বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৩ পি.এম
এক কেজি গরুর মাংসের মূল্য ৭৫০ টাকা। পঞ্চগড়ের আটোয়ারীর একটি লাউচাষিকে এই মাংস ক্রয়ের জন্য অন্তত তিন হাজার লাউ বিক্রি করতে হচ্ছে। উৎপাদন খরচের চাপের কারণে অনেক কৃষক তাদের বাগানের পরিচর্যা বন্ধ করে দিয়েছেন। কিছু কৃষক গাছ কেটে ফেলছেন, আবার কেউ কেউ লাউ গবাদিপশুকে খাওয়াচ্ছেন।
কৃষকদের অভিযোগ, মাঠে তারা লাউয়ের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। বাজারে প্রতি পিস লাউ ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। উৎপাদন খরচ, সার-কীটনাশক এবং শ্রমিকের মজুরি মেটাতে না পেরে তারা লোকসান ভোগ করছেন।
আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের তেলিপাড়া এলাকার কৃষক দুলাল ইসলাম ৪০ শতক জমিতে লাউ চাষ করেছিলেন। তার খরচ হয়েছে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। কিন্তু তিনি সব মিলিয়ে লাউ বিক্রি করে মাত্র তিন হাজার টাকা পেয়েছেন। তিনি জানান, এই টাকা দিয়ে শ্রমিকের মজুরিও উঠবে না।
দুলাল ইসলাম বলেন, ‘ভাবতে পারেন, আমরা কৃষকরা লাউ আবাদ করে কতটা লোকসানে আছি। দুই থেকে তিন হাজার পিস লাউ বিক্রি করেও এক কেজি গরুর মাংস কেনা যায় না। তাই মনের কষ্টে বাগান কেটে ফেলেছি। লাউ গরুকে খাওয়াচ্ছি। আমরা কৃষকরা দাম না পেলেও বাজারে ঠিকই প্রতি পিস লাউ ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।’
উপজেলার ঝলঝলি উলারচাপ এলাকার লাউচাষি আনসারুল ইসলাম জানান, তিনি ১০ দিন ধরে লাউয়ের বাগানে কোনো পরিচর্যা করছেন না। সার ও কীটনাশকের দাম বাড়ছে। শ্রমিকের মজুরি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা দিতে হচ্ছে। অথচ এবারে লাউয়ের সর্বোচ্চ দাম পেয়েছেন প্রতি পিস পাঁচ টাকা। এ দামে উৎপাদন খরচ তোলা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বলেন, ‘এভাবে কষ্টের ফসলের দাম না পেলে মানুষ কৃষি ছেড়ে দেবে।’
স্থানীয় ব্যবসায়ী সলেমান আলী মন্তব্য করেন, এবারে লাউয়ের আবাদ ও ফলন দুটিই ভালো হয়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হওয়ায় কৃষকরা দাম পাচ্ছেন না। বাইরের বাজারেও লাউয়ের ভালো দাম নেই।
এ বিষয়ে জানতে আটোয়ারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইনস্টাগ্রামে অ্যাকাউন্ট খোলার পর, বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খান প্রথমে শুধুমাত্র তার স্ত্রী কারিনা কাপুর খানকে ফলো করতেন। তবে বর্তমানে তার ফলো তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে আরো ছয়জন। বর্তমানে সাইফ মোট সাতটি অ্যাকাউন্ট ফলো করছেন। অন্যদিকে, ইনস্টাগ্রামে সাইফের অনুসারীর সংখ্যা ৭ লাখ ৭১ হাজারেরও বেশি।
সাইফের ফলো তালিকায় অন্তর্ভুক্ত আছেন কারিনার বোন কারিশমা কাপুর, অভিনেতার বোন সোহা আলী খান এবং সাবা পাতৌদি। এছাড়া, তার মেয়ে সারা আলী খান এবং ছেলে ইব্রাহিম আলী খানও তালিকায় রয়েছেন। উল্লেখ্য, তালিকায় ‘দ্য এলিট ইংলিশ মাস্টার’ নামের একটি অ্যাকাউন্টও রয়েছে।
তবে সাইফের ফলো তালিকায় তার বোন সোহা আলী খানের স্বামী, অভিনেতা কুণাল খেমু অন্তর্ভুক্ত নন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অনুসরণ করার পরও বোনজামাইকে ফলো না করার বিষয়টি ভক্তদের নজর কেড়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাইফ খুব একটা সক্রিয় না থাকলেও, তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট নিয়ে ভক্তদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। অ্যাকাউন্ট চালুর সময় প্রথমে শুধুমাত্র কারিনার নাম থাকায় বিষয়টি বিশেষভাবে নজর কেড়েছিল।
এর আগে এক সাক্ষাৎকারে সাইফ জানিয়েছিলেন যে, ইনস্টাগ্রামে তার একটি গোপন অ্যাকাউন্ট ছিল। তবে এবার প্রকাশ্য অ্যাকাউন্টে তার কার্যক্রম নিয়ে ভক্তদের মধ্যে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্রান্সের চলমান ছাত্র-বিক্ষোভ এবং সামাজিক অস্থিরতার প্রভাব এখন প্রতিবেশী দেশ জার্মানিতেও ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থী নেতৃত্বাধীন একটি আন্দোলন আগামী ৩১ অক্টোবর জার্মানির প্রধান প্রধান শহরগুলোতে বড় ধরনের গণবিক্ষোভের ডাক দিয়েছে, যা ফ্রান্সের আদলে অনুষ্ঠিত হবে।
জার্মানির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও ডয়েচে ভেলে (DW)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির প্রায় ২১টি শহরে একযোগে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে রাজধানী বার্লিন, কোলন, হামবুর্গ এবং মিউনিখের মতো বড় শহরগুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আয়োজক এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ধারণা, এসব কর্মসূচিতে হাজার হাজার তরুণ ও শিক্ষার্থী অংশ নেবেন।
বিক্ষোভের মূল কারণ ও দাবিদাওয়া
তরুণদের এই আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল দশা, অর্থসংকট (অস্টারটি), জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়বৃদ্ধি, সামাজিক বৈষম্য, সামরিক বাধ্যতামূলক সেবা (কনস্ক্রিপশন) এবং জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত নীতি। অংশগ্রহণকারী তরুণদের অভিযোগ, নীতিনির্ধারকরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কল্যাণের চেয়ে ধনী ও অভিজাতদের স্বার্থ রক্ষায় বেশি ব্যস্ত।
সহিংসতার আশঙ্কা ও আয়োজকদের অবস্থান
এদিকে জার্মানিতে ফরাসি ধাঁচের বিক্ষোভের ডাক দেওয়ায় নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী মহলে বাড়তি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অতীতে ফ্রান্সে চলা বিক্ষোভের সময় কিছু জায়গায় ব্যাপক ভাঙচুর, সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল।
তবে জার্মানির আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তারা কোনো ধরনের সহিংসতার পক্ষে নন এবং ফ্রান্সে দেখা দেওয়া সহিংসতা থেকে তারা সম্পূর্ণ দূরত্ব বজায় রাখবেন। তা সত্ত্বেও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, উগ্রপন্থী বা সুযোগসন্ধানী কোনো গোষ্ঠী বিক্ষোভের ভেতরে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াতে পারে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জার্মান পুলিশও যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় কঠোর অবস্থানে থাকার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সূত্র: ডয়েচে ভেলে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মীর কাসেম মিঠুকে মারধর এবং দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ স্থানীয় বিড়ি ব্যবসায়ী রমজান আলী জিকুর বিরুদ্ধে উঠেছে। বিএনপি নেতাদের দাবি, এই ঘটনায় মিঠুসহ তিনজন আহত হয়েছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জিকু বলেছেন, ঘটনার আধা ঘণ্টা আগে মিঠুর লোকজনই তাঁকে মারধর করেছেন।
জিকু তাঁর দাবি করেছেন যে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা বা ভাঙচুরের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত নয়টার দিকে উপজেলার শেখপাড়া বাজারে মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।
বিএনপি নেতাদের অভিযোগ অনুযায়ী, হামলায় মীর কাসেম মিঠু, ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদসহ তিনজন আহত হন। হামলার সময় কার্যালয়ের চেয়ার এবং বেগম খালেদা জিয়া, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের অ্যাম্বুলেন্সে করে গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।
মীর কাসেম মিঠু জানিয়েছেন, পার্শ্ববর্তী এলাকার একটি তালাকের বিষয় মীমাংসার জন্য তিনি দলীয় কার্যালয়ে বসেছিলেন। তাঁর সঙ্গে আরও চারজন ছিলেন এবং মীমাংসাসংক্রান্ত ১০ লাখ টাকাও তাঁর কাছে ছিল। এ সময় কয়েকটি মোটরসাইকেলে করে জিকুসহ ১৫ থেকে ২০ জন সেখানে এসে তাঁর শার্টের কলার ধরেন। তখন তাঁর সঙ্গে থাকা চারজন পালিয়ে যান। এরপর তাঁকে মারধর করা হয় এবং কার্যালয়ের চেয়ার ও নেতাদের ছবি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মিঠুর দাবি, হামলায় জড়িত ব্যক্তিরা মাদক কারবারের সঙ্গে যুক্ত। তিনি মনে করেন, মাদকবিরোধী আন্দোলনে সম্পৃক্ততা এবং ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণে তাঁর ওপর হামলা হতে পারে।
অন্যদিকে, রমজান আলী জিকু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনার প্রায় আধা ঘণ্টা আগে পার্শ্ববর্তী গজঘণ্টা বাজারের একটি চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় তাঁকে মারধর করা হয়। সেখানে উপস্থিত অনেকেই ঘটনার সাক্ষী বলে দাবি করেন তিনি।
জিকুর অভিযোগ, মিঠুর ঘনিষ্ঠ স্টার আকিজ বিড়ির মালিক আব্দুল মাবুদ সরকার ও দুলাল মেম্বারকে দিয়ে তাঁকে মারধর করানো হয়। পরে শেখপাড়া বাজারে গিয়ে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে মিঠুকে দেখতে পান তিনি। সেখানে দুজনের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয় বলে দাবি করেন জিকু।
দলীয় কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে জিকু বলেন, ‘আমি বিএনপি কার্যালয়ে কোনো হামলা করিনি। তার (মিঠুর) ছেলেরাই এসব ভাঙচুর করেছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় সমাবর্তনের জন্য স্নাতক পর্যায়ের নিবন্ধন ফি প্রায় ৬৭ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্নাতক ও বিবিএ ডিগ্রিধারীদের নিবন্ধন ফি ৩ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে। মূল সনদের জন্য ৫০০ টাকা যুক্ত হওয়ায় একজন স্নাতককে মোট ৫ হাজার ৫০০ টাকা দিতে হবে।
ফি বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে ফি পুনর্নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, বাড়তি খরচের কারণে চাকরিপ্রত্যাশী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল অনেক শিক্ষার্থী সমাবর্তনে অংশগ্রহণের সুযোগ হারাতে পারেন। এ অবস্থায় ফি কমানোর দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, স্নাতকোত্তর ও এমবিএ ডিগ্রিধারীদের নিবন্ধন ফি ৪ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের জন্য ফি ৪ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৬ হাজার ৫০০ টাকা হয়েছে। প্রফেশনাল প্রোগ্রামের অংশগ্রহণকারীদের নিবন্ধন ফি ৬ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রতিটি শ্রেণিতে নিবন্ধন ফি বেড়েছে ২ হাজার টাকা। নিবন্ধন ফির বাইরে সনদ ফি ও প্রযোজ্য সার্ভিস চার্জও দিতে হবে।
ফি বৃদ্ধির বিষয়টি সামনে আসার পর ফেসবুকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমালোচনা দেখা দেয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় নিয়ে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে কি না। বিশেষ করে পড়াশোনা শেষ করে চাকরির অপেক্ষায় থাকা স্নাতকদের জন্য এই ব্যয় বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে বলে মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ। একইসঙ্গে নিয়মিত ও প্রফেশনাল প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের একই সমাবর্তনে অন্তর্ভুক্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী।
ফি বৃদ্ধির সমালোচনা করে জকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আব্দুল আলিম আরিফ তার ফেসবুক পোস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন ফির সঙ্গে জবির ফির তুলনা করেছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে সমাবর্তনের নিবন্ধন ফি ৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে, জবিতে সনদ ফিসহ স্নাতক পর্যায়ে ৫ হাজার ৫০০ টাকা এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৬ হাজার ৫০০ টাকা দিতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দাবি জানানোর পরও প্রশাসন ফি কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করবে কি না, সে প্রশ্ন তোলেন তিনি। শিক্ষার্থীদের আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় নিয়ে ফি শিক্ষার্থীবান্ধব পর্যায়ে নির্ধারণের আহ্বান জানান জকসুর জিএস।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুল ইসলাম আসাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ফি নির্ধারণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি জানতে চান, সমাবর্তনে অংশ নিতে ৫ হাজার ৫০০ থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণের ভিত্তি কী। অন্যদিকে, জকসুর সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা এ আয়োজনকে ‘এলিট সমাবর্তন’ বলে মন্তব্য করেছেন। তার মতে, সমাবর্তনের আয়োজন করতে গিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আর্থিক বাস্তবতা উপেক্ষা করা হচ্ছে।
ফি বৃদ্ধির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইস উদ্দিন বলেছেন, প্রথম সমাবর্তনের তুলনায় এবার অনুষ্ঠান আয়োজনের সার্বিক ব্যয় বেড়েছে। বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ানোর পাশাপাশি সমাবর্তনের গাউন ও অন্যান্য পোশাকের খরচও বেড়েছে। তার ভাষ্য, সফলভাবে সমাবর্তন আয়োজন করতে হলে এসব ব্যয় বিবেচনায় নিতে হয়। শিক্ষার্থীদের ওপর আর্থিক চাপের বিষয়টি স্বীকার করে উপাচার্য বলেন, ফি কম রাখা গেলে ভালো হতো, তবে প্রশাসনিক ব্যয়ের কারণে এ ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সমাবর্তনে অংশগ্রহণকারীদের একাডেমিক গাউন ও পোশাক তাদের দিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী বছরের ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেই উপলক্ষে গত ১৫ অক্টোবর থেকে অনলাইন নিবন্ধন শুরু হয়েছে, যা চলবে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ