ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
ট্রাম্পের ‘ইকোনমিক ডি-ডে’র জবাবে তেহরানের হুঁশিয়ারি

আমেরিকা ও তার দোসরদের ‘ভূমিকম্পের মতো’ আঘাত হানবে ইরান


আমেরিকা ও তার দোসরদের ‘ভূমিকম্পের মতো’ আঘাত হানবে ইরান

ইরানের অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ ধসিয়ে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক মহাপরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই মধ্যপ্রাচ্য ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক মারাত্মক ও রক্তক্ষয়ী পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানানোর হুমকি দিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের বিপরীতে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহ স্তব্ধ করা, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং প্রয়োজনে নিজস্ব পারমাণবিক নীতি সংশোধন করে পরমাণু বোমা তৈরির মতো চরম পথ বেছে নেওয়ার বার্তা দিয়েছে তেহরান।

গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ঘোষণা করেন যে, ইরানের ওপর বছরের পর বছর ধরে চাপিয়ে দেওয়া ব্যাপক মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে তেহরান যেসব জটিল ও গোপন কৌশলগত বাণিজ্য নেটওয়ার্ক তৈরি করেছিল, তা এবার ধসিয়ে দেবে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মিলে ইরানে ছয় মাস ধরে চালানো যুদ্ধের পর কূটনৈতিক সমাধান ছাড়াই যখন সংঘাত স্থবির অবস্থায় পৌঁছেছে, ঠিক তখনই এই অর্থনৈতিক পদক্ষেপের ঘোষণা এলো। বেসেন্ট যে গৌণ বা ‘সেকেন্ডারি’ স্যাংশনের কথা জানিয়েছেন, তাতে ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি ও শিপিংয়ের মতো যেসব খাতের ওপর ভিত্তি করে ইরানের অর্থনীতি টিকে আছে, সেসব খাতে ইরানি অংশীদারদের ওপর সরাসরি জরিমানা ও আইনি কঠোরতার কথা বলা হয়েছে। 

তবে ট্রাম্পের এই বহুল আলোচিত ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ কঠোরতম নতুন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণে শেষ পর্যন্ত কিছুটা ধীরনীতি অবলম্বন করায় অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই কিছুটা হতাশ হয়েছেন। ওয়াশিংটন আপাতত নতুন কোনো বড় ধরনের বিধিনিষেধ না চাপিয়ে বরং বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞাসমূহকে আরও কড়াভাবে প্রয়োগের দিকেই জোর দিচ্ছে, তবে একই সঙ্গে যেসব দেশ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করবে না, তাদের ভবিষ্যতে চরম মূল্য দিতে হবে বলেও চরম সতর্কবার্তা জারি রেখেছে।

আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?

তবে মার্কিন প্রশাসনের এমন প্রত্যক্ষ হুমকি সত্ত্বেও তেহরান দমে যাওয়া বা নতিস্বীকার করার পরিবর্তে ওয়াশিংটন ও তার সহযোগীদের সমপরিমাণ কিংবা তার চেয়ে বেশি আর্থিক ও সামরিক ক্ষতি সাধনের হুংকার দিচ্ছে। তেহরানের তরফ থেকে স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, তারা আঞ্চলিক তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর অবকাঠামোর ওপর আক্রমণ আরও জোরদার করবে, ইউরোপীয় দেশগুলোকে যুদ্ধের আওতাভুক্ত করবে এবং শেষ অস্ত্র হিসেবে নিজেদের বন্ধ হয়ে থাকা পারমাণবিক কর্মসূচিকে পুনরায় অস্ত্রায়নের রূপ দেবে।

সোমবার রাজধানী তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কিছুটা ইঙ্গিতবহ ভাষায় বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে দাবা খেলে অভ্যস্ত ছিলেন, কিন্তু এরই মাঝে তারা পোকার খেলাটাও শিখে গেছেন এবং ইদানীং তারা এই দুটি খেলার এক বিশেষ সংমিশ্রণ ঘটিয়ে নিজেদের চাল চালছেন।

তেহরানের এই কৌশলগত অবস্থানের পর তেলবাজার স্তব্ধ হওয়ার এক বড় ধরনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। টানা কয়েক মাস ধরে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচল করতে দিচ্ছে না ইরান, যার ফলে যুদ্ধের আগে পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট তেল ও গ্যাসের চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ যে জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হতো, তা সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে ইয়েমেনে ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুথি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরে সৌদি আরবের তেল রফতানি ও মূল অবকাঠামো লক্ষ্য করে নতুন এক যুদ্ধের ফ্রন্ট খুলেছে। কিন্তু এখন ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক নীতিনির্ধারকরা বলছেন, তারা হরমুজ প্রণালির ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে বিকল্প পথগুলোতেও তেল সরবরাহের ওপর হামলা চালাবেন।

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের অন্যতম শীর্ষ নেতা মহসিন রেজাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি কড়া পোস্ট দিয়ে লিখেছেন যে, যদি এই মার্কিন অর্থনৈতিক যুদ্ধ অব্যাহত থাকে, তবে হরমুজ প্রণালি তো দূর, পারস্য উপসাগরের অন্য কোনো অঞ্চল থেকেও আর একফোঁটা তেলও বিদেশে রফতানি হতে দেওয়া হবে না। পরবর্তীতে এক টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমেরিকা ও তার দোসরদের ওপর ইরান ভূমিকম্পের মতো ভয়াবহ উপায়ে পাল্টা আঘাত হানবে।

আরও পড়ুন: ‘নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি আস্থার অভাব’, বুথফেরত জরিপে মন্তব্য আইজেনকোটের

আমেরিকান নৌবাহিনীর সুরক্ষায় সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল কোম্পানিগুলো অবশ্য ইরানি কর্তৃপক্ষের নজর এড়াতে তাদের তেলের ট্যাংকারগুলোর ট্র্যাকিং ও ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখে সমুদ্রপথে কিছু পরিমাণ তেল সফলভাবে রফতানি করতে শুরু করেছে, তবে তা যুদ্ধপূর্ব পরিমাণের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। সৌদি আরব বর্তমানে তাদের নিজস্ব ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ পাইপলাইনের মাধ্যমে দৈনিক প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেল ঘুরিয়ে লোহিত সাগর দিয়ে রফতানি করছে, অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য তেল উৎপাদনকারীরা হরমুজ এড়িয়ে দিনে আরও ২০ লাখ ব্যারেল তেল অন্য পথে বিশ্ববাজারে পাঠাচ্ছে।

তবে তেহরান পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, এসব বিকল্প রুটও তাদের রাডারের আওতায় রয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই ৪৫টি জাহাজের একটি নির্দিষ্ট তালিকা প্রকাশ করেছে, যাদের বিরুদ্ধে হরমুজ প্রণালির জলসীমায় তাদের আরোপিত বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে ইরান সতর্ক করে দিয়েছে যে, যেসব জাহাজ তাদের প্রটোকল অমান্য করবে, সেগুলোকে ভবিষ্যতে প্রবেশের ক্ষেত্রে জরিমানা, আটক বা সরাসরি বাজেয়াপ্তের মুখোমুখি হতে হবে।

এদিকে তেহরান শুধু আঞ্চলিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকছে না, নিজেদের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে যুদ্ধের ভৌগোলিক পরিধি বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে। সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশ্যেই ন্যাটোর সদস্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশ বুলগেরিয়ার দিকে ইঙ্গিত করে সতর্ক বার্তা পাঠিয়েছে, কারণ মার্কিন রিফুয়েলিং ও সামরিক যুদ্ধবিমানগুলো বুলগেরিয়ার ভূখণ্ড ব্যবহার করে তাদের ওপর নজরদারি বাড়াচ্ছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাঘাই সাংবাদিকদের স্পষ্ট জানান, যেকোনো আগ্রাসনের মূল উৎস এবং কেন্দ্রবিন্দুকে লক্ষ্যবস্তু করার পূর্ণ ও বৈধ অধিকার ইরানের রয়েছে। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীকে ইরানের বিরুদ্ধে সাপোর্ট বা সুবিধা প্রদান আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সরাসরি আগ্রাসনের অংশীদারত্ব হিসেবেই গণ্য করা হবে। যুদ্ধের এই পুরো সময়ে ইরান এ পর্যন্ত মূলত উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রায় ১১টি দেশে সরাসরি আঘাত হেনেছে। তবে সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বাহিনীর ব্যবহৃত একটি সামরিক ঘাঁটিতেও আঘাত হানার পাশাপাশি তেহরান প্রমাণ করেছে যে, ভারতীয় মহাসাগরে শত শত মাইল দূরে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা চালানোর সুনির্দিষ্ট সক্ষমতা তাদের রয়েছে। ফলে বলকান অঞ্চলের দেশ বুলগেরিয়ার মতো ইউ ও ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রের ওপর হামলা হলে এই সংঘাত নিমিষেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী বৃহত্তম বৈশ্বিক রূপ নেবে। অন্যদিকে, সেনানেতা মহসিন রেজাইও একইভাবে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন যে, ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে আমেরিকার এই অর্থনৈতিক যুদ্ধে যে দেশই অংশ নেবে বা কোনো ধরনের সাহায্য করবে, তাকেই তারা সরাসরি যুদ্ধের প্রতিপক্ষ বলে ধরে নেবেন।

আরও পড়ুন: বোম্বে হাইকোর্ট ইমরান খানের ভারত ছাড়ার নোটিশ স্থগিত করেছে

সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে ইরানের পারমাণবিক নীতি নিয়ে। আমেরিকা ও ইসরায়েলের অব্যাহত অভিযোগ ও সামরিক হামলার পরেও এতদিন ধরে ইরান দাবি করে আসছিল যে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বেসামরিক ও শান্তিপূর্ণ। কিন্তু সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তেহরানের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সুর বদলাতে শুরু করেছে। খামেনি তার জীবদ্দশায় এক ধর্মীয় ফতোয়ার মাধ্যমে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বা হারাম ঘোষণা করেছিলেন। তবে এখন দেশটির নীতিনির্ধারকদের একটি বড় অংশ পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি বা এনপিটি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে আসার পক্ষে সোচ্চার হয়েছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইরানের ভূগর্ভস্থ গোপন বাংকারে অন্তত আধা টন অত্যন্ত উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে, যা খুব অল্প সময়ের মধ্যে পারমাণবিক বোমায় রূপান্তর করা সম্ভব। ইরানি আইনপ্রণেতারা নিশ্চিত করেছেন যে, দেশটির পার্লামেন্টে এনপিটি থেকে নিজেদের তুলে নেওয়ার ওপর জোর আলোচনা চলছে। অন্যদিকে, রাষ্ট্রীয় টিভিতে এক বিরল সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় মহসিন রেজাই খোলাখুলিভাবেই ইরান কর্তৃক পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সারা বিশ্ব এখন প্রশ্ন তুলছে এনপিটির আদৌ কোনো কার্যকারিতা রয়েছে কি না। রেজাই আরও যুক্তি দেখান, আমেরিকা যখন আমাদের অস্তিত্বের বিরুদ্ধে এমন ধ্বংসাত্মক যুদ্ধে নেমেছে, তখন দেশটির সাধারণ মানুষ ও নীতিনির্ধারকরা তো প্রশ্ন তুলতেই পারেন যে কেন আমরা নিজেদের সুরক্ষায় পরমাণু বোমা তৈরি করব না?

ওয়াশিংটনের সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির সিনিয়র ফেলো সিনা তুসি পরিস্থিতির বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে জানান, ওয়াশিংটন যে সর্বাত্মক অবরোধ, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক অভিযানের মিশ্রণ ঘটিয়েছে, তা দিয়ে তেহরানকে মূল দাবি থেকে বিচ্যুত করা অসম্ভব। তেহরান কখনো তাদের অর্থনৈতিক চাপ কমানো এবং হরমুজ প্রণালিতে তাদের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণের দাবি থেকে পিছপা হবে না। বরং ইরানের কাছে নিজেদের ওপর চাপানো এই বিপুল আর্থিক ও সামরিক ক্ষতিকে আঞ্চলিক স্তরে অন্যান্য দেশের ওপর ছড়িয়ে দেওয়ার যথেষ্ট সক্ষমতা ও সামর্থ্য রয়েছে। ওয়াশিংটন যত বেশি সর্বাত্মক অর্থনৈতিক অবরোধের চেষ্টা করবে, তাদের তত বেশি দেশের সমর্থনের প্রয়োজন পড়বে, আর ঠিক একইভাবে তেহরানও তাদের ওপর পাল্টা চাপ প্রয়োগের জন্য নতুন নতুন পক্ষ ও নতুন নতুন লক্ষ্যবস্তু খুঁজে নেবে। তার মতে, ইরানের বিদ্যমান কৌশল হবে মূলত একাধারে বিকল্প অর্থনৈতিক পথ খুঁজে টিকে থাকা এবং অন্যদিকে আমেরিকাকে থামানোর জন্য আঞ্চলিক সংঘাতকে আরও ভয়াবহতার দিকে ঠেলে দেওয়া।

সূত্র: সিএনএন

আরও পড়ুন: সুদানে স্বর্ণের খোঁজে শ্রমিকেরা জীবন ঝুঁকিতে, খনিতে প্রাণ হারাচ্ছেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসদে প্রধানমন্ত্রীর পাশে বসলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৭ পি.এম


সংসদে প্রধানমন্ত্রীর পাশে বসলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অধিষ্ঠিত হওয়ার পর সংসদ নেতার পাশের আসনে স্থান পেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আজ (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়।

নতুন আসন বণ্টনে দেখা যায়, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশের আসনে বসতেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় বর্তমানে ওই আসনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বসেছন।

সরকারি দলের প্রথম সারির নয়টি আসনে পর্যায়ক্রমে স্থান পেয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আবদুল মঈন খান এবং সেলিমা রহমান।

এছাড়া, প্রথম সারিতে আসন পেয়েছেন আমান উল্লাহ আমানও।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৮ পি.এম


নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আসন্ন সকল নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে এর প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে তিনি এই আহ্বান জানান।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধিদলে অন্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, নির্বাচন কমিশনার মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোঃ সানাউল্লাহ।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক, শক্তিশালী ও সুসংহত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন এবং নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষতা, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

তিনি কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি, এনআইডি সংশোধন, বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশীদের এনআইডি সেবাসহ বিভিন্ন বিষয়ের অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করায় নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান।

রাষ্ট্রপতি বর্তমান নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্বে আসন্ন স্থানীয় সরকারসহ অন্যান্য সকল নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার আহ্বান জানান এবং এ ব্যাপারে তাঁর সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি দৃশ্যমান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৮ পি.এম


আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি দৃশ্যমান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হওয়ায় দেশে বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি দৃশ্যমান।

আজ সংসদে এনসিপির সদস্য মো. আবুল হাসনাত (কুমিল্লা-৪)-এর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদ সদস্যের উদ্বেগের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুততার সঙ্গে অপরাধীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। জনমনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করা মামলাগুলোর ক্ষেত্রেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘রামিসা মামলা থেকে শুরু করে রংপুরে সাম্প্রতিক চারটি হত্যাকাণ্ড পর্যন্ত পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী স্বল্পতম সময়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধের বিচার করা বিচার বিভাগের দায়িত্ব। অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব হলো— অপরাধ তদন্ত করা, সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করা এবং তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপকভাবে ব্যর্থ হয়েছে— এমন অভিযোগ নাকচ করে তিনি বলেন, এ ধরনের অভিযোগ নির্দিষ্ট ঘটনা ও যাচাইযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো নির্দিষ্ট ঘটনায় ব্যর্থ হয়েছে— এমন কোনো ঘটনা আপনারা উল্লেখ করতে পারলে ওই নির্দিষ্ট ঘটনা সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত জবাব দিতে পারি।

সংসদ সদস্যের উদ্ধৃত অপরাধ সংক্রান্ত পরিসংখ্যানের ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সংসদে কোনো পরিসংখ্যান উপস্থাপনের ক্ষেত্রে এর উৎস ও তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতিও উল্লেখ করা উচিত।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, সরকার এর আগে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংক্রান্ত বিস্তারিত পরিসংখ্যান সংসদে উপস্থাপন করেছে। কার্যপ্রণালি বিধির ৩০০ বিধির আওতায় দেওয়া বিবৃতির মাধ্যমেও বিভিন্ন ধরনের অপরাধের পরিসংখ্যান সংসদকে জানানো হয়েছে।

পুলিশ সদস্যদের নৈতিক প্রশিক্ষণ বিষয়ে অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে নৈতিক প্রশিক্ষণের জন্য পৃথক কোনো কর্মপরিকল্পনা নেই।

একজন সংসদ সদস্য উল্লেখ করেন, কয়েকজন বিপথগামী পুলিশ সদস্যের অসদাচরণের কারণে পুরো পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়া উচিত নয়। কারণ, বাহিনীতে অনেক দক্ষ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্ব পালন করছেন।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ একাডেমিগুলোতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবেই নৈতিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি অনেক বিস্তৃত। পুলিশ বাহিনীর সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিজ নিজ একাডেমিতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এসব প্রশিক্ষণে নৈতিক প্রশিক্ষণ, শারীরিক প্রশিক্ষণ এবং একাডেমিক বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে নৈতিক প্রশিক্ষণের জন্য আলাদা কোনো কর্মপরিকল্পনা নেই।’

বিভিন্ন স্থান থেকে লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের সংখ্যা এবং এসব অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীর সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিতভাবে লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিভিন্ন অস্ত্র উদ্ধার করছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের সিরিয়াল নম্বর মিলিয়ে সেগুলো শনাক্ত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা লুট হওয়া কিছু আগ্নেয়াস্ত্রসহ নিয়মিত অস্ত্র উদ্ধার করছি। উদ্ধার করা অস্ত্রের নম্বর মিলিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এ ধরনের অস্ত্র উদ্ধার হলে গণমাধ্যমকে জানানো হচ্ছে।’

কারাগারসহ বিভিন্ন স্থান থেকে লুট হওয়া সব অস্ত্রই শেষ পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আগের সরকারের সময়ে রাজনৈতিক বা দলীয় বিবেচনায় পুলিশে নিয়োগের অভিযোগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

তিনি বলেন, তদন্তে বিভিন্ন জেলায় হাজার হাজার পুলিশ কনস্টেবল ও অন্যান্য পদমর্যাদার সদস্য নিয়োগে অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে।

কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট জেলার নিয়োগে যোগ্যতা অর্জনের জন্য আবেদনকারীরা ঠিকানা পরিবর্তন করেছিলেন বলেও জানান তিনি। এমনকি কেউ কেউ ছোট জমি কিনে সেই ঠিকানাকে স্থায়ী বা গ্রামের ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করে নিয়োগের জন্য আবেদন করেছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

তিনি বলেন, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও কিশোরগঞ্জসহ কয়েকটি জেলায় এ ধরনের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তদন্ত আমরা অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছি। তদন্ত শেষ হলে এর ফলাফল জাতির সামনে প্রকাশ করা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজবাড়ীতে বিভাগীয় কমিশনারের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


রাজবাড়ীতে বিভাগীয় কমিশনারের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন

রাাজাড়ী, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিয়া রাজবাড়ীতে বিদ্যালয় পরিদর্শনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসকের দাপ্তরিক কার্যালয় পরিদর্শন এবং কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। 

এরপর রাজবাড়ী জেলা সদরের শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে সেখানে গাছের চারা রোপণ করেন। বিদ্যালয় পরিদর্শনকালীন শ্রেণিকক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম, পড়াশোনা ও খেলাধুলাসহ ব্যক্তিগত জীবনের খোঁজখবর নেন। এসময় বাড়িতে গিয়ে মা-বাবার বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করা, পড়াশোনার পাশাপাশি বাগান করা বাড়ি ঘর ও শ্রেণি কক্ষ পরিষ্কার রাখা সম্পর্কেও তাদেরকে নানা রকম পরামর্শ দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাধারণ তারিফ উল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি)শংকর চন্দ্র বৈদ্য এবং রাজবাড়ী সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নিরুপমা রায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%