মনিরুল ইসলাম, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি
০৯:৫৬ পি.এম
মাদকের করাল গ্রাসে নিমজ্জিত সারাদেশ। ধ্বংসের পথে পা বাড়াচ্ছে কিশোর,তরুণ ও যুব সমাজ। শুধু তাই নয় অনেক কিশোরী ও যুবতী মাদক সেবন করছে বলে জানা গেছে। আর এর প্রভাব পড়েছে নওগাঁর সাপাহারেও। মাদকের করাল গ্রাস থেকে যুব সমাজকে উদ্ধার করতে পারে খেলা-ধুলা ও সুষ্ঠ বিনোদন। এমনটাই বলছিলেন সাপাহার উপজেলা পরিষদে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহবুব আলম।
একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সারাদেশের মতো আমাদের এলাকাও মাদকের ছড়াছড়ি শুরু হয়েছে। মাদকের থাবা পড়েছে যুবকদের মাঝে। বাদ পড়েনি কিশোর ও তরুণীরাও।
এই উপজেলাটি ভারতীয় সীমান্তের কাছাকাছি হবার ফলে খুব সহজেই মাদকের সরবরাহ বাড়ছে এমনটাও ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, আমরা গত ৩১ অক্টোবর শনিবারে উপজেলার স্বনামধন্য হাজারীবাগান ফুটবল মাঠে ফুটবল খেলার আয়োজন করেছিলাম। সেখানে চার ইউনিয়ন খেলায় অংশগ্রহণ করে। এবং দর্শকের পরিমাণও ছিলো স্বতস্ফুর্ত। এভাবে যদি যুব সমাজের মধ্যে খেলা-ধুলা ও সুষ্ঠ সংস্কৃতি বিস্তার করা যায় তাহলে অনেকটা মাদকমুক্ত হতে পারে এই উপজেলার তরুণ ও যুব সমাজ। তিনি বলেন, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি সাপাহার উপজেলা পরিষদে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। যদি সাধারণ জনগণ ও যুবকরা দলমত নির্বিশেষে সকলে আমাকে নির্বাচিত করেন তাহলে আমি সকলের সহযোগীতায় এই উপজেলার মাদকের গ্রাসে পথভ্রষ্ট যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করার আপ্রাণ চেষ্টা করবো। এছাড়াও দূর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজী সব ধরণের অপকর্ম বন্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
সর্রবপরি তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দল-মত,জাত-ধর্ম, বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকলের দোয়া, আশীর্বাদ ও সমর্থন চেয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারসহ তিন দফা দাবিতে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) চট্টগ্রামে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচিতে বিএনপিকে ১৭ বছরের গুম-খুনের ঘটনা স্মরণ করিয়ে দেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব ও ডাকসু নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমা।
তিনি বলেন, "বিএনপির ভাই-বোনেরা মনে হয় সবকিছু ভুলে গেছেন। গত ১৭ বছর তাদের সঙ্গে কী হয়েছিল, তারা ভুলে গেছেন। শহীদ ওয়াসিমের রক্তের কথা ভুলে গেছেন। তারা মনে হয় ভুলে গেছেন ইলিয়াস আলীর সঙ্গে কী হয়েছিল।"
‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুপুরে নগরীর আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি জামালখান এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারসহ তিন দফা দাবিতে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) চট্টগ্রামে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
ডাকসু নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং পুলিশের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, "স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পেটুয়া বাহিনী পুলিশ কিভাবে একটি ছাত্রী হলে ঢুকে পুরুষ পুলিশ মেয়েদের গায়ে হাত দিয়ে টেনেহিঁচড়ে বের করে?"
সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, "বাংলাদেশে ২০০২ সালে একটা ঘটনা ঘটেছিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলে। ওই সময়ে প্রভোস্টকে সরানোর যে আন্দোলন হয়েছিল, সেই আন্দোলনে তৎকালীন বিএনপি সরকার তাদের পেটুয়া বাহিনী পুলিশ এবং ছাত্রদের দিয়ে মেয়েদের হলে ঢুকে নির্যাতন করেছিল। গতকাল (বৃহস্পতিবার) তারা এই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করেছে। আপনারা হয়তো ভিডিওটা দেখেছেন। যেখানে একটা মেয়ে তারা শান্তিপূর্ণভাবে অধ্যক্ষের অপসারণ চাচ্ছিল, তাকে চুলের মুঠি ধরে টানতে টানতে নিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ মেয়েদের গায়ে হাত দিচ্ছে।"
বর্তমান পুলিশের ভূমিকা নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, "এরা জুলাইয়ের চেয়ে বেশি হিংস্র হয়ে গেছে। এবার আমরা আর বহুদিন খাইতে দিব না। এবার খাওয়ার আগেই আপনাদের জেলে যেতে হবে।"
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার, ইনকিলাব মঞ্চের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবের। এছাড়া সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ গণিত সমিতি ও এ এফ মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ১৭তম জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড ২০২৬-এর দিনাজপুর অঞ্চলের প্রতিযোগিতায় অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতায় সেরা ১০ জনের মধ্যে স্থান করে নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির পাঁচজন শিক্ষার্থী।
আজ শুক্রবার (০৬ নভেম্বর ২০২৬) দেশের আটটি অঞ্চলে একযোগে এ অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়। এর অংশ হিসেবে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতায় মেধা, দক্ষতা ও গাণিতিক সমস্যা সমাধানের সক্ষমতার স্বাক্ষর রেখে সেরা ১০ জনের মধ্যে পাঁচজনই বেরোবির শিক্ষার্থী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। নির্বাচিত বিজয়ীরা আগামী ৪ ডিসেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণ করবেন।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর শিক্ষার্থীদের এ অসাধারণ সাফল্যে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী। অভিনন্দন বার্তায় উপাচার্য বলেন, “জাতীয় পর্যায়ের একটি মর্যাদাপূর্ণ গণিত অলিম্পিয়াডে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচজন শিক্ষার্থীর সেরা ১০-এর মধ্যে স্থান করে নেওয়া অত্যন্ত গৌরব ও আনন্দের বিষয়। এ অর্জন তাঁদের মেধা, অধ্যবসায়, নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি। আমি বিজয়ী শিক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আশা করি, জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায়ও তারা নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর সুনাম ও মর্যাদা আরও সমুন্নত করবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও মেধার বিকাশে সবসময় উৎসাহ ও সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (আইবিডব্লিউএফ) শেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে ব্যবসায়ী সমাবেশ-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে জেলার পাঁচ উপজেলার প্রায় তিন শতাধিক ব্যবসায়ী অংশগ্রহণ করেন। এতে ব্যবসার অভিজ্ঞতা বিনিময়, ব্যবসায়িক সমস্যা ও সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যতে ব্যবসার প্রসার ঘটানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১০টায় শেরপুর শহরের মাধবপুর এলাকায় অবস্থিত শেরপুর উৎসব কমিউনিটি সেন্টারে এ সমাবেশ শুরু হয়। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইবিডব্লিউএফের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির ট্রেজারার মো. হুমায়ুন কবীর পাটোয়ারী, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সভাপতি শামসুদ্দোহা মাসুম এবং মো. ফজলে আজীম পারভেজ।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর-১ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। বক্তব্য দেন মো. গোলাম কিবরিয়া ডিপি।
সমাবেশে শেরপুর সদর, নালিতাবাড়ী, নকলা, ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলার ব্যবসায়ীরা অংশ নেন। এ সময় তাঁরা নিজ নিজ ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং ব্যবসা পরিচালনায় বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা ও নতুন উদ্যোগের বিষয়ে মতামত বিনিময় করেন।
বক্তারা ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক সহযোগিতা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পরিকল্পিতভাবে ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সমাবেশে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীরা এ আয়োজনকে নিজেদের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করা এবং ভবিষ্যতে ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে নতুন ধারণা অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের বহুল আলোচিত ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন-২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে মাত্র দুই ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান পদে মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা এবং এক ভোটের ব্যবধানে সেক্রেটারি পদে নিলয় চক্রবর্তী বিজয়ী হয়েছেন। একই সঙ্গে ভাইস চেয়ারম্যানসহ পরিচালক পদে নির্বাচিত হয়েছেন আরও সাতজন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার ৬৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৪৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীকে ৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মৌদাম সেসিপ মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ার আহাম্মদ চেয়ার প্রতীকে পেয়েছেন ৭৩ ভোট। ফলে মাত্র দুই ভোটের ব্যবধানে নির্ধারিত হয় এ পদের জয়-পরাজয়।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে আপেল প্রতীকে ৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন পূর্বধলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর মো. গোলাম মোশাররফ হোসেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী আশিক মাহমুদ বই প্রতীকে পেয়েছেন ৭৩ ভোট।
অন্যদিকে, সেক্রেটারি (সাধারণ সম্পাদক) পদে ফুটবল প্রতীকে ৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন ডা. মোহাম্মদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিলয় চক্রবর্তী। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ রতন খান দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ৭৩ ভোট। মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে এ পদে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়।
পরিচালক পদে নির্বাচিত ছয়জন
পরিচালক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হয়েছেন ছয়জন। তাঁদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মো. আরিফুজ্জামান। এ ছাড়া মলি রানী রায় ৭৭ ভোট, মোহাম্মদ ফারুক হোসেন ফকির ৭৬ ভোট, তানভীর আঞ্জুম ৭২ ভোট, মোহাম্মদ বদরুজ্জামান তালুকদার ৭১ ভোট এবং মো. মোস্তফা কামাল ৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
নির্বাচনে ‘রুপন, নিলয়, মোশাররফ পরিষদ’ এবং ‘মোস্তফা, আশিক, রতন পরিষদ’ নামে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। পরিচালক পদে উভয় প্যানেল থেকে তিনজন করে মোট ছয়জন নির্বাচিত হয়েছেন।
আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা
শুক্রবার ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনা করে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা তরুলতা সাহা। কমিটির সদস্য ও সহকারী পরিদর্শক মৃণাল কান্তি বণিক এবং সদস্য ও পরিদর্শক আল মামুনের যৌথ স্বাক্ষরিত ফলাফলপত্রে বিজয়ীদের নাম ও প্রাপ্ত ভোট নিশ্চিত করা হয়।
ভোট গণনা শেষে বিজয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন জানান পরাজিত প্রার্থীরা। এতে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ ও পারস্পরিক সম্প্রীতির চিত্র দেখা যায়।
উল্লেখ্য, এ নির্বাচনের মাধ্যমে পূর্বধলা উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠিত হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ