ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজবাড়ীর বাকসাডাঙ্গীতে বিদ্যুতের খুঁটি নিয়ে বিরোধ, চার পরিবার অবরুদ্ধ


রাজবাড়ীর বাকসাডাঙ্গীতে বিদ্যুতের খুঁটি নিয়ে বিরোধ, চার পরিবার অবরুদ্ধ

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের বাকসাডাঙ্গী গ্রামে বিদ্যুতের খুঁটি বসানোর কারণে বিরোধের জেরে চারটি পরিবারকে বাঁশের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে। বাড়ির একমাত্র প্রবেশপথ বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার ফলে প্রায় এক বছর ধরে তোমছেল মন্ডল, চগর শেখ, সাগর শেখ এবং হাসিনা বেগমের পরিবারের নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ অন্তত ১৫ জন সদস্য হাঁটু পানি দিয়ে চরম দুর্ভোগে চলাচল করছেন। এ ছাড়াও, অবরুদ্ধ পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী পরিবার এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের বাকসাডাঙ্গী গ্রামের তমছেল মন্ডলের বাড়ির উপর দিয়ে বিদ্যুতের লাইন ও খুঁটি বসানোর বিষয়ে স্থানীয় আবুল কালাম আজাদ, রেজাউল, শামীম, সোহেল, রফিক, রহমান, আকতার, ইস্রাফিল এবং ইমরানের সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়। তমছেল মন্ডলের ঘরের উপর দিয়ে জোরপূর্বক বিদ্যুতের লাইন টাঙানো হয়। বাঁধা দিতে গেলে তমছেল মন্ডলের মেয়ে তানজিনা খাতুনকে বাবুর নির্দেশে মারধর করে বাবু ও মুক্তি। ওই দিন তমছেল মন্ডলের ছেলে সুজন মন্ডল এবং অন্যান্যরা বাড়িতে না থাকায় বিনা বাধায় খুঁটি ও তার টাঙানো হয়। এ নিয়ে সুজন মন্ডল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এর পর থেকে প্রতিপক্ষরা ওই পরিবারগুলোর যাতায়াতের একমাত্র সাধারণ প্রবেশপথে বাঁশের শক্ত বেড়া তৈরি করে পথটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। ফলে শুকনো পথ দিয়ে যাতায়াতের কোনো উপায় না থাকায়, নিরুপায় হয়ে তাদের পেছনের একটি নিচু মাঠের হাঁটু সমান পানি ও কাদা মাড়িয়ে প্রতিদিন বাইরে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

অবরুদ্ধ পরিবারের সদস্য সাগর শেখ ক্ষোভ ও কান্নাভেজা কণ্ঠে বলেন, "আমাদের বাড়ির পথ বন্ধ করে দেওয়ায় আমরা এখন বন্দী জীবন পার করছি। হাঁটু পানি ভেঙে আমাদের বাইরে যেতে হয়। এর ওপর আমাদের নামে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে পুলিশি হয়রানি করা হচ্ছে। আমরা আতঙ্কে রাতে ঘুমাতেও পারছি না।" তিনি আরও বলেন, "ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাই, তারপরও তারা আমাকে মারধর করে কিস্তির টাকা পর্যন্ত ছিনিয়ে নিয়েছে।"

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

আরেক সদস্য সুজন মন্ডল বলেন, "আমার বাড়ির ঘরের উপর দিয়ে বিদ্যুতের তার টাঙানো হয়েছে। আমি তাদেরকে পথের পাশ দিয়ে তার টাঙানোর অনুরোধ করলেও তারা তা রাখেনি। আমার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে এবং প্রবেশপথে বেড়া দেওয়া হয়েছে। এখন হাঁটু পানিতে চলাচল করছি। শুধু তাই নয়, আমার ছোট ভাইকে বিদেশে কাগজ করে দেওয়ার কথা বলে আকতার ৬ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। কাগজ করতে ব্যর্থ হয়ে বাড়িতে এসে বেকার হয়ে আছে আমার ভাই। টাকা না দেওয়ার বাহানায় নানা ভাবে হয়রানি করছে।"

তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এহসানুল হক শিপন দুদফা ডেকে নিয়ে যান। সেখানে প্রশাসন উভয়পক্ষকে ডেকে শুনানির আয়োজন করলে অভিযুক্ত ইসরাফিল ও ইমরান দ্রুততম সময়ের মধ্যে বেড়া অপসারণ করার শর্তে লিখিত মুচলেকা প্রদান করেন।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের কাছে লিখিত মুচলেকা দেওয়ার পরও অভিযুক্তরা এখনো সেই বেড়া অপসারণ করেনি। উল্টো, প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে বেড়া বহাল রাখা হয়েছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।

বেদেনা বেগম বলেন, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ হারুন-অর রশীদ একজন মানবিক মানুষ। এ সকল জুলুমবাজদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তার সুনজর দাবী করছি।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

সরেজমিনে গেলে অভিযুক্তদের মধ্যে আকতার বলেন, "আমাদের জায়গায় বেড়া দিয়েছি, এটা প্রশাসনের কোন ক্ষমতা নেই, বেড়া অপসারণ করে। এখানে আসতে হলে আমাদের অনুমতি নিয়ে আসতে হবে। এক ঘর লোক আমাদের সাথে বিরোধ করতে আসে। আমরা বেড়া সরাবো না, কারো ক্ষমতা থাকলে সরিয়ে দেখাক।"

অভিযুক্ত মুক্তি বলেন, "আমাদের নামে মামলা দেওয়ায় আমরা বেড়া দিয়েছি।" তবে বিদ্যুতের তার ঘরের উপর দিয়ে টাঙানোর বিষয়ে তিনি এড়িয়ে যান।

নারুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম চুন্নু বলেন, "ঘটনাটি অত্যন্ত অমানবিক। একটি বিদ্যুৎ খুঁটির জন্য ৪টি পরিবারকে এভাবে অবরুদ্ধ করে রাখা এবং হাঁটু পানি দিয়ে চলতে বাধ্য করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। প্রশাসনের উচিত দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে বেড়াটি অপসারণ করা এবং মিথ্যা মামলার হয়রানি থেকে পরিবারগুলোকে রক্ষা করা। আমি বিষয়টি জানতে পারলাম, দ্রুতই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।"

বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ মুরাদ ইসলাম বলেন, "আমি বিষয়টি জানি না। নতুন আসছি। মুচলেকা দেওয়ার পরও বেড়া অপসারণ না করা আইনের অবমাননা। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর মানবিক দিক বিবেচনা করে এবং যাতায়াত ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে দ্রুতই ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলে অনলাইনে ইলিশ মাছ প্রতারণা ও জুয়ার অভিযোগে ৯ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নড়াইল প্রতিনিধি

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৪ পি.এম


নড়াইলে অনলাইনে ইলিশ মাছ প্রতারণা ও জুয়ার অভিযোগে ৯ জন গ্রেফতার

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া ইউনিয়নের ঝামারঘোপ এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইনে জুয়া ও ইলিশ মাছ বিক্রির প্রতারণার অভিযোগে দুই ভাইসহ নয়জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার।

তিনি জানান, সারাদেশে কিছু অসাধু ব্যক্তি অনলাইনে ইলিশ মাছ বিক্রির নামে প্রতারণা ও জুয়া   কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এর মধ্যে নড়াইল জেলায়ও কয়েকজন ‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’, ‘নাহিদ ওয়ার্ড’, ‘কলম প্যাকেজিং’, ‘কাকলী ফার্নিচার’, ‘ইলিশ ভাইয়া চাঁদপুর’, ‘অনলাইন বিডি’ নামে ফেসবুকে লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে অনেক নিরীহ ও সরলমনা মানুষদের প্রতারিত করে যাচ্ছে।

এদের বিরুদ্ধে অভিযানের অংশ হিসেবে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) নড়াইল জেলা ডিবি ও থানা পুলিশ নড়াইলের লোহাগড়ার ঝামারঘোপ বাজারস্থ মা ফার্মেসিতে অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়াড়ি ও অনলাইন প্রতারকদের মূলহোতা মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার কলাগাছি গ্রামের আজাদ মোল্যার ছেলে ফরহাদ হোসেন (২৬) ও তার ভাই ফরিদ হোসেনকে (২৮) গ্রেফতার করে। ফরহাদ ওষুধ দোকানির আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে জুয়া ও ফেসবুকে ইলিশ মাছ বিক্রির লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে।  

এছাড়া ফরহাদ হোসেনের অন্যতম সহযোগী নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া ডহরপাড়ার রবিউল ইসলামের ছেলে সজীব হোসেন (৩০), একই উপজেলার গোবিন্দপাড়ার প্রহ্লাদ মজুমদারের ছেলে প্রসেনজিৎ মজুমদার (৩০), চরঝামারঘোপ গ্রামের শাহাদাৎ মোল্যার ছেলে জমির মোল্যা (৪৫), কালিনগর গ্রামের মিন্টু মোল্যার ছেলে লাহু মিনহাজ (২৪), ওই গ্রামের (কালিনগর) বীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাসের ছেলে বিবেক বিশ্বাস (২৫), মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার কলাগাছি গ্রামের মহামিন মোল্যার ছেলে আলাউদ্দিন মোল্যা (২৮) এবং ওই গ্রামের (কলাগাছি) সাখাওয়াত মোল্যার ছেলে নাজমুল মোল্যাকে (২৬) গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার আরও জানান, নয়জনকে গ্রেফতারপূর্বক তাদের হেফাজত থেকে অনলাইন জুয়া ও প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত মোবাইল ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া অনলাইন জুয়া ও প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন অ্যাপসের ব্যবহার ও ই-ট্রানজেকশনের  তথ্য পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় লোহাগড়া থানায় জুয়া প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। যার সর্বোচ্চ সাজা সাত বছর কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ৫ কোটি টাকা অর্থদণ্ড ছাড়াও উভয়দণ্ড শাস্তি হতে পারে।

পুলিশ সুপার অনলাইনে মুখরোচক ও লোভনীয় বিজ্ঞাপন দেখে কেনাকাটা না করার জন্য সবার প্রতি আহবান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন-অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর-ই-আলম সিদ্দিকী ও মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি মোঃ আলাউদ্দিনসহ পুলিশ কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা। #
 
 
 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুমতির তীররক্ষা বাঁধে বাধার অভিযোগে গোলাম কুদ্দুসের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


মধুমতির তীররক্ষা বাঁধে বাধার অভিযোগে গোলাম কুদ্দুসের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর ভাঙন প্রতিরোধে প্রস্তাবিত তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণে বাধা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে স্থানীয় প্রভাবশালী গোলাম কুদ্দুসের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী।

সোমবার দুপুরে উপজেলার চরখোলাবাড়িয়া আলহেরা দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন মধুমতি নদীর পাড়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) হাতে নিয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন ভাঙনকবলিত চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর গ্রামের শত শত নারী-পুরুষ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মধুমতির অব্যাহত ভাঙনে প্রতিদিন বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ শত শত পরিবার বর্তমানে নদীভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এলাকাটি রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণ জরুরি হলেও বেলবানা গ্রামের গোলাম কুদ্দুস এতে বিরোধিতা করছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, গোলাম কুদ্দুস নিজস্ব স্বার্থ রক্ষায় সরকারি দপ্তরে ক্ষতিগ্রস্তদের নাগরিকত্ব নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছেন এবং তারা আলফাডাঙ্গার ভোটার নন বলে দাবি করেছেন। এর প্রতিবাদে নিজেদের নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে এনআইডি হাতে নিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, মধুমতি নদীর উত্তর পাশে গোলাম কুদ্দুসের নিজস্ব জমি রক্ষার স্বার্থেই তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণের কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি তাঁর নেতৃত্বে গ্রামের একমাত্র ইটের রাস্তা থেকে ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগও করেন বক্তারা।

প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে অবিলম্বে মধুমতি নদীর দক্ষিণ পাশে স্থায়ী তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু এবং ভাঙনকবলিত পরিবারগুলোর বসতভিটা ও স্থাপনা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম, স্থানীয় বাসিন্দা আলামিন মিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান রাসেল, জহুর মোল্যা, রফিক মিয়া, ইয়াকুব মিয়া ও কামরুল মোল্যা প্রমুখ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মিঠু মুখার্জি আর নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মিঠু মুখার্জি আর নেই

বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মিঠু মুখার্জি আর আমাদের মাঝে নেই। রবিবার রাতে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৭১ বছর। খবরটি এনডিটিভির মাধ্যমে জানা যায়।

সত্তরের দশকে বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম পরিচিত মুখ হিসেবে মিঠু মুখার্জি প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। অভিনয়ের বিশেষ ধরন এবং পর্দায় তার উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি দর্শকদের মনে একটি আলাদা স্থান তৈরি করেছিলেন। তবে জীবনের পরবর্তী পর্যায়ে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্র ও জনসম্মুখ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন এই অভিনেত্রী।

১৯৭২ সালে চিত্ত বসুর ‘শেষ পর্ব’ সিনেমার মাধ্যমে তিনি বড় পর্দায় অভিষেক ঘটান। এরপর দীনেন গুপ্তর ‘মর্জিনা আবদুল্লা’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয়ের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন। এই ছবির সাফল্যের পর বাংলা চলচ্চিত্রে তার অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

মিঠু মুখার্জির উল্লেখযোগ্য বাংলা সিনেমাগুলোর মধ্যে ‘নিশিকন্যা’, ‘মৌচাক’ ও ‘স্বয়ংসিদ্ধা’ অন্তর্ভুক্ত। সত্তরের দশকে এসব সিনেমায় তার অভিনয় দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। বাংলা সিনেমার পাশাপাশি তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন। দুলাল গুহর ‘খান দোস্ত’ সিনেমার মাধ্যমে হিন্দি চলচ্চিত্রে প্রবেশ করেন তিনি। এরপর বাসু চ্যাটার্জির ‘সফেদ ঝুট’-এ অভিনয় করেন। তার অভিনীত অন্যান্য হিন্দি সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘দিল্লাগি’ ও ‘দো লড়কে দোনো কড়কে’।

একসময় অভিনয় থেকে দূরে সরে যান মিঠু মুখার্জি। দীর্ঘ বিরতির পর ১৯৯০ সালে চন্দ্রা বারোটের ‘আশ্রিতা’ সিনেমার মাধ্যমে আবারও পর্দায় ফিরে আসেন তিনি। তবে এরপরও তাকে নিয়মিত অভিনয়ে দেখা যায়নি।

সত্তরের দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সঙ্গে জড়িত এই অভিনেত্রীর মৃত্যুতে চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘদিন পর্দার আড়ালে থাকলেও মিঠু মুখার্জির অভিনীত চরিত্র ও সিনেমাগুলো এখনো বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের স্মৃতিতে অমলিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকেরগঞ্জে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা সংক্রান্ত কমিটির সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


বাকেরগঞ্জে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা সংক্রান্ত কমিটির সভা

বরিশালের বাকেরগঞ্জে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা সংক্রান্ত উপজেলা কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে কোডেকের আয়োজনে ও উপজেলা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহযোগীতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলটন চন্দ্র পালের সভাপতিত্বে ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মেহেদী মাসুদের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা খন্দকার আমিনুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির উদ্দিন জোমাদ্দার, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি দানিসুর রহমান লিমন, এস আই দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি সুলতান আহমেদ আকন, সাধারণ সম্পাদক মীরা দেবনাথ, কোডেকের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর আইরিন পারভীন প্রমূখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%