বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৬:১১ পি.এম
বাংলাদেশের জনপ্রিয় লেখক ও কথাসাহিত্যিক শাম্মী তুলতুল। চট্টগ্রামের মাটি থেকে দুই বাংলার সাহিত্যাঙ্গনে নিজস্ব আলো ছড়িয়ে দেওয়া এক নাম—শাম্মী তুলতুল।
সমকালীন বাংলা সাহিত্যে বহুমাত্রিক পরিচয়ে কাজ করছেন এমন লেখকদের মধ্যে তিনি নিঃসন্দেহে একজন আলোচিত ও জনপ্রিয় লেখক।
একটি সাহিত্য-সাংস্কৃতিক পরিবেশে তার জন্ম। পারিবারিক ইতিহাসে সাহিত্যচর্চার বীজ লুকিয়ে রয়েছে। তার দাদা আব্দুল কুদ্দুস মাস্টার ছিলেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা এবং লেখক, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম–এর বাল্যবন্ধু।
নানী কাজী লতিফা হক বেগম ছিলেন পত্রিকার সুপরিচিত লেখক।
শাম্মী তুলতুলের বেড়ে ওঠা ছিল চিন্তা, চেতনা ও সংস্কৃতির আলোকিত পরিমণ্ডলে।
তিনি ছোটবেলা থেকেই বাংলাদেশ ও ভারতের প্রথম সারির পত্রিকাগুলোতে লিখে যাচ্ছেন। যেমন, প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, সমকাল, যুগান্তর, বাংলাদেশ প্রতিদিন, প্রতিদিনের সংবাদ, খোলা কাগজ, সরকারি পত্রিকা শিশু, নবারুণ।
এছাড়া বিদেশের মাটিতেও তিনি শক্ত অবস্থানে আছেন। যেমন, প্যারিস, কানাডা, নিউইয়র্ক, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, জার্মানির বাংলা পত্রিকায় লিখে তিনি আন্তর্জাতিক গৌরব অর্জন করেন। তার উপর আমেরিকাতেও বিশাল সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে।
শৈশবে তিনি ছিলেন প্রাণবন্ত ও ডানপিটে স্বভাবের। নাচ, গান, আবৃত্তি, খেলাধুলা সবকিছুতেই ছিল সমান আগ্রহ।
তবে সময়ের সাথে লেখালেখিই হয়ে ওঠে তাঁর প্রধান পরিচয়। বর্তমানে তিনি একাধারে লেখক, উপন্যাসিক, গল্পকার, শিশুসাহিত্যিক, নজরুল অনুরাগী, রেডিও খবর পাঠিকা, অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট, ভয়েস প্রেজেন্টার ও মডেল। বহুমাত্রিক এই পরিচয় তার সৃষ্টিশীলতার বিস্তারকেই তুলে ধরে। তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ভারত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে ১৭টি।
২০২২ সালের কলকাতা বইমেলায় প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ ‘নরকে আলিঙ্গন’ পাঠকমহলে আলোচনার জন্ম দেয় এবং বর্তমানে ভারতের জনপ্রিয় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম –এ পাওয়া যাচ্ছে। তার জনপ্রিয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘চোরাবালির বাসিন্দা’, ‘পদ্মবু’ ও ‘মনজুয়াড়ি’, একজন কুদ্দুস ও কবি নজরুল, পিঁপড়ে ও হাতির যুদ্ধ, গণিত মামার চামচ রহস্য, নান্টু ঝান্টুর বক্স রহস্য।
—যেগুলো পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করে বেস্টসেলার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। প্রতিটি বইয়ে তিনি বিনোদনের পাশাপাশি শিক্ষণীয় বার্তা রাখার চেষ্টা করেন। যা তার লেখাকে কেবল গল্প নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতার মাধ্যমেও পরিণত করেছে। তাছাড়া তার উপন্যাস একজন কুদ্দুস ও কবি নজরুল, নজরুলে উপর রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। এটি লেখা তার কাছে একটি সাহসের কাজ মনে করেন। তাছাড়া এই বইয়ের তথ্য অনেকেই লেখায় রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করছেন। এটি তার বিশাল প্রাপ্তি।
শিশু-কিশোর সাহিত্যে তার সক্রিয় উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য। তার লেখা ‘পিঁপড়ে ও হাতির যুদ্ধ’ গল্পটি দীপ্ত টিভি–তে নাট্যরূপে প্রচারিত হয়েছে। পাশাপাশি তার রচনায় নির্মিত ‘লাল শরবত’ নাটক সম্প্রচারিত হয়েছে সিটি এফএম–এ। সাম্প্রতিক সময়ে তার একটি গল্প ভারতে গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে—যা তাঁর সাহিত্যকর্মের প্রভাব ও গ্রহণযোগ্যতার আন্তর্জাতিক মাত্রা নির্দেশ করে। তাছাড়া তিনি প্রতিনিয়ত সামাজিক অসঙ্গতি নিয়ে লিখছেন। তার বই পাওয়া যাচ্ছে, বাংলাদেশের বৃহত্তম অনলাইন বইয়ের বাজার রকমার ডট কম, প্রথমা, দারাজ ছাড়াও সকল অনলাইনে।
এ ছাড়াও রবি বইঘর এপ্স, বাংলালিংক এয়ারটেল এপ্সে তার বই ই-বুকে পড়তে পারবে তার পাঠকরা। লেখালেখির স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছেন বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার। এর মধ্যে রয়েছে মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড, মহাত্মা গান্ধী পিস অ্যাওয়ার্ড, সাউথ এশিয়া গোল্ডেন পিস অ্যাওয়ার্ড, নজরুল অগ্নিবীণা সাহিত্য পুরস্কার, সোনার বাংলা সাহিত্য সম্মাননা, রোটারি সম্মাননা, উইমেন পাওয়ার লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫, ময়ূরপঙ্খী স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ এবং খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক সম্মাননা। খাগড়াছড়ির পাঠকসমাজ ভালোবেসে তাঁকে ‘রাজকন্যা’ উপাধিতেও ভূষিত করেছে। সেখানে পর পর তার দু বার একক বইমেলা আয়োজন করেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন।
সম্প্রতি তিনি পেয়েছেন ভারত থেকে, রবীন্দ্র জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে রবীন্দ্র রত্ন পুরস্কার ২০২৬। সম্প্রতি তিনি বেগম রোকেয়া চরিত্রে একটি ম্যাগাজিনের কভার মডেল হিসেবে উপস্থিত হয়ে নতুন করে আলোচনায় আসেন—যা তাঁর বহুমাত্রিক সত্তারই আরেকটি দৃষ্টান্ত।
সামাজিক ও পারিবারিক নানা বাধা অতিক্রম করে নিজের অবস্থান তৈরি করার যে সংগ্রাম, সেটিই শাম্মী তুলতুলের ব্যক্তিত্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক। তার লেখালেখি কেবল সৃজনশীলতার বহিঃপ্রকাশ নয়; বরং আত্মবিশ্বাস, প্রতিরোধ এবং সামাজিক বার্তারও ধারক।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শাম্মী তুলতুল বলেন, লেখালেখি তার কাছে শুধু পেশা নয়—এটি দায়বদ্ধতা, মানুষের হৃদয়ে আলো পৌঁছে দেওয়ার এক অবিরাম প্রয়াস। তিনি বিশ্বাস করেন, সাহিত্য মানুষের ভেতরের অন্ধকার দূর করে আলো জ্বালাতে পারে। প্রতিটি বইয়ে তিনি বিনোদনের সঙ্গে শিক্ষণীয় বার্তা রাখতে চান। পাঠকের হৃদয়ে পরিবর্তন আনাই তার কাছে বড় অর্জন। নারী হিসেবে পথচলায় নানা প্রতিবন্ধকতা ও সামাজিক বাধার মুখোমুখি হওয়ার কথাও তিনি অকপটে স্বীকার করেন। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, প্রতিকূলতাই মানুষকে শক্ত করে। পিছুটান নয়, সামনে এগিয়ে যাওয়াই তার লক্ষ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর সবুজবাগে ছুরাইয়া আক্তার ফালানী নামে এক তরুণীর দ্বিখণ্ডিত লাশ উদ্ধারের মামলায় আদালত তার বান্ধবী নুসরাত জাহান সাহিদার স্বামী মনজুরুল ইসলাম রাব্বী এবং তার সহযোগী শাওনকে ৪ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের ভিত্তিতে এই রিমান্ডের আদেশ প্রদান করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গতকাল বুধবার রাতে রাজধানীর সবুজবাগ এলাকা থেকে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সবুজবাগ থানার উপ-পরিদর্শক নূরে আলম সিদ্দিকী আদালতে হাজির হয়ে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।
আসামিদের পক্ষে আইনজীবী খলিলুর রহমান (আসাদ) রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন।
শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেক আসামির জন্য ৪ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।
গত ৬ অগাস্ট সবুজবাগের মাদারটেক বাগানবাড়ির গরুর খামার লাগোয়া সেতুর নিচ থেকে একটি খণ্ডিত মাথা ও দুই হাত উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ছবি দেখে দেহাংশটি ছুরাইয়া আক্তার ওরফে ফালানীর বলে শনাক্ত করেন তার মা-বাবা। ১৯ বছর বয়সী ফালানী মুন্সীগঞ্জের ঢালীকান্দি গ্রামের বজলুল ব্যাপারীর মেয়ে।
এ ঘটনায় ওইদিনই অজ্ঞাতদের আসামি করে সবুজবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন এসআই রাশেদুল হাসান। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় গত ২১ অগাস্ট ফালানীর বান্ধবী সাহিদা, ফারুক, সুজন, মামুন ও বাপ্পিকে গ্রেপ্তার করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার এরুলিয়া এলাকায় শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের বাসচাপায় সাত দিনমজুর নিহতের ঘটনার প্রধান আসামি বাসচালক নেছারুল ইসলামকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১২)।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ভোরে শিবগঞ্জ উপজেলার দৌহপাড়া-সৈয়দপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার ফিরোজ আহমেদ।
আসামিকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান তিনি।
গ্রেপ্তার নেছারুল ইসলাম (৪৫) সোনাতলা উপজেলার আগুনিয়া তাইড় গ্রামের প্রয়াত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৭ আগস্ট সকাল ৬টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের এরুলিয়া বাজার এলাকায় এরুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা দিনমজুরদের ওপর উঠে যায় শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি এসি বাস। এতে ঘটনাস্থলেই কয়েকজন নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মোট সাতজন নিহত এবং ১৪ জন আহত হন।
দুর্ঘটনার পর বাসচালক নেছারুল ইসলাম ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ৮ আগস্ট বগুড়া সদর থানায় অজ্ঞাতনামা বাসচালককে আসামি করে মামলা করা হয়।
ফিরোজ আহমেদ বলেন, দুর্ঘটনার পর থেকেই পলাতক বাসচালককে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা চালানো হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সোয়া ৪টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার দৌহপাড়া-সৈয়দপুর এলাকায় রশিদ নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাব। এসময় সেখান থেকে নেছারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারের পর নেছারুল ইসলামকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যৌন হয়রানি সংক্রান্ত সব অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। দায়িত্ব পালনে গাফিলতি হলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) আগারগাঁওয়ে ইউজিসি ভবনে ইউজিসি ও ইউএন উইমেনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এ ঘোষণা দেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রকল্পের আওতায় এ সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়। ইউজিসির পক্ষে সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম এবং ইউএন উইমেনের পক্ষে বাংলাদেশ প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং এতে স্বাক্ষর করেন।
ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হলেও অনেক ক্ষেত্রে তারা প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করছে না। কমিটি শুধু গঠন করলেই হবে না, প্রতিটি অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করে সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকির জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে ইইউ প্রতিনিধিদলের ডেপুটি হেড বেইবা জেরিনা নারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নিরাপদ এবং বৈষম্যহীন শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
এই সমঝোতার আওতায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং এআইইউবি—এই ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো হবে। এ কাজে ইউএন উইমেন এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্র যৌথভাবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪ সালের জরিপের তথ্য তুলে ধরে জানানো হয়, দেশের ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণীদের ১৬ শতাংশই প্রযুক্তির মাধ্যমে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। অনুষ্ঠানে ইউজিসির সদস্যবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য এবং ইউএন উইমেনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর ফলাফল বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রকাশিত হয়েছে। গড় পাসের হার ৬৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
এ বছর প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩০ হাজার ৮১৬ জন। চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীসংখ্যা ১২ হাজার ২৪ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীসংখ্যা ৭ হাজার ৬৬৪ জন। চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৪ হাজার ৭২৫ জন ছাত্র এবং ২ হাজার ৯৩৯ জন ছাত্রী।
বাউবির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মো. হাবিবুল্যাহ মাহামুদ বৃহস্পতিবার এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল গেজেট উপাচার্যের নিকট হস্তান্তর করেন এবং উপাচার্য আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
ফলাফল ঘোষণাকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে মূলধারার শিক্ষার বাইরে থাকা মানুষের জন্য শিক্ষার দ্বিতীয় সুযোগ সৃষ্টি করে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি নকলমুক্ত, সুষ্ঠু ও আধুনিক পরীক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশ প্রক্রিয়াকে দ্রুততর ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে কাজ করছে। এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর ফলাফল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাত্র ৪৯ কার্যদিবসে প্রকাশ করা সম্ভব হয়েছে, যা ফলাফল প্রকাশে বিলম্বের পূর্ববর্তী ধারণা থেকে বেরিয়ে আসার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
উপাচার্য কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, যারা এবার উত্তীর্ণ হতে পারেনি তাদের হতাশ না হয়ে পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে পরীক্ষাব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন, কিউআর কোডযুক্ত পরিচয়পত্র, ছবিযুক্ত প্রবেশপত্র এবং আগামী পরীক্ষায় ই-অ্যাটেনডেন্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি ফলাফল প্রকাশ ও পরীক্ষা পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, পরীক্ষক, পরীক্ষা কমিটি, আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্র, স্টাডি সেন্টার, পরীক্ষা বিভাগ, আইসিটি বিভাগ এবং গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বাউবিকে একটি মানবিক ও গুণগত শিক্ষার বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আরও এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ