শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০৭ পি.এম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম। এর আগে তিনি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনের পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের গত ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখের ৩৭.০০.০০০০.০৭৯,১১.০০২.২০২৬-১০২ নম্বর প্রজ্ঞাপনের (ঙ) নম্বর শর্ত অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলামকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর ১১(১) ধারা অনুযায়ী তাকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, তিনি যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা তার অবসর গ্রহণের তারিখ-যেটি আগে ঘটে সেই সময় পর্যন্ত উপাচার্য পদে দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী উপাচার্য পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে উপাচার্যকে সার্বক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।
তবে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক নেতৃত্বে আসছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় নতুন করে ডেমোনেস্ট্রেশন বা ডেমো ক্লাস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। নিয়োগের যোগ্যতায় কিছু আংশিক পরিবর্তনও আনা হয়েছে। তবে, চলমান শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালার অন্যান্য বিষয়গুলো অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪৯তম সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় উপস্থিত এক সিন্ডিকেট সদস্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিন্ডিকেট সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ডেমোনেস্ট্রেশন যুক্ত করা এবারের নীতিমালার অন্যতম প্রধান পরিবর্তন। প্রার্থীদের পাঠদানের সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য ডেমো ক্লাসের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে, শিক্ষক পদে আবেদনের জন্য স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় ন্যূনতম সিজিপিএ ৩ দশমিক ৫ এবং বিভাগের মেধাক্রম অনুযায়ী প্রথম থেকে সপ্তম স্থানের মধ্যে থাকার শর্ত বহাল রয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যদি কোনো প্রার্থী স্নাতক (অনার্স) পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করে, তাহলে সে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম থেকে সপ্তমের মধ্যে না থাকলেও শিক্ষক পদে আবেদন করতে পারবে। একইভাবে, স্নাতক পরীক্ষায় প্রথম থেকে সপ্তমের মধ্যে না থাকলেও স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম হলে আবেদন করার সুযোগ থাকবে। তবে উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম সিজিপিএ ৩ দশমিক ৫ বাধ্যতামূলক। এই পরিবর্তন শুধুমাত্র অনার্স/মাস্টার্স পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জনকারী প্রার্থীদের জন্য প্রযোজ্য।
দেশের বাইরে থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করা প্রার্থীদের জন্য সহযোগী ও অধ্যাপক নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাক্রমের শর্ত প্রযোজ্য হবে না। সিন্ডিকেট সদস্য জানান, কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে যোগ্য কোনো প্রার্থীর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় সিজিপিএ ৩ দশমিক ৫ না থাকলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা পরিকল্পনা কমিটি সুপারিশ করতে পারবে। পরে সিন্ডিকেটের অনুমোদনের মাধ্যমে নতুন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা যাবে, যেখানে যোগ্যতার শর্ত শিথিল করার সুযোগ থাকবে।
নতুন নীতিমালায় প্রার্থীদের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ক্ষেত্রেও শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগের প্রার্থীদের এসএসসি ও এইচএসসির সমষ্টিগত জিপিএ ন্যূনতম ৯ এবং মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৮ দশমিক ৫ হতে হবে। একই সঙ্গে যে-কোনো একটি পরীক্ষায় জিপিএ ৪ থাকতে হবে। শিক্ষক পদে আবেদনকারী থিসিস গ্রুপের প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। ওই নীতিমালায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় ন্যূনতম সিজিপিএ ৩ দশমিক ৫ এবং বিভাগের মেধাক্রম অনুযায়ী প্রথম থেকে সপ্তম স্থানের মধ্যে থাকা প্রার্থীদের শিক্ষক পদে আবেদনের সুযোগ রাখা হয়।
পরবর্তীতে ২০১৭ সালে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সোবহানের দায়িত্ব গ্রহণের পর ওই নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়। ‘শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা-২০১৭’-এ বিভিন্ন অনুষদের ক্ষেত্রে প্রথম থেকে সপ্তম স্থান পর্যন্ত থাকার শর্ত শিথিল করে আবেদনের সুযোগ সম্প্রসারণ করা হয়। কিছু অনুষদে আবেদনের ন্যূনতম সিজিপিএ কমিয়ে ৩ করা হয়, যা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করে।
৫৪৯তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিদ্যমান শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় ডেমোনেস্ট্রেশন, থিসিস গ্রুপ ও পিএইচডি ধারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে সংবেদনশীল বিষয় হলো শিক্ষক নিয়োগ। প্রশাসন ও উপাচার্যের নৈতিক অবস্থান শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। তাই শুরু থেকেই আমরা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি এবং গত ১৭ বছরের শিক্ষক নিয়োগের অভিজ্ঞতাও বিবেচনায় নিয়েছি।"
তিনি আরও বলেন, "নতুন নিয়োগ নীতিমালায় প্রার্থীর অ্যাকাডেমিক ফলাফল, প্রকাশনা, ডিগ্রি ও ডেমনস্ট্রেশনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ডেমোনেস্ট্রেশনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, কারণ ভালো ফলাফলের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও বক্তব্য উপস্থাপনের সক্ষমতাও একজন শিক্ষকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন নীতিমালার সুবিধা-অসুবিধা পর্যালোচনা করে দুর্বলতাগুলো কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে।"
উপাচার্য বলেন, "এর মাধ্যমে আমরা বার্তা দিতে চাই, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এই প্রশাসন কোনো ধরনের আপস করবে না। কোনো প্ররোচনা বা সুপারিশ কাজে আসবে না; প্রার্থীর নিজের যোগ্যতা ও পারফরম্যান্সই নির্ধারণ করবে তিনি শিক্ষক হওয়ার যোগ্য কিনা। সম্প্রতি আইবিএর নিয়োগেও আমরা ডেমোনেস্ট্রেশন নিয়েছি এবং অনার্স ও মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হওয়া প্রার্থীকে নির্বাচিত করেছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে দীর্ঘ ২৭ বছর দায়িত্ব পালনের পর এলাকাবাসী মসজিদের ইমামকে বিদায় জানায়। বিদায়কালে এক লাখ টাকা উপহারের পাশাপাশি ক্রেস্ট ও বিভিন্ন উপহার প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলার ১১ নং মঘাদিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের শেখেরতালুক জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা হুমায়ুন কবির চৌধুরী দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে এই মসজিদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
জুমার নামাজ শেষে মসজিদ কমিটি ও শেখেরতালুক এলাকার বাসিন্দাদের উদ্যোগে এই আয়োজন করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে শেখেরতালুক জামে মসজিদে সুনামের সাথে ইমামতি করেছেন। অসুস্থতার কারণে শুক্রবার মসজিদ প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন বিদায় আয়োজনের মাধ্যমে তিনি শেষ কর্মদিবস পালন করেন।
প্রিয় ইমামকে ক্রেস্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানায় মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও এলাকাবাসী।
এসময় ইমামতি জীবনের অবসান উপলক্ষে মুসল্লী ও গ্রামবাসীর চোখে জল এসে যায় এবং তারা প্রিয় ইমামকে বিদায় জানাতে মসজিদের চত্বরে ভিড় জমায়।
আবেগজড়িত কণ্ঠে ইমাম মাওলানা হুমায়ুন কবির চৌধুরী বলেন, "জীবনের বড় একটি অংশ এ মসজিদে আর গ্রামের মানুষের সঙ্গে কেটেছে। আমি সারা জীবন দিনের খেদমতে নিয়োজিত ছিলাম। আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানাই, তিনি আমাকে এমন সম্মান দিয়েছেন। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।"
বিদায় অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটির আহবায়ক এস.এম সুমন বলেন, "এমন বিদায় সমাজে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তিনিও আমাদের এলাকার বাসিন্দা। অসুস্থতাজনিত কারণে উনাকে বিদায় দিতে হয়েছে। তিনি এলাকার মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয় ছিলেন। ইমামের পরবর্তী জীবন ভালো কাটুক এই দোয়া করছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, মিরপুরের ক্লিনিক রাড্ডা রাতের আঁধারে ভেঙে দেওয়া একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনা ঘটতেই পারে, তবে এর মানে এই নয় যে, রাতের অন্ধকারে ক্লিনিকটি ভেঙে ফেলতে হবে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে দেশব্যাপী বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ উদ্বোধনের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।
এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, মিরপুরের ক্লিনিক ভেঙে দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হবে এবং দায়ীদের বিচার করা হবে।
রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির একটি পাকা ও তিনটি সেমিপাকা ভবনসহ পুরো স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, মুখোশ পরা ২৫০ জনের বেশি দুর্বৃত্ত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে হামলা চালায় এবং দুই নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করে। পরে তারা ক্লিনিকের মূল্যবান যন্ত্রপাতি, ওষুধ, ভ্যাকসিন, ফ্রিজ, এসি, নগদ টাকাসহ বিভিন্ন মালপত্র লুট করে এবং স্থাপনা ভেঙে ফেলে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি অনুযায়ী, এতে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ভিএআরের ভুলের কারণে লাল কার্ড দেখা সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলো আবারও সমস্যায় পড়েছেন। করোনার সনদ জালিয়াতির পুরনো একটি ঘটনার কারণে নেশন্স লিগের স্কোয়াড থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে।
শুক্রবার সুইস ফুটবল ফেডারেশন একটি বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে এমবোলো দলে যোগ দিচ্ছেন না। এই সিদ্ধান্ত দলের অভ্যন্তরীণ পরিবেশকে শান্ত রাখার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ফেডারেশনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "আসন্ন ম্যাচগুলোতে দল যেন পুরোপুরি মনোযোগ ধরে রাখতে পারে, সেই লক্ষ্যেই তাকে এই মুহূর্তে স্কোয়াডের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"
এর আগে, মহামারীর সময় ভুয়া টিকাদানের সনদ জালিয়াতির ঘটনায় অধিনায়ক গ্রানিত জাকা দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সুইজারল্যান্ডের হয়ে রেকর্ড ১৫২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা জাকা পরে জালিয়াতির সনদ নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে নিজের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন।
চলতি নেশন্স লিগে সুইজারল্যান্ডের দ্বিতীয় স্তরের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে শনিবার উত্তর মেসিডোনিয়ার মুখোমুখি হবে তারা। এরপর মঙ্গলবার স্কটল্যান্ডের মাঠে খেলার পর লুজার্নে নিজেদের মাঠে উত্তর মেসিডোনিয়া ও স্লোভেনিয়ার বিপক্ষে খেলবে সুইসরা।
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিতর্কিত লাল কার্ড দেখানোর কারণে ২৯ বছর বয়সী এমবোলোর নিষেধাজ্ঞা ছিল এবং তিনি খেলতে পারতেন না। পরবর্তীতে ফুটবলের নিয়মকানুন নির্ধারণী সংস্থা ‘আইএফএবি’ স্বীকার করে নেয় যে, ভিডিও ভিএআর প্রোটোকল ভুলের কারণে এমবোলোকে ভুলবশত মাঠ ছাড়তে হয়েছিল।
শুক্রবার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘সুইজারল্যান্ড টুডে’ এমবোলোর পুরনো ভুয়া টেস্ট সনদের শাস্তির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করলে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
উল্লেখ্য, কাতার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক কাতারের বিপক্ষে ১-১ ড্রয়ের ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছিলেন এমবোলো। যুক্তরাষ্ট্রের ভিসাসংক্রান্ত জটিলতায় সতীর্থদের চেয়ে কয়েক দিন পরে পৌঁছালেও টুর্নামেন্টে দারুণ পারফর্ম করেন তিনি। পরবর্তীতে শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে আলজেরিয়ার বিপক্ষে জয়েও তার অবদান ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ