ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

দিনাজপুরের কান্তজীউ মন্দির পরিদর্শন করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত


দিনাজপুরের কান্তজীউ মন্দির পরিদর্শন করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের পক্ষ থেকে দিনাজপুরের কান্তজীউ মন্দির পরিদর্শন করা হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে তিনি মন্দির প্রাঙ্গণে পৌঁছান। এ সময় সরকারি নিরাপত্তার জন্য পুলিশ বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে।

এ সময় রাষ্ট্রদূত মন্দিরের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন এবং এর ইতিহাস, নির্মাণশৈলী ও সংরক্ষণ কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন।

তিনি ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রশংসা করে মন্তব্য করেন, কান্তজীউ মন্দির শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের জন্য একটি মূল্যবান ঐতিহাসিক সম্পদ তৈরি করে।

আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নাসিরনগরে বিএনপির র‍্যালি, অংশগ্রহণের আহ্বান জামাল আহমদের

রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এ সময় দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা, কাহারোল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোকলেদা খাতুন মীম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইশতিয়াক আহমেদ, এএসপি মো. মনিরুজ্জামান, দিনাজপুর রাজদেবত্বর স্টেটের এজেন্ট রনজিৎ কুমার সিংহ, রাজদেবত্তর স্টেটের সদস্য ডা. ডি সি রায় উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। তারা রাষ্ট্রদূতকে মন্দিরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও পর্যটন সম্ভাবনা সম্পর্কে অবহিত করেন।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, চীনের রাষ্ট্রদূতের এই সফর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করবে এবং দেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুনভাবে পরিচিতি লাভ করবে।

উল্লেখযোগ্য যে, ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী কান্তজীউ মন্দির দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়। এর নান্দনিক টেরাকোটা অলংকরণ ও অনন্য স্থাপত্যশৈলী দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে দীর্ঘ সময় ধরে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু রূপে পরিচিত।

আরও পড়ুন: মধুপুরে টনসিল অপারেশনের পর রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি, আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানাল এনসিপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৮ পি.এম


প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানাল এনসিপি

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের সম্পর্কে তাদের অবস্থান জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক নিরাপত্তা খাতে কিছু ভালো দিক থাকলেও, সামগ্রিকভাবে এনসিপি এ বাজেটকে প্রতারণার শামিল হিসেবে মনে করছে।

শুক্রবার (১২ জুন) সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আতিক মুজাহিদ এ কথা জানান।

তিনি বাজেটকে প্রতারণামূলক দাবি করে বলেন, বাজেটে জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি বরং আমরা চরমভাবে হতাশ। তাই আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করছি। তিনি বলেন, যদিও বাজেটে কিছু ভালো দিক আছে, বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক নিরাপত্তায় কিছু বিষয় আছে, প্রকৃতার্থে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি একটি প্রতারণার বাজেট।

ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, বাজেটের আকার কাল্পনিক ও ইউটোপিয়ান হয়ে পড়েছে। এটি ইশতেহারভিত্তিক বাজেট। তিনি উল্লেখ করেন, "একটা কথা আছে, যত বড় বাজেট, তত বড় নেতাকর্মীদের পকেট ভারী।" সেটি করা হয়েছে কী না, সেটিও এক প্রশ্ন।

এনসিপির এ নেতা বলেন, এত বড় বাজেটের টাকা কোথা থেকে আয় করবেন, তা তো পরিষ্কারভাবে বলতে হবে। তিনি বলেন, আপনি হয়ত এনবিআরকে একটি লক্ষ্যমাত্রা দিলেন যে, আমাদের এত টাকা দেবেন। কিন্তু এনবিআরকে যে সংস্কার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, সেটিতে বড় বাধা দেয়া হয়েছে। বিএনপি হিসাবে, বড় দল হিসেবে তারা কোনো কথা বলেননি। এর ফলে, এখনকার যে লক্ষ্যমাত্রা সেটি কোনোভাবেই আদায় করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, "শেষ বাজেটে ৩ লক্ষ্য ৩০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ হয়েছে। ফলে এখনো অর্ধেক বাজেট মিসিং রয়েছে।" এছাড়া, লক্ষ্যমাত্রা আহরণে যে সিস্টেমের কথা বলা হয়েছে, সেটি অনুযায়ী সর্বোচ্চ চার লাখ কোটি টাকা আয় করা সম্ভব। এর মানে এখানে আড়াই লক্ষ্য কোটি টাকা ঘাটতি রয়েছে। এর ফলে, কয়েকদিন পর সরকার টাকা না থাকায় বাজেট কাটছাঁট করবে বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, জয়নাল আবেদীন শিশিরসহ একাধিক নেতা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের ৩০ বছরের সাজা ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ পি.এম


সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের ৩০ বছরের সাজা ঘোষণা

পিয়ংইয়ংয়ে সামরিক ড্রোন পাঠিয়ে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করার অভিযোগে এবং সেই অজুহাতে দেশে সামরিক শাসন (মার্শাল ল) জারির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়লকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিতে সিউলের একটি আদালত আজ রায় দিয়েছে। এই রায়টি আজ শুক্রবার সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ঘোষণা করেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রায়ে আদালত সাবেক রক্ষণশীল এই নেতাকে ক্ষমতা অপব্যবহার এবং ‘শত্রুকে সহায়তা’ করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের ব্যর্থ সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে ২০২৪ সালের অক্টোবরে উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে ড্রোন পাঠিয়েছিল সিউল। রায়ে বলা হয়েছে, এই পুরো পরিকল্পনার পেছনে ইউন সুক ইয়ল শুরু থেকেই সরাসরি জড়িত ছিলেন। বিশেষ প্রসিকিউটর টিম গত এপ্রিল মাসেই ইউনের বিরুদ্ধে ৩০ বছরের এই কারাদণ্ডের আবেদন করেছিলেন।

তবে ইউন সুক ইয়ল এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন শুরু থেকে। তার আইনজীবীদের দাবি, সাবেক প্রেসিডেন্ট এই ড্রোন অভিযানের কোনো নির্দেশ বা পরবর্তীতে অনুমোদন দেননি। তারা যুক্তি দেখিয়েছেন, এই ড্রোন পাঠানোর ঘটনাটির সঙ্গে সামরিক শাসন জারির কোনো সম্পর্ক নেই; বরং মাসের পর মাস ধরে উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় ময়লা-আবর্জনাভর্তি বেলুন পাঠানোর প্রতিক্রিয়া হিসেবে এটি করা হয়েছিল।

সাবেক শীর্ষ কৌঁসুলি থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়া ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে এর আগেও গুরুতর রায় এসেছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের সেই আকস্মিক সামরিক শাসন জারির ঘটনাটি এশিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিকে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটে ফেলেছিল। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে এই সামরিক শাসন জারির চেষ্টার মাধ্যমে রাষ্ট্রদ্রোহ ও বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে একই আদালত ইউনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল।

এছাড়াও, সাংবিধানিক আদালত অভিশংসন বহাল রাখার পর গত বছরই ইউন ক্ষমতা থেকে অপসারিত হন। পরবর্তীতে দ্রুত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে উদারপন্থী নেতা লি জে মিয়ুং প্রেসিডেন্ট হিসেবে জয়লাভ করেন। বর্তমানে কারাবন্দি থাকা ইউন সুক ইয়ল নিম্ন আদালতের এই ৩০ বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন।

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিরাজকে অন্তর্ভুক্ত করে শেষ ওয়ানডের দল প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ পি.এম


মিরাজকে অন্তর্ভুক্ত করে শেষ ওয়ানডের দল প্রকাশ

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ছক্কা মেরে বাংলাদেশের সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তারপরই তাকে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল। তবে আজ শুক্রবার মাথায় আঘাত পাওয়া মিরাজ হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন। তাকে নিয়েই বিসিবি শেষ ওয়ানডের দলের ঘোষণা দিয়েছে।

জাতীয় দলের ম্যানেজার নাফিস ইকবাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘মিরাজ বাসায় ফিরেছে। ১২ ঘণ্টার মতো পর্যবেক্ষণে ছিল। তার মাথায় একটা বাউন্সারে আঘাত লেগেছিল, এবং পরে সে একটু বমি করেছিল। এটি কিছুটা চিন্তার ছিল। তবে, সে খেলতে থাকে। খেলার পর দ্রুতই বিসিবির ডাক্তার এবং ফিজিওরা সিদ্ধান্ত নেন, তাকে এভারকেয়ারে পাঠানো হবে।’

দুই ম্যাচ জিতে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই ২-০ তে ঐতিহাসিক সিরিজ নিশ্চিত করেছে। তাদের শেষ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য রয়েছে।

তৃতীয় ওয়ানডের জন্য বাংলাদেশ দল হলো- মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, লিটন দাস, মোসাদ্দেক হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তানভির ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম এবং নাহিদ রানা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আড়াই বছরে ৭৫ দুর্ঘটনায় পদ্মা-মধুমতি সড়কে ঝরেছে ৪৫ প্রাণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ পি.এম


আড়াই বছরে ৭৫ দুর্ঘটনায় পদ্মা-মধুমতি সড়কে ঝরেছে ৪৫ প্রাণ

স্বপ্নের পদ্মা ও মধুমতি সেতু চালুর পর রাজধানী ঢাকা এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক অবিস্মরণীয় বিপ্লব ঘটেছে। যোগাযোগের ক্ষেত্রে পথের দূরত্ব কমিয়ে এনে মূল্যবান সময়ের সাশ্রয় হয়েছে। তবে দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দুই মেগা প্রকল্পের পূর্ণ সুফল এখন নড়াইলবাসীর জন্য বিষাদে পরিণত হয়েছে।

ঢাকা-বেনাপোল জাতীয় মহাসড়কের ভাটিয়াপাড়া-বেনাপোল অংশটি প্রশস্ত না করায় বর্তমানে এই রুটটি এক ‘মৃত্যুকূপে’ পরিণত হয়েছে। নড়াইলবাসীর দীর্ঘদিনের আশা ছিল এই মহাসড়কটি আধুনিক ও নিরাপদ হবে, কিন্তু গত আড়াই বছরে এখানেই ৪৫ জন মানুষের অকালে প্রাণহানি ঘটেছে।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের এবং স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, মধুমতি সেতু উদ্বোধনের পর ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত নড়াইল-বেনাপোল মহাসড়কে অন্তত ৭৫টি ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় দুর্ঘটনাস্থল অথবা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৪৫ জন। আর গুরুতর আহত হয়ে প্রায় ১৫০ জন মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঢাকা থেকে ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে পার হওয়ার পর মধুমতি সেতু হয়ে নড়াইল-বেনাপোল সড়কের প্রায় ৭০ কিলোমিটার অংশ অত্যন্ত সরু। বর্তমানে সড়কটি মাত্র ২৪ ফুট প্রশস্ত রয়েছে। পদ্মা ও মধুমতি সেতু চালুর পর এই সড়ক দিয়ে ঢাকা, যশোর, বেনাপোল, কলকাতা, সাতক্ষীরা, খুলনা, মাগুরা ও কুষ্টিয়াগামী যাত্রীবাহী দূরপাল্লার বাস এবং ভারী পণ্যবাহী ট্রাকের চাপ কয়েকগুণ বেড়েছে। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা এই সড়কে চলছে তীব্র যানজট এবং গাড়িগুলোর বিপজ্জনক ওভারটেকিংয়ের প্রতিযোগিতা। ক্রসিং বা ওভারটেকিংয়ের সময় পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে চাকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যানবাহনগুলো খাদে কিংবা বিপরীতমুখী অন্য গাড়ির ওপর আছড়ে পড়ছে। ফলে প্রতিদিনই অকালে ঝরছে প্রাণ, পঙ্গু হচ্ছেন মানুষ।

২০২২ সালের ১০ অক্টোবর কালনা এলাকায় প্রথম ছয় লেনের 'মধুমতি সেতু' উদ্বোধন করা হয়। সেতুর সংযোগ সড়কগুলো আধুনিক এবং প্রশস্ত হলেও মূল সড়কটি আগের মতোই অবহেলিত রয়ে গেছে।

নড়াইল জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলী হাসান তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পদ্মা ও মধুমতি সেতুর কারণে আমাদের যাতায়াত সহজ ও স্বস্তিদায়ক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাস্তা প্রশস্ত না করায় সেই সুবর্ণ সুযোগ এখন আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। প্রতিনিয়ত সাধারণ পথচারী, যাত্রী এবং আমাদের পরিবহন শ্রমিকরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। নড়াইলবাসীর এই দুর্ভোগের শেষ কোথায়? আমরা অবিলম্বে এই রাস্তা ৪ লেনে উন্নীত করার দাবি জানাচ্ছি।

নড়াইল সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম সমস্যার সত্যতা স্বীকার করে জানান, নড়াইল জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক হচ্ছে ভাটিয়াপাড়া-বেনাপোল সড়কটি। হঠাৎ যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঘটনা বাড়ছে।

তিনি আরও বলেন, আপাতত সাময়িক সুরক্ষার জন্য আমাদের সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যাপ্ত সাইন-সিগন্যাল এবং সতর্কতা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে নড়াইলবাসীর জন্য আশার কথা হলো, মহাসড়কটি স্থায়ীভাবে প্রশস্ত করার পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে এবং চলতি ২০২৬ সালের শেষদিকে এর বাস্তব কাজ শুরু করতে পারব বলে আশা করছি।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবেশদ্বার বেনাপোল স্থলবন্দরের সাথে রাজধানীর সরাসরি ও দ্রুত যোগাযোগের স্বার্থে এবং নড়াইলের সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই ৭০ কিলোমিটার সড়ক দ্রুত চার লেনে উন্নীত করা এখন সময়ের দাবি। নড়াইলবাসীর আশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আর কোনো কালক্ষেপণ না করে দ্রুত এই সড়কটি প্রশস্ত করে মেগা প্রকল্পগুলোর পূর্ণাঙ্গ সুফল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%