ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টেসলার রোডস্টার উড়ন্ত গাড়ির ধারণায় নতুন মাত্রা যোগ করল


টেসলার রোডস্টার উড়ন্ত গাড়ির ধারণায় নতুন মাত্রা যোগ করল

উড়ন্ত গাড়ির ধারণাকে নতুনভাবে আলোচনায় এনেছে টেসলার পরবর্তী প্রজন্মের রোডস্টার স্পোর্টস কার। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে অনুষ্ঠিত এক প্রদর্শনীতে গাড়িটিকে বিশেষভাবে তৈরি র‍্যাম্পের মাধ্যমে অল্প সময়ের জন্য বাতাসে ভেসে আবার মাটিতে অবতরণ করতে দেখা গেছে। এই কৌশলটি স্পেসএক্সের তৈরি কোল্ড-গ্যাস থ্রাস্টার ব্যবহার করে দেখানো হয়। তবে প্রদর্শনীটি গাড়িটির দীর্ঘ সময় আকাশে থাকার বা উড়ন্ত অবস্থায় দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করার সক্ষমতা প্রমাণ করেনি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ম্যাকগ্রেগরে স্পেসএক্সের পরীক্ষাকেন্দ্রে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনীতে রোডস্টারকে একটি বিশেষ বাঁকানো র‍্যাম্প বেয়ে ওপরে উঠতে এবং প্রায় উল্টো অবস্থায় চলতে দেখা যায়। এরপর গাড়িটি থ্রাস্টারের সাহায্যে র‍্যাম্প থেকে নেমে বাতাসে কৌশল দেখিয়ে মাটিতে অবতরণ করে। প্রদর্শনীতে অন্যান্য কয়েকটি টেসলা গাড়ির ওপর দিয়েও লাফিয়ে যেতে দেখা যায় রোডস্টারটিকে। উল্লেখযোগ্যভাবে, গাড়িটি চালক ছাড়াই এই প্রদর্শনীতে অংশ নেয়।

গাড়িটি ঠিক কত উঁচুতে উঠেছিল, অনুভূমিকভাবে কত দূরত্ব অতিক্রম করেছে কিংবা কতক্ষণ বাতাসে ছিল, সে বিষয়ে টেসলা সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি। তবে প্রদর্শনীসংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনে প্রায় ২১ মিটার উচ্চতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই পরিমাপ র‍্যাম্পে থাকা অবস্থায় গাড়িটির অবস্থান নির্দেশ করে; এটিকে মাটি থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় গাড়িটির নিশ্চিত উড্ডয়ন-উচ্চতা হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।

আরও পড়ুন: লিবিয়া ও তুরস্কের মধ্যে নতুন সামুদ্রিক চুক্তি অনুমোদন

প্রদর্শনীতে দেখা কৌশল থেকে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি, রোডস্টারটি বড় বাধা অতিক্রম করতে পারবে কি না, দীর্ঘ সময় বাতাসে থাকতে পারবে কি না কিংবা মাটিতে না নেমে উল্লেখযোগ্য দূরত্ব পাড়ি দিতে সক্ষম কি না। তাই এটিকে আপাতত নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে দেখানো একটি সংক্ষিপ্ত উড্ডয়ন-কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

রোডস্টারের প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় স্পেসএক্সের তৈরি কোল্ড-গ্যাস থ্রাস্টার ব্যবহার করা হয়েছে। প্রচলিত রকেট ইঞ্জিনের মতো এতে জ্বালানি পুড়িয়ে শক্তি উৎপন্ন করা হয় না। বরং উচ্চচাপে সংরক্ষিত গ্যাস নির্গত করে ধাক্কা বা বল সৃষ্টি করা হয়। গাড়িটিকে বাতাসে তোলা এবং এর চলাচলের দিক নিয়ন্ত্রণে এই প্রযুক্তি ভূমিকা রাখে। প্রদর্শনীতে গাড়িটির র‍্যাম্প বেয়ে ওঠার জন্য বিশেষ ফ্যানভিত্তিক সাকশন ব্যবস্থাও ব্যবহার করা হয়।

গাড়িটির উড্ডয়নব্যবস্থা ব্যবহারের জন্য বিশেষ লাইসেন্স, প্রশিক্ষণ কিংবা বিমা লাগবে কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত নিয়ম ঘোষণা করা হয়নি। বিষয়টি গাড়িটির চূড়ান্ত নকশা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এর উড্ডয়ন সক্ষমতাকে কীভাবে শ্রেণিবদ্ধ করবে, তার ওপর নির্ভর করবে। সাধারণ সড়কে চলাচলের অনুমোদন পেলেও উড্ডয়নব্যবস্থা ব্যবহার করতে গেলে সংশ্লিষ্ট দেশের বিমান চলাচলবিষয়ক বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হতে পারে।

বিমার ক্ষেত্রেও জটিলতা দেখা দিতে পারে। সাধারণ মোটরযান বিমা আকাশে লাফ দেওয়ার সময় দুর্ঘটনা বা ক্ষয়ক্ষতি হলে তা কভার করবে কি না, সেটি নিশ্চিত নয়। এ ধরনের ঝুঁকির জন্য বিমা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আলাদা শর্ত ও সুরক্ষা নির্ধারণ করতে হতে পারে।

আরও পড়ুন: কাতার জানাল, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা চলছে

নতুন রোডস্টারের চূড়ান্ত বিক্রয়মূল্য এখনো নিশ্চিত করেনি টেসলা। ২০১৭ সালে দ্বিতীয় প্রজন্মের গাড়িটি প্রথম ঘোষণার সময় এর প্রারম্ভিক দাম ২ লাখ ডলার বলা হয়েছিল। তবে সেই মূল্যকে নতুন নকশার মডেলটির নিশ্চিত বিক্রয়মূল্য হিসেবে ধরা যাবে না। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোতে বিভিন্ন সংস্করণের বুকিংয়ের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ জমা দেওয়ার তথ্য এসেছে। কিন্তু চূড়ান্ত মূল্য, সংস্করণভেদে সুবিধা এবং সরবরাহের বিস্তারিত এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।

টেসলা জানিয়েছে, গাড়িটির উৎপাদন ২০২৮ সালে শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে উৎপাদনের সম্ভাব্য সময়সীমা ঘোষণার অর্থ এই নয় যে ওই সময়েই গাড়িটির সরবরাহ নিশ্চিতভাবে শুরু হবে। নতুন মডেলটি বাজারে আসার আগে এর নকশা, কার্যক্ষমতা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে আরও পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে।

প্রদর্শনীটি উড়ন্ত গাড়ির ধারণাকে আলোচনায় আনলেও দৈনন্দিন যাতায়াতের বিকল্প হিসেবে এমন গাড়ি ব্যবহারের আগে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। নিয়মিত উড্ডয়ন ও অবতরণের নিরাপত্তা, কার্যক্ষমতা, পরিচালন ব্যয় এবং সড়ক ও বিমান চলাচলবিষয়ক অনুমোদন নিশ্চিত করতে হবে। ফলে রোডস্টারের এই প্রদর্শনীকে আপাতত ভবিষ্যৎ পরিবহন প্রযুক্তির একটি পরীক্ষামূলক প্রদর্শন হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, রয়টার্স

আরও পড়ুন: মার্কিন দূত ইরানে যুদ্ধের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্যর্থতা' স্বীকার করেছেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬৪ কোটি টাকার গড়াই সেতুর নির্মাণকাজ ৬ বছরেও শেষ হয়নি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৫ পি.এম


৬৪ কোটি টাকার গড়াই সেতুর নির্মাণকাজ ৬ বছরেও শেষ হয়নি

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার নাদুরিয়া ঘাটে গড়াই নদীর ওপর ৬৩ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন সেতুর কাজ ছয় বছরেরও বেশি সময় ধরে সম্পন্ন হয়নি। তিন দফা সময় বাড়ানোর পরও ৬৫০ মিটার দীর্ঘ সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দা, শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়ীদের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

সেতুটি চালু হলে রাজবাড়ী, মাগুরা ও ঝিনাইদহ জেলার মধ্যে যোগাযোগ সহজ হবে। স্থানীয় জনগণের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে দুর্ভোগ কমবে বলেই আশা করছেন এলাকাবাসী।

এছাড়া, মাগুরা ও ঝিনাইদহ জেলার সঙ্গে ঢাকার সড়ক পথে যোগাযোগের দূ mesা ৬০ কিলোমিটার কমে যাবে।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ৩ জুন সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের ৩ জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে তিন দফায় সময় বৃদ্ধি করা হয়। সর্বশেষ গত ১০ অক্টোবর সময়সীমা শেষ হলেও কাজের অগ্রগতি মাত্র ৬০ ভাগ। রাজবাড়ীর এলজিইডিতে এখনো অসমাপ্ত কাজের শেষ সময় সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই।

সম্প্রতি নির্মাণ এলাকা পরিদর্শন করে দেখা যায়, সেতুটির চারটি স্প্যান ও দুটি গার্ডার বসানো বাকি রয়েছে। রাজবাড়ী প্রান্তে মাত্র তিনজন শ্রমিক কাজ করছিলেন। শ্রমিকসংকটের কারণে কাজের গতি কমে গেছে বলে জানা গেছে।

নাদুরিয়া গ্রামের শিক্ষার্থী মো. আবদুল্লাহ প্রতিদিন নৌকায় গড়াই নদী পার হয়ে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার লাঙ্গলবাঁধ উচ্চবিদ্যালয়ে যেতে বাধ্য হন। তিনি বলেন, "সেতু নির্মাণের আশায় বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলাম। তখন ভেবেছিলাম, সেতু চালু হলে বাড়ি থেকে স্কুলে যেতে মাত্র ১০ মিনিট লাগবে। কিন্তু তার স্কুলজীবন প্রায় শেষ হলেও সেতুর কাজ শেষ হয়নি।"

লাঙ্গলবাঁধ উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. জাকিরুল ইসলাম জানান, রাজবাড়ী থেকে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী তার বিদ্যালয়ে পড়তে আসে। নদী পারাপারের সমস্যার কারণে তারা নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত হতে পারে না। সেতু চালু হলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

নির্মাণকাজে নিয়োজিত শ্রমিক পিকুল হোসেন জানান, নিয়মিত মজুরি না পাওয়ার কারণে ১৫ জন শ্রমিকের মধ্যে ১২ জন কাজ ছেড়ে চলে গেছেন। তিনি বলেন, "গত চার মাস ধরে তারাও মজুরি পাননি।"

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি আবদুল হামিদ বলেন, সেতুর কাজ শেষ করতে আরও এক বছর সময় লাগবে। সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করা হয়েছে।

রাজবাড়ী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহমুদ হাসান জানান, সংযোগ সড়কের জমি অধিগ্রহণ নিয়ে জটিলতার কারণে কাজের গতি কমেছে। জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন পাওয়া গেছে। ক্ষতিপূরণ পরিশোধের পর সংযোগ সড়কের কাজ শুরু করা যাবে। তারা দ্রুত সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করার আশা প্রকাশ করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসপাতাল থেকে ফিরেই অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা ডাকলেন চুয়েট উপাচার্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


হাসপাতাল থেকে ফিরেই অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা ডাকলেন চুয়েট উপাচার্য

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রায় এক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম সার্কিট হাউসে ফিরেছেন। ফিরে আসার পর তিনি অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেছেন।

চুয়েটের একাধিক সিন্ডিকেট সদস্যের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় অনলাইনে এই সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সদস্যরা সভায় অংশগ্রহণ করবেন কি না, জানতে চাইলে কেউই নিশ্চিত করে কিছু বলেননি।

চুয়েটের স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. রাশিদুল হাসান মন্তব্য করেন, "আমি ছুটিতে আছি। সভায় যোগ দিতে পারব কি না, তা নিশ্চিত নই।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী দেলোয়ার হোসাইন বলেন, "উনি মেসেজ পাঠিয়েছেন। মেসেজ পাঠিয়ে সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করা যায় কি না, কিংবা এটি নিয়মের মধ্যে পড়ে কি না, তা জানি না। নিয়ম অনুযায়ী, রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে চিঠি আসে।"

এদিকে, চুয়েটের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির দাবি করেছেন, তিনি আগেই রেজিস্ট্রারের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।

সিন্ডিকেট সভা আহ্বানের বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।

এর আগে, গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় টানা ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সহায়তায় মুক্ত হন উপাচার্য। পরে জরুরি চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় এক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি সার্কিট হাউসে ফিরে যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুক্তির আগেই ‘দেশু ৭’ সিনেমার অগ্রিম টিকিট বিক্রি ১ কোটি টাকা ছাড়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


মুক্তির আগেই ‘দেশু ৭’ সিনেমার অগ্রিম টিকিট বিক্রি ১ কোটি টাকা ছাড়াল

টালিউডের জনপ্রিয় জুটি দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলির নতুন সিনেমা ‘দেশু ৭’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ তীব্র হয়ে উঠেছে। সিনেমাটি মুক্তির আগেই অগ্রিম টিকিট বিক্রি থেকে এক কোটির বেশি টাকার আয় করেছে। ফলে বক্স অফিসে এটি ভালো সূচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

১৬ অক্টোবর শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি, যা অ্যাকশন ও রোমান্সধর্মী। ভারতীয় চলচ্চিত্রের বক্স অফিস সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশকারী প্রতিষ্ঠান স্যাকনিল্কের হিসাব অনুযায়ী, অগ্রিম টিকিট বিক্রির প্রথম দিনে ১৭ হাজার ২৩১টি টিকিট বিক্রি হয়েছে। দ্বিতীয় দিনে বিক্রি হয়েছে ১২ হাজার ১৯৬টি। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে যথাক্রমে ১১ হাজার ৪৭৬টি, ৭ হাজার ১৮২টি ও ৬ হাজার ৯১৬টি টিকিট বিক্রি হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাঁচ দিনে মোট ৫৫ হাজার ১টি অগ্রিম টিকিট বিক্রি হয়েছে। ১৬ হাজার ১৩টি প্রদর্শনী থেকে আয় হয়েছে ৯০ লাখ ৭৬ হাজার রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা। অগ্রিম টিকিট বিক্রির এই পরিসংখ্যান সিনেমাটির সম্ভাব্য বাণিজ্যিক সাফল্য নিয়ে আশাবাদী করেছে।

সিনেমাটি নিয়ে নিজের প্রত্যাশার কথা জানাতে গিয়ে দেব বলেছেন, ‘দেশু ৭’-এর নায়িকা হিসেবে শুভশ্রীই ছিলেন প্রথম পছন্দ। শুভশ্রীকে সঙ্গে পেলে সাফল্যের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

দেব ও শুভশ্রীকে দীর্ঘ বিরতির পর গত বছর ‘ধূমকেতু’ সিনেমায় আবার একসঙ্গে বড় পর্দায় দেখা যায়। দর্শকদের মধ্যে তাঁদের জুটির জনপ্রিয়তা নতুন সিনেমাটি নিয়ে আগ্রহ তৈরি করেছে। ‘দেশু ৭’-এ এই দুই তারকা ছাড়াও অভিনয় করেছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, প্রিয়াঙ্কা সরকার, রজতাভ দত্ত, কাঞ্চন মল্লিক ও অপরাজিতা আঢ্য। এখন অগ্রিম টিকিট বিক্রির এই সাড়া মুক্তির পর বক্স অফিসে কতটা প্রভাব ফেলে, সেটিই দেখার অপেক্ষা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইসিটি খাতে ফেলোশিপ পেলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইকবাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


আইসিটি খাতে ফেলোশিপ পেলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইকবাল

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে গবেষণার জন্য ফেলোশিপ অর্জন করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী ইকবাল হোসেন। তিনি ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং মাস্টার্স পর্যায়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শিক্ষার্থী হিসেবে এই ফেলোশিপ লাভ করেছেন।

আইসিটি খাতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাস্টার্স পর্যায়ে ‘A Generalizable Semi-Supervised Deep Learning Framework for Medical Image Segmentation Using Frequency Dynamic Convolution and Multi-Modal MRI’ শীর্ষক গবেষণার জন্য তাকে মনোনীত করা হয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে গবেষণার জন্য ফেলোশিপ (সংশোধিত) নীতিমালা-২০১৬ অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে গবেষণার জন্য ফেলোশিপ-বৃত্তি, উদ্ভাবনীমূলক কাজে উৎসাহ প্রদানে অনুদান এবং বিশেষ অনুদানের জন্য যোগ্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। এই প্রক্রিয়ায় ইকবাল তার প্রস্তাবিত গবেষণার বিষয়, উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করে বাছাই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন। পরে চূড়ান্ত মনোনয়নের জন্য প্রেসেন্টেশনে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে বাছাই কমিটির সুপারিশ ও অ্যাওয়ার্ড কমিটির সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে তাকে ফেলোশিপের জন্য মনোনীত করা হয়।

নীতিমালা অনুযায়ী, মাস্টার্স পর্যায়ের গবেষণার জন্য ইকবাল মাসিক ২৫ হাজার টাকা ভাতা পাবেন। এছাড়া গবেষণার আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ সর্বোচ্চ এককালীন ৩০ হাজার টাকা এবং তার থিসিস তত্ত্বাবধায়ক পৃথকভাবে এককালীন ৪০ হাজার টাকা সম্মানী পাবেন। ফেলোশিপের সর্বোচ্চ মেয়াদ এক বছর ছয় মাস এবং গবেষণার অগ্রগতি সন্তোষজনক হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এটি নবায়নের সুযোগ থাকবে।

এ বিষয়ে অনুভূতি প্রকাশ করে ইকবাল হোসেন বলেন, "মাস্টার্স পর্যায়েই এমন একটি গবেষণা ফেলোশিপের জন্য মনোনীত হওয়া আমার জন্য অনেক আনন্দের। এটি গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার আত্মবিশ্বাস ও উৎসাহ বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে দায়িত্বও বেড়েছে। যে গবেষণার পরিকল্পনা নিয়ে এ সুযোগ পেয়েছি, তা যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে চাই।"

তিনি আরও বলেন, "এ অর্জনে আমার শিক্ষকদের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি। সামনে আরও অনেক কিছু শেখার আছে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে মানসম্মত গবেষণা করতে চাই, যেন আমার কাজ ভবিষ্যতে মানুষের উপকারে আসে। গবেষণার ফলাফল মানসম্মত সম্মেলন বা জার্নালে প্রকাশের উপযোগী করে তোলাও আমার লক্ষ্য।"

ফেলোশিপের আওতায় গবেষণার অগ্রগতি নিয়মিতভাবে মূল্যায়ন করা হবে। এ জন্য প্রতি ছয় মাস অন্তর তত্ত্বাবধায়কের মাধ্যমে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। ফলে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী গবেষণার কাজ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন তিনি।

প্রসঙ্গত, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এ ফেলোশিপ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য হলো তথ্যপ্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় উৎসাহ প্রদান এবং দক্ষ গবেষক তৈরি করা। মাস্টার্স পর্যায়ে থিসিসভিত্তিক গবেষণায় যুক্ত শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচির আওতায় আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকেন শিক্ষার্থীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%