শাহিন আলম ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
০৩:১৫ পি.এম
কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদের বিরুদ্ধে ট্রেন থেকে উদ্ধার করা মাদক গোপনে বিক্রির অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক থামছে না। অভিযোগটি প্রকাশ্যে আসার পরও তিনি একই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা রেলওয়ে পুলিশ সুপার নিকুলিন চাকমা বলেন, “এই বিষয়ে এখনো তদন্ত চলমান। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে, স্থানীয় সমাজসেবক নুরুল কাদের সোহেল অভিযোগের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “রেলওয়ে ওসির বিরুদ্ধে মাদক বিক্রির অভিযোগে একাধিক সংবাদ প্রকাশের পরও তিনি অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে এখনো একই থানায় বহাল রয়েছেন বলে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আমরা চাই, একজন বিতর্কিত ওসি হিসেবে তদন্তের স্বার্থে তাকে প্রত্যাহার বা বদলি করা হোক। তদন্ত শেষে যদি তিনি অপরাধী প্রমাণিত হন, তাহলে আইন অনুযায়ী তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।”
স্থানীয় সচেতন মহলেরও দাবি, অভিযোগের বিষয়ে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক। একই সঙ্গে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখার বিষয়টিও বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, এর আগে ভৈরব রেলওয়ে থানার ওসি আবু সাঈদের বিরুদ্ধে ট্রেন থেকে উদ্ধার করা গাঁজার একটি অংশ থানার নথিভুক্ত না করে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে এটিকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন” বলে দাবি করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পেরুর নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরিকে নির্বাচনে বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
মার্কো রুবিও মঙ্গলবার এ বিজয়কে ‘গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী জয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তিনি এক বিবৃতিতে জানান, ‘ফুজিমোরি প্রশাসনের সঙ্গে কাজ গঠনমূলক করতে চাই, নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার এবং আমাদের অঞ্চলে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা শক্তিশালী করতে ট্রাম্প প্রশাসন অপেক্ষায় রয়েছে।’
এখন ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর প্রকাশ করছে।
৫১ বছর বয়সী ফুজিমোরি গত ৭ জুন অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে অল্প ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
তিনি ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি প্রদত্ত ভোটের মধ্যে বামপন্থী প্রার্থী রবার্তো সানচেজকে ৫০ হাজারেরও কম ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
ক্ষমতায় এসে তাকে এমন একটি দেশের নেতৃত্ব দিতে হবে, যেটি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শক্তিশালী সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সমস্যায় পড়ে আছে।
গত এক দশকে দেশটিতে আটজন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালন করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বর্তমানে পঞ্চম বছরে প্রবেশ করেছে এবং এই যুদ্ধ নতুন একটি মোড় নিয়েছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করতে ইউক্রেন ৪০ দিনের একটি বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে ইউক্রেন রাশিয়ার লক্ষ্যে একের পর এক ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও ক্রেমলিন কিছুটা চাপের মুখে পড়েছে, তথাপি পুতিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে অনড়। তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সাথে সরাসরি বসার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে নিজেদের শক্তি আরো সুসংহত করার অঙ্গীকার করেছেন এবং আক্রমণ চালিয়ে যাওয়ার উপর জোর দিয়েছেন। ইউক্রেনের ড্রোন হামলার জবাবে রাশিয়াও আকাশ এবং স্থলপথে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে।
রাশিয়া যুদ্ধের প্রথম দিকে বেছে বেছে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সাবস্টেশন এবং হিটিং প্ল্যান্টগুলোতে হামলা চালিয়ে ধ্বংস করার কৌশল নিয়েছিল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে করা এবং বেসামরিক নাগরিকদের মনোবল ভেঙে দেওয়া। এখন ইউক্রেন পাল্টা সেই কৌশল রাশিয়ার ওপর প্রয়োগ করছে। ইউক্রেন বর্তমানে রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে অবস্থিত তেল শোধনাগার, তেল টার্মিনাল, নৌযান, অস্ত্র কারখানা ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্রের মত কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে। নতুন কৌশলে তারা যথেষ্ট সফলও হয়েছে। যুদ্ধের উত্তাপ দ্বারপ্রান্তে এসে রাশিয়ার জনগণ এখন উদ্বিগ্ন ও শঙ্কিত। পঞ্চ বছরের যুদ্ধ রাশিয়ার অর্থনীতির ওপর প্রচলায় চাপ সৃষ্টি করেছে, যা এখন আরো প্রবল হয়েছে। ইউক্রেন চায়, রাশিয়ার যুদ্ধ অর্থনীতির ওপর চাপ আরও বাড়াতে, যেন রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধ করতে বাধ্য হয় অথবা যুদ্ধের জন্য আরো বেশি মূল্য দিতে হয়।
বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ জ্বালানি উৎপাদনকারী দেশ রাশিয়ায় এখন তেলের পাম্পে লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে, যা দেশটির ইতিহাসে নজিরবিহীন। মানুষকে তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে, যা তাদের বিরক্ত ও উদ্বিগ্ন করছে। ইউক্রেনের দখল করা ক্রিমিয়ায় জ্বালানি বিক্রি স্থগিত করা হয়েছে এবং সেখানে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
শুরুতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলাকে গুরুত্ব না দিলেও, এখন এমনকি পুতিন নিজেও জ্বালানি সঙ্কটের বিষয়ে স্বীকার করেছেন। জ্বালানি সঙ্কট মোকাবেলার জন্য একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। পুতিন প্রয়োজন হলে ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করার কথাও ভাবছেন। গত সপ্তাহে প্রধান কর্মকর্তাদের সাথে জরুরি বৈঠকে পুতিন স্বীকার করেন, জ্বালানি তেলের মজুদ অস্বস্তিকর মাত্রায় কমে এসেছে। তিনি বলেন, রাশিয়ার কৃষি খাত ঝুঁকির মুখে রয়েছে এবং ‘আমাদের বেসামরিক লক্ষ্যবস্তু ও অবকাঠামোয় সন্ত্রাসী হামলার প্রভাব সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে।’
যুদ্ধের শুরুতে ইউক্রেন রাশিয়ার ওপর এত চাপ সৃষ্টি করতে পারেনি, কারণ তাদের যুদ্ধ সক্ষমতা অনেকটাই পশ্চিমা সমর্থন নির্ভর ছিল। কিন্তু ইউক্রেন এখন ড্রোনের জন্য একটি বিশাল অভ্যন্তরীণ শিল্প গড়ে তুলেছে। তারা বর্তমানে বছরে ৬০ থেকে ৭০ লাখ ড্রোন উৎপাদন করছে। সীমান্ত এলাকায় স্থলযুদ্ধে পারা সম্ভব নয় বুঝতে পেরে, ইউক্রেন দূরপাল্লার ড্রোনের মাধ্যমে রাশিয়ার ভিতরে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে আক্রমণ করতে পারছে। সামরিক শক্তিতে পাল্লা দেওয়া সম্ভব নয় জেনে ইউক্রেন মনস্তাত্ত্বিক ও কৌশলগতভাবে যুদ্ধের ময়দানে এগিয়ে থাকতে চাইছে।
যুদ্ধে ইউক্রেনের এই আপাত সাফল্য জেলেনস্কিকে কিছুটা উন্নতি দিয়েছে। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি এক সময় জেলেনস্কির উপর বিরক্ত ছিলেন, তিনিও এখন তার সাহসের প্রশংসা করছেন। ন্যাটোও ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে আরো দৃঢ়ভাবে কথা বলছে। আত্মবিশ্বাসী জেলেনস্কি বলছেন, ‘সঠিক সমর্থন পেলে ইউক্রেন দ্রুত এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, যেখানে রাশিয়া শান্তি বেছে নিতে বাধ্য হবে।’
কিন্তু ইউক্রেনের ড্রোন কৌশলের কাছে পুতিন নতি স্বীকার করার সম্ভাবনা কম। পুতিনকে যারা চেনেন, তারা জানেন যে চাপ দিয়ে তাকে ভাঙা যাবে না। ইউক্রেনের পাল্টা হামলার মুখে রাশিয়ার অগ্রযাত্রা কিছুটা মন্থর হলেও থেমে নেই। রাশিয়া ইউক্রেনজুড়ে ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং গ্লাইড বোমা হামলা অব্যাহত রাখছে, যার ফলে প্রতিনিয়ত ইউক্রেনীয় বেসামরিক নাগরিকরা হতাহত হচ্ছেন।
সব মিলিয়ে যুদ্ধ নতুন গতি পেলেও তা বন্ধের মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। গত ২৫ বছর ধরে রাশিয়ার সর্বেসর্বা ভ্লাদিমির পুতিন। কেজিবি থেকে ক্রেমলিন- সর্বত্র তার একাধিপত্য রয়েছে। সামরিক বাহিনী এবং প্রশাসনকে এমনভাবে সাজিয়েছেন, যাতে ভেতর থেকে কোনো ঝুঁকি নেই বললেই চলে। পশ্চিমাদের বিভিন্ন অবরোধ থেকে রাশিয়ার অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য পুতিন চীন, ভারত, ইরানের সাথে মিলে বিকল্প রাস্তা বের করার চেষ্টা করছেন। তারচেয়ে বড় কথা, পুতিন জানেন, তার হাতে থাকা পারমাণবিক অস্ত্রই তার সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ। পশ্চিমারা দূর থেকে যতই জেলেনস্কিকে উসকানি দেয়, অস্ত্র দেয়; সরাসরি রাশিয়ায় হামলা চালিয়ে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাধানোর ঝুঁকি কেউ নিতে চাইবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলার চরফ্যাশনে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় এক মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১ জুলাই) সকালে উপজেলার চেয়ারম্যান বাজার-শশীভূষণ সড়কের জলিল মাঝির বাড়ির সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত লিয়া বেগম (১৫) হলেন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. সফিকুল ইসলামের মেয়ে এবং চেয়ারম্যান বাজার ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে মাদরাসায় পরীক্ষা দিতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে লিয়া যখন চেয়ারম্যান-শশীভূষণ সড়কের জলিল মাঝির বাড়ির সামনে পৌঁছান, তখন একটি দ্রুতগতির টমটম তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। দুর্ঘটনার পর টমটমটি ঘটনাস্থলে রেখে চালক পালিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা আহসান হাবীব টিটু জানিয়েছেন, লিয়া বেগমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। পরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ঘটনার বিচার এবং দায়ী চালকের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আহমেদ বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত চালককে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন আরও ছয়জন।
এই ছয়জন সাক্ষী হলেন - নারায়ণগঞ্জের জেলা রেজিস্ট্রার মো.আব্দুল হাফিজ, চাঁদপুর হাজীগঞ্জের সাব-রেজিস্ট্রার এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ মহাদেবপুরের সাব-রেজিস্টার মো. রফিকুল ইসলাম, ভোলা চরফ্যাশনের সাব-রেজিস্ট্রার কাওসার খান, বন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আব্দুস সালাম, ও বাড্ডার সাব-রেজিস্ট্রার জাহাঙ্গীর আলম।
বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। আদালত পরে মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৬ জুলাই দিন ধার্য করেছেন। বর্তমানে মামলাটির ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিলে বেনজীর আহমেদ ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট আইনজীবীর মাধ্যমে সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। হিসাব অনুযায়ী, তিনি ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য জানান।
তবে দুদক-এর তদন্তে বেনজীরের নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ, তিনি ১ কোটি ৮৫ লাখ ৩১ হাজার ৬২২ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।
এছাড়া, তার নামে ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদ থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা তার ঘোষণার তুলনায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৪১ হাজার ২৯৮ টাকা বেশি।
দুদক-এর হিসাবে, বেনজীর আহমেদ ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।
সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ পাওয়ার কারণে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুদক-এর উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম।
মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর বেনজীরের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন দুদক-এর উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম।
চার্জশিটে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা, এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা অনুযায়ী অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত ৩ মে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ