ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শশীভূষণ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ তিন ডাকাত সদস্য গ্রেফতার


শশীভূষণ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ তিন ডাকাত সদস্য গ্রেফতার

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে পুলিশ।

গত রাতে (৫ অক্টোবর সোমবার) রাত ১২টায় শশীভূষণ থানার রসুলপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃতরা হলেন রসুলপুর ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা খোকন চাকলাদার, মাকসুদ কর্মকার এবং তাহের।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রসুলপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের শশীভূষণ বাজার সদর দক্ষিণ মাথায় খোকন চাকলাদারের একটি পরিত্যক্ত বসত ঘরের নির্জন স্থানে একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শশীভূষণ থানা পুলিশের একটি বিশেষ চৌকস দল সেখানে আকস্মিক অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে খোকন, মাকসুদ ও তাহেরকে গ্রেফতার করা হয়। তবে অন্ধকার ও ভৌগোলিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে তাদের সাথে থাকা আরও ৩-৪ জন সহযোগী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারের পর তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহƒত বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আহমেদ জানান,গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের করা হয়েছে। পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ দমনে শশীভূষণ থানা পুলিশ সর্বদা তৎপর।

আরও পড়ুন: দালালদের দিন শেষ: কাঠালিয়া থানায় সরাসরি সেবা পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতকানিয়ায় স্কুলের শ্রেণিকক্ষের পাশে হাসপাতালের বর্জ্য, শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


সাতকানিয়ায় স্কুলের শ্রেণিকক্ষের পাশে হাসপাতালের বর্জ্য, শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার কেরানীহাট এলাকায় আশ-শেফা হাসপাতালের বর্জ্য আশ-শেফা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শ্রেণিকক্ষের পাশেই ফেলা হচ্ছে, এমন অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয়দের মধ্যে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আশ-শেফা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শ্রেণিকক্ষের পাশে বিভিন্ন ধরনের পরিত্যক্ত বর্জ্য পড়ে রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বর্জ্যের কারণে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি মশা-মাছির উপদ্রবও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানের পাশে হাসপাতালের বর্জ্য ফেলা নিরাপদ নয়। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ওই শ্রেণিকক্ষ ও আশপাশের এলাকায় চলাচল করে। ফলে এসব বর্জ্য থেকে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে উৎপন্ন বর্জ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও নির্ধারিত নিয়মে অপসারণ না করে বিদ্যালয়ের পাশে ফেলা হচ্ছে। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি দুর্গন্ধ ও মশা-মাছির উপদ্রব বাড়ছে।

শিক্ষার্থীরা বলেন, “ক্লাসরুমের পাশে বর্জ্য থাকায় দুর্গন্ধ পাওয়া যায়। মশা-মাছিও দেখা যায়। এতে আমাদের পড়াশোনায়ও সমস্যা হচ্ছে।”

অভিভাবকরা বলেন, “শিশুদের স্কুলে পাঠানো হয় নিরাপদ পরিবেশে পড়াশোনার জন্য। কিন্তু শ্রেণিকক্ষের পাশে হাসপাতালের বর্জ্য থাকলে বিষয়টি অবশ্যই উদ্বেগের। এই বর্জ্য গুলোর কারণে শিশুরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। দ্রুত এগুলো পরিস্কারের দাবি জানান তারা।

এদিকে, আশ-শেফা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা প্রথমে বর্জ্য ফেলার বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে জানা যায়, হাসপাতালের পাশে থাকা বর্জ্য পুড়িয়ে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিদ্যালয়ের ডিএমডি আজিজুল হক বলেন, “শ্রেণিকক্ষের একেবারে পাশে এভাবে বর্জ্য পড়ে থাকায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। দুর্গন্ধের কারণে অনেক সময় পরিবেশও অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন।”

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অমিত দে বলেন, “এভাবে খোলা জায়গায় বর্জ্য ফেলার কোনো নিয়ম নেই। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যদি এভাবে বর্জ্য ফেলে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি আমরা এখনই দেখব।”

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীব দাশ পুরকায়স্থ বলেন, হাসপাতালের বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে। যদি হাসপাতালের বর্জ্য উন্মুক্ত স্থানে ফেলা হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট যারা আছেন তাদের সাথে কথা বলছি।

স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের কথা বিবেচনা করে দ্রুত এসব বর্জ্য অপসারণ এবং ভবিষ্যতে যাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে কোনো ধরনের চিকিৎসা বর্জ্য ফেলা না হয়, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিরপুরে পোশাককর্মী সায়মন হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


মিরপুরে পোশাককর্মী সায়মন হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর মিরপুরে ছিনতাইয়ের পর পোশাককর্মী সায়মনকে হত্যা করার ঘটনায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একই মামলায় সুজন নামে একজনকে চোরাই মোবাইল কেনার দায়ে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন মো. ইউসুফ, ইকবাল খাঁ ও মেহেদী হাসান। তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল ইসলামের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহেল মিয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। রায় ঘোষণার পূর্বে কারাগারে থাকা ইউসুফ, ইকবাল ও মেহেদীকে আদালতে হাজির করা হয়। রায়ের পর তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতক সুজনের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, সায়মন মিরপুর-১-এর সনি সিনেমা হলের পেছনে লিবার্টি গার্মেন্টসে ১০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতেন। ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর বেতন পাওয়ার পর তিনি দুই সহকর্মী রিফাত হোসেন রাব্বি ও হৃদয় হাসানের সঙ্গে মিরপুর-১ এলাকায় কেনাকাটা করতে যান। রাত ৯টার দিকে বাসায় ফেরার সময় আড়ং শপিং সেন্টারের সামনে তিন ছিনতাইকারী তাকে থামায়।

তাদের একজন সায়মনকে তার ছোট ভাইকে মারধরের অভিযোগ তুলে ভয় দেখায় এবং ‘কথা আছে’ বলে রিকশায় উঠিয়ে নেয়। পরবর্তীতে রিকশাটি দারুস সালাম থানার কোনাবাড়ি হয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এলাকার কাঁচাবাজারের সামনে যায়। সেখানে সায়মনের সহকর্মী রিফাতকে নামিয়ে দিয়ে তাকে স্মৃতিসৌধের ভেতরে নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।

সেখানে ছুরি দেখিয়ে সায়মনের কাছে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন দিতে বলে তারা। সায়মন দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ছুরিকাঘাত করে টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় সায়মনের বাবা শাজাহান শেখ দারুস সালাম থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। তদন্তের সময় পুলিশ ইউসুফকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইকবাল ও মেহেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তে সায়মনের মোবাইল সুজনের কাছে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রির তথ্যও পাওয়া যায়। ইউসুফের কাছ থেকে মোবাইল বিক্রির টাকা উদ্ধার করা হয়।

তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি ইউসুফ, ইকবাল ও মেহেদীর বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের পর হত্যার অভিযোগে এবং সুজনের বিরুদ্ধে চোরাই মাল নিজের কাছে রাখার অভিযোগে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দারুস সালাম থানার উপপরিদর্শক সোহান আহমেদ।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ, আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক শেষে মঙ্গলবার রায় ঘোষণা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘পেশাদার অপরাধী নন’ বলে ১৭ শিক্ষার্থী-সাংবাদিককে জামিন দিল দিল্লির আদালত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৮ পি.এম


‘পেশাদার অপরাধী নন’ বলে ১৭ শিক্ষার্থী-সাংবাদিককে জামিন দিল দিল্লির আদালত

দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নিয়ে গ্রেফতার হওয়া ১৭ জন শিক্ষার্থী ও সাংবাদিককে জামিন প্রদান করেছে। বিচারক অনিমেষ কুমার জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা সকলেই অল্পবয়সি এবং পেশাদার অপরাধী নয়।

গত ৫ অক্টোবর, দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ চলাকালীন ১৭ জনকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। সোমবার রাতে ধৃতদের আদালতে হাজির করে পুলিশ তাঁদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর আবেদন করে। পুলিশের অভিযোগ ছিল, অভিযুক্তরা ১৬৩ ধারা (পুরোনো ১৪৪ ধারা) উপেক্ষা করে বেআইনিভাবে জড়ো হয়েছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশকে হেনস্থা এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগও রয়েছে। পুলিশের দাবি, অভিযুক্তদের মারধরে এক মহিলা কনস্টেবলও জখম হন।

অভিযুক্তদের আইনজীবী সাইমন ফারুকি আদালতে বলেন, ধৃতদের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগের সর্বোচ্চ সাজা সাত বছরের কম কারাবাস। তাই তাঁদের গ্রেফতার করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রায় ৫০ জন বিক্ষোভকারীর মধ্যে মাত্র ১৭ জনকে বেছে বেছে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার কোনো সিসিটিভি ফুটেজ আদালতে উপস্থাপন করতে পারেনি, এই বিষয়টিতেও জোর দেন অভিযুক্তদের আইনজীবী।

দুই পক্ষের সওয়াল শুনে আদালত জানায়, অভিযোগগুলো যথেষ্ট গুরুতর। একজন পুলিশকর্মী জখম হয়েছেন। বিচারক স্পষ্ট করে বলেন, যে কেউ শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার রাখে। তবে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর হামলা একটি গুরুতর বিষয়। তা কখনও বরদাশত করা যায় না। তবুও, অভিযুক্তরা অল্পবয়সি এবং স্বভাবগতভাবে অপরাধী না হওয়ায় তাঁদের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করা হয়। ১৫ হাজার টাকার বন্ডে তাঁদের জামিন দেওয়া হয়েছে।

তবে আদালত কিছু শর্ত আরোপ করেছে। জামিনে থাকাকালীন অভিযুক্তরা নতুন করে কোনো অপরাধমূলক কাজে যুক্ত হতে পারবেন না। তাঁদের ঠিকানা আদালতে জমা দিতে হবে।

তাঁদের মোবাইল ফোন সব সময় চালু রাখতে হবে। আদালতে মামলার শুনানির সময় হাজির থাকতে হবে। আদালতের পূর্ব অনুমতি ছাড়া তাঁরা দেশ ত্যাগ করতে পারবেন না। সূত্র : দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভয়নগরে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ আটক, থানা ঘেরাও ও মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


অভয়নগরে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ আটক, থানা ঘেরাও ও মানববন্ধন

যশোরের অভয়নগরে সাত বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে ৭০ বছর বয়সী লুৎফর রহমানকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার কাদিরপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ এবং মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন বিকেলে ফাঁকা বাড়িতে শিশুটিকে একা পেয়ে প্রতিবেশী লুৎফর রহমান তাকে জোর করে ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে শিশুটি কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে এই বিষয়টি কাউকে জানালে শিশুটিকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সন্ধ্যায় বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে অভয়নগর থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে লুৎফর রহমানকে তার বাড়ি থেকে আটক করে।

এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভয়নগর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আটক লুৎফর রহমান কাদিরপাড়া গ্রামের মৃত মতোয়ালী বিশ্বাসের পুত্র।

ভুক্তভোগী শিশুটির বাড়ি মনিরামপুর উপজেলার কুদলাপাড়া গ্রামে। বর্তমানে তার পরিবার কাদিরপাড়া গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছে।

অভিযোগ অস্বীকার করে লুৎফর রহমান দাবি করেছেন, তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছে। এদিকে বিচার নিশ্চিতের দাবিতে ৬ সেপ্টেম্বর সকালে এলাকাবাসী একটি বিক্ষোভ মিছিল করে। মিছিলকারীরা থানাকে ঘেরাও করে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন থানা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আঃ মজিদ বিশ্বাস, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোহাম্মাদ আলী বেগ সোনা, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বাবুল শেখ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্মসম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি রজব আলী ফারাজী, ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ ইমরান হোসেন গাজী, আঃ রশীদ মোল্লা, আমিনুর রহমান, তরিকুল ইসলাম গাজী, কামরুল ইসলাম সরদার, সাবিনা, মিরু, রুমা খাতুন, রজিনা প্রমূখ।

তারা জানান, অপরাধী লুৎফর রহমানের এহেন কর্মকাণ্ডে গোটা এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ। তারা দাবি করেন, ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে আজকের এই বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ প্রদর্শিত হয়।

অভয়নগর থানার ওসি মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে লুৎফর রহমান ওরফে ‘ডাকাত লুৎফরকে’ আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%