ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

অ্যান্ডোক্রাইনোলজির জন্য জাতীয় ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর


অ্যান্ডোক্রাইনোলজির জন্য জাতীয় ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত দেশের ডায়াবেটিস, থাইরয়েড এবং অন্যান্য হরমোনজনিত রোগের চিকিৎসা ও গবেষণার জন্য অ্যান্ডোক্রাইনোলজির মতো একটি জাতীয় ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি সুপরিকল্পিত অ্যাডভোকেসি শুরু করার পরামর্শও দিয়েছেন।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে নবম আন্তর্জাতিক অ্যান্ডোক্রাইন কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য অনেক বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। তবে অ্যান্ডোক্রাইনোলজির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখনো কোনো জাতীয় ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তিনি বলেন, "ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও স্থূলতাসহ হরমোনজনিত নানা জটিলতায় বিপুলসংখ্যক মানুষ ভুগছেন।"

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান, দেশে আলাদা অ্যান্ডোক্রাইন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করতে হবে

ড. এম এ মুহিত বলেন, বারডেম, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মতো প্রতিষ্ঠানে অ্যান্ডোক্রাইনোলজি নিয়ে উল্লেখযোগ্য কাজ হচ্ছে। তিনি বলেন, "এসব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা তুলে ধরতে হবে।" এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তৈরির ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং গবেষণার সুযোগ বাড়ানোর স্বার্থে এ ধরনের উদ্যোগে সরকার ইতিবাচক পদক্ষেপ নেবে।

স্বাস্থ্য খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অতীতে বিভক্তি ও মানুষকে অসম্মান করার যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, তা থেকে বেরিয়ে আসার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, "প্রধানমন্ত্রী সেই সংস্কৃতি ভেঙে দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার নিরলস চেষ্টা করছেন।" তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের ইতিবাচক চর্চা সমাজ ও স্বাস্থ্য খাতকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।

তরুণ চিকিৎসকদের গবেষণায় আরো মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ড. মুহিত বলেন, মানবদেহের শারীরবৃত্তীয় ও রোগতাত্ত্বিক নানা বিষয়ের সঙ্গে ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও স্থূলতার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। এসব বিষয়ে তরুণ চিকিৎসকদের গবেষণায় বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের তরুণ গবেষকেরা আন্তর্জাতিক গবেষকদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবেন এবং আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে বাংলাদেশের উপাত্ত ও গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করবেন।

আরও পড়ুন: শরীরে জমছে দুই ‘চিরস্থায়ী রাসায়নিক’, বাড়ছে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি: মার্কিন গবেষণা

অনুষ্ঠানে সোসাইটির সভাপতি ড. ফারিয়া আফসানার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন সংগঠনের চিফ পেট্রোন ফারুক পাঠান, ডা. নাসির উদ্দিন আহমেদ এবং রিসার্চ সেক্রেটারি ডা. নাজমা আক্তার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোনালদোর বিদায়ের পর জাতীয় দলের প্রথম স্কোয়াড ঘোষণা করল পর্তুগাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫৯ এম


রোনালদোর বিদায়ের পর জাতীয় দলের প্রথম স্কোয়াড ঘোষণা করল পর্তুগাল

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায়ের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে পর্তুগাল। আসন্ন নেশনস লিগের ম্যাচের প্রস্তুতির জন্য এই স্কোয়াডে সাতজন নতুন ফুটবলারকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন কোচ জর্জে জেসুস। রোনালদোর অনুপস্থিতিতে দলের অধিনায়কত্ব কিভাবে পরিচালিত হবে, সেটিও তিনি পরিষ্কার করেছেন।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ডেনমার্ক ও ওয়েলসের বিরুদ্ধে ম্যাচের জন্য দল ঘোষণা করেন পর্তুগিজ কোচ। নতুন মুখ হিসেবে দলে জায়গা পেয়েছেন আলবার্তো কস্তা, আন্তোনিও সিলভা, মাতেউস ফার্নান্দেস, কার্লোস ফোর্বস, জিওভানি কুয়েন্দা, রদ্রিগো মোরা ও গুস্তাভো ভারেলা। তাদের মধ্যে আলবার্তো কস্তা ও গুস্তাভো ভারেলার জন্য এটি প্রথম জাতীয় দলে ডাক পাওয়া।

তবে নতুনদের অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি, কিছু অভিজ্ঞ ফুটবলারকে ছাড়াই দল গঠন করতে হয়েছে জেসুসকে। নরওয়ের বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখার কারণে ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও বর্তমানে উয়েফার তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় রয়েছেন। ইনজুরির কারণে দলে নেই পিএসজির ডিফেন্ডার নুনো মেন্দেস। এছাড়া, প্রাথমিক বিবেচনায় থাকলেও কৌশলগত কারণে গনসালো ইনাসিও বাদ পড়েছেন।

নতুনদের মধ্যে রদ্রিগো মোরা ও জিওভানি কুয়েন্দা পূর্বে সাবেক কোচ রবার্তো মার্তিনেজের অধীনে জাতীয় দলের ক্যাম্পে অংশ নিয়েছিলেন। তবে এখনো তারা পর্তুগালের মূল দলের জার্সিতে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি।

রোনালদোর বিদায়ের পর পর্তুগালের নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে জেসুস জানিয়েছেন, জাতীয় দলের হয়ে কার কতটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে, সেটির ভিত্তিতে অধিনায়ক নির্বাচন করা হবে। দলের সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা পাঁচজন ফুটবলার সম্মিলিতভাবে নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করবেন।

এই নিয়ম শুধু আসন্ন ম্যাচগুলোর জন্য নয়, ভবিষ্যতেও কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছেন কোচ। সেই হিসাবে রোনালদোর পর নেতৃত্বের দায়িত্বে থাকবেন বার্নার্দো সিলভা, রুবেন দিয়াস, জোয়াও কানসেলো, রুবেন নেভেস ও ব্রুনো ফার্নান্দেস। তবে এই পাঁচজনের মধ্যে কাউকে নির্দিষ্ট অধিনায়ক বা সহ-অধিনায়ক হিসেবে আলাদা করে বেছে নেওয়া হয়নি। সবাই অধিনায়কের দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাবেন।

এদিকে, নেশনস লিগে পর্তুগাল এখন পর্যন্ত দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে। গ্রুপ পর্বের প্রথম চার ম্যাচে জয়লাভ করে তারা আগেভাগেই কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে। গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রাখতে তাদের বাকি ম্যাচগুলো থেকে প্রয়োজন মাত্র এক পয়েন্ট।

ডেনমার্কের বিরুদ্ধে আসন্ন ম্যাচে এক গোলের বেশি ব্যবধানে পরাজয় এড়াতে পারলে ওয়েলসের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগেই গ্রুপসেরা হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে পর্তুগালের। ফলে রোনালদোবিহীন নতুন অধ্যায়ের শুরুতে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি নেতৃত্বের নতুন কাঠামোও থাকবে আলোচনায়।

পর্তুগালের ঘোষিত স্কোয়াড

গোলরক্ষক: দিয়োগো কস্তা (পোর্তো), রুই সিলভা (স্পোর্টিং লিসবন), স্যামুয়েল সোয়ারেস (বেনফিকা)

রক্ষণভাগ: জোয়াও কানসেলো (বার্সেলোনা), দিয়োগো দালোত (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), আলবার্তো কস্তা (পোর্তো), রুবেন দিয়াস (ম্যানচেস্টার সিটি), রেনাতো ভেইগা (ভিয়ারিয়াল), তমাস আরাউজো (বেনফিকা), আন্তোনিও সিলভা (বোর্নমাউথ), নুনো তাভারেস (লাজিও)

মিডফিল্ড: রুবেন নেভেস (আল হিলাল), জোয়াও পালিনিয়া (বেনফিকা), মাতেউস ফার্নান্দেস (টটেনহাম), জোয়াও নেভেস (প্যারিস সেন্ট জার্মেই), ভিতিনিয়া (প্যারিস সেন্ট জার্মেই), ব্রুনো ফার্নান্দেস (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), বার্নার্দো সিলভা (রিয়াল মাদ্রিদ)

আক্রমণভাগ: পেদ্রো নেতো (চেলসি), রদ্রিগো মোরা (রোমা), ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও (আল আহলি), রাফায়েল লেয়াও (গালাতাসারে), জিওভানি কুয়েন্দা (চেলসি), কার্লোস ফোর্বস (ক্লাব ব্রুগে), জোয়াও ফেলিক্স (আল নাসর), গনসালো রামোস (মিলান), ফাবিও সিলভা (বরুসিয়া ডর্টমুন্ড), গুস্তাভো ভারেলা (মঞ্জা)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাস্তা দখল নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫৯ এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাস্তা দখল নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় চলাচলের রাস্তা দখল করে দেয়াল নির্মাণের কারণে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে উপজেলার দরিয়াদৌলত ইউনিয়নের মরিচাকান্দি বাখরনগর উত্তরপাড়া এলাকায় সংঘর্ষটি ঘটে। এই ঘটনায় অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে নারীও রয়েছেন।

এ ঘটনায় দুলাল মিয়াসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই এলাকার বাসিন্দা কাউসার মিয়া।

স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার শতবর্ষী পৈতৃক ও সরকারি চলাচলের রাস্তা দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে চলাচলের রাস্তায় পাকা দেয়াল নির্মাণের চেষ্টা করেন, যা পথ বন্ধ করে দেয়। বাদীপক্ষ এ নির্মাণকাজে বাধা দেওয়ার পর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিপক্ষের হামলায় দেশীয় অস্ত্র ও লোহার পাইপের আঘাতে আলমগীর মোল্লা (৩৫), হাবিবুর রহমান (৫০), রুশিয়া বেগম (৬৫), কাউসার মিয়া (৩৮) ও খাদিজা আক্তার (৩২) আহত হন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে আলমগীর মোল্লার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। হামলার সময় বাদীপক্ষকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার কথাও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াছিন বলেন, ‘আমি কিছুক্ষণ আগে বিষয়টি সম্পর্কে ফোনে শুনেছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মনখালিকে ‘কক্সবাজারের সুইজারল্যান্ড’ হিসেবে তুলে ধরায় সম্মাননা পেলেন ইমন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০০ এম


মনখালিকে ‘কক্সবাজারের সুইজারল্যান্ড’ হিসেবে তুলে ধরায় সম্মাননা পেলেন ইমন

কক্সবাজারের মনখালি গ্রামকে ‘কক্সবাজারের সুইজারল্যান্ড’ হিসেবে পরিচিত করার জন্য পর্যটনবিষয়ক কনটেন্টের মাধ্যমে স্বীকৃতি হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেছেন সংবাদকর্মী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইমরুল কাওসার ইমন।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) কক্সবাজারের সি ওয়ার্ল্ড হোটেলে সাউথ এশিয়ান বিজনেস পার্টনারশিপের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে তার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

ইমরুল কাওসার ইমনের তৈরি একটি ভিডিওতে মনখালি গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরা হয়, যেখানে এলাকাটিকে ‘কক্সবাজারের সুইজারল্যান্ড’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পর্যটকদের মধ্যে মনখালি গ্রাম নিয়ে আগ্রহ সৃষ্টি হয়। স্থানীয় জনগণের কাছেও মনখালি ‘কক্সবাজারের সুইজারল্যান্ড’ নামে পরিচিতি অর্জন করতে শুরু করেছে। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, এর ফলে সেখানে পর্যটকের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাশার গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলহাজ এম. এ. বাশার আবু এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম।

সাউথ এশিয়ান বিজনেস পার্টনারশিপের নির্বাহী পরিচালক মো. গোলাম ফারুক মজনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পর্যটন খাতের বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকেরা উল্লেখ করেছেন যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশের নতুন নতুন পর্যটন গন্তব্য তুলে ধরার মাধ্যমে পর্যটনের সম্ভাবনাকে আরও বিস্তৃতভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে ইমরুল কাওসার ইমনের তৈরি কনটেন্ট মনখালিকে নতুনভাবে পরিচিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেন্টমার্টিন ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন? জরুরি কিছু তথ্য জানুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০১ এম


সেন্টমার্টিন ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন? জরুরি কিছু তথ্য জানুন

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ দ্বীপ সেন্টমার্টিনে আবারও পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। ফলে দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ ভ্রমণের সুযোগ খুলে গেছে পর্যটকদের জন্য। এবার দ্বীপে গিয়ে রাত কাটানোর সুযোগও রয়েছে।

তবে নির্বিঘ্নে ভ্রমণ উপভোগ করার জন্য যাওয়ার আগে জাহাজের টিকিট, যাতায়াত খরচ, আবাসন এবং প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন সম্পর্কে ধারণা রাখা প্রয়োজন।

আগেভাগেই সংগ্রহ করুন জাহাজের টিকিট

যদি সেন্টমার্টিন যাওয়ার পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়ে থাকে, তাহলে দেরি না করে জাহাজের টিকিট বুকিং করে নেওয়া উচিত। শেষ মুহূর্তে টিকিটের সংকট এড়াতে ভ্রমণের তারিখ নির্ধারণের পরই টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থা করা উচিত।

জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইট, গ্রাহকসেবা নম্বর অথবা অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্টের মাধ্যমে টিকিট কেনা যাবে। বুকিংয়ের আগে যাত্রার সময় এবং টিকিটের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে নেওয়া উচিত।

কোন কোন জাহাজে যেতে পারবেন

চলতি পর্যটন মৌসুমে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন নৌপথে প্রায় ১০টি জাহাজ চলাচলের অনুমতি পেয়েছে। এসব জাহাজের মধ্যে রয়েছে এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, বে-ক্রুজার ১, এমভি বারো আউলিয়া এবং কেয়ারি সিন্দাবাদ। ভ্রমণের তারিখ নির্ধারণের আগে কোন জাহাজের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে, তা যাচাই করে নেওয়া উচিত।

যাতায়াত খরচ কত হতে পারে

জাহাজের টিকিটের মূল্য আসনের ধরন এবং সুযোগ-সুবিধার ওপর নির্ভর করবে। সাধারণ আসন থেকে শুরু করে বিজনেস চেয়ার, মোজার্ট চেয়ার, বেড এবং কেবিন—বিভিন্ন শ্রেণির টিকিট পাওয়া যাবে।

যাওয়া-আসার জন্য এসব আসনের টিকিটের দাম প্রায় ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ১৫-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তাই টিকিট কেনার আগে আসনের সুবিধা, ভাড়া এবং আসন খালি আছে কি না, সেসব বিষয় ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত।

ট্রাভেল পাস নিয়ে দুশ্চিন্তার প্রয়োজন নেই।

সেন্টমার্টিন ভ্রমণে যেতে পর্যটকদের জন্য ট্রাভেল পাস বাধ্যতামূলক। তবে এ জন্য আলাদাভাবে নিবন্ধনের ঝামেলা পোহাতে হবে না।

জাহাজের টিকিট বুকিং সম্পন্ন হলে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধন ও ট্রাভেল পাসসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানই সম্পন্ন করবে।

আগে থেকেই বুকিং দিন হোটেল বা রিসোর্ট।

দ্বীপে রাত কাটানোর পরিকল্পনা থাকলে আগেভাগেই আবাসন নিশ্চিত করা ভালো। সেন্টমার্টিনে ২৩০টিরও বেশি হোটেল, রিসোর্ট এবং কটেজ রয়েছে। তবে সেখানে পৌঁছে থাকার জায়গা খোঁজার পরিবর্তে যাওয়ার আগেই পছন্দের হোটেল বুকিং দিলে সময় এবং ভোগান্তি দুটোই কমবে। আবাসনের ধরন এবং সুযোগ-সুবিধা অনুযায়ী হোটেল-রিসোর্টের ভাড়া ভিন্ন হয়ে থাকে।

হোটেল বুকিংয়ের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে গিয়ে চলমান অফার এবং বিশেষ ছাড় সম্পর্কে খোঁজ নিতে পারেন।

ভ্রমণের আগে যে বিষয়গুলো মনে রাখবেন

সেন্টমার্টিনের পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটকদের কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। দ্বীপে প্রবেশের সময় প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে। পাশাপাশি পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখা জরুরি।

ভ্রমণের সময় পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা উচিত। বিশেষ করে পলিথিন এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত। সৈকতে উচ্চ শব্দে গান বাজানো, রাতে দীর্ঘসময় উজ্জ্বল আলো জ্বালিয়ে রাখা কিংবা সৈকতে বারবিকিউ পার্টি আয়োজন করা থেকে বিরত থাকা উচিত।

এছাড়া সৈকতের পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় মোটরচালিত যানবাহন ব্যবহার না করে বাইসাইকেল বেছে নেওয়া যেতে পারে।

সেন্টমার্টিনের সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি দ্বীপটির প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষার দায়িত্বও প্রত্যেক পর্যটকের। তাই ভ্রমণের আনন্দ যেন প্রকৃতির ক্ষতির কারণ না হয়, সেদিকেও সচেতন থাকা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%