মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৩ পি.এম
সিলেটে রাহিমা তাসনিম নামের এক ভুক্তভোগী নারী যৌতুক, শারীরিক-মানসিক নির্যাতন এবং প্রতারণার বিরুদ্ধে সুবিচারের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (বিএমজেএ) সিলেট বিভাগীয় কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে স্বামী শাহ মোহাম্মদ শামস উদ্দিন শিপন ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে পরকীয়া, একাধিক বেআইনি বিবাহ, অব্যাহত শারীরিক নির্যাতন, অশালীন কুপ্রস্তাব এবং কোটি টাকার প্রতারণার বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে সিলেট নগরীর সুবিদবাজার বনকলাপাড়া (নুরানী ১১৪/৩) এলাকার বাসিন্দা মো. মিন্টু মিয়া ও নুরজাহান বেগমের কন্যা রাহিমা তাসনিম জানান, ২০১০ সালের ৩ মার্চ প্রেমের সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে শাহ মোহাম্মদ শামস উদ্দিন শিপনের সাথে বিবাহ সম্পন্ন হয়।
এক বছর পর পারিবারিকভাবে তাদের সম্পর্ক মেনে নেওয়া হয়। দীর্ঘ ১৬ বছরের সংসার জীবনে তাদের ৩টি সন্তান জন্ম নেয়, যার মধ্যে একজন মারা গেলেও বর্তমানে দুই সন্তান রয়েছে।
রাহিমা তাসনিম বলেন, বড় ছেলের জন্মের পর থেকেই স্বামীর আসল রূপ বেরিয়ে আসে। বিয়ের পর থেকেই তাকে বিভিন্ন সময় কয়েক লাখ টাকা ও বিয়ের সোনা-গয়না দেওয়া হয়, যা বিক্রি করে স্বামী নেশায় ও পরকীয়ায় উড়িয়ে দেন। এমনকি যৌথ ব্যবসা ‘সান টেলিকম টেকনো শোরুম’ (করিম উল্লাহ মার্কেট, ৩য় তলা)-এর নামে চাপ সৃষ্টি করে তার বোনের স্বামীর নিকট থেকে দুই দফায় ৯ লাখ টাকা ধার নেন তার স্বামী, যা আর ফেরত দেননি। অপরদিকে, স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া ২০১৭ সালে ইশিতা নওশিন নামের এক মেয়েকে ২য় বিয়ে করেন শিপন, যা ৩ মাস পর ডিভোর্সে গড়ায়।
পরবর্তীতে ২০২৩ সালে প্রতিবাদ করায় মারধর করে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে পাঠানো হয় তাকে। ২০২৫ সালে স্ত্রী ও সন্তানদের ভরণপোষণ না দিয়ে রাহিমাকে তালাকের ভয় দেখিয়ে গোপনে ৩য় বিয়ে করেন তিনি।
চলতি বছরের ১০ সেপ্টেম্বর রাহিমাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। গত ১৫ সেপ্টেম্বর অসুস্থতার অজুহাতে ভাসুর আনোয়ার হোসেন, মাছুম, সালেখ মিয়া ও আলেক মিলে শিপন কে হাসপাতালে ভর্তি করান এবং পরে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ১০ লাখ টাকা নতুন যৌতুক দাবি করেন। যৌতুক দিলে ৩য় স্ত্রীসহ সংসার করার শর্ত দেন তারা। গত ১ অক্টোবর লাক্কাতুড়া এলাকায় ছেলের সাইকেল নিয়ে ঘোরাঘুরির সময় শিপন রাহিমার মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে দেন, পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি।
রাহিমা তাসনিম আরও বলেন, তার ভাসুর আনোয়ার হোসেন (যিনি আড়ংয়ের এক কর্মীকে প্রতারণার মামলায় বাধ্য হয়ে ২য় বিয়ে করেন) এবং সালেখ মিয়া স্বামীর অবর্তমানে বারবার শারীরিক সম্পর্কের কু-প্রস্তাব দেন তাকে।
এছাড়া আনোয়ারের বন্ধু বেলাল আহমদ বাড়ির গেটের সামনে অশালীন ইঙ্গিত ও কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে সহযোগিতা করতো স্থানীয় প্রভাবশালী পরিচয়ে অপকর্ম চালানো চক্রটি। লন্ডন প্রবাসী ভাসুরদের বিচার দিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি বলে জানান তিনি।
তৎকালীন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাঈদ আব্দুল্লাহর কাছে বিচার চেয়েও কোনো নিরপেক্ষতা পাননি বলে অভিযোগ করে ভুক্তভোগী রাহিমা তাসনিম বলেন, "আজ আমি নিরুপায় হয়ে আপনাদের মাধ্যমে দেশের প্রশাসন, মানবাধিকার সংস্থা ও সচেতন সমাজের কাছে আমার জীবনের নিরাপত্তা ও সুবিচারের দাবি জানাচ্ছি।" তিনি স্বামীর অন্যায় ও ৩য় স্ত্রীর পথ ছেড়ে সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে প্রাপ্য মর্যাদায় সংসারে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান তাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরিয়া ও ইরাক বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত টম ব্যারেক নিশ্চিত করে বলতে পারেননি যে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করা একটি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল কি না। তবে তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন যে, এই সংঘাতের অনেক ‘অনিচ্ছাকৃত পরিণতি’ রয়েছে। অর্থাৎ, যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি মেনে নিয়েছেন।
মঙ্গলবার কাতারের রাজধানী দোখায় অনুষ্ঠিত কাতার গ্লোবাল সিকিউরিটি ফোরামে আল জাজিরার ডিপ্লোমেটিক এডিটর জেমস বে-এর সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
টম ব্যারেক সতর্ক করে বলেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিরতা কেবল ওই অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং তা দ্রুত আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে।
তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার অবসান ঘটিয়ে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পক্ষে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের গভীর পারস্পরিক ‘অবিশ্বাস’ এই শান্তির পথে প্রধান অন্তরায় হিসেবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও সিরিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত টম ব্যারেক।
টম ব্যারেক জানান, যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই তেহরানের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তি চায়। কিন্তু আলোচনা শুরুর পর থেকেই মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে আস্থার অভাব। তার মতে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করে না এবং যুক্তরাষ্ট্রও আইআরজিসিকে বিশ্বাস করতে প্রস্তুত নয়।
হরমুজ প্রণালীর সংকটের সমাধান প্রসঙ্গে মার্কিন দূত বলেন, হরমুজ প্রণালীতে একটি যুদ্ধবিরতি এই অঞ্চলভিত্তিক বৃহত্তর চুক্তির ভিত্তি হতে পারে। এই চুক্তির মধ্যে প্রণালীতে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ ইরানি জনগণের ওপর অর্থনৈতিক ও অন্যান্য দুর্ভোগের মাত্রা কমিয়ে আনার পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংকট নিরসনে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিই একমাত্র সমাধান।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মার্কিন দূতের এই বক্তব্য কূটনৈতিক সমাধানের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের মনোভাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে। তবে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার এই বিশ্বাসের ঘাটতি দূর করে আস্থার পরিবেশ তৈরি করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সূত্র: আল জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এবং সাধারণ মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছানোর জন্য প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।
তিনি উল্লেখ করেছেন, মাঠ প্রশাসন সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বাস্তবায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা এবং স্থানীয় পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যদি পারস্পরিক ভেদাভেদ ভুলে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন, তবে জনকল্যাণমূলক উদ্যোগগুলো আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হবে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে গ্রামীণ সড়কের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজে নিয়োজিত এলসিএস (LCS) শ্রমিকদের মধ্যে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য কিশোরগঞ্জ জেলার পরিচালন বাজেটের আওতায় গ্রামীণ সড়কের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ (Off Pavement) প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিকদের এ চেক বিতরণ করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষের কাছে সরকারের অর্জন পৌঁছাতে প্রশাসনের প্রতিটি পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার বিকল্প নেই।
তিনি যোগ করেন, দেশের ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি থেকে এগিয়ে নিতে বর্তমান সরকার জনকল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এসব পরিকল্পনার বাস্তব সুফল নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন। যদি সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনবান্ধব মনোভাব নিয়ে দায়িত্ব পালন করেন, তবে উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে।
কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাফফাত আরা সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), কিশোরগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে চেকপ্রাপ্ত এলসিএস শ্রমিকদের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে শ্রমিকদের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়।
এর আগে, প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১০টায় কুলিয়ারচরের ফরিদপুর বাংলাবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সকাল ১১টায় ছয়সূতী জনতা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের আরেকটি একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।
পরে কুলিয়ারচরের কালী নদীতে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতেও অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী। এরপর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এলসিএস শ্রমিকদের মধ্যে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, বিকেল ৪টায় সালুয়া এমাদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ডুমরাকান্দা ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে তাঁর। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময়ের কর্মসূচিও রয়েছে প্রতিমন্ত্রীর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ বক্তব্যকে ঈমানবিরোধী হিসেবে চিহ্নিত করে প্রতিবাদ জানিয়েছে। দলের নির্বাহী সভাপতি মাওলানা একে এম আশরাফুল হক মন্তব্য করেছেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা স্বাধীনভাবে তাদের ধর্মীয় আচার পালন করবেন এবং সরকার তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তবে, মুসলমানদের জন্য অন্য ধর্মের পূজা-পার্বণকে নিজেদের উৎসব হিসেবে দাবি করা বা এতে অংশগ্রহণ করা ইসলামে নিষিদ্ধ।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি এই কথা বলেন। মাওলানা আশরাফুল হক উল্লেখ করেছেন, দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব চলছে। সরকারকে তাদের ধর্মীয় উৎসব পালনে কোনো বিঘ্ন না ঘটানোর নিশ্চয়তা দিতে হবে। তবে, হিন্দুদের ধর্মীয় উৎসবে অংশগ্রহণ, তাদের উৎসবকে নিজেদের বলে দাবি করা কিংবা ‘সবার উৎসব’ বলা ইসলাম সমর্থন করে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সম্প্রতি দুর্গাপূজা উপলক্ষে ‘ধর্ম যার যার, উৎসব তার’ বক্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সাবেক মন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান নেজামে ইসলাম পার্টির এই নেতা। একই সঙ্গে তিনি এসব বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান।
মাওলানা আশরাফুল হক বলেন, অতীতে শেখ হাসিনা ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ স্লোগান দিয়েছিলেন, যা তাঁর মতে ঈমানবিরোধী। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম উপদেষ্টার টাকেশ্বরী মন্দিরে গিয়ে দেওয়া বক্তব্য এবং জামায়াত নেতাদের ‘পূজা-রোজা এক’ বলার বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন।
নতুন বাংলাদেশে বিএনপির নেতাদের কাছ থেকে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত নেতাদের মতো ইসলামবিরোধী বক্তব্য জাতি প্রত্যাশা করে না বলেও মন্তব্য করেন মাওলানা আশরাফুল হক।
সভায় দলের মহাসচিব মাওলানা মুমিনুল ইসলাম, সহসভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান, মাওলানা কবির আহমদ, মাওলানা আব্দুস সাত্তার ও আমিনুল ইসলাম, যুগ্ম মহাসচিব মুফতি কামরুল ইসলাম, সহকারী মহাসচিব মুফতি আলাউদ্দিন কাসেমী এবং সংগঠন সচিব মাওলানা আনোয়ার হোসেন আনসারীসহ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং যুদ্ধের নতুন আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে, যা কাতার কর্তৃক জানানো হয়েছে। দোহায় অনুষ্ঠিত গ্লোবাল সিকিউরিটি ফোরামে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি এই তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, "আলোচনার বিষয়টি চলমান রয়েছে এবং আমরা দুই পক্ষের তরফ থেকেই সম্পৃক্ততা দেখতে পাচ্ছি।"
এছাড়া, তিনি আরও বলেন যে, এই আলোচনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমে কোনো খবর না আসাটা প্রমাণ করে যে মধ্যস্থতাকারীরা তাদের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করছেন। গোপন আলোচনা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা তুলে ধরে তিনি জানান, সংবেদনশীল বিষয়গুলো প্রকাশ্যে না আসা বরং ইতিবাচক দিক।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের যে ঘনঘটা সৃষ্টি হয়েছে, তা প্রশমিত করতে কাতার পর্দার আড়ালে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ