বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৫:০৯ পি.এম
রাাজাড়ী, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিয়া রাজবাড়ীতে বিদ্যালয় পরিদর্শনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসকের দাপ্তরিক কার্যালয় পরিদর্শন এবং কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এরপর রাজবাড়ী জেলা সদরের শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে সেখানে গাছের চারা রোপণ করেন। বিদ্যালয় পরিদর্শনকালীন শ্রেণিকক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম, পড়াশোনা ও খেলাধুলাসহ ব্যক্তিগত জীবনের খোঁজখবর নেন। এসময় বাড়িতে গিয়ে মা-বাবার বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করা, পড়াশোনার পাশাপাশি বাগান করা বাড়ি ঘর ও শ্রেণি কক্ষ পরিষ্কার রাখা সম্পর্কেও তাদেরকে নানা রকম পরামর্শ দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাধারণ তারিফ উল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি)শংকর চন্দ্র বৈদ্য এবং রাজবাড়ী সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নিরুপমা রায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বারহাট্টায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে কৃষককে হত্যার অভিযোগ
নেত্রকোনার বারহাট্টায় বর্গাচায়ের জমি সংক্রান্ত একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ফলে রফিকুল ইসলাম (৪০) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ছয়গাঁও গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
বারহাট্টা থানার এসআই মো. কাদির আলী এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নিহত কৃষক আব্দুল হেকিমের পুত্র।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জমির মালিকানা নিয়ে রফিকুল ইসলাম এবং তার চাচাতো ভাই আবুল ও হেলিমের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই ফলস্বরূপ আজ বৃহস্পতিবার সকালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংঘর্ষের সময় রফিকুল মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে জ্ঞান হারান। তাকে উদ্ধার করে বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তার শরীরে আঘাতের কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
নিহতের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে রফিকুল ইসলাম অন্য একটি পক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন।
সঠিক চিকিৎসার অভাবে সেই আঘাত সেরে ওঠেনি। আজকের সংঘর্ষের সময় তিনি একই স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং মাটিতে পড়ে যান। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এসআই মো. কাদির আলী বলেন, ‘খবর পাওয়ার পর হাসপাতালে এসে মরদেহের সরতেহাল রিপোর্ট তৈরি করেছি।
রফিকুল ইসলামের স্বজন ও অন্যান্যদের সঙ্গে আলাপে জানা যায় যে, চাচাতো ভাই আবুল ও হেলিমের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এর জের ধরে আজ উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। আমাদের একটি টিম ঘটনাস্থল ছয়গাঁয়ে তথ্যানুসন্ধানে কাজ করছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আকস্মিক বন্যার ভয়াবহ তাণ্ডবের পর জলবায়ু পরিবর্তনের সংকট মোকাবিলায় প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি যৌথভাবে কাজ করার জরুরি আহ্বান জানিয়েছে নেপাল। দেশটি বলছে, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রমাণ করেছে, প্রকৃতি কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা কিংবা মানচিত্র চেনে না।
কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড অন্বীক্ষা সম্মেলনে নেপালের ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির সভাপতি রবি লামিছানে এই বার্তা দেন। তিনি ভারত ও চীনের প্রতি একযোগে কাজের আহ্বান জানিয়ে বলেন, তিন দেশ হলেও আমাদের পর্বতমালা একটিই। তিনি উল্লেখ করেন, বুধবার যে পানির তোড়ে প্রাণহানি ঘটেছে, তা কারও সীমানা বিবেচনা করেনি। আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার চেয়ে হিমালয় দ্রুত বদলে যাচ্ছে। হিমবাহ গলে সেখানে নতুন হ্রদ তৈরি হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনকে বর্তমানের বাস্তবতা উল্লেখ করে তিনি একটি অভিযোজন পরিকল্পনার ওপর জোর দেন।
নেপালের এই নেতা বলেন, উপত্যকার পরিবারগুলোকে নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য অন্তত ২০ মিনিট সময় দিতে একটি সমন্বিত আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।
বন্যার ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ দিয়ে তিনি জানান, আকস্মিক ঢলে বহু গ্রাম, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র, বাড়িঘর ও সেতু সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। অনেক পরিবার এখন তাদের নিখোঁজ স্বজনদের খবরের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক ত্রাণসামগ্রী পাঠানো এবং নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন শাহকে ফোন করার জন্য তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানান।
এদিকে দুর্যোগে বেঁচে ফেরা মানুষেরা নিজেদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানাচ্ছেন। জনক বাহাদুর নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সকে জানান, পাহাড়ি ঢল হঠাৎ বোমার মতো এসে সব ভাসিয়ে নিয়ে যায়। সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় এখনও কতজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছেন, তা জানা যাচ্ছে না। ফলে দুর্গতদের উদ্ধারে সাহায্যকারী দলগুলো মূলত হেলিকপ্টারের ওপর নির্ভর করছে।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালে বন্যা ও ভূমিধসের কারণে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে নেপালের উত্তরাঞ্চলের রাসুয়া জেলায় পাহাড়ি ঢল আছড়ে পড়ে।
এই বিপর্যয়টি তিব্বত সীমান্তের নিকটবর্তী এলাকায় ঘটেছে, যেখানে ভোটেকোশি নদীর গতিপথের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নেপাল পুলিশের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩২ হয়েছে। নেপালের দুর্যোগ সংস্থা জানিয়েছে, ৫১৭ জন বিদেশি নাগরিকসহ ৯০০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, নিখোঁজদের মধ্যে প্রায় ৩০০ ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন।
এই পরিস্থিতি নিয়ে নেপালের জাতীয় দলের ক্রিকেটার দীপেন্দ্র সিং আইরি ও সন্দীপ লামিচানে মুখ খুলেছেন। তারা ভয়াবহ এই অবস্থায় সতর্ক ও সুস্থ থাকার বার্তা দিয়েছেন।
দীপেন্দ্র সিং আইরি বন্যা ও ধসের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
নিজের ইনস্টাগ্রাম স্যোশাল প্ল্যাটফর্মে দীপেন্দ্র লিখেছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা ও ধসের খবর শুনে তিনি অত্যন্ত ব্যথিত। দেশের এই কঠিন সময়ে সকলের একত্রিত হয়ে এগিয়ে আসার জন্য তিনি অনুরোধ করেছেন।
তিনি সবাইকে সতর্ক ও নিরাপদ থাকার বার্তা দিয়েছেন।
নেপালের জাতীয় দলের অপর ক্রিকেটার সন্দীপ লামিচানেও নেপালের এই পরিস্থিতি নিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
বন্যা ও ধসের কারণে নেপালের বিভিন্ন স্থানে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
জলের প্রবল স্রোতে বহু বসতি ধ্বংস হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চললেও এখনও শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে অনেক ভারতীয়, বিদেশি পর্যটক এবং তীর্থযাত্রীও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। অন্তত ১৯টি সেতু এবং প্রায় ৪০ কিলোমিটার রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রবল জলের স্রোতে বহু বাড়ি ভেসে গেছে। বিপর্যয়ের পূর্ণ ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এখনো করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩২ জনে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে দেশটির পুলিশ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
এর আগে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে দেওয়া আপডেটে মৃতের সংখ্যা ২৮৯ জন বলে জানানো হয়েছিল।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, বন্যার পর অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। তাদের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। নিখোঁজদের মধ্যে ৫১৭ জন বিদেশি নাগরিক, ৪৪ জন নেপাল সেনাবাহিনীর সদস্য এবং ২৮ জন নেপাল পুলিশের কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
কর্তৃপক্ষ আরো জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২৫৮টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩৫১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বন্যার পরিস্থিতি এবং উদ্ধার অভিযান নিয়ে নেপাল পুলিশ এবং জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পৃথকভাবে তথ্য প্রকাশ করছে। উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ