বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:৫১ পি.এম
ফোলারিন বালোগানের বিশ্বকাপে নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করার ঘটনায় ফিফার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করতে যাচ্ছে নরওয়ে। দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান দ্য টাইমস-কে বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত পুরো খেলাটিকেই ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
নরওয়েজিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (এনএফএফ) সভাপতি লিসে ক্লাভেনেস বলেছেন, তিনি ফিফার নৈতিকতা কমিটির কাছে অভিযোগ দায়েরের জন্য বোর্ডের অনুমোদন চাইবেন। এটি এমন একটি ঘটনা যা কখনোই ঘটতে পারতো না।
এর আগে এনএফএফ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রথম শান্তি পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছিল। সেই সিদ্ধান্তটি ব্যাপকভাবে উপহাসের শিকার হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত দ্য টাইমস-এর এক সাক্ষাৎকারে ক্লাভেনেস বলেন, "আমি বিষয়টি বোর্ড সভায় তুলব এবং বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করব। এরপর আমরা অভিযোগ দায়ের করব। আমার কাছে এটি একই ধরনের নৈতিকতার প্রশ্ন।"
মূলত বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে বালোগান ইস্যুতে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপকে কেন্দ্র করে। শেষ ৩২-এর ম্যাচে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে বালোগান লাল কার্ড দেখে মাঠ ত্যাগ করেন। নিয়ম অনুযায়ী বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচে তাঁর এক ম্যাচের নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু ফিফা সেই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে। পরে জানা যায় ট্রাম্প ফোন করে ইনফান্তিনোর সঙ্গে কথা বলার পরই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। এতে ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে।
আর তারই সূত্রে অনুপ্রাণিত হয়ে যেন শেষ ষোলতে বেলজিয়াম স্বাগতিকদের ৪-১ গোলে উড়িয়ে দেয়।
ক্লাভেনেস বলেন, "আপনি যখন এভাবে একটি নিয়ম ভেঙে দেন, তখন সেটি এমন এক বিপজ্জনক পথে নিয়ে যায় যা শেষ পর্যন্ত পুরো খেলাটিকেই ঝুঁকির মধ্যে ফেলে। খেলার মৌলিক নিয়মগুলোর সঙ্গে আপস করা হলে সেটি ফুটবলের জন্য উদ্বেগের বিষয়। প্রথমত এটি কখনোই ঘটতে উচিত ছিল না। এখন এ নিয়ে সৎ ও স্বচ্ছ যোগাযোগ হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সবাই জানি, এই সিদ্ধান্ত বাইরের শক্তির প্রভাবে নেওয়া হয়েছে এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।"
তিনি আরও বলেন, "আমাদের দরকার ফিফা প্রধান প্রকাশ্যে স্বীকার করুন যে এটি একটি ভুল ছিল। ধামাচাপা দিয়ে লাভ হবে না।"
২০২২ সাল থেকে এনএফএফের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন সাবেক আন্তর্জাতিক ফুটবলার ক্লাভেনেস। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপ্রধানের চাপের কাছে নতি স্বীকার করা অত্যন্ত বিপজ্জনক নজির। তিনি বলেন, "আপনি যদি রাষ্ট্রনেতাদের বা রাষ্ট্রীয় রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে এভাবে মানিয়ে নিতে শুরু করেন, তাহলে আপনার আচরণ, সংস্থার আচরণ এবং রাষ্ট্রনেতাদের হস্তক্ষেপের সীমারেখাই বদলে যাবে। আর সেটাই এখানে ঘটেছে।"
ক্লাভেনেস আরও অসন্তোষ প্রকাশ করেন এই কারণে যে, দ্য টাইমস-এর তথ্য অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের সিদ্ধান্তটি ফিফার শৃঙ্খলা কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আল-কামালি একা নিয়েছিলেন এবং কমিটির অন্য সদস্যদের সঙ্গে কোনো পরামর্শ করেননি।
তিনি বলেন, "আপনি যখন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেন, বিশেষ করে যখন বাইরের কোনো অত্যন্ত প্রভাবশালী কণ্ঠ আপনার কানে কথা বলছে, তখন সিদ্ধান্ত গ্রহণে একাধিক মতামত থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর যদি তা না থাকে, তাহলে সেটি একটি ভুল।"
ক্লাভেনেস বলেন, বিষয়টি চুপচাপ ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই।
৪৫ বছর বয়সী এই আইনজীবী বলেন, "এখন যদি কেউ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। অনেকে কোচ, খেলোয়াড়, সমর্থক- অনুভব করেছেন যে বিষয়টি খেলার খুব কাছাকাছি গিয়ে আঘাত করেছে।"
আগামী বছরের ফিফা সভাপতি নির্বাচনে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার কোনো ইচ্ছা নেই বলে জানান ক্লাভেনেস। তিনি দক্ষিণ আমেরিকার পক্ষ থেকে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্ব ৪৮ দল থেকে বাড়িয়ে ৬৪ দলে উন্নীত করার প্রস্তাবেরও কড়া সমালোচনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মেজর সকার লিগের দল ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরো। এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন ক্লাবের সহ-মালিক সাবেক ইংলিশ ফুটবলার ডেভিড বেকহ্যাম।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর, ফ্রি এজেন্ট হিসেবে তিনি এই মার্কিন ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন।
তিনি ২০২৭ মেজর লিগ সকার (এমএলএস) মৌসুমের শেষ পর্যন্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। রিয়াল মাদ্রিদ এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক এই তারকা চুক্তিটি ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগও রেখেছেন। এই খবরটি ইএসপিএন থেকে এসেছে।
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার হয়ে বহু বছর এল ক্লাসিকোতে মুখোমুখি লড়াই করার পরে, অবশেষে তাকে লিওনেল মেসির সাথে একই দলে খেলতে দেখা যাবে।
তিনি ইন্টার মায়ামির 'ডেজিগনেটেড প্লেয়ার' (ডিপি) স্লট দখল করবেন না। বর্তমানে ক্লাবের ডিপি স্লটে খেলোয়াড় হিসেবে রয়েছেন লিওনেল মেসি, রদ্রিগো দে পল এবং জার্মান বার্টারেমে।
চুক্তিটি অফিশিয়াল হলেও, এমএলএস কতৃপক্ষ বর্তমানে ইন্টার মায়ামির বিরুদ্ধে একটি ট্যাম্পারিং (নিয়মবহির্ভূত যোগাযোগ) অভিযোগের তদন্ত করছে। এলএ গ্যালাক্সি ক্লাবের কাছে ক্যাসেমিরোর ‘ডিসকভারি রাইটস’ থাকা সত্ত্বেও, মায়ামি সরাসরি তার সাথে যোগাযোগ করেছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।
অবশ্য দুই ক্লাব ইতিমধ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে লিগ কর্তৃপক্ষ নিয়মভঙ্গের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিয়ে ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা জানান, পরিবারসহ মায়ামি শহরের প্রতি ভালোবাসা এবং মূলত লিওনেল মেসির সাথে খেলার তীব্র ইচ্ছা থেকেই তিনি ইউরোপ ও সৌদি আরবের লোভনীয় প্রস্তাব ফিরিয়ে এখানে এসেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনের পিছনে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রশ্রয় ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে, নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামির সঙ্গে কার কী ধরনের যোগসাজশ ছিল, এই প্রশ্নের উত্তরে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, প্রথমত মোজাফফর হোসেন দীর্ঘ সময় পলাতক ছিলেন। যদিও তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তথাপি তিনি এক দেশ থেকে আরেক দেশে অবাধে যাতায়াত করতেন। বাংলাদেশের ভেতরেও নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতেন। তৎকালীন (আওয়ামী লীগ) সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার জন্য তিনি বাংলাদেশে টেলিফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতেন। তিনি অভিজাত অঞ্চলে থাকতেন। সরকারের প্রশ্রয় বা সংশ্লিষ্টতা না থাকলে, উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার সম্পর্ক কিভাবে রক্ষা করতেন, তা অনুমান করা প্রয়োজন। আমরা মনে করি তৎকালীন সরকারের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল, যার মাধ্যমে মোজাফফর হোসেন মানবতাবিরোধী অপরাধে অংশ নেন। তার সঙ্গে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর মতো দুষ্কৃতকারীদেরও সুসম্পর্ক ছিল।
অভিযোগের বিষয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় মোজাফফরের বিচার সেনা আইনে হবে। আমাদের তদন্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের সম্পর্কীয়, তাই এর সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা দেখবো আওয়ামী লীগ সরকারের ১৬ বছরের কর্মকাণ্ডে তার কী সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। অর্থাৎ আমাদের বিচারের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণরূপে আলাদা। তবে মোজাফফর সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে থাকবে। আমাদের প্রয়োজন হলে তাকে সেখান থেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ট্রাইব্যুনালের প্রচলিত আইনে বিচার চলবে।
পাশাপাশি, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ফেনীতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদিনের অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।
এ আদেশ প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল দ্বারা জারি করা হয়।
গত ২১ জুলাই, প্রসিকিউশন তার বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে আবেদন করে। এর ধারাবাহিকতায় মোজাফফরকে আজ সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউরোপের প্রথম ষষ্ঠ প্রজন্মের বিমান বাহিনী গড়ার লক্ষ্যে নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাজ্য।
প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বিএই সিস্টেমস তাদের নতুন কোলাবোরেটিভ কমব্যাট এয়ারক্রাফট, বা লয়াল উইংম্যান ড্রোন ব্রন্টান্যাক্স, আন্তর্জাতিক এয়ারশোতে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে। এই নামটির অর্থ প্রাচীন গ্রীক ভাষায় হল বজ্ররাজ।
যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্সের সম্প্রতি ঘোষিত ‘স্টর্ম ফাইটার’ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে এই ড্রোনটির উন্মোচন করা হলো। প্রদর্শনীতে নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের উপস্থিতিতে ড্রোনটি উপস্থাপিত হয়। এটি কেবল কোনো প্রাথমিক ধারণা নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ প্রোটোটাইপ।
এটি ল্যাঙ্কাশায়ারের ওয়ার্টনে বিএই সিস্টেমসের নিজস্ব কারখানায় সম্পূর্ণ গোপনে তৈরি করা হয়েছে।
ড্রোনটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪১ ফুট এবং এর ডানার বিস্তার ৩৩ ফুট—যা বিএই সিস্টেমসের বিখ্যাত ‘হক’ অ্যাডভান্সড ট্রেইনার জেটের আকারের সমান। ড্রোনটির বাহ্যিক নকশায় উচ্চমানের স্টিলথ প্রযুক্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।
ড্রোনটিতে রয়েছে চ্যাপ্টা ফিউজেলেজ, ট্র্যাপিজয়েডাল ডানা এবং কম-দৃশ্যমান বা 'লো-অবজারভেবল' এয়ার ইনটেক। ফিউজেলেজের গভীরতা নির্দেশ করে যে, ড্রোনটির ভেতরে যথেষ্ট পরিমাণ জ্বালানি ও শক্তিশালী অস্ত্র রাখার জায়গা রয়েছে।
এর শক্তিশালী ল্যান্ডিং গিয়ার দেখে ধারণা করা হচ্ছে, এই ড্রোনটি সাধারণ রানওয়ের পাশাপাশি যুদ্ধজাহাজ থেকেও পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
প্রাথমিকভাবে উইলিয়ামস টার্বোফ্যান ইঞ্জিনে চালিত হওয়ার পর, পরবর্তীতে রোলস-রয়েসের ‘অরফিয়াস’ ইঞ্জিন ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি এখনই ড্রোনটির স্বায়ত্তশাসন প্রযুক্তির বিশদ বিবরণ প্রকাশ করেনি।
মিশনের দিক থেকে ব্রন্টান্যাক্স তিনটি প্রধান কাজ করবে:
১. ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার (EW)
২. নিখুঁত হামলা (Precision Strike)
৩. আকাশ থেকে আকাশে যুদ্ধ (Air-to-Air Combat)
এটি বিমান বাহিনীর টাইফুন, এফ-৩৫ এবং ভবিষ্যতের ‘টেমপেস্ট’ ফাইটার জেটের সঙ্গে একযোগে কাজ করবে। যুদ্ধক্ষেত্রে পাইলটদের নিরাপত্তায় এটি গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল ও আক্রমণকারী হিসেবে কার্যকর হবে। এমনকি ড্রোনটি মাটির মিশন কমান্ডার দ্বারাও নিয়ন্ত্রিত হতে পারে।
একটি আধুনিক টাইফুন ফাইটার জেটের আনুমানিক মূল্য ১১৫ মিলিয়ন ডলার হলেও, ব্রন্টান্যাক্সের নির্মাণ খরচ হবে তার চার ভাগের এক ভাগ, যা প্রায় ২৮.৫ মিলিয়ন ডলার। ফলে কম খরচে অধিক শক্তিমত্তা তৈরি করা সম্ভব হবে।
বিএই সিস্টেমসের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত এই প্রজেক্টটি যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষা শিল্পকে শক্তিশালী করবে। তবে বাজার দখলের ক্ষেত্রে বিএই সিস্টেমসকে যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং (MQ-28 Ghost Bat), জেনারেল অ্যাটমিক্স অথবা নর্থ্রপ গ্রুম্যানের মতো পরাশক্তিগুলোর তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হবে।
যুক্তরাজ্য সরকার ইতিমধ্যে এই সিসিএ প্রোগ্রামে ৪০৬ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের কথা জানিয়েছে। আগামী বছরেই ইউকে-র আকাশে ড্রোনটির প্রথম উড্ডয়ন হতে পারে এবং এটি ন্যাটোর কোনো সামরিক মহড়াতেও অংশগ্রহণ করতে পারে।
রয়্যাল এয়ার ফোর্সের প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল স্যার হার্ভ স্মিথ বলেছেন, মানবসংচালিত বিমানের সাথে চালকমুক্ত আকাশযানের নিখুঁত সমন্বয় আমাদের যুদ্ধক্ষমতা ও প্রথাগত প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি করবে।
এভাবে, ব্রন্টান্যাক্স ড্রোনের আগমন আধুনিক আকাশযুদ্ধে যুক্তরাজ্যের শক্ত অবস্থানের স্পষ্ট বার্তা দেয়।
সূত্র: দ্য টিএমজি নিউজলেটার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুরে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার অভিযানের অংশ হিসেবে বাবা এবং তার ছেলেকে মিলিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) তাজহাট থানার পুলিশ। এই অভিযানটি তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দুটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করার ফলে সফল হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে এই বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম রফিক।
গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিরা হলেন, পীরগঞ্জ উপজেলার মকিমপুর এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে দুলাল মিয়া (৪০) এবং তার ছেলে রাকিব মিয়া (২০)।
পুলিশ জানাচ্ছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার মিঠাপুকুর উপজেলার বৈরাগীগঞ্জ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী উদ্ধার করা হয় দুটি চোরাই মোটরসাইকেল।
উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলোর মধ্যে একটি নিবন্ধিত ইয়ামাহা R15 V3 একটি এবং একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন পালসার NS 160 মোটরসাইকেল রয়েছে।
তাজহাট থানার ওসি রফিকুল ইসলাম রফিক বলেছেন, গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি এই চোরচক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশের দাবি, মোটরসাইকেল চুরির সঙ্গে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রকে আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযানের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে এ ঘটনায় আরও গ্রেপ্তার হতে পারে বলেও জানিয়েছে তাজহাট থানা পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ