শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৯ পি.এম
যশোর, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন যে, জেলার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রকে ধাপে ধাপে ৫০ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরিত করা হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, ২০ শয্যার প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে ৩০ শয্যায় উন্নীত হবে এবং পরবর্তীতে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আজ শুক্রবার, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সিজারিয়ান সেকশন সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, যশোরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র চত্বরে ২০২৮ সালের জুন মাসের মধ্যে নয়তলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হবে। তিনি একনেকে অপেক্ষমাণ প্রকল্প পাশ করানোর ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, অতীতে এই কেন্দ্রে সিজারিয়ান অপারেশন ও ধাত্রী সেবার সুযোগ ছিল না।
চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যেন-তেন কায়দায় সেবা প্রদান করা যাবে না। মানুষের জন্য মানসম্মত, নিরাপদ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
এর আগে, প্রতিমন্ত্রী যশোর নগর বিএনপির ১ নম্বর ওয়ার্ড শাখার ডেঙ্গু প্রতিরোধ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন এবং যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ডকোলজিস্ট অ্যাপ উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু এবং সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খান খোকন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক দিলদার হোসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্ক শহরে দীর্ঘদিন ধরে চলমান পাবলিক টয়লেট সংকটের সমাধানে নগর কর্তৃপক্ষ একটি নতুন পরীক্ষামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে চার মিলিয়ন ডলার। মেয়র জোহরান মামদানির নেতৃত্বে এই প্রকল্পটি এক বছরের জন্য চালু হচ্ছে এবং শহরের পাঁচটি বরোতে ১৭টি অত্যাধুনিক পাবলিক টয়লেট স্থাপন করা হবে। তবে, এই টয়লেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ নিয়ম রাখা হয়েছে—ব্যবহারকারীরা ভেতরে প্রবেশ করার পর সর্বোচ্চ ১০ মিনিট সময় পাবেন, সময় শেষ হলেই দরজা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যাবে।
নিউইয়র্কের অধিবাসীদের জন্য এই টয়লেটগুলো সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সেবা প্রদান করবে এবং এগুলো প্রতিবন্ধীবান্ধব। প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে এই ইউনিটগুলো, যেখানে ফ্লাশ টয়লেট, রানিং ওয়াটার, স্বয়ংক্রিয় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং শিশুদের ডায়াপার পরিবর্তনের সুবিধা রয়েছে। ব্যবহারকারীরা মোবাইল ফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়ে, কিউআর কোড স্ক্যান করে, বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে অথবা স্থানীয় প্রবীণ ও দুস্থদের জন্য নির্ধারিত ট্যাপ কার্ড ব্যবহার করে প্রবেশ করতে পারবেন। ‘থ্রোন বাথরুম নেটওয়ার্ক’ অ্যাপের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা টয়লেট খালি আছে কি না এবং সর্বশেষ কখন পরিষ্কার করা হয়েছে, তা সরাসরি দেখতে পারবেন।
১০ মিনিটের সময়সীমা সম্পর্কে জানা যায়, ভেতরে প্রবেশের পর পাঁচ মিনিট ও আট মিনিটের মাথায় ব্যবহারকারীকে অডিও সতর্কবার্তা দেওয়া হবে। যখন ১০ মিনিট পূর্ণ হবে, তখন আলো জ্বলে উঠবে এবং অডিও বার্তার মাধ্যমে দরজার লক খুলে দেওয়া হবে। প্রায় ৩০ সেকেন্ডের একটি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা শেষে স্প্যানিশ ও ইংরেজি ভাষায় ঘোষণা দিয়ে দরজা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যাবে। মূলত দীর্ঘ সময় ধরে অহেতুক টয়লেট দখল বা অনৈতিক কার্যক্রম প্রতিরোধের জন্য এই কঠোর নিয়ম প্রবর্তন করা হয়েছে।
টয়লেট পরিচালনাকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘থ্রোন ল্যাবস’ জানিয়েছে, গবেষণায় দেখা গেছে প্রায় ৮১ শতাংশ মানুষ পাঁচ মিনিটের মধ্যে টয়লেটের কাজ শেষ করেন। লস অ্যাঞ্জেলেসে চালুর পর প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষই ১০ মিনিটের আগে বের হয়ে এসেছেন, তাই অধিকাংশ ব্যবহারকারীর জন্য এই সময়সীমা যথেষ্ট বলে মনে হচ্ছে।
ম্যানহাটনের কুপার স্কয়ার, ব্রুকলিনের কলম্বাস পার্ক, কুইন্সের অ্যাস্টোরিয়া বুলেভার্ড ও ব্রঙ্কসের ইয়াঙ্কি স্টেডিয়াম এলাকার মতো ম্যানহাটন, ব্রুকলিন, কুইন্স, ব্রঙ্কস ও স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের মোট ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল স্থানে এই আধুনিক ইউনিটগুলো স্থাপন করা হচ্ছে। এগুলো মূল ভূগর্ভস্থ পানি বা পয়োনিষ্কাশন লাইনের সঙ্গে সংযোগ করার প্রয়োজন নেই, ফলে দ্রুত স্থাপন করা সম্ভব এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো স্থানে স্থানান্তরও করা যাবে।
মামদানি প্রশাসনের আশা, এই ১৭টি পরীক্ষামূলক টয়লেটের সফলতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে নিউইয়র্ক শহরজুড়ে একটি শক্তিশালী ও সুপরিচ্ছন্ন পাবলিক টয়লেট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতে লোহা উৎপাদনের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। চলতি ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে দেশটি রেকর্ড ২৩ কোটি টন আকরিক লোহা উত্তোলন করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ওড়িশা, ছত্তিশগড় এবং বিশেষ করে মহারাষ্ট্র রাজ্যে খনি থেকে লোহা উত্তোলনের পরিমাণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বিগমিন্ট-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বছরের শেষে ভারতে লোহা উৎপাদনের পরিমাণ ৩৫ কোটি টন ছাড়িয়ে যেতে পারে।
এই উল্লেখযোগ্য সফলতার পেছনে রয়েছে মুক্ত বাজারের বাণিজ্যিক খনি মালিকদের অবদান। বছরের মধ্যে তাদের উৎপাদন প্রায় ২৮ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে, ইস্পাত কারখানাগুলোর নিজস্ব খনিগুলো থেকে উৎপাদন মাত্র ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দেশে নতুনভাবে যুক্ত হওয়া লোহারের তিন ভাগের দুই ভাগই এসেছে বাণিজ্যিক খনিগুলো থেকে।
সরকারি প্রতিষ্ঠান এনএমডিসি উৎপাদনে বরাবরের মতো নেতৃত্ব দিচ্ছে। তারা একাই প্রায় পৌনে চার কোটি টন লোহা উত্তোলন করেছে। মহারাষ্ট্রে নতুন পাইপলাইন ও খনির কাজ বৃদ্ধি করায় লয়েডস মেটালস নামের একটি প্রতিষ্ঠান চমকপ্রদ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে, যেখানে তাদের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ১৪৭ শতাংশ। টাটা স্টিল ও সেইল-এর মতো বড় কোম্পানিগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও, নিলাম থেকে উচ্চ দামে খনি কেনার কারণে জেএসডব্লিউ স্টিল ও জিন্দাল স্টিলের মতো কিছু প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কিছুটা কমেছে।
যদিও খনি কোম্পানিগুলো অতিরিক্ত খরচ ও উচ্চ রয়্যালটির কারণে চাপে রয়েছে, তবুও ভারতীয় বাজারে এই শিল্পের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা স্পষ্ট। তবে দেশে রেকর্ড পরিমাণ লোহা উৎপাদন হওয়া সত্ত্বেও উন্নতমানের লোহার ঘাটতি এবং বর্ষাকালের খরচের কারণে বিদেশ থেকে লোহা আমদানি কমছে না, বরং তা বাড়তেই চলেছে।
সূত্র: জিএমকে সেন্টার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কোহাট পুলিশ লাইনে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। এই ঘটনায় ৫০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে।
খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) জুলফিকার হামিদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবরটি প্রকাশ করেছে ডন।
টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বিস্ফোরণের ফলে একটি ভবনের দেয়াল ভেঙে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে জড়ো হয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে হতাহতদের উদ্ধারে সহযোগিতা করছেন।
আইজি হামিদের প্রাথমিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কোহাট পুলিশ লাইনের একটি মসজিদে বিস্ফোরণটি ঘটেছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ধারণা করা হচ্ছে, বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি ভবনটিতে আঘাত করেছে।
তবে পরবর্তীতে দেয়া বিবৃতিতে আইজি জানান, স্পেশাল ব্রাঞ্চ ভবনের কাছে এক আত্মঘাতী হামলাকারী নিজের শরীরে থাকা বিস্ফোরক দিয়ে বিস্ফোরণ ঘটায়। এর পর সেখানে ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে পুলিশের গুলি বিনিময় শুরু হয়।
জুলফিকার হামিদ বলেন, ‘ফিতনা-উল-খাওয়ারিজকে পুরোপুরি নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, পুলিশের মনোবল অটুট রয়েছে।
‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’ শব্দটি পাকিস্তান সরকার নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সদস্যদের বোঝাতে ব্যবহার করে।
এদিকে, কেপির মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদি ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন চেয়েছেন। তার দপ্তর থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরপরাধ মানুষকে লক্ষ্য করে হামলা ‘গভীরভাবে দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য’।
তিনি আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
কেপির গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্দিও বিস্ফোরণের নিন্দা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সন্ত্রাস নির্মূলে নিরাপত্তা বাহিনীর পাশে পুরো জাতি ঐক্যবদ্ধ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাগোয়া, জাপান, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : এশিয়ান গেমসের আয়োজকরা শুক্রবার বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচের পূর্বে দক্ষিণ কোরিয়ার পুরুষ হকি দলের জন্য ভুলবশত উত্তর কোরিয়ার জাতীয় সংগীত বাজিয়ে একটি বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন। পরে তারা এই ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।
শনিবার নাগোয়ায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে এশিয়ান গেমসে ঘটে যাওয়া এই সাম্প্রতিক ভুলে দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা ক্ষুব্ধ হয়েছেন।
দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশকে ৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছে। কিন্তু ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে তাদের জাতীয় সংগীতের পরিবর্তে উত্তর কোরিয়ার জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।
ম্যাচের শুরুতে নিজেদের জাতীয় সংগীতের সময় সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা দক্ষিণ কোরিয়ার খেলোয়াড়রা একে অপরের দিকে বিস্মিত হয়ে তাকিয়ে থাকেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপ জানায়, এরপর আয়োজকরা বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বাজান। পরে দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।
তবে জাতীয় সংগীত শেষ হওয়ার আগেই রেফারি দুই দলের খেলোয়াড়দের পরস্পরের সঙ্গে করমর্দন করতে নির্দেশ দেন এবং ম্যাচ শুরু করার প্রস্তুতি নিতে বলেন।
স্টেডিয়ামের ঘোষক এই ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ মিন তায়ে-সোক এতে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হন।
তিনি মন্তব্য করেন, “এটি সত্যিই গুরুতর একটি সমস্যা। আমরা প্রতিবাদ জানালে তারা বলেছে, ‘আমরা দুঃখিত। এটি প্রস্তুত করা ছিল না এমন নয়, বাজানোর দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে ভুল হয়েছে।’”
“কিন্তু এমন কিছু কোনোভাবেই হওয়া উচিত নয়,” তিনি যোগ করেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার অলিম্পিক কমিটির একজন কর্মকর্তা জানান, তারা ঘটনার কারণ জানার চেষ্টা করছেন।
ওই কর্মকর্তা বলেন, “ঠিক কী ঘটেছে, তা নিশ্চিত করতে আমরা বর্তমানে বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।”
এশিয়ান গেমসের আগে থেকেই দলগুলোর থাকার জায়গার মান ও পর্যাপ্ততা নিয়ে অভিযোগের কারণে গেমসের প্রস্তুতি কার্যক্রম কিছুটা ম্লান হয়ে গেছে।
এ সপ্তাহে জাপানে পৌঁছানোর পর কয়েকটি দল বিমানবন্দরে ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত আটকে থাকার খবরও পাওয়া গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ