ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পোপের অনুমতি ছাড়া বিশপ নিয়োগ, ৬ ধর্মযাজককে বহিষ্কার


পোপের অনুমতি ছাড়া বিশপ নিয়োগ, ৬ ধর্মযাজককে বহিষ্কার

ভ্যাটিকান জানিয়েছে যে, সুইজারল্যান্ডভিত্তিক রক্ষণশীল ক্যাথলিক গোষ্ঠী সোসাইটি অব সেন্ট পিয়াস এক্স (এসএসপিএক্স)-এর ছয়জন ধর্মযাজককে ধর্মচ্যুত করা হয়েছে পোপ চতুর্দশ লিওর অনুমতি ছাড়া বিশপ অভিষিক্ত করার কারণে।

বিশপ হলেন খ্রিস্টধর্মের একজন উচ্চপদস্থ যাজক বা ধর্মীয় নেতা। তিনি একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার (ডায়োসিস) গির্জা ও যাজকদের তত্ত্বাবধান করেন।

বৃহস্পতিবার, ভ্যাটিকানের ধর্মীয় মতবাদবিষয়ক দপ্তর ‘ডিকাস্টারি ফর দ্য ডকট্রিন অব দ্য ফেইথ’ এক ডিক্রিতে উল্লেখ করেছে যে, গোষ্ঠীটি বর্তমানে চার্চের অনুমোদন ছাড়া ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আরও পড়ুন: মালদ্বীপের স্পিকারের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, আলোচনা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে

ডিক্রিতে বলা হয়েছে, এসএসপিএক্স ক্যাথলিক চার্চের কিছু মৌলিক শিক্ষা প্রত্যাখ্যান করেছে। আর এর ফলে, তারা বৈধভাবে বিবাহ অনুষ্ঠান পরিচালনা করার কিংবা স্বীকারোক্তি গ্রহণ করার মত ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হবে না।

পোপ লিওর অনুরোধকে উপেক্ষা করে, গোষ্ঠীটি বুধবার চারজন নতুন বিশপকে অভিষিক্ত করে। এর এক দিন পরই ভ্যাটিকান এই সিদ্ধান্তটি ঘোষণা করে। ক্যাথলিক চার্চের নিয়ম অনুসারে, নতুন বিশপ নিয়োগের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা শুধুমাত্র পোপের। চার্চের ঐতিহ্য ও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য এই নিয়ম পালন করা হয়।

ভ্যাটিকান জানিয়েছে, সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত অননুমোদিত অনুষ্ঠানে নেতৃত্বদানকারী দুই বিশপ এবং নতুন অভিষিক্ত চার ধর্মযাজকসহ মোট ছয়জনকে ধর্মচ্যুত করা হয়েছে।

তবে, সোসাইটি অব সেন্ট পিয়াস এক্স তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোন প্রতিক্রিয়া জানায়নি। বুধবার গোষ্ঠীটি দাবি করেছিল যে, বিশেষ পরিস্থিতির কারণে তারা পোপের অনুমোদন ছাড়াই বিশপ অভিষেকের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনির জানাজায় যোগ দিচ্ছেন শেহবাজ শরিফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৯ পি.এম


খামেনির জানাজায় যোগ দিচ্ছেন শেহবাজ শরিফ

রয়টার্সের ছবির মাধ্যমে জানা যায় যে, তেহরানে যাওয়ার উদ্দেশে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ রয়েছেন। ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে তার যাত্রা শুরু হচ্ছে।

সংবাদমাধ্যম দ্য ডনে উল্লেখ করে, বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (এফও) মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি জানান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আগামী ৩ জুলাই থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত ইরান ও তুরস্ক সফর করবেন।

এ সফরের প্রথম পর্বে, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করবেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকবেন উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তারা।

তিনি আরও জানান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, ইরানের নেতৃত্বের প্রতি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি পাকিস্তানের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনা জানাবেন। এ কঠিন সময়ের মধ্যে ভ্রাতৃপ্রতীম ইরানি জনগণের প্রতি পাকিস্তানের সংহতি পুনর্ব্যক্ত করবেন।

এখন উল্লেখযোগ্য যে, ৮৬ বছর বয়সী খামেনি ৩৬ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। তিনি ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের প্রথম দিনে শহিদ হন। তার জানাজা ৪ জুলাই তেহরানে অনুষ্ঠিত হবে এবং ৯ জুলাই, মাশহাদ শহরে নিজ শহরে দাফনের মাধ্যমে শেষ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০০ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো

সাম্প্রতিক সংঘাতের পর মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সমীকরণ পরিবর্তনের পথে রয়েছে। নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে, উপসাগরীয় আরব দেশগুলো ইরানের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির পথ অনুসন্ধান করছে।

আঞ্চলিক কূটনৈতিক সূত্র ও বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন যে, যুদ্ধ-পরবর্তী বাস্তবতায় সৌদি আরব, কাতার, ওমানের মতো উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো নিজেদের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় ইরানের সঙ্গে আলাদা সমঝোতা গড়ে তুলতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

সূত্রগুলোর মতে, প্রাথমিকভাবে ইরান ও ওমান, তারপর ওমান ও কাতার, পরবর্তীতে ইরান ও সৌদি আরব এবং সবশেষে কাতার ও সৌদি আরবের মধ্যে একাধিক বৈঠক সংগঠিত হয়েছে। এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে অঞ্চলে সহাবস্থান, নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক সম্পর্কের নতুন কাঠামো নির্ধারণ করা।

বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, এই কূটনৈতিক কার্যক্রমের শুরুমাত্র হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে আরও বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে, যেখানে উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন রূপরেখা চূড়ান্ত করার চেষ্টা করবে।

হরমুজ প্রণালীকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বৈঠকগুলিতে আলোচনা হয়েছে, কীভাবে এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচল পরিচালনা করা হবে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতকরনে উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানকে কী ধরনের আর্থিক প্রণোদনা দিতে পারে।

এদিকে, এসব আঞ্চলিক আলোচনা চলার পরও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে, যার লক্ষ্য আগস্টের শেষ নাগাদ একটি সমঝোতায় পৌঁছানো।

মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষক গনুল তোল বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসযোগ্যতা গত কয়েক বছর ধরে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তাই উপসাগরীয় দেশগুলো মনে করছে, নিজেদের নিরাপত্তার জন্য ইরানের সঙ্গে সরাসরি বোঝাপড়ার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ।”

তাঁর মতে, উপসাগরীয় দেশগুলোর সর্বশেষ সিদ্ধান্ত হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে নিজেদের স্বার্থ অনুযায়ী পৃথক সমঝোতার দিকে এগিয়ে যাওয়া।

তবে প্রকাশ্যে উপসাগরীয় দেশগুলো এখনো যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে সমর্থন করছে। সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক আঞ্চলিক বৈঠকের যৌথ বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালিতে “অবাধ, শর্তহীন ও বাধাহীন নৌচলাচলের” গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, কোনো ধরনের টোল, অতিরিক্ত ফি বা প্রণালির ওপর একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার বিরোধিতাও পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছে।

চ্যাথাম হাউসের মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ আনিসেহ বাসিরি তাবরিজি বলেন, “হরমুজে নতুন কোনো টোল বা নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য একটি লাল রেখা।”

কূটনৈতিক মহল মনে করে, ইরান সহজেই হরমুজ প্রণালিকে তার কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ ছাড়বে না। জানা গেছে, এক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে, যেখানে জাহাজ চলাচলের ওপর সরাসরি টোল নয়, বরং পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বন্দরের পরিচালনার জন্য “সেবা ফি” আদায়ের ব্যবস্থা হতে পারে।

এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ও অর্থ সংগ্রহের বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। ইতোমধ্যে, ইরান হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজের জন্য ইরানি বীমা বাধ্যতামূলক করার ঘোষণা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান ৬০ দিনের অন্তর্বর্তী সময় শেষ হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে।

গনুল তোলের মতে, “ইরান এখন বুঝেছে, পারমাণবিক অস্ত্রের চেয়ে কার্যকর একটি কৌশলগত হাতিয়ার তাদের হাতে আছে—হরমুজ প্রণালি। কারণ তারা এমন ব্যবস্থা করবে, যাতে এই প্রণালির ওপর তাদের প্রভাব স্থায়ী থাকে।”

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, হরমুজে কোনো ধরনের অতিরিক্ত ফি বা টোল আরোপ তিনি মেনে নেবেন না। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন অনুযায়ী, সাধারণত আন্তর্জাতিক নৌপথে চলাচলের জন্য ফি আদায় নিষিদ্ধ। কিন্তু, যদি জাহাজকে নির্দিষ্ট সেবা প্রদান করা হয়, তবে সেই সেবার বিপরীতে অর্থ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজকে হুমকি দেয়। জাতিসংঘ, ওমান ও ইরানের সমন্বয়ে আটকে পড়া জাহাজ সরিয়ে নেওয়ার জন্য দুটি নিরাপদ রুট নির্ধারণ করা হলেও, ইরান জানিয়ে দেয় যে, নির্ধারিত রুট নিয়ন্ত্রণের একমাত্র কর্তৃত্ব তাদের এবং ওই পথের বাইরে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

একদিন পর, তাইওয়ানের একটি বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে হামলার শিকার হয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ইরানের একটি ড্রোন ওই হামলা চালিয়েছে। অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতির পর এটি ছিল প্রথম এ ধরনের ঘটনা। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে, যার প্রভাব উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে পড়েছে। পরে উভয় পক্ষ নতুন করে হামলা বন্ধে সম্মত হয় এবং কাতারে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় দেশগুলোর বড় শক্তি হচ্ছে তাদের আর্থিক সক্ষমতা। যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনীতি ব্যাপক চাপে রয়েছে। তাই সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ধনী উপসাগরীয় দেশগুলোর বিনিয়োগ ইরানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বিনিময়ে তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করা, আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র সরবরাহ কমানো এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তার প্রতি হুমকি হ্রাসের মতো বিষয়ে ছাড় আদায়ের চেষ্টা করবে।

একসময় উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর ছিল। তবে এখন তারা বিকল্প অংশীদারও খুঁজছে। সম্প্রতি কুয়েত তুরস্কের সঙ্গে ড্রোন ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার জন্য একটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি করেছে। ঠিক একইভাবে, ইউক্রেন সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ড্রোন রপ্তানির জন্য চুক্তি করেছে।

এছাড়া, সৌদি আরব মিসর, পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে নতুন নিরাপত্তা সহযোগিতা কাঠামো নিয়েও আলোচনা করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় দেশগুলো এখনও যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রধান অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করছে। তবে তারা আর ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির ওপর পুরোপুরি নির্ভর করতে চাইছে না। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০১৮ সালে ইরান পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়ায় এবং সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়েছে। ফলস্বরূপ, তারা যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সহযোগিতা বজায় রাখার পাশাপাশি বিকল্প কৌশলও গ্রহণ করছে।

বিশ্লেষকদের ভাষায়, উপসাগরীয় দেশগুলোর নতুন নীতি হলো—যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকলে ভালো, কিন্তু না থাকলেও যেন নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। সেই লক্ষ্যে তারা 'প্ল্যান-বি' ও 'প্ল্যান-সি' বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং ইরানের সঙ্গে সরাসরি আঞ্চলিক সমঝোতার পথ অনুসন্ধান করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪২ কেজি গাঁজাসহ আশুলিয়ায় দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০১ পি.এম


৪২ কেজি গাঁজাসহ আশুলিয়ায় দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

ঢাকার আশুলিয়ায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-উত্তর)। এই অভিযান চলাকালীন সময়ে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়।

বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে আশুলিয়া থানার নিরিবিলি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত দুই ব্যক্তি হলেন কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার শিবপুর গ্রামের মো. মাসুম (২২) এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার উথুলি গ্রামের মো. সোয়েব শেখ (২০)।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা অবগত করেছেন তারা কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে পাইকারিভাবে গাঁজা সংগ্রহ করে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ব্যবহার করে চুয়াডাঙ্গা বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা একটি সংঘবদ্ধ মাদকচক্রের সক্রিয় সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আশুলিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাদকচক্রের অন্যান্য সদস্য এবং মাদকের উৎস শনাক্তে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ঢাকা জেলা পুলিশ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কান লায়ন্স ২০২৬-এ নতুন এআই সমাধান উন্মোচন করল টিকটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৩ পি.এম


কান লায়ন্স ২০২৬-এ নতুন এআই সমাধান উন্মোচন করল টিকটক

কান লায়ন্স ২০২৬ উৎসবে টিকটক নতুন এজেন্টিক এআই সমাধান ‘সিম্ফনি এজেন্ট’ উন্মোচন করেছে।

নতুন এই টুলের মাধ্যমে বিজ্ঞাপনদাতা, ক্রিয়েটর এবং ব্র্যান্ডরা আরও দ্রুত কনটেন্ট এবং বিজ্ঞাপন তৈরি করতে পারবেন।

টিকটক জানায়, সিম্ফনি এজেন্টে এআই লেবেল, অদৃশ্য ওয়াটারমার্ক এবং কনটেন্ট মডারেশন ফিল্টারসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গঠন করা হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় সিম্ফনি ক্রিয়েটিভ স্টুডিওর মাধ্যমে বিজ্ঞাপনদাতারা মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে আকর্ষণীয় টিকটক বিজ্ঞাপন তৈরি করতে সক্ষম হবেন।

টিকটকের গ্লোবাল বিজনেস সলিউশনসের জেনারেল ম্যানেজার সাদি কান্দিল বলেন, এজেন্টিক এআই ব্র্যান্ডগুলোর জন্য সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরি করা, দর্শকদের আগ্রহ বোঝা এবং ক্যাম্পেইনের ফলাফল মূল্যায়নকে আরও সহজভাবে সম্পন্ন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%