ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বড় বাধা এখন অর্থায়ন নিশ্চিত করা


বড় বাধা এখন অর্থায়ন নিশ্চিত করা

 

জাতীয় বাজেট একেবারেই কেবল আয়-ব্যয়ের একটি হিসাব নয়; বরং এটি সরকারের অর্থনৈতিক দর্শন, রাজনৈতিক অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনার একটি প্রতিফলন। নির্বাচনের পর প্রথম বাজেটে সাধারণত বিশেষ গুরুত্ব থাকে, কারণ এর মধ্যে নতুন সরকার তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের একটি রূপরেখা তুলে ধরে।

আমদানি-রপ্তানির পরবর্তী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটও সেই অর্থে একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বার্তা বহন করছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই উচ্চাভিলাষী বাজেটের অর্থায়ন কতটা বাস্তবসম্মত?

আরও পড়ুন: রিজভী: বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল আওয়ামী সরকার

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের চলতি অর্থবছরের বাজেট ছিল সাত লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। আর সেই তুলনায় নতুন বাজেটের আকার প্রায় ১৯ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাসে এটি একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।

সাধারণভাবে বাজেটের আকার ১০ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে বৃদ্ধি পায়। এ কারণে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আয়ের উৎস কি সরকার নিশ্চিত করতে পারবে?

এই বাজেটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নিঃসন্দেহে অর্থের সংস্থান। আগামী অর্থবছরে সরকারের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ছয় লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২৩ শতাংশ বেশি। বাস্তবতা হলো, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায় পাঁচ লাখ কোটি টাকাও অতিক্রম করবে না বলে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের ধারণা।

অর্থাৎ প্রকৃত আদায় এবং আগামী বছরের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ব্যবধান প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

এছাড়া উদ্বেগের বিষয় হলো, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে আগামী অর্থবছরে ছয় লাখ চার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রকৃত আদায় ছিল মাত্র তিন লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসেই সংস্থাটির রাজস্ব ঘাটতি প্রায় এক লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। ফলে এই বাস্তবতায় রাজস্ব আদায়ে প্রায় দ্বিগুণ প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী বলেই মনে হচ্ছে।

সমস্যা শুধু রাজস্ব বিষয়েই নয়, বাজেটের ব্যয় কাঠামোও ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হচ্ছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ‘‘ফ্যামিলি কার্ড’’ কর্মসূচির আওতায় ৪১ লাখ নারীপ্রধান পরিবারকে মাসিক ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কৃষক সহায়তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে এক লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা করা হচ্ছে। শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাতেও উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ অবশ্যই একটা ইতিবাচক উদ্যোগ। কিন্তু এর সঙ্গে অর্থনৈতিক সক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখা সমান গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা বলছে, বরাদ্দ বৃদ্ধি সব সময় উন্নত সেবা নিশ্চিত করে না। শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দের তুলনায় বাস্তবায়নের সক্ষমতা দীর্ঘদিন ধরেই সীমিত। প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা নতুন বরাদ্দের কার্যকারিতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।

একই সময়ে সরকারকে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও সারের ভর্তুকির চাপও বহন করতে হবে। কৃচ্ছ্রসাধন নীতি থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসার রাজনৈতিক এবং সামাজিক চাপ রয়েছে। ফলে একদিকে ভর্তুকি ব্যয়, অন্যদিকে উন্নয়ন ব্যয়, দুই দিক থেকেই সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় চাপ বাড়বে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অর্থায়নের ঘাটতি পূরণে সরকার দেশি এবং বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরশীল হতে পারে। কিন্তু এখানে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ব্যাংক খাত থেকে অতিরিক্ত ঋণ নিলে বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য ঋণের প্রাপ্যতা কমে যেতে পারে। অন্যদিকে বৈদেশিক ঋণ এবং সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রেও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের দুর্বলতা বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বর্তমানে দেশে মূল্যস্ফীতি এখনো স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে নামেনি। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অনুসরণ করছে। কিন্তু একই সময়ে যদি সরকার সম্প্রসারণমূলক রাজস্বনীতি গ্রহণ করে, তাহলে নীতিগত সমন্বয়ের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা দুর্বল হয়ে পড়বে।

বাজেটের সাফল্য কখনোই তার আকার দিয়ে বিচার করা যায় না। বরং আয় এবং ব্যয়ের মধ্যে বাস্তবসম্মত ভারসাম্য, প্রকল্প বাস্তবায়নের দক্ষতা এবং রাজস্ব আহরণের সক্ষমতাই একটি বাজেটের কার্যকারিতা নির্ধারণ করে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তা আছে, কিন্তু অর্থনৈতিক বাস্তবতাকেও উপেক্ষা করা যায় না।

নতুন বাজেট নিঃসন্দেহে উচ্চাভিলাষী। এতে সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের ইতিবাচক লক্ষ্য রয়েছে। কিন্তু এসব লক্ষ্য অর্জনের পূর্বশর্ত হলো টেকসই অর্থায়ন। রাজস্ব সংগ্রহে মৌলিক সংস্কার, ব্যয়ের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে জবাবদিহি নিশ্চিত না করা গেলে এই বৃহৎ বাজেট অর্থনীতির জন্য প্রত্যাশিত সুফলের পরিবর্তে নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ফলে আগামী অর্থবছরে সরকারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হবে বাজেট ঘোষণা নয়, বরং এর অর্থায়ন এবং বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। এছাড়া বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সুশাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার প্রশ্নটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে দেখা গেছে, বরাদ্দের অভাবে নয়, বরং দুর্বল পরিকল্পনা, ক্রয়প্রক্রিয়ার জটিলতা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বের কারণে অনেক উন্নয়ন কর্মসূচি প্রত্যাশিত ফল দিতে পারেনি। ফলে আগামী বাজেটে অর্থায়নের পাশাপাশি ব্যয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করাও সরকারের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হবে।

আরও পড়ুন: জনগণের বিরুদ্ধে অবৈধ সাম্রাজ্য রক্ষার দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ

লেখক: অর্থনীতি বিশ্লেষক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাকিরার গানে উচ্ছ্বাসে ভাসলেন ফুটবলভক্তরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ এম


শাকিরার গানে উচ্ছ্বাসে ভাসলেন ফুটবলভক্তরা

মেক্সিকোর ঐতিহাসিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্দা উঠলো ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের। এই বছরের দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ-ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩তম আসর নানা কারণে মনে রাখার মতো। এবার এই বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করছে প্রথম ৪৮টি দল। তিনটি দেশ হচ্ছে আয়োজক এবং মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

ফুটবল বিশ্বকাপের পোস্টার গার্ল হিসেবে পরিচিত শাকিরা ফুটবল মহাযজ্ঞের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে অনুষ্ঠানে এক জমকালো রূপ দেন। অনুষ্ঠানের শুরুটা হয় মেক্সিকান পপ-ব্যান্ড মানাকে দিয়ে, যা দর্শকদের কাছে দারুণ সাড়া পায়। এই ব্যান্ডটি ১৯৮১ সালে গঠিত হয় এবং তাদের দুর্দান্ত পরিবেশনা মনোযোগ আকর্ষণ করে।

এরপর মঞ্চে আসেন ভেনেজুয়েলার গায়ক ও গীতিকার ড্যানি ওশান। তবে মনে রাখতে হবে, তিনি হলিউড তারকা জর্জ ক্লুনির ‘ওশান’ নন। তিনি ২০০৯ সালে নিজের ইউটিউব চ্যানেল চালু করার মাধ্যমে পেশাদার সংগীতজীবন শুরু করেন এবং অনেকের কাছে তিনি যেন ভেনেজুয়েলার জাস্টিন বিবার।

ঐতিহ্যবাহী মেক্সিকান পোশাকে সজ্জিত নৃত্যশিল্পীদের সঙ্গে ড্যানি গাইলেন ‘পার্তিদাজো’ গান। ফলে বিভিন্ন প্রজন্মের দর্শকরা উপভোগ করতে সক্ষম হন। এরপর মঞ্চে আসেন জে বালভিন, যিনি কার্ডি বি–র জনপ্রিয় গান ‘আই লাইক ইট’-এ অংশ নিয়েছিলেন। গানটিতে নাইজেরিয়ার শিল্পী বার্না বয়ও ছিলেন।

অনুষ্ঠানে এত এত পরিবেশনার পরও একটা খামতি ছিল। সবাই অপেক্ষায় ছিলেন, কখন মঞ্চে উঠবেন শাকিরা।

অবশেষে এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরা হাজির হলেন এবং গাইলেন বিশ্বকাপের অফিসিয়াল থিম সং 'লেটস গো'। শাকিরার সাথে একই সুরে গলা মেলালো পুরো আজতেকা স্টেডিয়াম। আলোকসজ্জা, আতশবাজি এবং হাজারো দর্শকের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে আজতেকা স্টেডিয়াম, যা মুহূর্তেই পরিণত হয় একটি বিশাল উৎসবমঞ্চে।

শাকিরার প্রাণবন্ত নৃত্য ও কণ্ঠে মুগ্ধ হয়ে ওঠেন উপস্থিত দর্শকরা। মাঠের মাঝখান থেকে বিশাল এক ট্রফির প্রতিরূপ উঠে আসে, যেখানে ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত শত শত নৃত্যশিল্পী মেক্সিকোর সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরেন রঙিন পরিবেশনায়।

শাকিরার গানের পরই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয় এবং পরে উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নামে স্বাগতিক মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই দেশের চুক্তি এখন হাতের নাগালে: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩৮ এম


দুই দেশের চুক্তি এখন হাতের নাগালে: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সম্ভাব্য চুক্তির চূড়ান্ত বিষয়গুলো অনুমোদন পাওয়ার পর তিনি বৃহস্পতিবার রাতে ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা করা হামলা বাতিল করেছেন।

ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা দেশের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের পর্যায়ে অনুমোদিত হয়েছে। এই কারণেই আমি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে, আজ সন্ধ্যায় ইরানের বিরুদ্ধে নির্ধারিত হামলা বাতিল করে দিলাম।

তিনি উল্লেখ করেছেন, আলোচনা এবং চূড়ান্ত বিষয়গুলো উভয় পর্যায়েই সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের অনুমোদন পেয়েছে। ট্রাম্প আরও জানান, অনুমোদন দেওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান, বাহরাইন, কুয়েত, জর্ডান ও মিসর।

তিনি আরও বলেন, চুক্তিটি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত নৌ অবরোধ সম্পূর্ণভাবে বহাল থাকবে। এ ছাড়াও তিনি জানিয়েছেন, চুক্তি স্বাক্ষরের সময় এবং স্থান শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।

তবে ইরানের সঙ্গে চুক্তি খুব কাছাকাছি হওয়ার কথা ট্রাম্প এ প্রথমবার জানাননি। এর আগে একাধিকবার তিনি এমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তবে শেষ ভিডিও তা বাস্তবায়িত হয়নি।

এদিকে, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এক ব্যক্তির তথ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের শুরুতে কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রস্তাবিত চুক্তির সর্বশেষ খসড়া পাঠিয়েছে। এই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরপর কয়েকদিন পাল্টাপাল্টি হামলা চালালেও মার্কিন কর্মকর্তারা মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডায়াবেটিস থাকলে কাঁঠাল খাওয়ার আগে যা জানা জরুরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০২ এম


ডায়াবেটিস থাকলে কাঁঠাল খাওয়ার আগে যা জানা জরুরি

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কাঁঠাল সম্পূর্ণভাবে নিরাপদ নয়। কাঁঠালের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাঝারি (৫০-৬০) হলেও, এর মধ্যে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই এর ব্যবহার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণে করা উচিত।

ডায়াবেটিস রোগীর জন্য কাঁঠালের প্রভাব ও গ্রহণের কিছু নিয়ম আছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো, কাঁঠালে থাকা কার্বোহাইড্রেট রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই একবারে অনেক কাঁঠাল খাওয়া একদমই উচিত নয়। সাধারণত, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা একবারে সর্বোচ্চ ৫০-৭৫ গ্রাম (অর্থাৎ মাঝারি আকারের ২ থেকে ৩ কোয়া) কাঁঠাল খেতে পারেন।

এছাড়া, একসঙ্গে না খেয়ে সারা দিনে বিরতি দিয়ে কাঁঠাল খেলে এর খাওয়ার কোনও সমস্যা হবে না। এতে রক্তে সুগার হঠাৎ করে বেড়ে যায় না।

কাঁঠালে প্রচুর ফাইবার বা আঁশ থাকে, যা হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে এবং রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কাঁঠালে উচ্চ পটাশিয়াম ও ভিটামিন 'সি' থাকে, যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তবে, পাকা কাঁঠালের চেয়ে কাঁচা কাঁঠাল ডায়াবেটিস রোগীর জন্য বেশি উপকারী। কাঁচা কাঁঠালে ক্যালোরি ও গ্লাইসেমিক ইনডেক্স পাকা কাঁঠালের চেয়ে কম থাকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিকিৎসাধীন অবস্থায় কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১২ এম


চিকিৎসাধীন অবস্থায় কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মৃত্যু হয়েছে শ্রী প্রদীপ কুমার (৪৬) নামের এক হাজতির। ১১ জুন বৃহস্পতিবার রাতে তিনি অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রদীপ কুমার বগুড়া সদর উপজেলার নামাজগড় এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার বাবার নাম মৃত নিতাই চন্দ্র। তবে তিনি কোন মামলার আসামি ছিলেন তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

কারারক্ষী সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যে প্রদীপ কুমার ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পাওয়ার পর, কারারক্ষীরা রাত ১০টার সময় তাকে জরুরি অবস্থায় ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা–নিরীক্ষা শেষে ১১টা ১৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক জানিয়েছিলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%