সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫২ পি.এম
খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং খুলনা জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী জানিয়েছেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন এবং চিকিৎসা সেবা মানুষের দোর গোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি হচ্ছে মা, মাটি ও মানুষের দল।
দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মানবতার সেবা ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, উপকূলীয় জনপদ পাইকগাছা ও কয়রা দীর্ঘ সময় ধরে অবহেলিত রয়েছে।
তিনি বলেন, পূর্বের ওয়াদা অনুযায়ী বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে এই এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। অবহেলিত দুর্গম এবং প্রত্যন্ত এই এলাকার কোন মানুষ যাতে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যে সরকার এবং আমরা সবাই কাজ করছি। তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকলে এখানকার সুবিধাবঞ্চিত প্রতিটি মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার সোলাদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত ফ্রী চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ-সব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাপ্পী বলেন, চোখ মানব দেহের একটি গুরুত্বপুর্ণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলোর মধ্যে অন্যতম। অত্র এলাকার মানুষ এই ক্যাম্পের মাধ্যমে চোখের চিকিৎসা পাবে এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের ফ্রী ক্যাম্পের বেশি বেশি আয়োজন করা হবে।
উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সোলাদানা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম এনামুল হকের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব সাবেক প্যানেল মেয়র এসএম ইমদাদুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডাক্তার মোঃ আব্দুল মজিদ, খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ভাইস চেয়ারম্যান কে এম আশরাফুল আলম নান্নু, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ, আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার, ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান পীযুষ কান্তি মন্ডল।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা আবুল হোসেন, কাজী সাজ্জাদ আহমেদ মানিক, তুষার কান্তি মন্ডল, সেলিম রেজা লাকি, মোস্তফা মোড়ল, মেছের আলী, ইমরান সরদার, ইব্রাহিম গাজী, আবুল মজিদ গোলদার, সুজিত মন্ডল, সন্তোষ কুমার সরকার, সাত্তার মোড়ল, মফিজুল ইসলাম টাকু, সন্তোষ দাস, আসাদুজ্জামান ময়না, মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জিএম রাসেল ইসলাম, প্রণব কান্তি মন্ডল, মনিরুল ইসলাম মন্টু ও ফয়সাল রাশেদ সনি।
দিনব্যাপী ফ্রী চিকিৎসা ক্যাম্পে সাতক্ষীরার গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ প্রায় ২ হাজার রোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ৫ শত রোগীকে ছানী অপারেশনের জন্য বাছাই করেন। বাকী রোগীদের ব্যবস্থাপত্র, প্রয়োজনীয় ঔষধ ও চশমা বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) একজন মুখপাত্র সোমবার সতর্ক করে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যদি নতুন কোনো হামলা হয়, তাহলে ইরানের প্রতিক্রিয়ার ধরনে প্রতিরক্ষা ও পাল্টা হামলা উভয় ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে। হোসেন মোহেব্বি আল-আলম নিউজ নেটওয়ার্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে মন্তব্য করেন।
তিনি দাবি করেন, ‘আমরা নতুন অস্ত্র যুদ্ধক্ষেত্রে নিয়ে আসব এবং বিশ্ব তা দেখে বিস্মিত হবে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘ইরানের সামরিক কার্যক্রম এবার আগের তুলনায় অনেকটাই ভিন্ন হতে পারে। এই পরিবর্তন কেবল সামরিক কৌশলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। যুদ্ধের ভৌগোলিক পরিসর, ব্যবহৃত অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামেও এর প্রভাব পড়বে।’
মোহেব্বি বলেন, ‘এই পরিবর্তনগুলোর মধ্যে রয়েছে যুদ্ধের ভূগোলের পরিবর্তন এবং অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের পরিবর্তন।’
আইআরজিসির এই মুখপাত্র শুধু নতুন অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিতই দেননি, বরং লক্ষ্যবস্তু নির্বাচনের ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্যবস্তুগুলোও এখন আর আগের লক্ষ্যবস্তুগুলোর মতো একই নয়। আমাদের নতুন লক্ষ্যবস্তু রয়েছে, যেগুলোতে এখনো হামলা করা হয়নি।’
তবে মোহেব্বি তার বক্তব্যে নির্দিষ্ট করে কোনো অস্ত্র, সামরিক অবস্থান বা লক্ষ্যবস্তুর নাম উল্লেখ করেননি। ফলে তার মন্তব্যকে মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একটি সতর্কবার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
ওয়াশিংটন ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে—এমন দাবি ওঠার এক দিন পর আইআরজিসির পক্ষ থেকে এই সতর্কবার্তা প্রকাশিত হলো। এর পাশাপাশি ইরানও সতর্ক করে বলেছে, ‘যেকোনো ভুলের ফলে বেদনাদায়ক হামলা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের বাকসাডাঙ্গী গ্রামে বিদ্যুতের খুঁটি বসানোর কারণে বিরোধের জেরে চারটি পরিবারকে বাঁশের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে। বাড়ির একমাত্র প্রবেশপথ বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার ফলে প্রায় এক বছর ধরে তোমছেল মন্ডল, চগর শেখ, সাগর শেখ এবং হাসিনা বেগমের পরিবারের নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ অন্তত ১৫ জন সদস্য হাঁটু পানি দিয়ে চরম দুর্ভোগে চলাচল করছেন। এ ছাড়াও, অবরুদ্ধ পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের বাকসাডাঙ্গী গ্রামের তমছেল মন্ডলের বাড়ির উপর দিয়ে বিদ্যুতের লাইন ও খুঁটি বসানোর বিষয়ে স্থানীয় আবুল কালাম আজাদ, রেজাউল, শামীম, সোহেল, রফিক, রহমান, আকতার, ইস্রাফিল এবং ইমরানের সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়। তমছেল মন্ডলের ঘরের উপর দিয়ে জোরপূর্বক বিদ্যুতের লাইন টাঙানো হয়। বাঁধা দিতে গেলে তমছেল মন্ডলের মেয়ে তানজিনা খাতুনকে বাবুর নির্দেশে মারধর করে বাবু ও মুক্তি। ওই দিন তমছেল মন্ডলের ছেলে সুজন মন্ডল এবং অন্যান্যরা বাড়িতে না থাকায় বিনা বাধায় খুঁটি ও তার টাঙানো হয়। এ নিয়ে সুজন মন্ডল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এর পর থেকে প্রতিপক্ষরা ওই পরিবারগুলোর যাতায়াতের একমাত্র সাধারণ প্রবেশপথে বাঁশের শক্ত বেড়া তৈরি করে পথটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। ফলে শুকনো পথ দিয়ে যাতায়াতের কোনো উপায় না থাকায়, নিরুপায় হয়ে তাদের পেছনের একটি নিচু মাঠের হাঁটু সমান পানি ও কাদা মাড়িয়ে প্রতিদিন বাইরে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
অবরুদ্ধ পরিবারের সদস্য সাগর শেখ ক্ষোভ ও কান্নাভেজা কণ্ঠে বলেন, "আমাদের বাড়ির পথ বন্ধ করে দেওয়ায় আমরা এখন বন্দী জীবন পার করছি। হাঁটু পানি ভেঙে আমাদের বাইরে যেতে হয়। এর ওপর আমাদের নামে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে পুলিশি হয়রানি করা হচ্ছে। আমরা আতঙ্কে রাতে ঘুমাতেও পারছি না।" তিনি আরও বলেন, "ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাই, তারপরও তারা আমাকে মারধর করে কিস্তির টাকা পর্যন্ত ছিনিয়ে নিয়েছে।"
আরেক সদস্য সুজন মন্ডল বলেন, "আমার বাড়ির ঘরের উপর দিয়ে বিদ্যুতের তার টাঙানো হয়েছে। আমি তাদেরকে পথের পাশ দিয়ে তার টাঙানোর অনুরোধ করলেও তারা তা রাখেনি। আমার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে এবং প্রবেশপথে বেড়া দেওয়া হয়েছে। এখন হাঁটু পানিতে চলাচল করছি। শুধু তাই নয়, আমার ছোট ভাইকে বিদেশে কাগজ করে দেওয়ার কথা বলে আকতার ৬ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। কাগজ করতে ব্যর্থ হয়ে বাড়িতে এসে বেকার হয়ে আছে আমার ভাই। টাকা না দেওয়ার বাহানায় নানা ভাবে হয়রানি করছে।"
তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এহসানুল হক শিপন দুদফা ডেকে নিয়ে যান। সেখানে প্রশাসন উভয়পক্ষকে ডেকে শুনানির আয়োজন করলে অভিযুক্ত ইসরাফিল ও ইমরান দ্রুততম সময়ের মধ্যে বেড়া অপসারণ করার শর্তে লিখিত মুচলেকা প্রদান করেন।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের কাছে লিখিত মুচলেকা দেওয়ার পরও অভিযুক্তরা এখনো সেই বেড়া অপসারণ করেনি। উল্টো, প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে বেড়া বহাল রাখা হয়েছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।
বেদেনা বেগম বলেন, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ হারুন-অর রশীদ একজন মানবিক মানুষ। এ সকল জুলুমবাজদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তার সুনজর দাবী করছি।
সরেজমিনে গেলে অভিযুক্তদের মধ্যে আকতার বলেন, "আমাদের জায়গায় বেড়া দিয়েছি, এটা প্রশাসনের কোন ক্ষমতা নেই, বেড়া অপসারণ করে। এখানে আসতে হলে আমাদের অনুমতি নিয়ে আসতে হবে। এক ঘর লোক আমাদের সাথে বিরোধ করতে আসে। আমরা বেড়া সরাবো না, কারো ক্ষমতা থাকলে সরিয়ে দেখাক।"
অভিযুক্ত মুক্তি বলেন, "আমাদের নামে মামলা দেওয়ায় আমরা বেড়া দিয়েছি।" তবে বিদ্যুতের তার ঘরের উপর দিয়ে টাঙানোর বিষয়ে তিনি এড়িয়ে যান।
নারুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম চুন্নু বলেন, "ঘটনাটি অত্যন্ত অমানবিক। একটি বিদ্যুৎ খুঁটির জন্য ৪টি পরিবারকে এভাবে অবরুদ্ধ করে রাখা এবং হাঁটু পানি দিয়ে চলতে বাধ্য করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। প্রশাসনের উচিত দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে বেড়াটি অপসারণ করা এবং মিথ্যা মামলার হয়রানি থেকে পরিবারগুলোকে রক্ষা করা। আমি বিষয়টি জানতে পারলাম, দ্রুতই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।"
বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ মুরাদ ইসলাম বলেন, "আমি বিষয়টি জানি না। নতুন আসছি। মুচলেকা দেওয়ার পরও বেড়া অপসারণ না করা আইনের অবমাননা। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর মানবিক দিক বিবেচনা করে এবং যাতায়াত ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে দ্রুতই ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর ভাঙন প্রতিরোধে প্রস্তাবিত তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণে বাধা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে স্থানীয় প্রভাবশালী গোলাম কুদ্দুসের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী।
সোমবার দুপুরে উপজেলার চরখোলাবাড়িয়া আলহেরা দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন মধুমতি নদীর পাড়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) হাতে নিয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন ভাঙনকবলিত চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর গ্রামের শত শত নারী-পুরুষ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মধুমতির অব্যাহত ভাঙনে প্রতিদিন বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ শত শত পরিবার বর্তমানে নদীভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এলাকাটি রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণ জরুরি হলেও বেলবানা গ্রামের গোলাম কুদ্দুস এতে বিরোধিতা করছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, গোলাম কুদ্দুস নিজস্ব স্বার্থ রক্ষায় সরকারি দপ্তরে ক্ষতিগ্রস্তদের নাগরিকত্ব নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছেন এবং তারা আলফাডাঙ্গার ভোটার নন বলে দাবি করেছেন। এর প্রতিবাদে নিজেদের নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে এনআইডি হাতে নিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, মধুমতি নদীর উত্তর পাশে গোলাম কুদ্দুসের নিজস্ব জমি রক্ষার স্বার্থেই তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণের কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি তাঁর নেতৃত্বে গ্রামের একমাত্র ইটের রাস্তা থেকে ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগও করেন বক্তারা।
প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে অবিলম্বে মধুমতি নদীর দক্ষিণ পাশে স্থায়ী তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু এবং ভাঙনকবলিত পরিবারগুলোর বসতভিটা ও স্থাপনা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম, স্থানীয় বাসিন্দা আলামিন মিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান রাসেল, জহুর মোল্যা, রফিক মিয়া, ইয়াকুব মিয়া ও কামরুল মোল্যা প্রমুখ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ