যরা তাদের বাড়িতে এর আগেও একবার এসেছিল। রতনকে ফোন দিয়ে গত মঙ্গলবার চোর চক্রের ওই দুই সদস্য আবার আসে। এসময় রতনের দাদা, দাদি, বাবা-মাসহ ৫জন বাড়িতে ছিলেন। এর মধ্যে রতনের বাবা ও দাদীকে সরবতের সাথে চেতনা নাশক দ্রব্য মিশিয়ে খাওয়ালে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে ওই চোর চক্রের সদস্যরা সুকৌশলে পালিয়ে যায়। পরের দিন বুধবার সকালে নৌকায় নদী পার হওয়ার সময় স্থানীয় জনতার হাতে ধরা পড়ে। এরপর স্থানীয় জনতা ওই চোর চক্রের সদস্যদের পুলিশে দেয়।
শিবালয় থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে এখনও কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে উক্ত বিষয়ে তদন্ত করে আইনানুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ