ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হরমুজ পাড়ি দিয়ে দেশে ফিরছেন এমভি বাংলার জয়যাত্রার ১৬ নাবিক


হরমুজ পাড়ি দিয়ে দেশে ফিরছেন এমভি বাংলার জয়যাত্রার ১৬ নাবিক

চার মাসের দীর্ঘ রুদ্ধশ্বাস স্মৃতি ভুলে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’ জাহাজ ছাড়ছেন তাদের ক্যাপ্টেন ও চিফ ইঞ্জিনিয়ারসহ ১৭ জন নাবিক।

দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান বন্দরের থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহতি গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে আজ ১৬ জন একটি ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ক্যাপ্টেন মো. শফিকুল ইসলামসহ ১৬ জন এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। তবে, তাদের মধ্যে চিফ ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল হাসান দেশে ফিরছেন না, তিনি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের প্রাণহানি

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে প্রায় চার মাস ধরে আটকা পড়েছিলেন বাংলার জয়যাত্রা জাহাজে থাকা ৩১ নাবিক ও ক্রু। এ ঘটনায় ১৭ জন দায়িত্ব বুঝিয়ে ডারবান বন্দরে অব্যাহতি নিয়ে যান।

চিফ ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল হাসান জানান, তারা দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধকালীন রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির মুখোমুখি ছিলেন। इस কারণে অনেক নাবিক মানসিক চাপ অনুভব করছেন। ৩১ নাবিকের মধ্যে প্রথম দফায় ১৭ জন নাবিক বন্দর থেকে অব্যাহতি নেন। তাদের পরিবর্তে ১৫ জন নতুন নাবিক জাহাজের দায়িত্ব বুঝে নিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যেও তারা জাহাজটি সফলভাবে দক্ষিণ আফ্রিকায় নিয়ে যাওয়ার কাজটি সম্পন্ন করেন।

বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক জানান, ডারবান বন্দরে পণ্য খালাস করার পর সেখানে জাহাজে চিনি বোঝাই করা হবে। পরে জাহাজটি মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে।

গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাল্ক ক্যারিয়ার এমভি বাংলার জয়যাত্রা। তারা চোখের সামনে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মতো ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক জাহাজ ও নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হন। দীর্ঘ কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রচেষ্টার পর গত ২২ জুন হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি পেয়ে জাহাজটি মুক্ত হয়। এরপর এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর হয়ে গত ১৬ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান বন্দরে নিরাপদে নোঙর করে।

আরও পড়ুন: বীরগঞ্জে আদিবাসীদের মিলনমেলায় বাঁশি-দোতারার সুরে শত বছরের ঐতিহ্য উদযাপন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লিতে আন্দোলন চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ শাবানা আজমি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৬ এম


দিল্লিতে আন্দোলন চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ শাবানা আজমি

ভারতের দিল্লিতে সোমবার (২০ জুলাই) ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রবীণ বলিউড অভিনেত্রী শাবানা আজমি। ৭৫ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীর অর্ধচেতন অবস্থার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে ভক্তদের মাঝে ব্যাপক উদ্বেগ ও আলোচনা হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে দেখা যায় যে, অসুস্থ শাবানা আজমিকে তার চারপাশের লোকেরা ধরে ধরে নিয়ে যাচ্ছেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাকর্মীদের দ্রুত গেট খোলার জন্য অনুরোধ জানান। এরপর গেট খুলে দেওয়া হলে, অভিনেত্রীকে সিকিউরিটি কেবিনের কাছে নিয়ে বসিয়ে বিশ্রামের সুযোগ দেওয়া হয়।

রবিবার থেকেই সিজেপি-র অনশনরত অভিজিৎ দীপকসহ অন্যান্য আন্দোলনকারীদের সমর্থন জানাতে যন্তর মন্তরে উপস্থিত ছিলেন শাবানা আজমি। পিটিআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তাদের প্রতিবাদটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং উদ্দেশ্য হলো মহাত্মা গান্ধীর পথ অনুসরণ করে গণতান্ত্রিক অধিকার বজায় রাখা।

প্রতিবাদে অন্য বলিউড তারকারা কেন যোগ দিচ্ছেন না—এমন প্রশ্নের জবাবে আজমি পাল্টা প্রশ্ন করেন, কেন কেবল চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বদেরই এই প্রশ্ন করা হয়, শিল্পপতি বা ব্যবসায়ীদের নয়? তিনি উল্লেখ করেন, তারকাদের ওপর বেশি নজর দিলে মূল আন্দোলনের ইস্যুগুলো আড়ালে পড়ে যায়।

সিজেপি-র এই আন্দোলনে শাবানা আজমি ছাড়াও স্বরা ভাস্কর, প্রকাশ রাজ ও পুনম পান্ডের মতো তারকারাও যন্তর মন্তরে এসে সমর্থন জানিয়েছেন। একদিকে শাবানা আজমির অসুস্থতা নিয়ে নেটিজেনরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন, অন্যদিকে তারকাদের আন্দোলনমুখী ভূমিকা নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জোরালো আলোচনা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হজ প্যাকেজ আজ ঘোষণা, বিমান ভাড়া কমবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৯ এম


হজ প্যাকেজ আজ ঘোষণা, বিমান ভাড়া কমবে

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) আজ প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে ২০২৭ সালের জন্য হজ প্যাকেজ ঘোষণা করবেন।

আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ প্রসঙ্গে একটি প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী বছর বিমান ভাড়া কিছুটা কমানো হবে। ভাড়া এক লাখ ৫৪ হাজার থেকে কমিয়ে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা করা হতে পারে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের জন্য দুটি প্যাকেজ ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে।

২০২৬ সালে হজযাত্রীদের জন্য সরকার তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল।

এ হজ প্যাকেজ-১ (বিশেষ) এর খরচ হিসেবে ধরা হয়েছে ছয় লাখ ৯০ হাজার ৫৯৭ টাকা। হজ প্যাকেজ-২ এর জন্য খরচ ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ৫৮ হাজার ৮৮১ টাকা, এবং হজ প্যাকেজ-৩ এর জন্য খরচ ধরা হয়েছে চার লাখ ৬৭ হাজার ১৬৭ টাকা।

এছাড়া হজ এজেন্সিগুলোর জন্য ‘বেসরকারি মাধ্যমের সাধারণ হজ প্যাকেজ’ শিরোনামে একটি প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ প্যাকেজের খরচ ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ নয় হাজার ১৮৫ টাকা। সরকার অনুমোদিত এই প্যাকেজটির সাথে এজেন্সিগুলো অতিরিক্ত দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করার সুযোগ পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীর ১২০ মোড়ে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল বসতে যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ এম


রাজধানীর ১২০ মোড়ে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল বসতে যাচ্ছে

রাজধানীর ১২০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আগামী ছয় মাসের মধ্যে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ইতোমধ্যে ১২টি পয়েন্টে এই ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

আগামী মাসখানেকের মধ্যে এই সংখ্যা ৬০ ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছে ট্রাফিক বিভাগ।

একই সঙ্গে যানজট কমাতে গত প্রায় এক বছরে নগরীর ৭৫টি পয়েন্টে সড়ক ডাইভারশন ও প্রকৌশলগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। ভবিষ্যতে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ভিত্তিক ট্রাফিক নজরদারিসহ প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থা আরও আধুনিক করার পরিকল্পনা রয়েছে ডিএমপির।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে ডিএমপি ট্রাফিকে প্রায় ৪ হাজার ১০০ সদস্য কর্মরত রয়েছেন। তবে ছুটি, প্রশিক্ষণ ও অসুস্থতার কারণে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার ৭০০ সদস্য রাজধানীর ৬৬৮টি ট্রাফিক পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে প্রায় ২৫টি পয়েন্টে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করতে হয়। এসব পয়েন্টে তিন পালায় ডিউটি চলে।

বাকি অধিকাংশ পয়েন্টে দুই পালায় দায়িত্ব পালন করা হয়।

আনিছুর রহমান বলেন, সীমিত জনবল দিয়েই রাজধানীর যানজট কমাতে গত প্রায় এক বছরে ৭৫টি পয়েন্টে ডাইভারশন ও বিভিন্ন ধরনের মডিফিকেশন করা হয়েছে। কোথাও ডাইভারশন দেওয়া হয়েছে, কোথাও সড়কের চলাচল ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর ফলে এখন পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের যানজট বা নতুন কোনো জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার কোনো প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। বরং মাঠপর্যায়ে যানজট কমার ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্তে আসাদ গেটের ওপাশে চার রাস্তার মোড়ে আগে প্রায়ই যানজট লেগে থাকত এবং সেখানে ট্রাফিক সদস্য মোতায়েন করতে হতো। পরে ওই মোড়ে সরাসরি চলাচল বন্ধ করে বাম দিকে ঘুরে অল্প দূরে ইউটার্ন নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে বাম লেন সব সময় সচল থাকছে এবং যানবাহনের চাকা আর থেমে থাকছে না। ওই জংশন পরিচালনায় ৮ জন পর্যন্ত সদস্য কমানো সম্ভব হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, একই ধরনের ডাইভারশন ও মডিফিকেশন মোহাম্মদপুরের বসিলা, বনানীর কাকলী, মিরপুরের ইসিবি চত্বর ও কালশী ফ্লাইওভারের নিচেও করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের মতে, ঢাকা একটি অত্যন্ত জনবহুল মেগাসিটি। এখানে শুধুমাত্র ট্রাফিক সদস্যের সংখ্যা বাড়িয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। সড়কের নকশা বিশ্লেষণ করে বৈজ্ঞানিকভাবে ডাইভারশন ও মডিফিকেশন করা হলে সেটিই সবচেয়ে কার্যকর হয়। এ কারণে ৭৫টি স্থানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। আরও কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। সেগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে বর্তমান জনবল দিয়েই আরও ভালো সেবা দেওয়া সম্ভব হবে বলেও তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, কোথায় কখন যানজট বেশি হয়, সে বিষয়ে ট্রাফিক বিভাগের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কোথাও পিক আওয়ার, কোথাও অফ-পিক আওয়ার। সে অনুযায়ী সদস্য মোতায়েন করা হয়। তবে শুধু ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে দীর্ঘদিন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করা সম্ভব নয়। এ ব্যবস্থার সঙ্গে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে যুক্ত করতে হবে। সেটিই হবে দীর্ঘমেয়াদি টেকসই সমাধান।

আনিছুর রহমান বলেন, রাজধানীতে পর্যায়ক্রমে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। বর্তমানে ১২টি পয়েন্টে এই ব্যবস্থা রয়েছে। আগামী মাসখানেকের মধ্যে তা ৬০টি পয়েন্ট অতিক্রম করবে। এরপর আগামী ছয় মাসে রাজধানীর প্রধান ১২০টি পয়েন্টকে এ ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সিগন্যালগুলো ম্যানুয়ালি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। প্রয়োজন অনুযায়ী সিগন্যালের সময় পরিবর্তন করা সম্ভব। তবে উন্নত দেশগুলোতে একটি অ্যালগরিদমের মাধ্যমে পুরো সিস্টেম পরিচালিত হয়। একটি সিগন্যাল আরেকটি সিগন্যালের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কতটি যানবাহন এসেছে, তার ভিত্তিতে ৪০, ৬০, ৮০ সেকেন্ড বা কতক্ষণ সিগন্যাল চালু থাকবে, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত হয় এবং পাশের জংশনের সঙ্গেও সমন্বয় করা হয়।

বর্তমানে সেমি-অটোমেটিক ব্যবস্থা চালুর কারণ ব্যাখ্যা করে আনিছুর রহমান বলেন, উন্নত দেশগুলোর সড়ক অত্যন্ত বৈজ্ঞানিকভাবে পরিকল্পিত ও প্রকৌশলগতভাবে নির্মিত। কোথায় কীভাবে মোড় হবে, কত ডিগ্রি কোণে বাঁক থাকবে, কোথায় উঁচু বা নিচু হবেÑসবই পরিকল্পনা অনুযায়ী করা হয়। বাংলাদেশের সড়কব্যবস্থা শুরু থেকেই সে ধরনের পরিকল্পনায় গড়ে ওঠেনি। তাই উন্নত দেশের মডেল পুরোপুরি এখানে প্রয়োগ করা সম্ভব নয়।

বর্তমান ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে আনিছুর রহমান বলেন, গত দুই মাসে নগরবাসীর কাছ থেকে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সহযোগিতা পাওয়া গেছে। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ট্রাফিক আইন মেনে চলছেন, সিগন্যাল অনুসরণ করছেন এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখছেন। এর ফলে আগের তুলনায় দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকার ঘটনা অনেকাংশে কমেছে।

তবে তিনি বলেন, ঢাকার সব সমস্যা শেষ হয়ে যায়নি। ভারী বৃষ্টিপাত হলেই এখনো সড়ক অচল হয়ে যায়। আবার সড়ক অবরোধ করে মিছিল, মিটিং ও বিক্ষোভও যান চলাচলে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। তাই ঢাকার যানজটকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। তেজগাঁওয়ের সমস্যা মতিঝিলকে, আবার মিরপুরের সমস্যা ওয়ারীকেও প্রভাবিত করে।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতের সময়ও অনেক ক্ষেত্রে অটোমেটিক সিস্টেম কার্যকরভাবে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। তখন ম্যানুয়ালি সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। তবে ভবিষ্যতে পুরোপুরি অটোমেটিক ব্যবস্থায় যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রস্তুতি চলছে। তবে এর বাস্তবায়ন রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর নির্ভর করবে বলেও জানান তিনি।

যানজট নিরসনে শুধু ট্রাফিক পুলিশের উদ্যোগ যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে আনিছুর রহমান বলেন, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা এবং সড়ক ব্যবহারকারী প্রত্যেক মানুষেরই দায়িত্ব রয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দেশের বড় সমস্যা বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের অভাব। অনেক সময় প্রয়োজনীয় সমন্বয় ছাড়াই রাতারাতি রাস্তা কেটে উন্নয়নকাজ শুরু করা হয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো অনেক ক্ষেত্রে ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে আগাম যোগাযোগও করে না।

তিনি বলেন, অনেক সময় সকালে দেখা যায়, রাতের বেলায় রাস্তা কেটে রাখা হলেও দিনের বেলায় সেখানে কোনো কাজই হচ্ছে না। এতে যান চলাচলে বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়। আবার বিভিন্ন সংস্থা কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় ট্রাফিক সিগন্যালের কেবল কেটে ফেলায় পুরো সিগন্যাল ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উন্নয়ন কাজের পাশাপাশি কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করাও জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শরিয়াহ আইন নিয়ে কড়া বার্তায় বিতর্কের মুখে ইব্রাহিম ট্রাওরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪১ এম


শরিয়াহ আইন নিয়ে কড়া বার্তায় বিতর্কের মুখে ইব্রাহিম ট্রাওরে

বুরকিনা ফাসো, যা আফ্রিকা মহাদেশের পশ্চিমভাগে অবস্থিত, সেখানে কখনোই শরিয়াহ আইন বা মুসলিম আইন চালু করা হবে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ও সামরিক কর্মকর্তা ইব্রাহিম ট্রাওরে। তিনি একই সঙ্গে সৌদি আরব থেকে শরিয়াহ আইন নিয়ে পড়াশোনা করা বুরকিনাবের নাগরিকদের দেশে ফিরে না আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, নাইজেরিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি পোস্ট নাইজেরিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

তিনি সোমবার (২০ জুলাই) দেশব্যাপী সম্প্রচারিত এক ভাষণে এ মন্তব্য করেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাওরে বলেন যে, তিনি নিজে মুসলিম হলেও বুরকিনা ফাসোতে প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশে শরিয়াহ আইন চালুর কোনো সুযোগ নেই।

ট্রাওরে আরও বলেন, "আমি একজন মুসলিম। কিন্তু বুরকিনা ফাসোর প্রত্যেক মানুষের নিজের ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে। এই দেশে কখনোই শরিয়াহ আইন চালু হবে না।"

তিনি সৌদি আরবে শরিয়াহ আইন নিয়ে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "তোমরা বুরকিনা ফাসোতে ফিরে এসো না।" তিনি আলোচনা করেন যে, দেশের উন্নয়নে কাজে লাগবে এমন প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের পরিবর্তে শিক্ষার্থীরা শরিয়াহ আইন পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই তারা যেখানে আছেন, সেখানেই থাকতে হবে এবং তাদের দেশে ফিরতে দেওয়া হবে না।

প্রেসিডেন্ট ট্রাওরে তার বক্তব্যে আরও বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য প্রযুক্তি ও দক্ষতার ভিত্তিতে শিক্ষা প্রয়োজন। সে কারণেই শিক্ষার্থীদের এমন বিষয়ে পড়াশোনায় গুরুত্ব দেওয়া উচিত, যা দেশের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

সূত্র: ডেইলি পোস্ট নাইজেরিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%