ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আবাসিক হোটেলে সাবেক মেম্বারের মরদেহ, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল বোরকা পরা এক নারী


আবাসিক হোটেলে সাবেক মেম্বারের মরদেহ, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল বোরকা পরা এক নারী

বগুড়ার শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের মাধ্যমে বিপুল চন্দ্র পাল (৪৮) নামের সাবেক ইউপি সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে সেঞ্চুরি মোটেল নামের হোটেলের ৬১০ নম্বর কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় হোটেলটির সিসিটিভি ফুটেজ থেকে তথ্য সংগৃহীত হয়েছে। সিসিটিভির ফুটেজ অনুযায়ী, সেখানে বোরকা পরিহিত এক নারীর সঙ্গে বিপুল চন্দ্র পাল ছিলেন।

বিপুল চন্দ্র পাল বগুড়ার সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দুইবার নির্বাচিত মেম্বার ছিলেন। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের সুপারভাইজার হিসাবেও কাজ করেছেন। বিপুল এরুলিয়া পালপাড়া এলাকার মৃত জিতেন্দ্র নাথ পালের পুত্র।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

সূত্রমতে, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় বিপুল চন্দ্র পাল সেঞ্চুরি মোটেলে এসে একটি কক্ষ ভাড়া নেন। শনিবার দুপুরে হোটেল থেকে চেক আউটের নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তার কোন সাড়া না পাওয়ায় মোটেল কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হয় এবং অবশেষে তারা পুলিশে খবর দেন।

খবর পেয়ে দুপুর সোয়া ১টার দিকে উপশহর পুলিশ ফাঁড়ি ও সদর থানার দুটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এবং মৃতের স্বজনদের উপস্থিতিতে ৬১০ নম্বর কক্ষের দরজা খুললে বিপুল চন্দ্র পালকে বিছানায় অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে সেঞ্চুরি মোটেলের রিসেপশন ম্যানেজার মো. এনামুল হক প্রথমে দাবি করেছিলেন, রাত্রীযাপনের জন্য বিপুল একাই কক্ষটি ভাড়া নিয়েছিলেন।

তবে, মোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করার পর ঘটনাটি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। ফুটেজে দেখা যায়, দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে রাত ৯টায় প্রবেশ করেন বিপুল চন্দ্র পাল। এর ২ ঘণ্টা পর, ওই রুম থেকে বিপুলের সঙ্গে বোরকা পরিহিত এক নারী বের হয়ে যেতে দেখা যায়। এরপর তারা দুজন মিলিত হয়ে ৬১০ নম্বর রুমে যান। কিছু সময় পরই ওই নারী একা রুম থেকে বেরিয়ে যান।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

আরো জানা গেছে, বিপুল চন্দ্র পালের পরিবার মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে দাবি করেছেন। তাদের অভিযোগ, রক্সি নামের এক ব্যক্তি বিপুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।

নিহতের স্ত্রী বলেন, শুক্রবার রাতে মোবাইল ফোনে শেষ কথা হলে বিপুল তাকে জানিয়েছিলেন, তিনি সারিয়াকান্দিতে রক্সি নামের এক ব্যক্তির বোনের বাড়ির দাওয়াতে যাচ্ছেন। ফিরতে রাত ১২টা কিংবা ১টা বাজবে। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল।

মৃতের মেয়ে ও প্যারামেডিক্যাল প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী তিথি বলেন, ‘বাবা বলেছিলেন বোনের বাড়িতে দাওয়াত খেতে যাবেন। সকাল থেকে ফোন বন্ধ ছিল। পরে উনার মৃত্যুর খবর পাই। কক্ষ থেকে ওষুধ পাওয়ার যে কথা ছড়ানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। উনাকে মেরে ফেলার জন্যই এসব করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘রক্সি নামের এক লোক আমার বাবাকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। তাকে গ্রেফতার করলেই সব সত্য বেরিয়ে আসবে। সিসিটিভি ফুটেজে কাকে দেখা গেছে, তাও পরিষ্কার হওয়া দরকার। বাবার মোবাইল ফোনও পাওয়া যাচ্ছে না।’

আরও পড়ুন: নওগাঁয় ভাড়া বাসায় জাল টাকার কারবার, ডিবির হাতে গ্রেপ্তার জব্বার

বগুড়া জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সাধারণ সম্পাদক নূর আমিন মণ্ডল বলেন, ‘বিপুল অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন। দীর্ঘ সময় শাহ ফতেহ আলী পরিবহনে কাজ করেছেন। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না।’

এরুলিয়া ইউনিয়নের বর্তমান ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মো. নূর আলম বলেন, ‘বিপুল আমার ছোট ভাইয়ের মতো ছিল। গত নির্বাচনে আমরা প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলাম, কিন্তু আমাদের মাঝে কোনো বিদ্বেষ ছিল না। এলাকায় কোনোদিন কারো সঙ্গে তার শত্রুতা ছিল না। আমরা এই মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।’

এ বিষয়ে বগুড়ার ফুলবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জালাল উদ্দীন বলেন, ‘নিহত ওই ব্যক্তি মাঝেমধ্যে ওই হোটেলে আসতেন এবং সময় কাটাতেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে ওই কক্ষ থেকে যৌন উত্তেজক জাতীয় একটি সিরাপ, ঘুমের ওষুধ, কোমল পানীয় ও পানির বোতল জব্দ করা হয়েছে। এখন সিসিটিভি ফুটেজের ওই নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম বলেন, ‘মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। সিসিটিভি ফুটেজে দৃশ্যমান বোরকা পরিহিত নারীর পরিচয় এবং এ ঘটনায় রক্সি নামের ওই ব্যক্তির কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন: মাগুরায় বিএনপি নেতা হত্যা মামলায় সাবেক ওসি ও এসআইকে কারাগারে পাঠাল আদালত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফাইনাল হারের দায় নিজের কাঁধে নিলেন কোচ বাটলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৫ এম


ফাইনাল হারের দায় নিজের কাঁধে নিলেন কোচ বাটলার

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ দলের হ্যাটট্রিক শিরোপা মিশন ব্যর্থ হয়েছে। আজ ভারতের গোয়ায় ফাইনালে স্বাগতিক ভারতের কাছে বাংলাদেশের দল ১-৩ গোলে হেরেছে মারিয়ারা।

এইবারের হ্যাটট্রিক মিশনের জন্য বাংলাদেশ দলকে থাইল্যান্ড পাঠিয়েছিল বাফুফে। এত উন্নত প্রস্তুতির পরও বাংলাদেশ এই আসনে ভালো পারফরম্যান্স করতে পারে নি, ফলে তাদের রানার্স আপ হয়ে দেশে ফিরতে হচ্ছে।

ফাইনাল পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের কোচ পিটার বাটলার মন্তব্য করেন, ‘সত্যিকার অর্থে ম্যাচের চিত্র স্কোরলাইনে সব সময় প্রদর্শিত হয় না। আমি মেয়েদের চেষ্টায় গর্বিত। বিশেষ করে তরুণ খেলোয়াড়রা অসাধারণ খেলেছে।’

বাংলাদেশের তিন গোল হজমের মধ্যে দু’টি গোলরক্ষক মিলি আক্তারের ভুলের ফল এবং একটি ডিফেন্ডার আফিদা খন্দকারের। ২০২২ ও ২০২৪ সালের দুটি সাফ পর্যায়েই গোলরক্ষক রুপ্না চাকমা টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক হন। তবে এবারের আসরে তাকে একটি ম্যাচও খেলার সুযোগ দেননি কোচ। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বাটলার বলেন, ‘সে আমাকে ইমপ্রেস করতে পারেনি। থাইল্যান্ডে মিলি ইনজুরিতে পড়ার পর রুপ্না সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু সেখানে পারফর্ম করতে পারে নি। মিলি বর্তমানে ফর্মে রয়েছে, তাই তাকেই আমি বেছে নিয়েছি। সে ভুল করতে পারে, তবে এটাও খেলারই অংশ।’

বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হতে না পারার ব্যর্থতা নিয়ে কোচ বাটলার দায়ভার নিয়েছেন। তার বক্তব্য, ‘আমি শুধুমাত্র বলতে চাই যে আমি এখানে কোনো অজুহাত দিতে আসিনি। আমি এই দায়ভার নিচ্ছি। আমি জবাবদিহি করতে বাধ্য। টেকনিক্যাল বিষয়ের জন্য সব দায় আমার। অন্য কোনো জটিলতা বা ঘটনা আমার দেখার বিষয় নয়।’

গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ ভারতের বিপক্ষে ৩-০ গোলে হেরেছিল। আজ ফাইনালের স্কোরলাইন ৩-১ হলেও পার্থক্য দেখছেন বাটলার। তিনি বলেন, ‘ঐ ম্যাচের তুলনায় আমরা ভালো পারফরম্যান্স করেছি। অনেক সময় আমরা ম্যাচ নিয়ন্ত্রনে রেখেছিলাম।’ ঋতুপর্ণার একটি গোলে বাংলাদেশ সমতাও এনেছিল। তবে ম্যাচ থেকে ছিটকে যাওয়ার কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই খেলায় মূল টার্নিং পয়েন্ট ছিল যখন আনিকা ইনজুরিতে পড়ে মাঠের বাইরে চলে গেল। আমি তাকে ৯ নম্বরের বদলে ১০ নম্বর পজিশনে খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, এবং সে সত্যিই খুব ভালো খেলেছে। আমি মনে করি ঋতু আজ রাতে ভালো খেলেছে। মারিয়া অসাধারণ ছিল। এবং আমার ষ্পষ্ট মনে হচ্ছে, আফরিন, যার বয়স মাত্র ১৮, সে একজন অসাধারণ তরুণ খেলোয়াড়; আমাদের দলে এমন এক-দুজন খেলোয়াড় রয়েছে যারা তাদের ক্যারিয়ারের এমন এক সময়ে পৌঁছেছে যা হয়তো শেষ সময় পার করে এসেছে, অর্থাৎ শেষের দিকে চলে এসেছে। তাদের হয় লড়াই করতে হবে, অথবা আমাদের বিকল্প খুঁজতে হবে।’

একাডেমির কোচ হিসেবে নারী ফুটবল দলের দায়িত্ব নিয়েছেন। সেই দায়িত্ব বর্তমানে দুই বছরের বেশি সময় ধরে রয়েছে। বাফুফের সঙ্গে তার ভবিষ্যতের চুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আসলে আমার নিজের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে চাই না। আমি এই দায়িত্বটা মূলত কিছু দয়ার জন্য নিইনি... সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন আমি এটা করব কি না, এবং আমি রাজি হয়েছিলাম। এবং সকলেই জানে যে আমি কিছুটা 'ফায়ারফাইটার' (সংকট মোচনকারী) এর মতো। আমাকে ফিরে যেতে হবে এবং আমি কী করতে চাই তা নিয়ে ভাবতে হবে। হয়তো অন্য কোথাও নতুন কোনো চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করব। আমি আমার চুক্তির শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। আমি মনে করি আমি ভালো কাজ করেছি। আমি জানি আমি ভালো কাজ করেছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজনীতিতেই থাকতে চাই, চাকরি নয়: আবেগঘন স্ট্যাটাস ছাত্রদল নেতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৭ এম


রাজনীতিতেই থাকতে চাই, চাকরি নয়: আবেগঘন স্ট্যাটাস ছাত্রদল নেতার

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক জানিয়েছেন, চাকরি নয়, রাজনীতিতেই নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চান। তার এই আকাঙ্ক্ষার কথা তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাসে তুলে ধরেছেন।

শনিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্দেশে দীর্ঘ ও অনুভূতিপূর্ণ বার্তা লিখেছেন। তারিক সেখানে সরাসরি দেখা হলে বলতে না পারা কথাগুলো ফুটিয়ে তুলেছেন।

স্ট্যাটাসে তারিক উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা, মামলা-হামলা, গ্রেপ্তারের ভয় এবং ক্যাম্পাসে নিয়মিত যেতে না পারার বাস্তবতা সত্ত্বেও তিনি থেমে থাকেননি। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই তিনি অনার্স ও মাস্টার্সে বিভাগের সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জন করেছেন।

তিনি বলেন, শিক্ষকতার মতো পেশায় যেতে পারতেন, তবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং ছাত্রদলের রাজনীতির প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছেন। এই পথচলায় তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। শরীরে গুলির চিহ্ন ও স্প্লিন্টার বহন করার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

তারিক আরো বলেন, বিভিন্ন ধর্ম ও অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছেন। পাশাপাশি ছাত্রদলের ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে তার সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।

দলের শীর্ষ নেতার সঙ্গে কাজ করার সুযোগকে তিনি জীবনের বড় প্রাপ্তি মনে করেন। এখন তার একমাত্র ইচ্ছা রাজনীতির মধ্যেই থেকে দলের জন্য কাজ করা। এমন কোনো চাকরি তিনি চান না, যা তাকে রাজনীতি ও নেতৃত্ব থেকে দূরে সরিয়ে দেবে।

স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি বলেন, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দলের দায়িত্ব পালন করতে প্রস্তুত। সুযোগ পেলে আমৃত্যু দলের প্রতি তার অঙ্গীকার অটুট থাকবে বলেও জানান।

উল্লেখ্য, মো. তরিকুল ইসলাম তারিক বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রদলের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমানের চকরিয়া সফর ঘিরে বিএনপির ব্যাপক প্রস্তুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ এম


তারেক রহমানের চকরিয়া সফর ঘিরে বিএনপির ব্যাপক প্রস্তুতি

আগামী ১৪ জুন চকরিয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে চকরিয়া পৌরসভা বিএনপি ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ওই দিন বিকেল ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠে অনুষ্ঠিতব্য জনসভাকে ঘিরে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

জনসভাকে সফল করতে সাংগঠনিক তৎপরতা ইতোমধ্যে জোরদার করা হয়েছে।

সম্ভাব্য সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল ১১টায় ডুলহাজারা সাফারি পার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন এবং পার্কটি পরিদর্শন করবেন। পরে তিনি পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসীমের কবর জিয়ারত করবেন, পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন করবেন এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন। এরপর তিনি চকরিয়ায় আসবেন এবং মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন করবেন।

বিকেল ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম আব্দুর রহিম বলেন, জনসভায় চকরিয়া পৌরসভা এলাকা থেকে নারী-পুরুষ মিলিয়ে ৫০ হাজারের বেশি নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেবেন। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ও আশপাশের অঞ্চল থেকে আগত প্রায় ৩ লাখ মানুষের সমাগম ঘটতে পারে বলে তারা আশা করছেন।

জনসভা সফল করার লক্ষ্যে শনিবার (৬ জুন) চকরিয়া আবাসিক মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে পৌর বিএনপি, ওয়ার্ড বিএনপি এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় নেতারা জনসভা সফল করতে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, নেতাকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং আগত মানুষের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

বিএনপি নেতাদের প্রত্যাশা, ১৪ জুনের জনসভা চকরিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ সমাবেশে পরিণত হবে এবং এতে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা উঠে আসবে।

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরসূচি এখনো সম্ভাব্য পর্যায়ে রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এতে পরিবর্তন আসতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামী ব্যাংক আমরা তৈরি করেছি: জামায়াত এমপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ এম


ইসলামী ব্যাংক আমরা তৈরি করেছি: জামায়াত এমপি

ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন মন্তব্য করেছেন যে, দেশের মানুষের ওপর লুটপাট ও অর্থনৈতিক দুরবস্থার কারণেই ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার সুশাসন প্রতিষ্ঠার দিকে যথেষ্ট নজর দেয়নি। তবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আশাবাদী যে সরকার শেষ পর্যন্ত সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

শনিবার রাতে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল কলোনি বাজারে এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সাইফুল আলম খান মিলন জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতি কখনো ভুলবে না। তিনি বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবিও জানান।

ইসলামী ব্যাংক প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাংক খাতে ব্যাপক লুটপাট চালিয়েছে। তিনি দাবি করেন, “ইসলামী ব্যাংক আমরা তৈরি করেছি।” একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত এবং পরিবারের সদস্যদের ঋণ খেলাপির রেকর্ড রয়েছে, এমন ব্যক্তিকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকের অনেক এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা পাওয়া যাচ্ছে না, যা গ্রাহকদের ভোগান্তির কারণ হচ্ছে। সরকারের সহযোগিতা থাকুক বা না থাকুক, জনগণের পাশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

থানা আমির কলিম উল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি নুর উদ্দিন জাহিদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য হেমায়েত হোসেন ও আতাউর রহমান সরকার। বক্তব্য রাখেন থানা জামায়াতের নায়েবে আমির মোহাম্মদ উল্লাহ ভুইয়া হারুন, প্রচার সম্পাদক নুরে আলম প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%