শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৫ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের পোর্ট শার্লটে ৩৮ বছর বয়সী এক নারীকে পোষা কুকুরের সঙ্গে যৌন আচরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগের শিকার নারীটির নাম মালিয়া এলিজাবেথ নুমারডর।
শার্লট কাউন্টি শেরিফের দপ্তর জানিয়েছে, তদন্তের জন্য বাড়ির নিরাপত্তা ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওর ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নুমারডর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে, আদালতে অভিযোগের সত্যতা এখনও প্রমাণিত হয়নি।
নুমারডরের স্বামী এরিক নুমারডর গত ১১ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ করেন যে, তিনি তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ভিডিও ও ছবিসহ কিছু প্রমাণ পেয়েছেন। এর পর বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে। তদন্তকারীরা এরিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার বক্তব্য এবং ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ করেন।
এরিক জানিয়েছেন, তিনি বাড়ির একটি কয়েন রাখার পাত্র থেকে টাকা হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি খুঁজে বের করতে দুটি নিরাপত্তা ক্যামেরা স্থাপন করেছিলেন। তিনি তদন্তকারীদের জানান, বাড়ির সদস্যরা ক্যামেরাগুলোর বিষয়ে অবগত ছিলেন।
পরে শোবার ঘরের ক্যামেরায় ধারণ করা পুরোনো ভিডিও দেখার সময় তিনি নুমারডর ও পরিবারের পোষা কুকুরকে নিয়ে সন্দেহজনক দৃশ্য দেখতে পান। এরপর তিনি পুলিশকে ভিডিওর কিছু ছবি দেন এবং ভিডিও সংরক্ষিত ল্যাপটপ ব্যবহারের সুযোগও দেন।
শার্লট কাউন্টি শেরিফের দপ্তর জানিয়েছে, তদন্তকারীরা ভিডিওটি পর্যালোচনা করেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভিডিওতে নুমারডরকে আংশিক পোশাকহীন অবস্থায় কুকুরটির সঙ্গে এমনভাবে দেখা যায়, যা তদন্তকারীদের কাছে যৌন আচরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হয়েছে। তবে এটি পুলিশের তদন্তভিত্তিক অভিযোগ এবং আদালতে এখনো এর সত্যতা নির্ধারিত হয়নি।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর তদন্তকারীরা নুমারডরকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তিনি ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি নিজেই এবং সেখানে থাকা কুকুরটি পরিবারের পোষা প্রাণী বলে স্বীকার করেন। তবে তিনি জানান, তিনি কেবল কুকুরটিকে আদর করছিলেন এবং যৌন আচরণের অভিযোগ অস্বীকার করেন।
তদন্তকারীদের দাবি, ভিডিওতে দেখা কর্মকাণ্ড সম্পর্কে নুমারডরের দেওয়া ব্যাখ্যা অসঙ্গত ছিল। একপর্যায়ে তিনি একজন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলার অনুরোধ করলে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করা হয়।
এরপর নুমারডরকে গ্রেপ্তার করে শার্লট কাউন্টি কারাগারে নেওয়া হয়। শেরিফের দপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে ‘প্রাণীর সঙ্গে যৌন কার্যকলাপ’ সংক্রান্ত দ্বিতীয় শ্রেণির গুরুতর অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তার জামিনের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় ৩৫ হাজার ডলার।
শার্লট কাউন্টির শেরিফ বিল প্রামেল ঘটনাটিতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, "কোনো প্রাণীকে এ ধরনের আচরণের শিকার করা উচিত নয়।" এ ধরনের ঘটনা সম্পর্কে তথ্য পেলে তার দপ্তর ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।
গ্রেপ্তারের পর নুমারডরের কারাগারের ছবিতে তাকে হাসিমুখে দেখা যাওয়ার বিষয়েও শেরিফ মন্তব্য করেন।
তবে আইনগতভাবে নুমারডর এখনো দোষী সাব্যস্ত হননি। অভিযোগের বিচার প্রক্রিয়ায় প্রমাণ ও উভয় পক্ষের বক্তব্য বিবেচনা করা হবে। শার্লট কাউন্টি শেরিফের দপ্তর এবং যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মামলাটি বর্তমানে অভিযোগ ও তদন্তের পর্যায়ে রয়েছে।
সূত্র: শার্লট কাউন্টি শেরিফের দপ্তর, গালফ কোস্ট নিউজ, পিপল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের পুরুষ হকি দলের অভিযান একটি বড় পরাজয়ের মাধ্যমে শুরু হলো। আজ দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে তারা পাঁচ গোলে পরাজিত হয়েছে।
কাওয়াসাকি জুকো স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই খেলার দখল গ্রহণ করে দক্ষিণ কোরিয়া। প্রথম কোয়ার্টারে কোনো গোল না হলেও দ্বিতীয় কোয়ার্টারে তারা দুটি গোল করে। এর ফলে বিরতির সময় স্কোর ৩-০ হয়ে যায়।
তৃতীয় এবং চতুর্থ কোয়ার্টারে দক্ষিণ কোরিয়া আরও একটি করে গোল করে। ফলে ম্যাচের শেষে ব্যবধান ৫-০ দাঁড়ায়। অল্প সময়ের প্রস্তুতি এবং চীনের বিরুদ্ধে তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার পরও বাংলাদেশ দলের গোলের ব্যবধান কমাতে সক্ষম হয়নি।
বাংলাদেশ আগামী ২২ সেপ্টেম্বর তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে জাপানের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভেনেজুয়েলার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রায় ৪০০ কোটি ডলার মূল্যের স্বর্ণের মজুত ব্যাংক অব ইংল্যান্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে স্থানান্তর করার বিষয়ে সরকার ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ তথ্য জানা গেছে আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চারজনের বরাতে।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান দেলসি রদ্রিগেজ স্বর্ণের ওপর আইনগত নিয়ন্ত্রণ পাবেন। তবে সরকার তাৎক্ষণিকভাবে স্বর্ণ বিক্রি করতে পারবে না। বরং সরকারের ব্যয় মেটাতে, বিশেষ করে জুনের ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পের পর পুনর্গঠন কাজে অর্থায়নের জন্য স্বর্ণের মজুত জামানত হিসেবে ব্যবহার করে ঋণ নেওয়ার সুযোগ রাখা হতে পারে।
এই সমঝোতা যুক্তরাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় ভেনেজুয়েলা সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে চলমান আলোচনার প্রথম বাস্তব ফলগুলোর একটি হতে পারে। চুক্তিটি চূড়ান্ত হলে স্বর্ণ নিয়ে সাত বছর ধরে চলা বিরোধের অবসান ঘটবে।
২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশ তৎকালীন জাতীয় পরিষদের প্রধান ও বিরোধী নেতা হুয়ান গুয়াইদোকে ভেনেজুয়েলার বৈধ প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর এই বিরোধ শুরু হয়। এরপর বিরোধী পক্ষ ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ভল্টে থাকা ভেনেজুয়েলার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বর্ণের ওপর নিয়ন্ত্রণ দাবি করে। বিষয়টি নিয়ে আইনি বিরোধ একপর্যায়ে যুক্তরাজ্যের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়।
তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, সমঝোতাটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কারিগরি বিভিন্ন বিষয় চূড়ান্ত করতে আরও কিছু সময় লাগতে পারে।
আলোচনায় যুক্ত বিরোধী দলের এক নেতা বলেছেন, ‘স্বর্ণ যুক্তরাষ্ট্রে যাবে, কিন্তু দেলসি সরাসরি এর নিয়ন্ত্রণ পাবেন না। এটি তদারকি ও বিধিনিষেধের আওতায় থাকবে।’
ভেনেজুয়েলা সরকার ও বিরোধী পক্ষ গত মাসে জানিয়েছিল, ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ভল্টে থাকা প্রায় ৩১ টন স্বর্ণের মজুত ব্যবহারের পথ খুলতে তারা একসঙ্গে কাজ করছে। তবে সমাজতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তোলা বিরোধী পক্ষ স্বর্ণের মজুত যাতে অপব্যবহার না হয়, সে জন্য কঠোর নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছে।
এদিকে স্বর্ণ স্থানান্তর নিয়ে আলোচনার মধ্যেই চলতি সপ্তাহে যুক্তরাজ্য ও ভেনেজুয়েলা কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে সম্মত হয়েছে। যুক্তরাজ্য কারাকাসে আবার রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করবে। দেশটির সরকার ভেনেজুয়েলায় নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে চলমান আলোচনাকেও স্বাগত জানিয়েছে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে ভেনেজুয়েলার জাতীয় পরিষদের বর্তমান প্রধান হোর্হে রদ্রিগেজ লন্ডনে যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ভেনেজুয়েলার জনগণের জন্য ‘সুসংবাদ’ আসছে বলে মন্তব্য করেন।
ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্যের আদালতের নতুন আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত ব্যাংক কোনো নির্দেশনা বাস্তবায়নের অবস্থানে নেই। কার স্বর্ণের হিসাবের ওপর আইনগত কর্তৃত্ব রয়েছে, তা স্পষ্ট করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে যুক্তরাজ্যের আদালতে গিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে হবে।
ভেনেজুয়েলায় সরকার ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে চলমান আলোচনার লক্ষ্য নতুন নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করা। ২০২৪ সালের নির্বাচনে নিকোলাস মাদুরো নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করেছিলেন। তবে বিরোধী পক্ষের স্বাধীনভাবে যাচাই করা ভোটের হিসাব অনুযায়ী, তিনি বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়।
জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ভেনেজুয়েলার সঙ্গে আন্তর্জাতিক পুনঃসম্পৃক্ততার প্রক্রিয়া জোরদার হয়। এরপর দেশটির অর্থনীতির ওপর কিছু মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়। এপ্রিলে সাত বছর পর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ভেনেজুয়েলার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু করে। এর ফলে কারাকাসে সরকার আইএমএফে থাকা তহবিল ব্যবহারের সুযোগ পায়।
জানুয়ারিতে অন্তর্বর্তী নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া দেলসি রদ্রিগেজ অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের বিভিন্ন পথ খুঁজছেন। ভূমিকম্পের আগেই দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার তুলনায় ধীরগতির ছিল।
সূত্র: ফিন্যান্সিয়াল টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্লেব্যাকের বিরতি থাকলেও অরিজিৎ সিংয়ের গানের জাদু একটুও কমেনি। পরিচালক নিতেশ তিওয়ারির নতুন সিনেমা ‘রামায়ণ’-এর জন্য গাওয়া তার নতুন গান ‘জয় জয় রাম’ ইতোমধ্যেই ভক্তদের হৃদয় জয় করেছে।
সম্প্রতি এই গানটি নিয়ে একটি চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে জানা যাচ্ছে যে গানটি রেকর্ড করতে অরিজিৎকে প্রায় ২০০টি টেক দিতে হয়েছে।
রণবীর কাপুর, সাই পল্লবী এবং যশ অভিনীত ‘রামায়ণ’ ছবিটি ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে এবং অরিজিৎ সিংয়ের এই নতুন গান ছবির উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করেছে।
পিঙ্কভিলার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গানের রেকর্ডিংয়ের সময় অরিজিৎ এতটাই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন যে তিনি বারবার গানটি গাইতে থাকেন। গাওয়ার সময় তিনি এতটাই ডুবে গিয়েছিলেন যে প্রায় ২০০টি টেক দিতে হয়েছে এবং প্রতিটি লাইনে নতুন আবেগ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছেন। অনুভূতির গভীরতায় তিনি এতটাই হারিয়ে গিয়েছিলেন যে থামতে চাইছিলেন না এবং সব টেকনিক্যাল বিষয় ভুলে গানের আবেগের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে নিজেকে সোপে দিয়েছিলেন।
অরিজিৎ সিং ও শ্রেয়া ঘোষালের গাওয়া ‘জয় জয় রাম’ গানটিতে রাম ও সীতার বিয়ের সুন্দর মুহূর্তগুলো তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে ভিডিওতে দেখা যায় রাম ও সীতা রথে চড়ে অযোধ্যা ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং সাধারণ মানুষ তাদের ফুলের পাপড়ি দিয়ে বরণ করে নিচ্ছে।
এ আর রহমানের সুর করা এই গানটি মূলত জনপ্রিয় ভক্তিমূলক গান ‘জয় সিয়া রাম’-এর একটি নতুন রূপ এবং গানটির কথা লিখেছেন ড. কুমার বিশ্বাস।
এদিকে গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে নির্মাতারা ছবিটির একটি নতুন পোস্টার প্রকাশ করেছেন, যেখানে রণবীর কাপুরকে রাম এবং সাই পল্লবীকে সীতার চরিত্রে দেখা যাচ্ছে। পোস্টারে রাম ও সীতার এই পবিত্র ও সুন্দর বন্ধনকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যেখানে রণবীর পরম যত্নে সাই পল্লবীর চুলে একটি ফুল গুঁজে দিচ্ছেন।
দুটি ভাগে মুক্তি পেতে চলা এই বহু প্রতীক্ষিত সিনেমাটির প্রথম পর্ব ২০২৬ সালের ০৬ নভেম্বর এবং দ্বিতীয় পর্ব আগামী বছরের দীপাবলিতে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
ছবিটিতে রণবীর ও সাই পল্লবী ছাড়াও সানি দেওল, রবি দুবে, অরুণ গোভিল, লারা দত্ত, কাজল আগরওয়াল, রাকুল প্রীত সিং এবং বিবেক ওবেরয়ের মতো জনপ্রিয় তারকারাও অভিনয় করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কার্ল মার্ক্স যে ‘শ্রমিকের স্বর্গের’ স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেখানে ব্যক্তিগত দ্বীপ, একের পর এক প্রাসাদ কিংবা হাজারো নারীর ব্যক্তিগত হারেম—এসব নিশ্চয়ই কল্পনায় ছিল না। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের জীবনযাপন নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন এক বিলাসবহুল জগতের চিত্র।
অন্যদিকে, উত্তর কোরিয়ার সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ দীর্ঘ সময় ধরে খাদ্যসংকট, দারিদ্র্য ও কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে জীবনযাপন করছে। এই বৈপরীত্যই কিমের জীবনযাপনকে ঘিরে বিশ্ববাসীর আগ্রহের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
২০১১ সালে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পর থেকেই কিমের বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে নানা তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তার সম্পদের পরিমাণ নিয়ে বিভিন্ন অনুমান রয়েছে; কিছু প্রতিবেদনে তা কয়েক বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বলা হয়েছে। বিলাসবহুল গাড়ি, প্রাসাদ, দামি ঘড়ি, বিদেশি খাবার, মদ, ব্যক্তিগত বিমান ও ইয়ট—এসব কিমের জীবনযাপনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।
জনসমক্ষে না থাকলে কিমের হাতে রয়েছে একাধিক বিলাসবহুল আবাসন—এমন দাবি বহু বছর ধরে বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়াজুড়ে কিমের প্রায় ১৭টি প্রাসাদ বা বিলাসবহুল আবাসন রয়েছে। এর মধ্যে ওয়নসানে একটি প্রাসাদের নিজস্ব প্রায় ৫০০ মিটার দীর্ঘ রানওয়ে রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
তার প্রধান আবাসনগুলোর একটি রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের ‘সেন্ট্রাল লাক্সারি ম্যানশন’। এটিকে অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত বলে বর্ণনা করা হয়। সেখানে একাধিক সামরিক ইউনিট, বৈদ্যুতিক বেড়া ও মাইনফিল্ড থাকার দাবি রয়েছে। এমনকি প্রাসাদের নিচে একটি নিজস্ব রেলস্টেশন এবং অন্যান্য সম্পত্তির সঙ্গে সংযোগকারী টানেল থাকার কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
তবে বিশাল প্রাসাদই কিমের বিলাসিতার শেষ নয়। অবসর কাটানোর জন্য তার একটি ব্যক্তিগত দ্বীপ রয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
কিমের ‘নিজস্ব ইবিজা’
কিমের সঙ্গে ‘অদ্ভুত’ বন্ধুত্বের কারণে পরিচিত সাবেক এনবিএ তারকা ডেনিস রডম্যান ২০১৩ সালে ওই দ্বীপে সময় কাটানোর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছিলেন।
রডম্যানের বর্ণনা অনুযায়ী, দ্বীপটি অনেকটা হাওয়াই বা ইবিজার মতো। সেখানে কিমের আশপাশে সবসময় ৫০ থেকে ৬০ জন মানুষ থাকেন, যারা সময় কাটান, পানীয় পান করেন এবং আনন্দ করেন।
রডম্যান দ্বীপটির পরিবেশকে অত্যন্ত বিলাসবহুল হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে পানীয় থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস—সবকিছুই ছিল উন্নতমানের।
সাঁজোয়া বিমান, ট্রেন আর বিলাসবহুল গাড়ি
কিমের ভ্রমণব্যবস্থাও সাধারণ কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের মতো নয়। তার রয়েছে বিলাসবহুল বিমান, সাঁজোয়া গাড়ি এবং বিশেষভাবে সুরক্ষিত ট্রেন।
রডম্যান কিমের ব্যক্তিগত ইয়টও দেখেছিলেন বলে দাবি করা হয়। প্রায় ৯৫ ফুট দীর্ঘ এই ইয়টকে তিনি ফেরি ও ডিজনি ক্রুজের মাঝামাঝি ধরনের বলে বর্ণনা করেছিলেন। এটি ব্রিটিশ নকশার প্রিন্সেস ৯৫ এমওয়াই ইয়ট বলে ধারণা করা হয়, যার দাম প্রায় ৭ মিলিয়ন ডলার বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে শোবার কক্ষ, প্রশস্ত ডেক এবং প্রায় ১০ জনের জন্য খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে।
বিমানে ভ্রমণের সময় কিম ব্যবহার করেন এয়ার ফোর্স ইউএন নামে পরিচিত একটি বিলাসবহুল রুশ আইএল-৬২ বিমান। এটির মূল্য কয়েক মিলিয়ন ডলার বলে ধারণা করা হয়। এমনকি কিম নিজেই মাঝে মাঝে বিমানের নিয়ন্ত্রণ হাতে নেন—এমন কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে। তবে তার কোনো পাইলট লাইসেন্স রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
সুরক্ষিত ট্রেনেও বিলাসিতা
উত্তর কোরিয়ার নেতাদের মধ্যে সাঁজোয়া ট্রেনে ভ্রমণের প্রচলন ছিল। কিমের বাবা কিম জং ইলও বিলাসবহুল ট্রেনে ভ্রমণ করতেন এবং ২০১১ সালে ওই ট্রেনেই তার মৃত্যু হয় বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছিল।
তার ট্রেনে প্রায় ৯০টি বগি ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে শোবার কক্ষ, বৈঠকের কক্ষ এবং বিদেশি বিলাসবহুল আসবাব ছিল।
কিম জং উনের ট্রেনেও একই ধরনের বিলাসবহুল ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানা যায়। এমনকি তার প্রায় ১০ লাখ ডলার মূল্যের মার্সিডিজ-মেবাখ পুলম্যান গার্ড সাঁজোয়া গাড়িও ট্রেনে বহন করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
এটি কিমের বিশাল গাড়িবহরের মাত্র একটি অংশ। তার সংগ্রহে মূলত ইউরোপীয় ব্র্যান্ডের শতাধিক বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
‘প্লেজার স্কোয়াড’ নিয়ে বিতর্কিত দাবি
কিমের ট্রেনের কর্মীদের মধ্যে নারী কর্মী থাকার কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে। তাদের কেউ কেউ তথাকথিত ‘প্লেজার স্কোয়াড’ বা ‘গিপুমজো’-এর সদস্য—এমন দাবি করা হয়েছে।
কিছু প্রতিবেদনে এই গোষ্ঠীতে প্রায় ২ হাজার নারী থাকার কথা বলা হয় এবং তাদের যৌনসহ বিভিন্ন ধরনের বিনোদন দেওয়ার জন্য বাছাই করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে এই দাবিগুলোর অনেকটাই উত্তর কোরিয়ার বাইরে থাকা সূত্র ও সাবেক উত্তর কোরীয় নাগরিকদের বক্তব্যের ওপর নির্ভরশীল। ফলে এসব তথ্যের সবকিছু স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
দামি ঘড়ি, বিদেশি মদ আর বিলাসী খাবার
কিমের বিলাসিতার তালিকায় রয়েছে দামি ঘড়িও। তার ঘড়ির সংগ্রহের মূল্য ৮ মিলিয়ন ডলারের বেশি হতে পারে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়েছে।
২০১৯ সালে একটি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সময় কিমকে প্রায় ১০ হাজার পাউন্ড মূল্যের আইডব্লিউসি পোর্তোফিনো অটোমেটিক সুইস ঘড়ি পরা অবস্থায় দেখা যায় বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল।
খাবারের ক্ষেত্রেও কিমের পছন্দ বেশ বিলাসবহুল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ফোয়া গ্রা, লবস্টার ও ক্যাভিয়ার তার পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
বিদেশ সফরে গেলেও তার নিজস্ব শেফদের একটি দল সঙ্গে থাকে বলে এসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তার খাবার পরিবেশনের আগে শেফরা দীর্ঘ সময় ধরে তা পরীক্ষা করেন, যাতে খাবারে বিষ মেশানো হয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়।
পানীয়ের ক্ষেত্রেও কিমের পছন্দ বিলাসবহুল। প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার বোতল হুইস্কি আমদানি করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এমনকি দামি পানীয়ের পেছনে বছরে প্রায় ২১ মিলিয়ন পাউন্ড পর্যন্ত ব্যয় হয় বলেও কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে হেনেসি-র মতো ব্র্যান্ডও রয়েছে, যার একটি বোতলের দাম প্রায় ১,৫০০ পাউন্ড পর্যন্ত হয়ে থাকে।
সিগারেটের ক্ষেত্রেও কিমের পছন্দ সাধারণ নয়। তিনি ইভ সাঁ লোরাঁ-এর মতো ফরাসি বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের সিগারেট পান করেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এক প্যাকেটের দাম প্রায় ৩১ পাউন্ড বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্তর্বাসেও কোটি টাকার খরচ?
কিমের বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে সবচেয়ে চমকপ্রদ দাবিগুলোর একটি হলো তার ব্যক্তিগত নারীসঙ্গীদের জন্য ব্যয়।
কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬ সালেই প্রায় ২.৭ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয়ে চীন থেকে বিলাসবহুল অন্তর্বাস—যার মধ্যে করসেট ও সাসপেন্ডারও ছিল—আমদানি করা হয়েছিল।
আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে উত্তর কোরিয়ার বিলাসপণ্য আমদানি সীমিত থাকার কথা। তারপরও ২০১৭ সালে বাদ্যযন্ত্র, মদ ও এমনকি একটি সি-প্লেনসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ বা বিলাসবহুল পণ্য আমদানিতে কিমের সরকার প্রায় ৪৯৩ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় করেছে বলে কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।
বাস্কেটবল থেকে ঘোড়দৌড়
কিমের ব্যক্তিগত আগ্রহের তালিকায় বাস্কেটবলও রয়েছে। সুইজারল্যান্ডে স্কুলজীবনে থাকার সময় তার ঘরের দেয়ালে মাইকেল জর্ডান ও শিকাগো বুলস-এর পোস্টার ছিল বলে জানা যায়।
২০১৩ সালে বিখ্যাত হার্লেম গ্লোবট্রটার্স দলের তিন সদস্য উত্তর কোরিয়ায় গিয়ে একটি প্রদর্শনী ম্যাচ খেলেছিলেন। সেই সফরেই ডেনিস রডম্যানের সঙ্গে কিমের ঘনিষ্ঠতা আরও আলোচনায় আসে।
বাস্কেটবলের পাশাপাশি কিমের ঘোড়ার প্রতিও আগ্রহ রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
রুশ কাস্টমসের তথ্য উদ্ধৃত করে কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ১৩৮টি খাঁটি জাতের ঘোড়া কিনতে অন্তত ৫৮৪,৩০২ ডলার খরচ করা হয়েছিল।
উত্তর কোরিয়ার সরকারি প্রচারচিত্রেও কিমকে প্রায়ই তুষারে ঢাকা পাহাড়ে সাদা ঘোড়ায় চড়ে থাকতে দেখা যায়। এসব ছবি তার নেতৃত্বের শক্তি ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয় বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।
পাহাড়ে বিলাসবহুল স্কি রিসোর্ট
কিমের বিলাসী জীবনযাপন শুধু ব্যক্তিগত সম্পদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। উত্তর কোরিয়ার পাহাড়ি এলাকায় বিলাসবহুল স্কি রিসোর্ট গড়ে তোলার উদ্যোগও নিয়েছেন তিনি।
এর মধ্যে অন্যতম মাসিকরিয়ং স্কি রিসোর্ট। ২০১৩ সালে চালু হওয়া এই রিসোর্ট নির্মাণে প্রায় ২১ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এক বছরেরও কম সময়ে এর নির্মাণকাজ শেষ করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছিল।
রিসোর্টটিতে অস্ট্রিয়া থেকে কেনা প্রায় ৩০ বছরের পুরোনো একটি স্কি লিফট ব্যবহার করা হয়, যা চীনের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়ায় সরবরাহ করা হয়েছিল।
তবে এই রিসোর্টকে ঘিরেও বিতর্ক রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছিল, এটি নির্মাণ ও পরিচালনার কাজে ১১ বছর বয়সি শিশুসহ অপ্রাপ্তবয়স্কদের ব্যবহার করা হয়েছে।
একদিকে বিলাসিতা, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের সংকট
কিম জং উনের জীবনযাপন নিয়ে প্রকাশিত এসব তথ্যের সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য দেখা যায় উত্তর কোরিয়ার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন ও সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশটির সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যসংকট, দারিদ্র্য এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার প্রভাবের মুখোমুখি। একই সময়ে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত বিলাসবহুল গাড়ি, প্রাসাদ, বিদেশি খাবার, দামি মদ, ঘড়ি ও বিনোদনকেন্দ্রের খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে।
তবে কিমের ব্যক্তিগত সম্পদ, প্রাসাদের সংখ্যা কিংবা ব্যক্তিগত জীবনের নানা চমকপ্রদ দাবির ক্ষেত্রে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—উত্তর কোরিয়া অত্যন্ত গোপনীয় রাষ্ট্র হওয়ায় এসব তথ্যের সবগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ফলে কিমের জীবনযাপন নিয়ে প্রকাশিত তথ্যের কিছু অংশ প্রত্যক্ষ প্রমাণের বদলে গোয়েন্দা মূল্যায়ন, সাবেক উত্তর কোরীয় নাগরিকদের বক্তব্য, স্যাটেলাইট ছবি এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভরশীল।
তারপরও যেসব তথ্য ও ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে স্পষ্ট যে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতৃত্বের জীবনযাত্রা দেশটির সাধারণ মানুষের বাস্তবতার তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জগতের ছবি তুলে ধরে।
তথ্যসূত্র: দ্য সান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ