বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৯ পি.এম
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় একটি ট্রাক, সিএনজি এবং মোটরসাইকেলের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষের ফলে রাশেদুল ইসলাম (৫১) নামে এক সিএনজি যাত্রী নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় সিএনজি চালকসহ আরও ৪ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়কের ১২ মাইল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত রাশেদুল ইসলাম দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের আমদহ গ্রামের মৃত জোয়াদ মন্ডলের ছেলে। আহত সিএনজি চালক এবং ৪ জন যাত্রীকে গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ভেড়ামারা থেকে ৫ জন যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজি কুষ্টিয়ার দিকে যাচ্ছিল। কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়কের ১২ মাইল এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল এবং ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।
এই সংঘর্ষে সিএনজির যাত্রী রাশেদুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সিএনজি চালক এবং অন্যান্য ৪ যাত্রীকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর মোটরসাইকেল চালক পালিয়ে যান। পুলিশ সিএনজি এবং ট্রাকটি জব্দ করেছে।
কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ মহিদুল ইসলাম জানান, কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়কের ১২ মাইলে ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনায় রাশেদুল ইসলাম নামে ১ জন নিহত হয়েছেন। ঘাতক ট্রাক ও সিএনজি হাইওয়ে পুলিশ জব্দ করেছে। এ ঘটনায় হাইওয়ে থানায় মামলা দায়ের হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় প্রধান ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন যে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা চলছে। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, সরকার দেশের জনগণের প্রতি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা থেকে সরে গিয়ে উল্টো পথে হাঁটছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে এই বক্তব্য প্রদান করেন জামায়াত আমির।
ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, প্রবাসীদের শুধু ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ হিসেবে চিহ্নিত করা যথেষ্ট নয়; বরং তাদের অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার বন্ধ বা খর্ব করার কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে, তা মেনে নেওয়া হবে না। তিনি বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত প্রবাসীদের প্রতি জুলুম হিসেবে গণ্য হবে।
তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে চতুর্থবারের মতো অচলাবস্থা সৃষ্টি না হওয়ার জন্য শ্রমবাজারের সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে। বিরোধী দল ক্ষমতার জন্য নয়, বরং জনগণের বিজয়ের জন্য কাজ করতে চায়। সংসদ ও সংসদের বাইরে অন্যায় ও জনস্বার্থবিরোধী আইনগুলোর বিরুদ্ধে আমরা দৃঢ়ভাবে কথা বলব।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সম্পর্কে তিনি মন্তব্য করেন যে, জনগণের মুখ বন্ধ করার উদ্দেশ্যে যদি কোনো আইন প্রণয়ন করা হয়, তবে তা মেনে নেওয়া হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তামাকবিরোধী সংগঠন ‘মানস’ বিনোদনের মাধ্যমে নাটক ও সিনেমায় তামাকের প্রচারণা বন্ধের জন্য আহ্বান জানিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন বাস্তবায়নে করণীয় : প্রেক্ষিত নাটক, চলচ্চিত্র, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এই আহ্বান জানানো হয়।
সভায় সংগঠনটি উল্লেখ করেছে, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন অনুসারে নাটক, সিনেমা এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের দৃশ্য প্রদর্শন এবং এর প্রচারণা নিষিদ্ধ। তবে ২০২৬ সালে মুক্তি পাওয়া ১২টি সিনেমা পর্যবেক্ষণ করে ৭৫১টি ধূমপান ও তামাক ব্যবহারের দৃশ্য চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি সিনেমায় কৌশলে তামাক পণ্যের ব্র্যান্ডও প্রদর্শিত হয়েছে বলে জানায় ‘মানস’।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী। আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, সহসভাপতি মেহেদী আজাদ মাসুম, ডেভেলপমেন্ট অ্যাক্টিভিটিস অব সোসাইটির (ডাস) টিম লিড আমিনুল ইসলাম বকুল, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র, ‘মানস’-এর কোষাধ্যক্ষ হোসনে আরা বেগম রিনা এবং সিনিয়র প্রজেক্ট অ্যান্ড কমিউনিকেশন অফিসার মো. আবু রায়হান।
ড. অরূপরতন চৌধুরী সভায় বলেন, ধূমপান এবং তামাক ব্যবহার ক্যান্সার, হৃদরোগ ও স্ট্রোকসহ বিভিন্ন প্রাণঘাতী রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তিনি উল্লেখ করেন, তামাক কোম্পানিগুলো তরুণদের তামাক ব্যবহারে আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন বিপণন কৌশল গ্রহণ করছে। সিনেমা, নাটক এবং ওয়েব সিরিজে জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মাধ্যমে ধূমপানকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ২০২৬ সালের ১২টি সিনেমা পর্যবেক্ষণ করে ছয়টিতে ব্র্যান্ড প্রচারণা এবং মোট ৭৫১টি ধূমপান ও তামাক সেবনের দৃশ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ‘রাক্ষস’-এ ১৯২ বার, ‘প্রিন্স : ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন ঢাকা’-তে ১৬৫ বার, ‘মালিক’-এ ৯৮ বার, ‘রকস্টার’-এ ৯৫ বার, ‘বনলতা সেন’-এ ৭১ বার এবং ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এ ৬৪ বার ধূমপান ও তামাক সেবনের দৃশ্য রয়েছে।
তরুণদের সুরক্ষার জন্য এ ধরনের প্রচারণা বন্ধে বিনোদনমাধ্যমে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের কঠোর বাস্তবায়নের জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, কিশোর ও তরুণদের মধ্যে তামাকের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিনোদনমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তামাকের প্রচারণা উদ্বেগজনক। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে সার্টিফিকেশন বোর্ড, গণমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, তামাক খাত থেকে সরকারের রাজস্ব আয় প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা হলেও তামাকজনিত স্বাস্থ্য ব্যয় ৮৭ হাজার কোটি টাকা। তাই রাজস্ব আয়ের তুলনায় জনস্বাস্থ্যের ক্ষতিকে গুরুত্ব দিয়ে তামাক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
নিখিল চন্দ্র ভদ্র বলেন, সিনেমা, নাটকসহ বিভিন্ন বিনোদনমাধ্যমে সিগারেট এবং ই-সিগারেটের দৃশ্য প্রদর্শনের বিরুদ্ধে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। একই সঙ্গে বিনিয়োগের নামে দেশে নিকোটিন পাউচের কারখানা স্থাপনের উদ্যোগের বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে।
সভায় বক্তারা বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের পাশাপাশি ওটিটিসহ উদীয়মান গণমাধ্যমের জন্য পৃথক গাইডলাইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে সার্টিফিকেশন কর্তৃপক্ষ, গণমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
তারা বলেন, শিশু-কিশোর এবং তরুণদের তামাক ও নিকোটিন পণ্যের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে তামাক কোম্পানির কৌশল প্রতিহত করতে হবে। তামাক ও নিকোটিন পণ্যের বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। এ সময় তার সাথে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী উপস্থিত ছিলেন।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সাইফুল হক জাতীয় সংসদে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় নির্বাচিত হয়ে দেশের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। তিনি উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার নির্বাচন ও দায়িত্ব গ্রহণ দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, রাষ্ট্রের প্রধান অভিভাবক হিসেবে মির্জা ফখরুল প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও বহুত্ববাদী ধারায় দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতারা প্রেসিডেন্টের সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।
প্রেসিডেন্ট বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতাদের ধন্যবাদ জানান এবং শ্রদ্ধার সঙ্গে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা কর্মীসহ দেশের জনগণের সাহসী ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এক ঘণ্টার টানা বৃষ্টির ফলে কুষ্টিয়া শহরের অধিকাংশ স্থানে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরের পর হঠাৎ করে শুরু হওয়া এই বর্ষণে শহরের প্রধান সড়ক এবং অলিগলিতে কোথাও হাঁটুপানি, আবার কোথাও গোড়ালি সমান পানি জমে যায়। এতে সাধারণ পথচারী, শিক্ষার্থী এবং জরুরি প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন। জলাবদ্ধতার কারণে শহরে যান চলাচলও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, বৃষ্টির পানি জমে শহরের এনএস রোড, কোর্টপাড়া, কলেজ মোড় এবং হাসপাতাল মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক ও সংযোগস্থলে তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। হাঁটুসমান পানি জমে থাকায় স্বাভাবিক চলাচল কার্যত থমকে যায়। পানিতে সড়ক তলিয়ে থাকায় কোথায় খানাখন্দ আর কোথায় সমতল তা বুঝতে না পেরে পথচারীরা প্রতিনিয়ত হোঁচট খান।
মোটরসাইকেল চালক ও রিকশাযাত্রীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন। অনেককে বাধ্য হয়ে জুতা হাতে নিয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
জলাবদ্ধতার কারণে যানবাহনের গতি কমে যাওয়ায় শহরের কয়েকটি এলাকায় সাময়িক যানজট সৃষ্টি হয়। দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনের অংশে পানি জমে থাকায় ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও স্থবিরতা নেমে আসে। বিশেষ করে নিচু এলাকার সড়কগুলোতে দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টির পানি জমে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি থেমে গেলেও জলাবদ্ধতা দীর্ঘ সময় ধরে স্থায়ী হচ্ছে, যা শহরের একটি নিত্যনৈমিত্তিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে এবং সড়কের স্থায়িত্ব কমে গিয়ে যান চলাচলের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
শহরের এনএস রোডে পথচারী রফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি জমে যায়। আজ মাত্র এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে রাস্তার যে হাল হয়েছে, তাতে হাঁটাচলাই কঠিন। পানি দ্রুত নেমে যাওয়ার ব্যবস্থা না করলে এই ভোগান্তি থেকে মুক্তির কোনো উপায় নেই।" কলেজপড়ুয়া সুমাইয়া আক্তার জানান, বৃষ্টির মধ্যে বের হয়ে নোংরা পানিতে তার পোশাক ও জুতা ভিজে গেছে। তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন, "সামান্য বৃষ্টিতে এই হাল হলে টানা বর্ষণে শহরের কী অবস্থা হবে।" রিকশাচালক আব্দুল হালিম জানান, পানিতে ডুবে থাকা রাস্তার গর্ত বুঝতে না পারায় রিকশা চালাতে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। মোস্তাক আহমেদ নামের আরেক বাসিন্দা জানান, "ভারী বৃষ্টি হলেই শহর পানিতে তলিয়ে যায়, অথচ বছরের পর বছর এর কোনো স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।"
এদিকে, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের স্থানীয় পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কুষ্টিয়ায় মোট ৩০ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দিনগুলোতেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো কুষ্টিয়ায় বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে শহরের জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকাগুলোতে জনদুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন নগরবাসী।
জনদুর্ভোগ ও স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে কুষ্টিয়া পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদি হাসানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, "বর্তমানে শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। বৃষ্টি থামার পর সড়ক থেকে পুরোপুরি পানি সরে যেতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। ড্রেনের সংস্কার কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়ে গেলে আগামীতে শহরে আর কোনো জলাবদ্ধতা থাকবে না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ