বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:২১ এম
হুলিয়ান আলভারেজকে কেন্দ্র করে গ্রীষ্মকালীন দলবদলের মেগা ড্রামা যেন শেষ হওয়ার লক্ষণ দেখাচ্ছে না। বার্সেলোনা আবারও মাঠে নেমেছে, ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হওয়ার আগে।
ক্লাবের সভাপতি হোয়ান লাপোর্তা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের জন্য তারা যে ১০০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব দিয়েছে, সেটি এখনো কার্যকর রয়েছে। বর্তমান স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নরা আশা করছে, চলতি উইন্ডোতেই চুক্তিটি সম্পন্ন হবে।
হুলিয়ান আলভারেজকে কেন্দ্র করে গ্রীষ্মকালীন দলবদলের মেগা ড্রামা যেন শেষ হয়েও হচ্ছে না। আগামী সপ্তাহে ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হওয়ার আগে আবারও মাঠে নেমেছে বার্সেলোনা।
ক্লাব সভাপতি হোয়ান লাপোর্তা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের জন্য তাদের দেওয়া ১০০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি অঙ্কের প্রস্তাবটি এখনো বহাল রয়েছে। চলতি উইন্ডোতেই চুক্তিটি সম্পন্ন করতে আশাবাদী বর্তমান স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নরা।
এর আগে রবার্ট লেভানডফস্কির যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে আলভারেজকে প্রধান লক্ষ্য বানিয়ে ১০০ মিলিয়ন ইউরোর ওপর আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছিল বার্সা, যা ফিরিয়ে দেয় অ্যাতলেতিকো। তবে লাপোর্তা আত্মবিশ্বাসী যে খেলোয়াড় নিজেই ক্যাম্প ন্যু-তে আসতে মুখিয়ে আছেন।
বুধবার ক্লাব চ্যানেলে ল্যাপোর্তা বলেন, ‘জনশ্রুতি ও চারপাশের পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, আলভারেজ নিজেও বার্সায় যোগ দিতে চান। অ্যাতলেতিকোর প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখেই আমরা আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে সই করানোর আশা ধরে রেখেছি।’
লাপোর্তা আরো বলেন, ‘আমরা অ্যাতলেতিকোর সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে চাই। তাই আমাদের দেওয়া প্রস্তাবটি টেবিলেই রয়েছে।
আশা করি দুই ক্লাবের মধ্যে একটি ভালো বোঝাপড়া তৈরি হবে। আমি আবারও বলছি, আমরা অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ ও তাদের পরিচালকদের সর্বোচ্চ সম্মান জানিয়েই এই পদক্ষেপ নিচ্ছি।’
চলতি গ্রীষ্মে আলভারেজকে ঘিরে নাটকীয়তার কমতি ছিল না। প্যারিস সেন জার্মেই ও রিয়াল মাদ্রিদের মতো ক্লাবগুলো ২৬ বছর বয়সী এই তারকার ওপর চোখ রেখেছিল। রিয়াল নাকি তার জন্য ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব দিয়েও ব্যর্থ হয়েছে।
এমনকি অন্যায্যভাবে খেলোয়াড়ের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ করার অভিযোগ এনে বার্সার বিরুদ্ধে ফিফা ও স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনে নালিশও জানিয়েছিল অ্যাতলেতিকো!
তবে এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে ল্যাপোর্তা পুরো প্রক্রিয়ার বর্ণনা দেন, ‘কোচ হান্সি ফ্লিক আলভারেজকে খুব করে চাইছেন। আমি নিজে অ্যাতলেতিকোর সিইও মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল গিল মারিনকে ফোন করে বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিয়েছিলাম। তিনি আমাকে জানান, বিকল্প কোনো ফরোয়ার্ড না পাওয়ায় তারা আলভারেজকে ছাড়বে না। পরে যখন শুনলাম অ্যাতলেতিকো অন্য ক্লাবের (চেলসি বা আর্সেনাল) সঙ্গে আলোচনায় বসছে, তখন আমরাও নিজেদের প্রস্তাব পুনর্ব্যক্ত করেছি। আমরা চাই আলভারেজ অন্য কোথাও নয়, বার্সাতেই আসুক।’
গত জুনেই ইএসপিএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আলভারেজ নিজেই স্বীকার করেছিলেন, দলবদলই সব পক্ষের জন্য সেরা সমাধান হবে এবং তিনি নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে চান।
তবে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে অ্যাতলেতিকোর সমর্থকদের রোষানলে পড়েছেন এই আর্জেন্টাইন। গত রবিবার ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র হওয়ার ম্যাচে মেট্রোপলিটানো স্টেডিয়ামে আলভারেজ মাঠে নামতেই গ্যালারি থেকে ভেসে আসে দুয়োধ্বনি। ম্যাচ শেষে সতীর্থরা সমর্থকদের অভিবাদন জানাতে গেলেও কোচ দিয়েগো সিমিওনের পরামর্শে তিনি একাই সোজা ড্রেসিংরুমের টানেলে হেঁটে যান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ১৬২ জনে পৌঁছেছে। এদিকে, নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৪০৩ জন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজ ৩৪১ জন বিদেশি নাগরিকের মধ্যে অধিকাংশই ভারতীয়।
অন্যদিকে, চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি আজ বৃহস্পতিবার সকালে জানিয়েছে, তিব্বতের গিয়িরং কাউন্টিতে কাদাধসের ঘটনায় নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা বেড়ে ৫৫৮ জনে দাঁড়িয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটির তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজের মধ্যে ২৬০ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছে। মৃতের সংখ্যা তিনজন বলে জানানো হয়েছে।
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যাকবলিত এলাকায় এত সংখ্যক পর্যটক কেন ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বন্যাকবলিত এলাকা দুটি পবিত্র উচ্চভূমির হ্রদের জন্য হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
একটি হ্রদ হলো তিব্বতের কৈলাস পর্বতের কাছে মানস সরোবর, অন্যটি নেপালের রাসুয়া জেলার গোসাইকুণ্ড হ্রদ। প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক নেপাল হয়ে মানস সরোবরে ভ্রমণ করেন।
বছরের এই সময়, বিশেষ করে ভারতীয় পর্যটকদের জন্য, মানস সরোবর ভ্রমণ এবং গোসাইকুণ্ডে পবিত্র স্নান করতে আসা একটি প্রচলিত বিষয়।
আলপাইন কৈলাস ট্রেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ পাণ্ডিত বলেন, "এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি রুট। পূর্ণিমার সময়টি শুভ বলে বিবেচিত হওয়ায় পর্যটকেরা সাধারণত এই সময়েই এখানে আসেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির সদর উপজেলার বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নে নিখোঁজের চার দিন পর ফায়ার সার্ভিস বাসনা চাকমা (৩২) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ডানে ত্রিপুরাছড়া গ্রামের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত বাসনা চাকমা একই এলাকার অলং পূণ্য চাকমার স্ত্রী ছিলেন।
জানা গেছে, শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে ডানে ত্রিপুরাছড়া এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ভারী বৃষ্টিপাত হয়। এ সময় পাহাড়ি ছড়া ও ঝিরিতে হঠাৎ পানির প্রবাহ বেড়ে গেলে জুম থেকে ছড়া ধরে বাড়ি ফেরার পথে বাসনা চাকমা ও তার তিন বছর বয়সী ছেলে স্রোতের পানিতে ভেসে যান। পরের দিন স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন। তবে বাসনা চাকমার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এরপর স্থানীয়রা আশপাশের ছড়া, ঝিরি ও পাহাড়ি এলাকায় কয়েকদিন ধরে খোঁজাখুঁজি করেন।
একপর্যায়ে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে একটি গভীর পাহাড়ি খাদে গাছের সঙ্গে আটকে থাকা মরদেহটি দেখতে পান স্থানীয়রা। প্রায় ২০০ ফুট গভীর দুর্গম খাদ হওয়ায় স্থানীয়দের পক্ষে মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে বুধবার (২৬ আগস্ট) রাঙামাটি ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি উদ্ধারকারী দল গভীর পাহাড়ি খাদ থেকে বাসনা চাকমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এ এম নাসির উদ্দিনের সৌজন্য সাক্ষাৎ আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় বঙ্গভবনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, সাক্ষাতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করার উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশন আলোচনা করতে পারে। পাশাপাশি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে, সাক্ষাতে আলোচনা হবে এমন বিষয়বস্তু সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরার পথে বিমানে অসুস্থ হয়ে মারা যান চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ছানোয়ারা বেগম (৫৫)। বিমানটির জরুরি অবতরণের পর ওমানের মাসকটে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে দেশটির আইনি প্রক্রিয়ার কারণে মায়ের মরদেহ সঙ্গে নিতে না পেরে তার ছেলে এরশাদ একাই দেশে ফিরেছেন।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ২টা ৪৬ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১৩৬ ফ্লাইটটি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর আগে, মঙ্গলবার রাতে জেদ্দা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ওই ফ্লাইটে অসুস্থ হয়ে পড়েন ছানোয়ারা বেগম। পরবর্তীতে জরুরি অবতরণের জন্য ফ্লাইটটি ওমানের মাসকটে ডাইভার্ট করা হয়।
মাসকট বিমানবন্দরে অবতরণের পর চিকিৎসকরা ছানোয়ারা বেগমকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ বিমান থেকে নামাতে রয়্যাল ওমান পুলিশের অনুমতির প্রয়োজন হওয়ায় কিছু সময় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়। পরে অনুমতি পাওয়ার পর মরদেহ নামিয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে ফ্লাইটটি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
ছানোয়ারা বেগম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের পূর্ব বিল্লিয়ার পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। গত ২৫ জুলাই ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যান তিনি। সেখানে অবস্থানকালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার আগে থেকেই তিনি ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান জানান, সৌদি আরবে যাওয়ার পর ছানোয়ারা বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে সেখানে তার চিকিৎসাও করা হয়। তবে আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে ছেলে এরশাদকে মায়ের মরদেহ ওমানে রেখেই দেশে ফিরতে হয়েছে।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল জানিয়েছেন, বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে ছানোয়ারা বেগমের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ