রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫৩ পি.এম
বরুসিয়া মনচেনগ্লাডবাকের প্রধান কোচ ইউগেন পোলানস্কিকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। বুন্দেসলিগায় টানা তিনটি ম্যাচে পরাজয়ের কারণে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
মৌসুমের শুরুতেই ক্লাবটি বাজে ফলাফলের সম্মুখীন হয়েছে, যার ফলে তারা পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে অবস্থান করছে। তিনটি ম্যাচে পরাজয়ের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। খবর গোলডটকম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী জামদানি শিল্পের বিকাশ ও নতুন কারিগর তৈরির উদ্দেশ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ‘জামদানি বুনন প্রশিক্ষণ’ এর ১ম কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় রূপগঞ্জের বিসিক জামদানি শিল্পনগরী কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বুনন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সূচনা হয়। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)-এর উদ্যোগে এবং বিসিক জেলা কার্যালয় নারায়ণগঞ্জ ও উন্নয়ন বিভাগ বিসিক ঢাকার যৌথ আয়োজনে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসিক-এর চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ, যিনি প্রশিক্ষণের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ স্পেশালাইজড টেক্সটাইল মিল এবং পাওয়ারলুম ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (BSTMPIA)-এর প্রেসিডেন্ট আলহাজ্ব গোলাম ফারুক খোকন, বিসিক-এর যুগ্মসচিব ও পরিকল্পনা ও সম্প্রসারণ বিভাগের কর্মকর্তা কাজী নজরুল ইসলাম, বিসিক ঢাকার মহাব্যবস্থাপক জেসমিন নাহার এবং বিসিক ঢাকা আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালক মানছুরুল করিম বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন বিসিক জেলা কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. জসিম উদ্দিন।
বক্তারা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি শিল্পকে টিকিয়ে রাখা এবং বিশ্ববাজারে এর গুণগত মান বজায় রাখতে দক্ষ কারিগর তৈরির কোনো বিকল্প নেই। তারা বলেন, এই প্রশিক্ষণ নতুনদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জামদানি শিল্পের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান ও ওমানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতার ফলে হরমুজ প্রণালি তাৎক্ষণিকভাবে পুনরায় খোলার সম্ভাবনা নেই।
তবে, প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য একটি ভিত্তি তৈরি হয়েছে। শনিবার ইরানের একটি সূত্র আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে এই তথ্য জানিয়েছে।
সূত্রটি জানায়, এই সমঝোতা হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে, প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে কিনা, তা নির্ভর করছে তেহরানের শর্তগুলো যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেয় কিনা তার ওপর।
এদিকে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে সাতটি শর্ত দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, সব শর্ত অনুমোদন ও বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত এই কৌশলগত নৌপথটি বন্ধ থাকবে।
ইরানের গণমাধ্যমগুলো আলোচনা সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানাচ্ছে, দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমোদনের পর মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে এসব শর্ত পাঠানো হয়েছে।
সূত্রগুলো আরও উল্লেখ করেছে, সম্প্রতি ইরান ও ওমানের মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছে, সেটিকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা যাবে না। প্রণালিটি কবে খুলবে, তা যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ এবং ইরানের মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করবে।
ইরান-ওমানের নতুন নৌপথের সমঝোতা
হরমুজ প্রণালি দিয়ে নতুন নৌপথ চালুর বিষয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়েছে বলে ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে।
এই প্রস্তাবিত নৌপথটি পুরোপুরি ইরানের জলসীমার মধ্যে থাকবে এবং ইরানের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হবে। সোমবার ওমানে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে উপসাগরীয় দেশগুলোকে এ বিষয়ে জানানো হতে পারে।
তবে, ইরান স্পষ্ট করেছে যে, ওমানের সঙ্গে এই সমঝোতার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া নয়।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ, যা উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল রপ্তানির বড় একটি অংশের জন্য ব্যবহৃত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার যখন সারা দেশে পরিবেশ রক্ষায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, ঠিক তখনই সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের দুটি সেতু নির্মাণকাজকে কেন্দ্র করে দেখা গেছে চরম অনিয়ম ও সরকারি সম্পদ নয়ছয়ের অভিযোগ। সেতু দুটির নির্মাণকাজ চলাকালে রাস্তার দুপাশের বেশ কয়েকটি মূল্যবান সরকারি গাছ নিয়ম-কানুন তোয়াক্কা না করেই কেটে নিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন ধরে শ্রমিকদের দিয়ে অবাধে রাস্তার দুই পাশের বেশ কয়েকটি গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। গাছ কাটার কারণ ও অনুমতি সম্পর্কে জানতে চাইলে শ্রমিকরা জানান, ঠিকাদারের নির্দেশেই তারা এসব গাছ কাটছেন এবং কাটা কাঠ ঠিকাদার নিজেই নিয়ে যাবেন।
তবে এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো সদুত্তর দেননি। গাছ কাটার বৈধ কাগজপত্র বা টেন্ডারের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি মুঠোফোনে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং 'সাক্ষাতে বসে কথা বলবেন' বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।
সরকারি আইন অনুযায়ী, সড়ক বা সরকারি জায়গার যেকোনো গাছ কাটতে হলে প্রথমে নিয়ম মোতাবেক মূল্য নির্ধারণ করে উন্মুক্ত টেন্ডার বা নিলাম আহ্বান করতে হয়। টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই কেবল নির্ধারিত গাছ কাটার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে কোনো ধরণের টেন্ডার শিডিউল বা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই লাখ টাকার সরকারি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিষয়টি নিয়ে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ সখিনা আক্তারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এভাবে গাছ কাটার বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কিভাবে বা কার অনুমতিতে গাছগুলো কাটছে—সে বিষয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কাছে খোঁজ নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
টেন্ডার ছাড়া প্রকাশ্যে সরকারি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তারা অবিলম্বে এই অবৈধ গাছ কাটা বন্ধ করে দায়ী ঠিকাদারের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের জন্য পরিবেশিত খাবারের মেনু নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের বিরোধী দলীয় নেতারা অভিযোগ করেছেন যে, বিজেপি ভারতের খাদ্যসংস্কৃতির একটি নির্দিষ্ট পছন্দ বিশ্বনেতাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
শনিবার রাতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের গালা ডিনারে ১০টিরও বেশি পদ পরিবেশন করা হয়। দেশটির সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানাচ্ছে, খাবারের শুরুতে স্টার্টার হিসেবে ‘খুম্ব গালাউটি’ এবং ‘খান্ডভি মিল্লে’ পরিবেশন করা হয়।
মূল খাবারের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল ‘পনির লাবাবদার’, হিমালয়ান মোরেল মাশরুম ও অ্যাসপারাগাসের ‘গুচ্ছি মারমিক’, ‘ক্যারট বিন পরিয়াল’, মিলেট পোলাও, বিটরুট রায়তা এবং বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় রুটি। মিষ্টান্ন হিসেবে ছিল জালেবি, ‘ওল্ড দিল্লি ফ্রুট ক্রিম’ এবং ‘শাহতুত ফিরনি’।
মেনু নিয়ে কটাক্ষ করে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, “ভারতের ৮০ শতাংশ মানুষ আমিষভোজী। ভারতীয় আমিষ খাবার সুস্বাদু। আমার বোনের ছোলে ভাটুরের মতোই।”
কংগ্রেসের নেতা পবন খেরা অভিযোগ করেন যে, বিজেপি ভারতীয়দের ওপর নিজেদের খাদ্যাভ্যাস চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি মন্তব্য করেন যে, এখন তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অতিথিদের ওপরও একই পছন্দ চাপিয়ে দিয়েছে।
দলটির আরেক নেতা ওয়ারিস পাঠান বলেন, ভারত তার বৈচিত্র্য নিয়ে অনেক কথা বলে, কিন্তু এই মেনু সেই বৈচিত্র্যকেই মুছে দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, নিরামিষভোজিতা প্রচার করতে চাইলে তা করা যেতে পারে, তবে ভারতের খাদ্যসংস্কৃতিকে শুধুমাত্র নিরামিষ খাবারে সীমাবদ্ধ করা উচিত নয়।
ভারতের খাদ্যবৈচিত্র্য তুলে ধরতে মাটন মাসালা ফ্রাই, হায়দরাবাদি বিরিয়ানি, তন্দুরি চিকেন, বাটার চিকেন এবং গোয়ান ফিশ কারির মতো খাবার বিশ্বনেতাদের পরিবেশন করা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন ওয়ারিস পাঠান। এ প্রসঙ্গে তিনি রসিকতা করে বলেন, “মাটন-চিকেন নেই... মামা-ফুফা মন খারাপ করবেন!”
তবে কংগ্রেসের অভিযোগের পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। দলটি অভিযোগ করেছে যে, কংগ্রেস একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আয়োজনকে খাবারের মেনু নিয়ে বিতর্কে নামিয়ে আনছে।
ব্রিকস সম্মেলনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরিতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন না তুলে কংগ্রেস খাবারের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে বলে দাবি করেছে বিজেপি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ