ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মুন্সীগঞ্জে খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ, ৩-১ গোলে বালুয়াবান্দির জয়


মুন্সীগঞ্জে খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ, ৩-১ গোলে বালুয়াবান্দির জয়

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। জমজমাট ম্যাচে বাউশিয়া ফাইভ স্টার একাদশকে ৩-১ গোলে হারিয়ে জয় পেয়েছে বালুয়াবান্দি সানরাইজ কিংস একাদশ।

বৃহস্পতিবার উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের আনারপুরা ঈদগাহ মাঠ প্রাঙ্গণে এ ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। খেলা দেখতে মাঠে ভিড় করেন বিপুলসংখ্যক দর্শক।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নূরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম এবং গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে বাসায় ফেরার সময় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিক নিহত

এ ছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ক্রীড়া সংগঠক, ক্রীড়াবিদ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত থেকে ম্যাচটি উপভোগ করেন।

খেলায় শুরু থেকেই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। শেষ পর্যন্ত বালুয়াবান্দি সানরাইজ কিংস একাদশ ৩-১ গোলে বাউশিয়া ফাইভ স্টার একাদশকে পরাজিত করে।

খেলাকে কেন্দ্র করে আনারপুরা ঈদগাহ মাঠ এলাকায় উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়। প্রিয় দলের সমর্থনে দর্শকদের উচ্ছ্বাস ও করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মাঠ।

আয়োজকরা জানান, তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবলের প্রসার ঘটাতেই এ ধরনের টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: (ছবি আছে) জিয়ানগরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে মানববন্ধন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
নতুন নিয়ম ইউএস ওপেনে

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা না বললেই ৫০ লাখ টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:০৬ এম


সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা না বললেই ৫০ লাখ টাকা জরিমানা

ম্যাচ হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিলেই দায়িত্ব শেষ নয়। ইউএস ওপেনে ম্যাচের পর জয়ী কিংবা পরাজিত দুই খেলোয়াড়কেই নির্ধারিত মিডিয়া কার্যক্রমে অংশ নিতে হয়। এই নিয়ম ভাঙলে গুনতে হতে পারে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানা।

২০২৬ সালের অফিসিয়াল গ্র্যান্ড স্লাম রুলবুকের ৪৯ নম্বর পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, প্রতিটি ম্যাচ শেষ হওয়ার পর উপযুক্ত ও যৌক্তিক সময়ের মধ্যে খেলোয়াড়দের পোস্ট-ম্যাচ মিডিয়া কার্যক্রমে অংশ নেওয়া বাধ্যতামূলক। এর মধ্যে টুর্নামেন্টের আয়োজক ও নিজ দেশের সম্প্রচারমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারসহ বিভিন্ন ধরনের মিডিয়া কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত।

তবে অসুস্থতা বা চোটের কারণে কোনো খেলোয়াড় নির্ধারিত মিডিয়া কার্যক্রমে অংশ নিতে না পারলে সেটি ব্যতিক্রম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। অন্যথায় নিয়ম অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়কে ৫০ হাজার ডলার জরিমানা করা হতে পারে।

সম্প্রতি এই নিয়ম নিয়ে আলোচনায় এসেছেন সেরেনা উইলিয়ামসও। জুলাইয়ে উইম্বলডনে মায়া জয়েন্টের কাছে প্রথম রাউন্ডে হারের পর বাধ্যতামূলক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হননি সেরেনা। তবে তার পক্ষ থেকে একটি বক্তব্য প্রকাশিত হওয়ায় এবং বিষয়টি যুক্তিসংগত বলে বিবেচিত হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাকে জরিমানা করা হয়নি।

এই নিয়মের সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণগুলোর একটি নাওমি ওসাকা। ২০২১ সালের ফ্রেঞ্চ ওপেনে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানানোর পর তাকে জরিমানার মুখে পড়তে হয়। পরে মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি উল্লেখ করে টুর্নামেন্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন জাপানের এই তারকা।

সে সময় ওসাকা জানিয়েছিলেন, দীর্ঘদিন ধরে হতাশা ও সামাজিক উদ্বেগের সঙ্গে লড়াই করছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি তার জন্য মানসিকভাবে কঠিন হয়ে উঠেছিল।

গ্র্যান্ড স্লাম কর্তৃপক্ষ তখন জানিয়েছিল, মিডিয়া কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার বাধ্যবাধকতা এড়িয়ে গেলে বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে খেলোয়াড়দের। শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্ট থেকেই সরে দাঁড়ান ওসাকা।

২০২৬ ইউএস ওপেনে এখন পর্যন্ত এই নিয়ম ভাঙার ঘটনায় কোনো খেলোয়াড়কে জরিমানা করা হয়নি। তবে টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচ হারার পরও মিডিয়ার মুখোমুখি হওয়া খেলোয়াড়দের জন্য বাধ্যতামূলক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেনীতে বাস উল্টে কাস্টমস কর্মকর্তা নিহত, আহত ১০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ এম


ফেনীতে বাস উল্টে কাস্টমস কর্মকর্তা নিহত, আহত ১০

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর লালপোল এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শ্যামলী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে আব্দুল আলিম (৪০) নামে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

রবিবার রাত ৮টার দিকে মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনের লালপোল এলাকায় স্টার লাইন ফিলিং স্টেশনের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল আলিম বারইয়ারহাট পৌরসভার বাসিন্দা। তিনি সিলেট কাস্টমসের কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাবার নাম আব্দুল কাদের।

পুলিশ জানিয়েছে, চট্টগ্রামমুখী একটি ট্রাক হঠাৎ ব্রেক করলে পেছনে থাকা শ্যামলী পরিবহনের বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ডান পাশের রোড ডিভাইডারের ওপর উঠে উল্টে যায়। এতে অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুল আলিমের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রামমুখী লেনে যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। 

মহিপাল হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কবির হোসেন জানান, দুটি রেকারের সহায়তায় প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টার পর দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্তানকে দানের পরও সম্পত্তিতে বাবা-মার অধিকার, আইন পাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫৬ এম


সন্তানকে দানের পরও সম্পত্তিতে বাবা-মার অধিকার, আইন পাস

সন্তানকে সম্পত্তি হস্তান্তর করলেও আজীবন ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা। ১৮৮২ সালের দ্য ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট সংশোধনে বিল জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। পরে বিলটি সংসদে কণ্ঠভোটে পাশ হয়েছে। যদিও বিল পাশের আগেই সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে বিরোধী দল। তবে বাবা-মাকে সুরক্ষায় বিলটিকে সাধুবাদ জানিয়েছে সরকারি দল।

রবিবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

পাস হওয়া বিলের বিধান অনুযায়ী, বাবা-মা কিংবা দাদা-দাদি বা নানা-নানির কাছ থেকে সন্তান বা নাতি-নাতনির কাছে সম্পত্তি দান করা হলে দাতা জীবিত থাকা পর্যন্ত ওই সম্পত্তি ভোগ করতে পারবেন। একইভাবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পত্তি দানের ক্ষেত্রেও দাতার জীবনকালীন ভোগাধিকার বহাল থাকবে।

এ ছাড়া দাতার জীবদ্দশায় সম্পত্তির গ্রহীতার মৃত্যু হলে দাতার ভোগের অধিকার বজায় থাকবে। পরবর্তী সময়ে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ওই সম্পত্তি গ্রহীতার উত্তরাধিকারীদের কাছে হস্তান্তরিত হবে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত আইনে সম্পত্তি হস্তান্তরের বিভিন্ন পদ্ধতি থাকলেও দাতার জীবদ্দশায় সম্পত্তির ভোগাধিকার সংরক্ষণ করে দানের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বিধান ছিল না। প্রস্তাবিত সংশোধনের মাধ্যমে জীবনকালীন ভোগাধিকার সংরক্ষণ করে সম্পত্তি দানের একটি স্বতন্ত্র ব্যবস্থা তৈরি হবে।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, নতুন এই বিধান সব ধর্মের মানুষের ক্ষেত্রে সমভাবে কার্যকর হবে। এর ফলে প্রচলিত সাধারণ দান, মুসলিম আইনের অধীনে হেবা কিংবা আইনস্বীকৃত অন্য কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর পদ্ধতির ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না এবং সাংঘর্ষিক পরিস্থিতিও সৃষ্টি হবে না।

তবে বিলটি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন। এর আগে তিনি বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সুস্পষ্ট পরিপন্থি দাবি করে সংসদে পাস না করার আহ্বান জানান।

তার বক্তব্য, এর মাধ্যমে দাতার আজীবন সম্পত্তি ভোগের সুযোগ রাখা হলে ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের বিধানকে পাশ কাটানোর আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। তিনি দাবি করেন, দেশের কয়েকজন প্রখ্যাত আলেমও প্রস্তাবিত ব্যবস্থাকে ইসলামী আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মত দিয়েছেন।

ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন আরও অভিযোগ করেন, ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর এবং পরবর্তী সময়ে ২০২৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর দেওয়া সরকারের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে এই বিলের বিধান সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তার দাবি, সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর দেশে কোরআন-সুন্নাহর বাইরে কোনো আইন করা হবে না এমন অঙ্গীকার করা হয়েছিল।

তার মতে, প্রস্তাবিত আইন কার্যকর হলে উত্তরাধিকারীদের প্রাপ্য সম্পত্তির অধিকার নিয়ে ভবিষ্যতে জটিলতা তৈরি হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উপার্জন থামলে বদলায় সম্পর্ক, বিপদে সন্তানের নিঃস্বার্থ আশ্রয় কেবল গর্ভধারিণী মা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাছুদুর রহমান আসলাম স্টাফ রিপোর্টার বরিশাল

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫৯ এম


উপার্জন থামলে বদলায় সম্পর্ক, বিপদে সন্তানের নিঃস্বার্থ আশ্রয় কেবল গর্ভধারিণী মা

সংসার, সম্পর্ক ও জীবনের টানাপোড়েনে মানবেতিহাসে সম্পর্কের নানা রূপ পরিলক্ষিত হয়। কর্মক্ষমতা ও সামাজিক সফলতার ওপর ভিত্তি করে মানুষের প্রতি পারিপার্শ্বিক আচরণের পরিবর্তন এক নিত্যদিনের বাস্তবতা। সম্প্রতি পারিবারিক জীবনের এই কঠোর বাস্তবতা ও মায়ের চিরন্তন ত্যাগের বিষয়টি তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি গভীর বার্তা ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।

প্রতিবেদনে উঠে আসে জীবনের এক নির্মম সমীকরণ। পুরুষ যতক্ষণ উপার্জনক্ষম থাকেন এবং পরিবারে আর্থিক যোগান দিতে পারেন, ততক্ষণ সংসারের সম্পর্কগুলোতে এক ধরনের প্রতিশ্রুতি ও অনুগত্য বজায় থাকে। কিন্তু সময়ের ঘূর্ণাবর্তে মানুষের আয়-রোজগার কমে গেলে বা শারীরিক অক্ষমতা চলে এলে অনেক সময় স্ত্রী কিংবা সন্তানসহ কাছের মানুষের আচরণে ব্যবধান দেখা যায়। সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণেও দেখা যায়, বিপদে পড়ে স্বামী অসহায় বা অক্ষম হয়ে পড়লে কিছু ক্ষেত্রে বৈবাহিক সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয় এবং ক্ষেত্রবিশেষে জীবনসঙ্গী মুখ ফিরিয়ে নিতেও দ্বিধা করেন না।

তবে অন্যান্য সম্পর্কের সঙ্গে মায়ের সম্পর্কের পার্থক্য यहीं স্পষ্ট হয়। মায়ের ভালোবাসা কোনো আর্থিক দেনাপাওনা বা উপার্জনের পরিমাপকের ওপর নির্ভর করে না। সন্তান জীবনের যে পর্যয়েই থাকুক না কেন, মায়ের কাছে সে চিরকালই সেই স্নেহের ছোট সন্তান। সন্তানের বিপদে অশ্রুপাত করা এবং তাঁর মঙ্গল কামনায় নিরন্তর প্রার্থনা করাই মায়ের সহজাত ধর্ম।

সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, পারিবারিক জীবনে প্রতিটি সম্পর্কের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ও ভূমিকা রয়েছে। স্ত্রীকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি কোনো অবস্থাতেই সাময়িক প্ররোচনা বা সম্পর্কের মোহে পড়ে জন্মদাত্রী মাকে কষ্ট দেওয়া সমীচীন নয়। কারণ, জীবনে কোনো বিপর্যয় ঘটলে কিংবা অকালমৃত্যু হলে অন্য যেকোনো সম্পর্কের মানুষ হয়তো একসময় নিজের পথ গুছিয়ে নেয়, কিন্তু মায়ের বুক খালি হলে সেই শূন্যতা ও অশ্রু চিরকাল থেকে যায়।

তাই পারিবারিক টানাপোড়েনের মাঝেও মায়ের নিঃস্বার্থ অবস্থান ও ভালোবাসাকে সবার ওপরে স্থান দেওয়া প্রতিটি সন্তানের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব।

কোন লেখা পরিবর্তন বা সরানোর দরকার নাই, নিউজে যদি ভুল থেকে সেটি সংশোধন করে দিন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%