০৯:৫৭ এম
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন পরিকল্পনা করছে, প্রায় ২ লাখ বিদেশির ভিসা বাতিল করার জন্য, যারা বাণিজ্য ও পর্যটন ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে এসে পরে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। জানা গেছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। খবর
যদি এই পরিকল্পনাটি কার্যকর হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একসঙ্গে এত বিপুলসংখ্যক ভিসা বাতিলের ঘটনা নজিরবিহীন হতে পারে। তবে, ট্রাম্প প্রশাসনকে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি এক্সক্লুসিভ নথি হাতে পেয়েছে। এছাড়া, বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের দুজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছে সংবাদমাধ্যমটি।
নথি ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বি-১ ও বি-২ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে এসে আশ্রয়ের আবেদন করা বিদেশিদের মধ্যে প্রায় ২ লাখ ব্যক্তির ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগোটের সঙ্গে যোগাযোগ করে এপি। তিনি পরিকল্পনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "অনেক বিদেশি স্বল্পমেয়াদি সফরের জন্য অ-অভিবাসী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর আশ্রয়ের আবেদন করেন এবং পরে দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের চেষ্টা করেন।" তিনি জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে এসব আবেদনকারীকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে, কতজনের ভিসা বাতিল করা হবে সে সংখ্যা পিগোট নিশ্চিত করেননি। এ-সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "প্রক্রিয়াটি এখনো চলমান। ফলে শেষ পর্যন্ত কতজনের ভিসা বাতিল হতে পারে, তা এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।"
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসায়িক কাজে যাওয়ার জন্য বি-১ ভিসা এবং পর্যটন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ কিংবা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বি-২ ভিসা প্রদান করা হয়। তবে, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত এই দুই ধরনের ভিসায় কত বিদেশি যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন এবং তাদের মধ্যে কতজন পরে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, সে বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন