ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৯/১১-এর ২৫ বছর পর বদলে গেছে সন্ত্রাসবাদের রূপ


৯/১১-এর ২৫ বছর পর বদলে গেছে সন্ত্রাসবাদের রূপ

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে আল-কায়েদার ভয়াবহ হামলা প্রায় ৩ হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক নিরাপত্তার ধারণাকেও পরিবর্তন করে দেয়। ওই হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’ শুরু হয়। আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান, পরে ইরাক যুদ্ধ এবং বিশ্বজুড়ে গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি পাওয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার কাঠামো পরিবর্তিত হয়। ২৫ বছর পর দেখা যাচ্ছে, আল-কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেটের মতো সংগঠনগুলো তাদের পূর্বের সক্ষমতা হারালেও সন্ত্রাসবাদ পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়নি। বরং এর কাঠামো ও কৌশল পরিবর্তিত হয়ে আরও বিচ্ছিন্ন ও বিকেন্দ্রীভূত হয়ে গেছে।

৯/১১-এর আগে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল শক্তিশালী নেতৃত্ব, সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক, প্রশিক্ষণ অবকাঠামো এবং আন্তঃদেশীয় যোগাযোগ। হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান বৃদ্ধি করে, সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন রোধে ব্যবস্থা নেয় এবং নিরাপত্তা কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আনে। তবে ৯/১১-পরবর্তী সময় এটিও প্রমাণিত হয়েছে যে, শুধুমাত্র তথ্য সংগ্রহ করাই যথেষ্ট নয়; সেই তথ্যের সঠিক বিশ্লেষণ এবং সময়মতো পদক্ষেপ গ্রহণও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

এই পরিবর্তনের ফলে আল-কায়েদার কেন্দ্রীয় কাঠামো বড় ধাক্কা খায়। ২০১১ সালে ওসামা বিন লাদেন এবং ২০২২ সালে তার উত্তরসূরি আয়মান আল-জাওয়াহিরি নিহত হন। আফগানিস্তানে সংগঠনটির পুরোনো ঘাঁটিও আর আগের অবস্থানে নেই। কিন্তু আল-কায়েদা পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। বরং আফ্রিকার সাহেল, সোমালিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ায় সহযোগী সংগঠনগুলোর মাধ্যমে এর প্রভাব টিকে আছে। Reuters-এর সাম্প্রতিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে বলা হচ্ছে, সংগঠনটি এখন আগের তুলনায় বেশি বিকেন্দ্রীভূত কাঠামোয় কাজ করছে এবং বিভিন্ন অঞ্চলের সহযোগী গোষ্ঠীর মাধ্যমে প্রভাব ধরে রেখেছে।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

ইসলামিক স্টেটের ক্ষেত্রেও একই পরিবর্তন দেখা গেছে। ইরাক ও সিরিয়ায় একসময় বিশাল ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণকারী আইএস তাদের তথাকথিত খেলাফত হারিয়েছে। তবে সংগঠনটির বিভিন্ন শাখা এখনো সক্রিয় রয়েছে। গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স ২০২৬ অনুযায়ী, ২০২৫ সালেও আইএস এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলো বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। একই সময়ে সংগঠনটির কার্যক্রম ২২টি দেশ থেকে কমে ১৫টি দেশে সীমাবদ্ধ হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদের সামগ্রিক মাত্রায় কিছুটা উন্নতি হয়েছে। গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স ২০২৬ অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সন্ত্রাসী হামলায় ৫ হাজার ৫৮২ জন নিহত হন এবং হামলার ঘটনা ঘটে ২ হাজার ৯৪৪টি। আগের বছরের তুলনায় প্রাণহানি ২৮ শতাংশ এবং হামলার সংখ্যা প্রায় ২২ শতাংশ কমেছে। ২০০৭ সালের পর এটিই সবচেয়ে কম মাত্রা। তবে একই প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, উদীয়মান বৈশ্বিক সংঘাতের কারণে এই অগ্রগতি ধরে রাখা অনিশ্চিত।

সন্ত্রাসবাদের ভৌগোলিক কেন্দ্রও বদলে গেছে। একসময় মধ্যপ্রাচ্য এবং আফগানিস্তান আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের প্রধান ক্ষেত্র হলেও এখন সাব-সাহারান আফ্রিকা বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স অনুযায়ী, সন্ত্রাসবাদের প্রভাবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১০টি দেশের ছয়টি সাব-সাহারান আফ্রিকায় অবস্থিত। একই প্রতিবেদনে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশটিতে সন্ত্রাসী হামলায় ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত এবং ১ হাজার ৪৫টি হামলার ঘটনা ঘটে।

এই পরিবর্তনের অর্থ হলো, সন্ত্রাসী সংগঠনের জন্য এখন আর ইরাক ও সিরিয়ার মতো বিশাল ভূখণ্ড দখল করে তথাকথিত ‘রাষ্ট্র’ প্রতিষ্ঠা করা অপরিহার্য নয়। দুর্বল রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত এবং সীমান্তের দুর্বল ব্যবস্থাপনাকে কাজে লাগিয়ে ছোট আঞ্চলিক নেটওয়ার্কগুলো অর্থ সংগ্রহ, সদস্য নিয়োগ এবং হামলা চালাতে সক্ষম। ফলে কোনো একটি ঘাঁটি ধ্বংস বা শীর্ষ নেতাকে হত্যা করলেই পুরো নেটওয়ার্কের অবসান হচ্ছে না।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে আনা হলো আনিসুল, পলক ও মামুন

সন্ত্রাসবাদের পরিবর্তিত রূপে প্রযুক্তিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ উগ্রপন্থী প্রচারণা ও সদস্য সংগ্রহের নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ড্রোনের মতো প্রযুক্তি। ইউরোপীয় কর্মকর্তারা বিশেষভাবে সতর্ক করছেন, অনলাইনে তরুণদের উগ্রপন্থায় আকৃষ্ট করা এবং সহিংসতার দিকে ঠেলে দেওয়ার প্রবণতা নতুন ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে।

একই সঙ্গে বেড়েছে একক হামলাকারীর ঝুঁকি। গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স ২০২৬ বলছে, ২০২১ সালের পর তরুণদের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ-সম্পর্কিত তদন্তের সংখ্যা তিনগুণ বেড়েছে। পশ্চিমা দেশগুলোতে একই সময়ে প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী হামলার ৯৩ শতাংশই একক হামলাকারীর মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে। অর্থাৎ বড় কোনো সংগঠনের সরাসরি সদস্য না হয়েও অনলাইন উগ্রপন্থী প্রচারণা থেকে প্রভাবিত হয়ে একজন ব্যক্তি সহিংসতায় জড়িয়ে পড়তে পারে।

ফলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাজও আগের তুলনায় কঠিন হয়ে পড়েছে। ৯/১১-এর আগে বড় সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের যোগাযোগ, অর্থায়ন এবং সাংগঠনিক কাঠামো শনাক্ত করা ছিল অন্যতম লক্ষ্য। এখন একই সঙ্গে নজর রাখতে হচ্ছে বিচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক, স্থানীয় সংঘাত, অনলাইন উগ্রবাদ এবং একক হামলাকারীর ওপর। ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৫-এর প্রধান কেন ম্যাককালাম ৯/১১-এর ২৫তম বার্ষিকীতে সতর্ক করেছেন, অতীতের হুমকির ওপর অতিরিক্ত মনোযোগ দিতে গিয়ে নতুন এবং অপ্রত্যাশিত হুমকি যেন নজর এড়িয়ে না যায়।

৯/১১-পরবর্তী ২৫ বছরের আরেকটি বড় শিক্ষা হলো, শুধুমাত্র সামরিক অভিযান দিয়ে সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করা সম্ভব নয়। আফগানিস্তান এবং ইরাকের দীর্ঘ যুদ্ধ দেখিয়েছে, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, দুর্বল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এবং দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত নতুন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর জন্য পরিবেশ তৈরি করতে পারে। তাই বর্তমান সন্ত্রাসবিরোধী কৌশলে সামরিক অভিযানের পাশাপাশি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, কার্যকর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং উগ্রপন্থা প্রতিরোধকেও গুরুত্ব দিতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন: বটিয়াঘাটায় তিন গুলির ঘটনায় গ্রেফতার নেই, ওসি প্রত্যাহার

গোয়েন্দা ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও একই শিক্ষা প্রযোজ্য। ৯/১১-এর আগে বিভিন্ন মার্কিন সংস্থার কাছে আল-কায়েদা এবং বিন লাদেনের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছিল, কিন্তু সেগুলো যথাযথভাবে সমন্বয় ও কাজে লাগানো যায়নি। পরবর্তী সময়ে তথ্য সংগ্রহ ও বিনিময়ের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। তবু বর্তমান বাস্তবতা দেখাচ্ছে, বিপুল পরিমাণ তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি সেই তথ্য থেকে ভবিষ্যৎ হুমকি সঠিকভাবে অনুমান করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

আজকের বৈশ্বিক নিরাপত্তা বাস্তবতা আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সন্ত্রাসবাদের পাশাপাশি সাইবার হামলা, ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রাষ্ট্রীয় সংঘাত এবং বড় শক্তিগুলোর ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিরাপত্তার হিসাবকে বদলে দিয়েছে। ৯/১১-এর পর গড়ে ওঠা নিরাপত্তা কাঠামোকে তাই নতুন বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যাচ্ছে।

২৫ বছর পর ৯/১১-এর চিত্র তাই দ্বিমুখী। একদিকে বড় সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কগুলোর আগের মতো ব্যাপক হামলা চালানোর সক্ষমতা কমেছে এবং বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসী হামলার সামগ্রিক মাত্রাও নেমেছে। অন্যদিকে হুমকিটি আরও ছড়িয়ে পড়েছে—আফ্রিকার সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল থেকে দক্ষিণ এশিয়া, আবার সংগঠিত নেটওয়ার্ক থেকে অনলাইন উগ্রপন্থায় প্রভাবিত একক হামলাকারী পর্যন্ত।

অর্থাৎ, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের পর বিশ্ব সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় অনেক কিছু শিখেছে, কিন্তু হুমকিটি শেষ হয়নি। আল-কায়েদা এবং আইএসের পুরোনো কাঠামো দুর্বল হলেও সন্ত্রাসবাদ নতুন ভূগোল, নতুন নেটওয়ার্ক এবং নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে। ২৫ বছর পর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তাই শুধু সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করা নয়, বরং কোন পরিবেশে তারা আবার সংগঠিত হতে পারে এবং প্রযুক্তি কীভাবে সেই প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে—তা আগে থেকে বুঝতে পারা। তথ্যসূত্র: বিবিসি, রয়টার্স

আরও পড়ুন: হাম উপসর্গে দেশে আরও ২ জনের মৃত্যু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিপাশা বসুর অভিযোগ: নামী ব্র্যান্ডের পুষ্টিপণ্যে পোকা, তদন্তের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৭ পি.এম


বিপাশা বসুর অভিযোগ: নামী ব্র্যান্ডের পুষ্টিপণ্যে পোকা, তদন্তের দাবি

ভারতে খাবারের মান ও নিরাপত্তা নিয়ে চলমান নানা প্রশ্নের মধ্যে এবার একটি নামী ব্র্যান্ডের পুষ্টিজাত পণ্যে পোকা পাওয়ার অভিযোগ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী বিপাশা বসু। তিনি জানিয়েছেন, নতুন একটি কন্টেনার খোলার পর সেখানে অসংখ্য ছোট ছোট কৃমির মতো পোকা দেখতে পান।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বিপাশা ওই পণ্যের একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওতে কন্টেনারের ভেতরের অংশের দৃশ্য দেখানোর পাশাপাশি পণ্যটি হাতে তুলে ধরে তিনি বিষয়টি তুলে ধরেন। তার দাবি, সদ্য খোলা প্যাকেটের মধ্যে প্রচুর ছোট পোকা রয়েছে।

এই ঘটনার পর মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের কমিশনার তুখারাম মুন্ধেকে বিষয়টি তদন্তের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন বিপাশা। তিনি ভোক্তাদের যেন নষ্ট বা ভেজাল পণ্যের শিকার না হতে হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

তবে বিপাশার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এর আগে টেলিভিশন অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারিও অনলাইনে অর্ডার করা খাবারে আরশোলা পাওয়ার অভিযোগ করেছিলেন।

এদিকে, ভারতের বিভিন্ন এলাকায় খাদ্যপণ্যের মান যাচাইয়ের জন্য অভিযান চলছে। এসব অভিযানে বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ ও দোকানে বাসি, পচা ও অনিরাপদ খাবার পাওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিপাশার এই অভিযোগ নতুন করে খাদ্যপণ্যের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাগুরার শ্রীপুরে ৬ দিনে ফের ২৮৮ বস্তা অবৈধ সার জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৭ পি.এম


মাগুরার শ্রীপুরে ৬ দিনে ফের ২৮৮ বস্তা অবৈধ সার জব্দ

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় সারের বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অবৈধ মজুতের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলার টিকারবিলা বাজারে বৃহস্পতিবার বিকেলে অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে মজুত করা ২৮৮ বস্তা সার উদ্ধার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

একইসাথে, সরকারি অনুমোদন ছাড়া সার মজুত রাখার অভিযোগে জামিরুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। শ্রীপুরের সহকারি কমিশনারের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বিশেষ বার্তা শান্ত-তাসকিন-মিরাজের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৮ পি.এম


বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বিশেষ বার্তা শান্ত-তাসকিন-মিরাজের

বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সচেতন হওয়ার জন্য সকলকে আহ্বান জানিয়েছেন। তারা তাসকিন আহমেদ, নাজমুল হোসেন শান্ত এবং মেহেদী হাসান মিরাজ, যারা প্রয়োজন ছাড়া বিদ্যুৎ ব্যবহার না করার পাশাপাশি নবায়নযোগ্য শক্তির ওপর নির্ভরতা বাড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

বাংলাদেশ টেলিভিশনে সম্প্রচারিত একটি সচেতনতা বার্তায় তাসকিন বলেন, "দেশের অর্থনীতির সঙ্গে জ্বালানি ব্যবহারের সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে সবাইকে সাশ্রয়ী হতে হবে। দেশের অর্থনীতি হচ্ছে একটি লং টুর্নামেন্ট, অযথা জ্বালানি পুড়িয়ে আজকেই সব শেষ করে দেব না।"

শান্তও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দিনের আলো কাজে লাগিয়ে কৃত্রিম আলোর ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দিয়ে বলেন, "দিনের আলোয় যদি ঘর ভরে থাকে, তবে কৃত্রিম আলোর প্রয়োজন কী?"

শান্ত আরও জানান যে, এক ইউনিট বিদ্যুৎ সাশ্রয় করেও বড় পরিমাণে জ্বালানি সাশ্রয় সম্ভব। তিনি বলেন, "জেনে রাখি, ১ ইউনিট বিদ্যুৎ সাশ্রয় করলে প্রায় ৪ ইউনিট জ্বালানি সাশ্রয় হয়।"

মিরাজের বার্তায় শক্তি সঞ্চয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। তিনি চ্যাম্পিয়নদের উদাহরণ টেনে বলেন, "চ্যাম্পিয়নরা জানে কীভাবে শক্তি জমিয়ে রাখতে হয়।"

তাসকিন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নিজেদেরও ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "এবার আমাদের পালা, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পথে চলা। নবায়নযোগ্য শক্তিতে আস্থা রাখি।"

মিরাজ ও শান্ত টেকসই উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অপরিহার্যতা তুলে ধরেন। তাদের যৌথ বক্তব্য ছিল, "টেকসই উন্নয়ন যদি চাই, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিকল্প নেই।"

সবশেষে, তাসকিন, মিরাজ এবং শান্ত সম্মিলিতভাবে আহ্বান জানান, "নবায়নযোগ্য শক্তি জ্বালানি সংকট থেকে মুক্তি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবারও লং মার্চের ঘোষণা দিলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৯ পি.এম


আবারও লং মার্চের ঘোষণা দিলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আবারও লং মার্চের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, দ্বিতীয় লং মার্চ আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুরে অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এই ঘোষণা দেন।

এ সময় জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, সরকার জনগণের দেওয়া রায় উপেক্ষা করেছে এবং প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, "জাতির সঙ্গে দেওয়া ওয়াদা সরকার পালন করেনি। জনগণের গণরায় সরকার উপেক্ষা করেছে। প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যকর হলে কোনো সরকার স্বেচ্ছাচারিতা করতে পারবে না।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকার সংস্কার বাস্তবায়ন না করলেও জনগণের রায় থেকে তারা সরে দাঁড়াবেন না।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "কয়েকটি বিষয় ছাড়া তাদের মতামত সরকার আমলে নেয়নি। ভোটের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করা হলে সেটি হবে প্রতারণার শামিল।"

সম্পদ বণ্টন আইন নিয়েও তিনি আপত্তি জানান। জামায়াত আমির বলেন, "কোরআনের বিপরীতে তারা সম্পদ বণ্টন আইন করেছে। এমন দুঃসাহস ইংরেজরাও করেনি।"

তিনি আরও বলেন, "পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী নির্বাচনের ফলাফল মেনে না নেওয়ায় মুক্তিযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। একইভাবে জনগণের ভোটের রায় সরকার উপেক্ষা করলে সেটি তারা মেনে নেবেন না।"

সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে তার অবস্থান তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "সরকার ভালো কাজ করলে আমরা সমর্থন করব। খারাপ কাজ করলে তার বিরোধিতা করব এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলব।"

র‌্যাব বিলুপ্ত করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) গঠনের বিষয়েও তিনি সমালোচনা করেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "র‌্যাব জাতির সঙ্গে চরম অন্যায় করেছে, তাই আমরা এর বিলুপ্তি চেয়েছিলাম। কিন্তু পুরাতন সদস্য এবং আগের সব কার্যক্রম রেখে নতুন মোড়ক দেওয়া হয়েছে এসআরবি গঠনের মাধ্যমে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%