ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তে পাচার নিয়ে উদ্বেগ, ৬৩ হাজার কেজি সিমেন্ট জব্দ


উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তে পাচার নিয়ে উদ্বেগ, ৬৩ হাজার কেজি সিমেন্ট জব্দ

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে বহন করা ৬৩ হাজার কেজি সিমেন্টসহ দুটি বোট জব্দ করেছে। চট্টগ্রামের পতেঙ্গা ও বাঁশখালী এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব সিমেন্ট উদ্ধার করা হয়। এ সময় দুই পাচারকারীকে আটক করা হয়।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এই তথ্য প্রকাশ করেন।

কোস্ট গার্ডের সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে পতেঙ্গা থানাধীন বহিঃনোঙ্গর এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গা। সন্দেহজনক একটি কার্গো বোটে তল্লাশি চালিয়ে ৭৫০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ করা হয়, যার মোট ওজন ৩৭ হাজার ৫০০ কেজি এবং আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। একই সময়ে বোটটি জব্দ করা হয় এবং দুই পাচারকারীকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুন: নওগাঁয়ে ঘরে মাটির নিচে ২৪৫ কেজির কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ উদ্ধার, আটক ১

এর কয়েক ঘণ্টা পর, শুক্রবার ভোর ৩টার দিকে বাঁশখালী থানাধীন বাংলা বাজার ঘাট সংলগ্ন এলাকায় কোস্ট গার্ড কন্টিনজেন্ট বাঁশখালী অভিযান চালায়। একটি সন্দেহজনক ফিশিং বোটে তল্লাশি চালিয়ে আরও ৫১০ বস্তা সিমেন্ট পাওয়া যায়, যার মোট ওজন ২৫ হাজার ৫০০ কেজি এবং আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৮০ হাজার ৫০০ টাকা। তবে অভিযানের সময় পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

কোস্ট গার্ডের দুই অভিযানে উদ্ধার হওয়া সিমেন্টের মোট পরিমাণ ১ হাজার ২৬০ বস্তা। এসব সিমেন্ট মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে জানা গেছে।

এদিকে, কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ সীমান্ত দিয়েও সার, সিমেন্টসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাচারের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব পণ্য পাচারের বিনিময়ে মিয়ানমার থেকে দেশে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক প্রবাহিত হচ্ছে।

সম্প্রতি উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের চিতাখোলা এলাকা থেকে ১০০ বস্তা এবং স্টেশন এলাকা থেকে আরও ২ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ ও স্থানীয়দের উদ্যোগে এসব সার উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে। এর আগে সীমান্ত এলাকায় পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া একটি ট্রাক সার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে।

আরও পড়ুন: দিনাজপুর বোর্ডের ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ

স্থানীয়দের মতে, সীমান্ত দিয়ে কৃষি উপকরণ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাচার অব্যাহত থাকলে স্থানীয় বাজারে সরবরাহব্যবস্থায় বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। পাশাপাশি, এসব পণ্য পাচারের আড়ালে মাদক পাচারের নেটওয়ার্ক আরও সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ অবস্থায় উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তের স্থল ও নৌপথে নজরদারি বাড়ানো, সন্দেহজনক ঘাটগুলোতে নিয়মিত অভিযান এবং সার-সিমেন্টসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাচারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশকে ম্যাচ খেলতে ডেকে এনে ‘গায়েব’ চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৪৭ পি.এম


বাংলাদেশকে ম্যাচ খেলতে ডেকে এনে ‘গায়েব’ চীন

এশিয়ান গেমসের শুরুতেই মাঠের বাইরের ঘটনার নাটকীয়তা অব্যাহত রয়েছে। উদ্বোধনী দিনে (শনিবার) বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল একটি অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। আয়োজকদের অনুরোধে সকাল ৯টায় চীন নারী দলের বিরুদ্ধে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে নির্ধারিত সময়ে মাঠে উপস্থিত হয় নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। তবে, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন থাকা সত্ত্বেও, চীনের মেয়েরা মাঠে আসেনি।

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ম্যানেজার ফাইয়াজ আহমেদ ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে বলেন, সকাল ৯টার প্রীতি ম্যাচের জন্য তাদের টিম সাড়ে ৭টায় মাঠে পৌঁছায়। কিন্তু মাঠে যাওয়ার পর কিউরেটর জানান যে খেলা হবে না এবং কিছুক্ষণ পর জানা যায় চীন দল খেলতে আসছে না। প্রতিপক্ষের অনুপস্থিতির কারণে বাংলাদেশ দল পরবর্তী সময়ে আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সেমিফাইনালের জন্য নিজেদের অনুশীলন সম্পন্ন করে।

চীনের এই হঠাৎ অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশ দলের শেফ দ্য মিশন ইমরোজ আহমেদ চরম বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি জানান, অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়ার (ওসিএ) বিশেষ অনুরোধে বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলাদেশ এই প্রীতি ম্যাচে রাজি হয়েছিল। সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর চীনের মাঠে না আসার বিষয়টি ওসিএকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।

চীনের আচরণের পেছনের কারণ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু জানা না গেলেও, ইমরোজ আহমেদ অনুমান করেন যে চীন দল হয়তো একটি পূর্ণাঙ্গ আনুষ্ঠানিক ম্যাচ খেলতে চেয়েছিল, কিন্তু বাংলাদেশ কেবল প্রীতি ম্যাচে সম্মতি দেয়। দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের দায়িত্বে থাকা মধ্যস্থতাকারীরা হয়তো বিষয়টি চীনকে সঠিকভাবে বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছেন।

এদিকে, উল্লেখ্য যে এর আগে এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ ও চীনের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু টানা বৃষ্টির কারণে মাঠ ভেজা থাকায় ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়। পরবর্তীতে আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকার সুবাদে নিগার সুলতানা জ্যোতিরা শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোনো বাধা নেই, তবু লং মার্চে জাতি সাড়া দিচ্ছে না: রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৪৮ পি.এম


কোনো বাধা নেই, তবু লং মার্চে জাতি সাড়া দিচ্ছে না: রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, ১১ দলের লং মার্চে কোনো বাধা নেই, তবুও জাতি সাড়া দিচ্ছে না।

তিনি শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে এই কথা বলেন।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘জামায়াতের আমির গত লং মার্চে বলেছিলেন, জাতির প্রয়োজনে ৬ দফা ১ দফায় পরিণত হতে পারে! আজকের লং মার্চে তিনি বললেন, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা ১ দফায় পরিণত হতে পারে! কিন্তু জাতি কি জানে তার প্রয়োজনে কখন ৬ দফা ৮ দফায় পরিণত হলো? যে নেতা দাবিদাওয়া ঠিক করতে পারেন না, সেই নেতা শুধু জামায়াতি জাতির নেতা হতে পারেন, সমগ্র জাতির নেতা হতে পারেন না!’

আরো পড়ুন

পাকিস্তানে পুলিশ কমপ্লেক্সে হামলায় নিহত বেড়ে ৩১।

তিনি আরও লেখেন, ‘লং মার্চে জনগণ কেমন সাড়া দেবে, সেটি ছুটির দিনে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে এনসিপি আয়োজিত কর্মসূচিতে থেকে মোটামুটি বোঝা গেছে! সেখানে নেতাকর্মীদের তুলনায় সাংবাদিকদের উপস্থিতি বেশি মনে হয়েছে! কোনো বাধা নেই, তার পরও জাতি সাড়াশব্দ করছে না! এই পেছনের কারণ কি এনসিপি কখনো অনুসন্ধান করার চেষ্টা করেছে?’

রাশেদ খান আরও বলেন, ‘দেখেন, এ জাতি ভুলে নাই যে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম নির্বাচনের আগে বলেছিলেন, জামায়াতের নেতৃত্বকে এই দেশের জনগণ কখনোই গ্রহণ করবে না! কিন্তু নাহিদ ইসলাম যেদিন জামায়াতের আমিরের নেতৃত্বকে গ্রহণ করলেন, সেদিন থেকে দুই নেতার কোনো নেতার আহ্বানে জাতি আর সাড়া দিচ্ছে না!’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুদ্ধের কৌশল বদলে দিচ্ছে রাশিয়া, পিছিয়ে পড়ছে ইউক্রেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৪৯ পি.এম


যুদ্ধের কৌশল বদলে দিচ্ছে রাশিয়া, পিছিয়ে পড়ছে ইউক্রেন

রণক্ষেত্রে অস্ত্রের বিবর্তন সব সময়ই যুদ্ধক্ষেত্রকে নতুন গতি দেয়। ইউক্রেন যুদ্ধের সূচনালগ্ন থেকেই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার একটি বড় জায়গা জুড়ে রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়া তাদের নতুন প্রযুক্তির ড্রোন ‘গেরান-৫’ মাঠে নামানোর পর ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এক জটিল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। এই নতুন মডেলটি পিস্টন ইঞ্জিনের পুরনো ড্রোন এবং অত্যাধুনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যবর্তী একটি অবস্থান তৈরি করেছে, যা একই সঙ্গে দ্রুতগামী এবং নির্মাণে সাশ্রয়ী।

ইরানের নকশাকৃত ‘শাহেদ-১৩৬’ ড্রোনকে ভিত্তি করে তৈরি হলেও গেরান সিরিজে রাশিয়া বেশ কিছু বড় ধরনের মেকানিক্যাল পরিবর্তন এনেছে। মূল পিস্টন ইঞ্জিন ও প্রপেলারের জায়গায় এখানে টার্বোজেট ইঞ্জিন যুক্ত করা হয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই আপগ্রেডের ফলে ড্রোনের কার্যক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য পার্থক্য তৈরি হয়েছে। পুরনো মডেলগুলোর গতি যেখানে কম ছিল, সেখানে গেরান-৫ ঘণ্টায় প্রায় ৬০০ কিলোমিটার গতিতে উড়তে সক্ষম। এটি প্রায় ৫০০০ থেকে ৬০০০ মিটার উচ্চতায় চলতে পারে, যা সাধারণ বিমান-বিধ্বংসী মেশিনগানের নাগালের বাইরে। পরিস্থিতি ভেদে এটি ৪৫০ থেকে ১০০০ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত হামলা চালাতে পারে। এ ছাড়া নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার মাধ্যমে উড্ডয়নরত অবস্থাতেই এই ড্রোনের দিক ও উচ্চতা পরিবর্তন করা সম্ভব।

যুদ্ধের শুরুর দিকে রাশিয়া যখন প্রপেলারচালিত ড্রোন দিয়ে হামলা চালাত, তখন ইউক্রেন মোবাইল ফায়ারিং টিম, ভারী মেশিনগান ও সাশ্রয়ী ইন্টারসেপ্টর ড্রোন ব্যবহার করে প্রায় ৯০ শতাংশ হামলা প্রতিহত করতে পেরেছিল। তবে গেরান-৫-এর গতি ও উচ্চতা এই সাশ্রয়ী প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে অকার্যকর করে তুলেছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে ইউক্রেনীয় ইন্টারসেপ্টরগুলোর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫০ থেকে ৩০০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ফলে দ্বিগুণ গতির গেরান-৫-কে ধ্বংস করতে বাধ্য হয়ে ইউক্রেনকে খরচ করতে হচ্ছে অত্যন্ত দামি ও সীমিত মজুতের ‘সারফেস-টু-এয়ার’ (ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য) ক্ষেপণাস্ত্র। এটি প্রতিরক্ষাকারী দেশের জন্য একটি বড় অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ তৈরি করছে।

প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের পাশাপাশি হামলার সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়াও এই কৌশলের একটি বড় অংশ। প্রতি মাসে প্রচুর সংখ্যায় এসব জেটচালিত ড্রোন তৈরি করা হচ্ছে। এককালীন কয়েক শ ড্রোনের ঝাঁক তৈরি করে হামলা চালানো হলে, সব ড্রোন চিহ্নিত ও ধ্বংস করা প্রতিরক্ষাকারী ব্যবস্থার জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

এই ধরনের ধারাবাহিক হামলার মূল উদ্দেশ্য মূলত তিনটি—প্রতিপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মূল্যবান ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ দ্রুত শেষ করা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, গ্যাস পরিকাঠামো ও সামরিক রসদে নিরবচ্ছিন্ন আঘাত হানা এবং একই সঙ্গে সামরিক বাহিনী ও সাধারণ জনগণের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইউক্রেন এবং তাদের পশ্চিমা অংশীদাররা নতুন ধরনের দ্রুতগতির ইন্টারসেপ্টর তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে শুধু আকাশ থেকে ধ্বংস করাই নয়, বিশ্লেষকদের মতে এই ড্রোনের যন্ত্রাংশ সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত করা এবং উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে আঘাত হানাই হতে পারে এই সংকটের টেকসই সমাধান।

গেরান-৫ শুধু ইউক্রেন যুদ্ধের চিত্রই বদলাচ্ছে না, বরং আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকদের মতে—ভবিষ্যতের আকাশ প্রতিরক্ষানীতি এবং স্বল্প খরচের দূরপাল্লার অস্ত্রের ব্যবহার কেমন হবে, তার একটি বড় উদাহরণ হয়ে উঠছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানে পুলিশ সদর দপ্তরে হামলা, নিহত ৩১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৪৯ পি.এম


পাকিস্তানে পুলিশ সদর দপ্তরে হামলা, নিহত ৩১

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের কোহাতে পুলিশ সদর দপ্তরে ভয়াবহ বোমা হামলা ও বন্দুকযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩১ জনে পৌঁছেছে। নিহতদের মধ্যে ১৬ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। হামলায় আহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জ্যেষ্ঠ এক পুলিশ কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানায় এএফপি।

শুক্রবার বিকেলে কোহাতের ঐতিহাসিক ‘ওল্ড পুলিশ লাইনস’ কমপ্লেক্সে হামলাটি সংঘটিত হয়। হামলাকারীরা বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি দিয়ে কমপ্লেক্সের প্রবেশপথে আঘাত করার পর সেখানে গুলিবর্ষণ শুরু করে। হামলার সময় পুলিশ সদস্য ও তাদের পরিবারের লোকজন কমপ্লেক্সের একটি মসজিদে নামাজ আদায় করছিলেন। হামলায় মসজিদ ও কমপ্লেক্সের বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষতি হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হামলার পর অন্তত সাত সশস্ত্র ব্যক্তি কমপ্লেক্সে ঢোকার চেষ্টা করেন। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে তাদের ছয়জন নিহত হয়েছে। তবে শনিবারও স্পেশাল ব্রাঞ্চ ভবনের একটি অংশে কয়েকজন হামলাকারী অবস্থান করছিলেন বলে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তাদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর গোলাগুলি চলছিল এবং হামলাকারীর সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কোহাত জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, আহতদের অধিকাংশই পুলিশ সদস্য। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের কোহাতের জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গুরুতর কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পেশোয়ারে পাঠানো হয়েছে।

কোহাত শহরের জনসংখ্যা প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার। ওল্ড পুলিশ লাইনস কমপ্লেক্সটি জেলা পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এখানে কাউন্টার টেরোরিজম ডিপার্টমেন্ট (সিটিডি), স্পেশাল ব্রাঞ্চসহ পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ইউনিটের অফিস রয়েছে। ফলে নিরাপত্তা স্থাপনাটিকে লক্ষ্য করে এ ধরনের সমন্বিত হামলার ঘটনায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তানি তালেবান বা টিটিপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ‘ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন’। বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংগঠনটি আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয়। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে খাইবার পাখতুনখাওয়া ও বেলুচিস্তানে বাড়তে থাকা হামলার জন্য আফগান ভূখণ্ডে অবস্থানকারী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করে আসছে। তবে আফগান তালেবান সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%