ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পণ্যের দাম নিয়ে নাহিদের স্ট্যাটাস, সিন্ডিকেটকে দায়ী করলেন


পণ্যের দাম নিয়ে নাহিদের স্ট্যাটাস, সিন্ডিকেটকে দায়ী করলেন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম ফেসবুকে পোলাওয়ের চাল, মাল্টা, ডিমসহ বিভিন্ন পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে একটি পোস্ট প্রকাশ করেছেন।

তিনি দাবি করেছেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য অসাধু সিন্ডিকেটকে দায়ী করা হচ্ছে। নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, আবারও অসাধু সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে -এ নাহিদ ইসলাম এসব কথা জানান।

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সম্পত্তি দখল করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নাহিদ ইসলাম তার পোস্টে উল্লেখ করেন, দুই মাস ধরে প্রতি কেজি মাল্টা ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ আমদানির নথি অনুযায়ী, প্রতি কেজি মাল্টার ক্রয়মূল্য ৮৭ টাকা। আমদানি শুল্ক, পরিবহন খরচ ও মুনাফা যোগ করেও প্রতি কেজির সর্বোচ্চ খরচ ২১০ টাকা হওয়ার কথা। সে অনুযায়ী, খুচরা বাজারে মাল্টার দাম ২৫০ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়।

মাল্টার দাম বৃদ্ধির পেছনে সরবরাহ–সংকটের কথা বলা হলেও আমদানির তথ্য তা সমর্থন করে না, লেখেন নাহিদ ইসলাম। তার দেওয়া তথ্যে দেখা যায়, গত বছরের জুলাই–সেপ্টেম্বরের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে অন্তত ২২ শতাংশ বেশি মাল্টা আমদানি হয়েছে। এরপরও দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় গত দুই মাসে জনগণের কাছ থেকে অসাধু সিন্ডিকেট কয়েক শ কোটি টাকা নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন নাহিদ।

নাহিদ ইসলাম পোস্টে আরও উল্লেখ করেছেন, ১২০ টাকার পোলাওয়ের চাল বর্তমানে ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শুধু পোলাওয়ের চাল থেকেই গত তিন মাসে আনুমানিক দেড় হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়েছে বলে অভিযোগ করেন নাহিদ।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রতি ডজন ডিমের গড় দাম ছিল ১২০ টাকা, বর্তমানে তা ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানান নাহিদ। তার মতে, মুরগির খাবারের দাম বৃদ্ধির যুক্তি দেখানো হলেও সেই বৃদ্ধির প্রভাব বিবেচনায় প্রতিটি ডিমের দাম প্রায় এক টাকা বাড়ার কথা, কিন্তু তা বেড়েছে পাঁচ টাকা।

আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থে কোনো ছাড় নয়: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী টুকু

১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম কয়েক দফা বাড়ানোর পরও বাজারে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অন্তত এক হাজার টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে জানান এনসিপির এই নেতা। তিনি প্রশ্ন তোলেন, আমদানি পর্যাপ্ত হলে প্রতিদিন অতিরিক্ত কোটি কোটি টাকা কাদের পকেটে যাচ্ছে।

নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, ফ্যাসিবাদী আমলের মতো দেশ আবার সিন্ডিকেটের কবলে পড়েছে। তিনি সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ শিক্ষকের পদ শূন্য ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫১ পি.এম


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ শিক্ষকের পদ শূন্য ঘোষণা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কর্মস্থলে যোগদান না করার কারণে এবং শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অব্যাহতির আবেদনের প্রেক্ষিতে ছয় শিক্ষকের মূল পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

শূন্য ঘোষিত পদগুলোতে থাকা শিক্ষকরা হলেন– পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দিপা রানী দাস, রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবাশীষ সেন, ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুমাইয়া হক চাঁদনী, মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আবদুল্লাহ, সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. কামাল হোসেন চৌধুরী এবং শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কর্মস্থলে যোগদান না করার কারণে এবং অব্যাহতির আবেদন করার প্রেক্ষিতে গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১১১তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উক্ত শিক্ষকদের মূল পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা অর্থ (যদি প্রযোজ্য হয়) আদায়ের প্রক্রিয়া চলমান থাকবে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী জানান, শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তারা ফিরে আসেননি এবং অব্যাহতির আবেদন করেছেন। এই কারণে সিন্ডিকেটে পদ শূন্যের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। তবে তাদের এখনও অব্যাহতি দেওয়া হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের যে পাওনা রয়েছে, সেগুলোর লেনদেন সম্পন্ন করার জন্য তাদের চিঠি প্রদান করা হচ্ছে। এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের অব্যাহতি দেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শশীভূষণ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ তিন ডাকাত সদস্য গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এইচ এম নোমান চরফ্যাশন

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


শশীভূষণ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ তিন ডাকাত সদস্য গ্রেফতার

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে পুলিশ।

গত রাতে (৫ অক্টোবর সোমবার) রাত ১২টায় শশীভূষণ থানার রসুলপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃতরা হলেন রসুলপুর ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা খোকন চাকলাদার, মাকসুদ কর্মকার এবং তাহের।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রসুলপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের শশীভূষণ বাজার সদর দক্ষিণ মাথায় খোকন চাকলাদারের একটি পরিত্যক্ত বসত ঘরের নির্জন স্থানে একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শশীভূষণ থানা পুলিশের একটি বিশেষ চৌকস দল সেখানে আকস্মিক অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে খোকন, মাকসুদ ও তাহেরকে গ্রেফতার করা হয়। তবে অন্ধকার ও ভৌগোলিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে তাদের সাথে থাকা আরও ৩-৪ জন সহযোগী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারের পর তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহƒত বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আহমেদ জানান,গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের করা হয়েছে। পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ দমনে শশীভূষণ থানা পুলিশ সর্বদা তৎপর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতকানিয়ায় স্কুলের শ্রেণিকক্ষের পাশে হাসপাতালের বর্জ্য, শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


সাতকানিয়ায় স্কুলের শ্রেণিকক্ষের পাশে হাসপাতালের বর্জ্য, শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার কেরানীহাট এলাকায় আশ-শেফা হাসপাতালের বর্জ্য আশ-শেফা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শ্রেণিকক্ষের পাশেই ফেলা হচ্ছে, এমন অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয়দের মধ্যে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আশ-শেফা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শ্রেণিকক্ষের পাশে বিভিন্ন ধরনের পরিত্যক্ত বর্জ্য পড়ে রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বর্জ্যের কারণে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি মশা-মাছির উপদ্রবও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানের পাশে হাসপাতালের বর্জ্য ফেলা নিরাপদ নয়। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ওই শ্রেণিকক্ষ ও আশপাশের এলাকায় চলাচল করে। ফলে এসব বর্জ্য থেকে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে উৎপন্ন বর্জ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও নির্ধারিত নিয়মে অপসারণ না করে বিদ্যালয়ের পাশে ফেলা হচ্ছে। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি দুর্গন্ধ ও মশা-মাছির উপদ্রব বাড়ছে।

শিক্ষার্থীরা বলেন, “ক্লাসরুমের পাশে বর্জ্য থাকায় দুর্গন্ধ পাওয়া যায়। মশা-মাছিও দেখা যায়। এতে আমাদের পড়াশোনায়ও সমস্যা হচ্ছে।”

অভিভাবকরা বলেন, “শিশুদের স্কুলে পাঠানো হয় নিরাপদ পরিবেশে পড়াশোনার জন্য। কিন্তু শ্রেণিকক্ষের পাশে হাসপাতালের বর্জ্য থাকলে বিষয়টি অবশ্যই উদ্বেগের। এই বর্জ্য গুলোর কারণে শিশুরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। দ্রুত এগুলো পরিস্কারের দাবি জানান তারা।

এদিকে, আশ-শেফা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা প্রথমে বর্জ্য ফেলার বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে জানা যায়, হাসপাতালের পাশে থাকা বর্জ্য পুড়িয়ে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিদ্যালয়ের ডিএমডি আজিজুল হক বলেন, “শ্রেণিকক্ষের একেবারে পাশে এভাবে বর্জ্য পড়ে থাকায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। দুর্গন্ধের কারণে অনেক সময় পরিবেশও অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন।”

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অমিত দে বলেন, “এভাবে খোলা জায়গায় বর্জ্য ফেলার কোনো নিয়ম নেই। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যদি এভাবে বর্জ্য ফেলে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি আমরা এখনই দেখব।”

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীব দাশ পুরকায়স্থ বলেন, হাসপাতালের বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে। যদি হাসপাতালের বর্জ্য উন্মুক্ত স্থানে ফেলা হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট যারা আছেন তাদের সাথে কথা বলছি।

স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের কথা বিবেচনা করে দ্রুত এসব বর্জ্য অপসারণ এবং ভবিষ্যতে যাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে কোনো ধরনের চিকিৎসা বর্জ্য ফেলা না হয়, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিরপুরে পোশাককর্মী সায়মন হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


মিরপুরে পোশাককর্মী সায়মন হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর মিরপুরে ছিনতাইয়ের পর পোশাককর্মী সায়মনকে হত্যা করার ঘটনায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একই মামলায় সুজন নামে একজনকে চোরাই মোবাইল কেনার দায়ে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন মো. ইউসুফ, ইকবাল খাঁ ও মেহেদী হাসান। তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল ইসলামের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহেল মিয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। রায় ঘোষণার পূর্বে কারাগারে থাকা ইউসুফ, ইকবাল ও মেহেদীকে আদালতে হাজির করা হয়। রায়ের পর তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতক সুজনের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, সায়মন মিরপুর-১-এর সনি সিনেমা হলের পেছনে লিবার্টি গার্মেন্টসে ১০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতেন। ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর বেতন পাওয়ার পর তিনি দুই সহকর্মী রিফাত হোসেন রাব্বি ও হৃদয় হাসানের সঙ্গে মিরপুর-১ এলাকায় কেনাকাটা করতে যান। রাত ৯টার দিকে বাসায় ফেরার সময় আড়ং শপিং সেন্টারের সামনে তিন ছিনতাইকারী তাকে থামায়।

তাদের একজন সায়মনকে তার ছোট ভাইকে মারধরের অভিযোগ তুলে ভয় দেখায় এবং ‘কথা আছে’ বলে রিকশায় উঠিয়ে নেয়। পরবর্তীতে রিকশাটি দারুস সালাম থানার কোনাবাড়ি হয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এলাকার কাঁচাবাজারের সামনে যায়। সেখানে সায়মনের সহকর্মী রিফাতকে নামিয়ে দিয়ে তাকে স্মৃতিসৌধের ভেতরে নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।

সেখানে ছুরি দেখিয়ে সায়মনের কাছে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন দিতে বলে তারা। সায়মন দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ছুরিকাঘাত করে টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় সায়মনের বাবা শাজাহান শেখ দারুস সালাম থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। তদন্তের সময় পুলিশ ইউসুফকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইকবাল ও মেহেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তে সায়মনের মোবাইল সুজনের কাছে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রির তথ্যও পাওয়া যায়। ইউসুফের কাছ থেকে মোবাইল বিক্রির টাকা উদ্ধার করা হয়।

তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি ইউসুফ, ইকবাল ও মেহেদীর বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের পর হত্যার অভিযোগে এবং সুজনের বিরুদ্ধে চোরাই মাল নিজের কাছে রাখার অভিযোগে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দারুস সালাম থানার উপপরিদর্শক সোহান আহমেদ।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ, আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক শেষে মঙ্গলবার রায় ঘোষণা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%